Monday, 21 January 2019

ওয়েব ডেস্ক ২১শে জানুয়ারি ২০১৯: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছিলেন ইভিএম হ্যাক করা হচ্ছে , তখন তার কথা কেউ শোনেননি , এখন তার আশঙ্কাটা কতটা সত্যি ছিল  তার প্রমান পাওয়া গেল এক মার্কিন হ্যাকারের স্বীকারোক্তিতে । ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময়েই হ্যাক করা হয়েছিল ভোটিং মেশিন। সাহায্য নেওয়া হয়েছিল ট্রান্সমিটারের। সায়েদ আহুজা নামে এক ব্যক্তি এই বিস্ফোরক দাবি করেছেন। যদিও সেই ঘটনার কথা এখন প্রমাণ করতে পারবেন না মার্কিন হ্যাকারটি। সেই ঘটনার কথা জানতেন বিজেপি নেতা গোপীনাথ মুণ্ডে। সেকারণেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল।

একটি সাংবাদিক বৈঠকে ভিডিও কলের মাধ্যমে মুখ গোপন রেখে তিনি জানান, ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে এবং পরবর্তীকালে মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাটের বিধানসভা ভোটে যে ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছিল, সেগুলি তৈরির সময়ে তিনি যুক্ত ছিলেন। সেই সংস্থায় তখন কাজ করতেন তিনি। সত্যি চেপে রাখতে চাননি বলেই শেষ কয়েকদিন ধরে তাঁকে হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তিনি সত্যি কথাটা বলতে চেয়েছেন বলেই আজ সাংবাদিকদের সব জানিয়ে দিলেন। তিনি বলেন, যে কোনও ইভিএম হ্যাক করা সম্ভব। আর সেই কারণেই ভোটে সহজেই কারচুপিও করতে পারে যে কেউ। লন্ডনে আয়োজিত ‘‌ইন্ডিয়ান জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন’‌ এর সাংবাদিক বৈঠকে ইভিএম কীভাবে হ্যাক করতে হয়, সেটাও দেখান সায়েদ। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বাল। এই প্রথম নয়, ২০১৭ সালে আপ বিধায়ক সৌরভ ভরদ্বাজ দেখিয়েছিলেন, কীভাবে ইভিএম হ্যাক করা সম্ভব। সেই সময়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছিল, ইভিএম নিয়ে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে, সেটা আসল যন্ত্রের অনুরূপ একটি যন্ত্র। আসল নয়। তাই এই পরীক্ষার মানে হয় না। আগাগোড়া কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছিল, ভারতে যে ইভিএম ব্যবহার করা হয়, তা কিছুতেই হ্যাক করা সম্ভব নয়। যদিও, এদিনের সাংবাদিক বৈঠক নির্বাচনে ব্যবহৃত ইভিএমের উপর প্রশ্ন তুলে দিল। 
ওয়েব ডেস্ক ২১শে জানুয়ারি ২০১৯: গত শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ব্রিগেডের সভায় যোগ দিয়েছিলেন এচ ডি দেবগৌড়া , আর আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন তারই ছেলে এচ ডি কুমারস্বামী । এমনকী গোটা দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। সোমবার সংবাদসংস্থা পিটিআইকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এই দাবিই করলেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী।যদিও তিনি মনে করেন, এই মুহূর্তে নেতৃত্ব ঠিক করাতে বেশি জোর দেওয়া উচিত নয়। বরং লোকসভা নির্বাচনে কোন পথে হাঁটা উচিত, কী নীতি নেওয়া উচিত তার ওপর জোর দেওয়া ভাল।
সংবাদসংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‌আমার মতে, নির্বাচনে জিততে গেলে নেতৃত্ব নিয়ে এখন ভাবলে চলবে না। কারণ গোটা দেশের মানুষ নরেন্দ্র মোদির শাসনে হতাশ। বিভিন্ন রাজ্যের নিজের নিজের সমস্যা রয়েছে। তাই নির্বাচনের আগে নেতৃত্ব ঠিক করার প্রয়োজন নেই। ওটা নির্বাচনের পরে ঠিক করাই যাবে আলোচনা করে। তবে মমতা ব্যানার্জির ক্ষমতা রয়েছে গোটা দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার। কারণ তিনি সাধারণের থেকে সাধারণ হলেও দক্ষ প্রশাসক। আর আমি বিশ্বাস করি তিনি বাংলার ক্ষমতায় এসে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।’‌ ১৯৭৭ সালে তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে বিদ্রোহের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কুমারস্বামী বলেন, ‘‌সেই সময়ের সঙ্গে বর্তমান সময়ের মিল রয়েছে। তাই রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নেতা ঠিক করবেন। আমি মনে করি তাতে কোনও সমস্যা হবে না। মমতাজি যে উদ্যোগ নিয়েছেন তার আমি ভূয়সী প্রশংসা করি। সবাইকে নিয়ে তিনি চলতে জানেন।’‌একদিকে কুমারস্বামীর স্বাথে কংগ্রেসের সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছেনা তখন মমতার নাম প্রধানমন্ত্রিত্বের জন্য এগিয়ে দিয়ে তিনি কি বার্তা দিতে চাইলেন এখন এটাই লক্ষ টাকার প্রশ্ন ।
ওয়েব ডেস্ক ২১শে জানুয়ারি ২০১৯: বিগত সাড়ে চার বছরের বিজেপি সরকার ভারতকে ৪৯ শতাংশ দেনার দায়ে ডুবিয়েছে যা অঙ্কের হিসাবে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২ লক্ষ কোটি টাকা। এটা সরকারের প্রকাশিত  ৮ম সংস্কার অনুসারে , যা দেখে রীতিমতো স্তম্ভিত , দেশের অর্থনৈতিকবিদরা ।

সাম্প্রতিককালের অর্থমন্ত্রকের তথ্য অনুসারে  ২০১৪সালের  জুন মাস পর্যন্ত এই অঙ্কটা ছিল ৫৪,৯০,৭৬৩ কিন্তু ২০১৮ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২,০৩,২৫৩  । মোদীজির জমানায় মার্কেট থেকেই ঋণ নেওয়া হয়েছে ৪৭শতাংশের একটু বেশি ।কিন্তু মন্দের ভালো হল , সোনা ঋণ করতে হয়নি কারণ নোটবন্দির মতো সোনাবন্দির  জন্য যেই অঙ্কটা ২০১৪ তে ছিল সেই একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে সাড়ে চার বছরের পরেও । অঙ্কটা ৯০৮৯ কোটি টাকা ।এটাই কি আছে দিন ?
ওয়েব ডেস্ক ২১শে   জানুয়ারি ২০১৯: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার , শিক্ষক এবং অশিক্ষক  কর্মীদের ওপর একগুচ্ছ বিধিনিষেধ নিয়ে এল যা প্রকৃত পক্ষে সাধুবাদ জানাচ্ছে সব পক্ষ ।প্রথমত বিধিনিষেধে বলা আছে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরা এমন কোনো কাজে জড়িত থাকতে পারবেনা যেখানে  জাতিগত বৈষম্য ছোঁয়া লেগে থাকতে পারে। তারা এমন কোনো কাজও করতে পারবেনা যা মানুষ মানুষে বিভেদের সৃষ্টি করে বা বৈষম্যের শিকার হতে হয় অন্য কাউকে ।


স্কুলে তাস খেলা যাবে না। ধূমপান করা যাবে না। অন্য কোনও নেশাও করা যাবে না। ক্লাস চলাকালীন স্কুলের বাইরেও এই বিধি শিক্ষকদের ক্ষেত্রে আরোপ থাকবে। আর এই অভিযোগ প্রমাণ হলেও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  নয়া আচরণবিধিতে বলা হয়েছে- স্কুল, দেশ ও জাতির প্রতি সম্মান রেখে চলতে হবে শিক্ষকদের। নেশা করা যাবে না। ব্যবসার সঙ্গ যুক্ত থাকা যাবে না। প্রাইভেট টিউশন করা যাবে না। নির্বাচনে অংশ নিতে হলে অনুমতি নিতে হবে। সম্পত্তির হিসেব দাখিল করতে হবে। অভিভাবকদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত থাকতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া ছাত্রছাত্রীদের মানসিক ও শারীরিক কোনও আঘাত করা যাবে না। স্কুল ও স্কুলের বাইরে ভালো পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। কোনও বিশৃঙ্খলায় পড়ুয়াদের প্ররোচনা দেওয়া যাবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে। উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও পরীক্ষাহলে পরীক্ষাকের সঠিক দায়িত্ব মেনে কাজ করতে হবে।বেসরকারি কোনো অনুষ্ঠানে স্কুল পড়ুয়াদের তাদের অভিভাবকদের অনুমতি ছাড়া অংশ গ্রহণ করানো যাবেনা , ধর্ম দেখে কারোর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করলে বা লিঙ্গ বৈষম্য করলে কড়া অবস্থান সরকারের তরফ থেকে নেওয়া হবে বলে বিধিনিষেদে রয়েছে ।
ওয়েব ডেস্ক ২১শে   জানুয়ারি ২০১৯: কাশ্মীরের পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ( পি ডি পি )-র বিধায়কের গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছিল ২০১৭ সালে অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের উপর হামলার ঘটনায়। এছাড়া জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা ( এ এন আই )-র তদন্তে এই বিধায়কের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গিগোষ্ঠীর যোগ আছে বলেও জানা যাচ্ছে। এই পি ডি পি বিধায়ক হলেন আয়াজ আহমেদ মির।
দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগে জুলাই মাসে ঘটেছিল এই জঙ্গি হানার ঘটনা। শ্রীনগর — জম্মু জাতীয় সড়কে তীর্থযাত্রীদের একটি বাস আটকে রেখে বাইরে থেকে গুলিবর্ষণ করেছিল জঙ্গিরা।
২০১৭ সালের জুলাই মাসে দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগে হামলা চালানো হয়েছিল অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের উপর। শ্রীনগর-জম্মু জাতীয় সড়কে তীর্থযাত্রীদের একটি বাস আটকে বাইরে থেকে গুলিবর্ষণ করেছিল জঙ্গিরা। আটজন তীর্থযাত্রী প্রাণ হারান। এরা অধিকাংশই ছিলেন গুজরাতের বাসিন্দা।
ওয়েব ডেস্ক ২১শে   জানুয়ারি ২০১৯: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে গত শনিবার ব্রিগেডে এসে অন্ধ্র প্রদেশের  মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তুলোধোনা করলেন ।মোদীজিকে  প্রচারের প্রধানমন্ত্রী বলে অভিভূত করে তিনি বলেন দেশের দরকার 'কাজের প্রধানমন্ত্রী ' প্রচারের নয় । তিনি এমনও বলেন, দেশের সাথে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাসঘাতকতা   করেছেন ।
তার কথায় বিজেপি সরকারে আসবার আগে বলেছিল  জনস্বাস্থ্যের ওপর সচেতনতা , কালো টাকা ফেরত , স্মার্ট সিটি তৈরী  , এবং বছরে ২ কোটি বেকারকে চাকরি দেবে ,  কিন্তু আদতে তারা কিছুই করেনি তাই এরকম সরকার আর দরকার নেই বলে তিনি জানান । তিনি আরো জানান বিজেপি স্বপ্ন দেখিয়েছিল কৃষকদের রোজগার দ্বিগুন হবে কিন্তু কেন্দ্রের ভুল পদক্ষেপের জন্য তারা আরও বেশি করে দারিদ্র সীমার নিচে চলে গেছে । রাফায়েল চুক্তি নিয়েও চন্দ্রবাবুনাইডু বলেন , সর্বোচ্চ আদালতে তারা ইচ্ছা কৃত ভাবেই ভুল এফিডেভিড দাখিল করে নিজেদের কার্য্য সিদ্ধির জন্য ।

Sunday, 20 January 2019

ওয়েব ডেস্ক ২০শে   জানুয়ারি ২০১৯: শশী থারুর চিরকালই একজন ভালো বক্তা , দেশের বাইরে দীর্ঘ সময় কাটাবার পরও সাধারণ মানুষের অনুভূতি ভালোই বোঝেন ।সেই মতো কলকাতার ঝটিকা সফরে এসে মোদীর বিরুদ্ধে আর একটু হাত শক্ত করে দিয়ে গেলেন ।প্রসঙ্গত কলকাতার এনএইচএসএম ক্যাম্পাসে এসে তিনি জানান, দেশকে বর্তমান বিপদের হাত থেকে বাঁচাতে সব বিরোধী দলকে একজোট হতে হবে।

এনএইচএসএম ক্যাম্পাসের এক অনুষ্ঠানে এসে লোকসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে শশী থারুর বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন কোনও সাধারণ নির্বাচন নয়, এটা ‌দেশের আত্মা ও ভবিষ্যতের জন্য এই লড়াই। বিরোধী দলগুলিকে তাই একজোট হতে হবে। আমি আশাবাদী একজোট হয়ে লড়লে সফল হওয়া যাবে।’ কংগ্রেস সাংসদ জানান, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী আগেই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে মহাজোটে নয়, তবে তিনি অন্য বিরোধী দলগুলির সঙ্গে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‌২০১৪ সালে যে সরকার এসেছে, সেই সরকার দেশবাসীকে শুধুমাত্র ভুল পথে চালনা করছে। শুধু তাই নয়, দেশকে বিপদের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাই এই বিজেপি সরকারকে দ্রুত ক্ষমতাচ্যুত করতে হবে। তার জন্য একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে বিরোধীদের।’‌  ‌‌
ওয়েব ডেস্ক ২০শে   জানুয়ারি ২০১৯: উত্তর প্রদেশের পুলিশ কতটা অমানবিক হতে পারে আজ তারও প্রমান পাওয়া গেল ।বয়স্ক মানুষদের যে সন্মান দেখানো উচিত সে সবের  তো কোনো বালাই নেই উল্টে তাদের অশ্রুতে আনন্দ উপভোগ করতে  দেখা গেল এক পুলিশ অফিসারকে ।প্রসঙ্গত গত শুক্রবার লখনউয়ের গুড়ম্বা পুলিস থানায় ব্রহ্মাদেবী নামে ৭৫ বছরের এক বৃদ্ধা তাঁর নাতি, ২০ বছরের আকাশ যাদবের মৃত্যুর এফআইআর দায়ের করাতে গিয়েছিলেন। উল্লেখ, গত বছরই দেশের সেরা তিন থানার মধ্যে অন্যতম হয়েছিল গুড়ম্বা থানা। লখনউ–এর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এজন্য ওই থানার কর্মীদের পুরস্কৃতও করেছিলেন।


একটি প্লাইউড কারখানার কর্মী আকাশ মেশিন বিগড়ে যাওয়ায় তার তলায় চাপা পড়ে মারা যান শুক্রবার। আকাশের সহকর্মীদের অভিযোগ, ওই কারখানার প্রায় সব মেশিনই বহু পুরনো। সেব্যাপারে বহুবার বললেও কর্ণপাত করেনি মালিক অজয় গুপ্তা। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অজয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে ওই দিনই গুড়ম্বা থানায় যান ব্রহ্মাদেবী এবং তাঁর পরিজন–প্রতিবেশীরা। ব্রহ্মাদেবীর আত্মীয়–পরিজনদের অভিযোগ, অনেকক্ষণ পরেও এফআইআর না নেওয়ায় থানার ইন–চার্জ তেজপ্রকাশ সিং–এর পায়ে পড়ে অনুরোধ করতে থাকেন বৃদ্ধা। প্রথমে আয়েস করে চেয়ারে বসে বৃদ্ধার কান্নাকাটি দেখছিলেন তেজপ্রকাশ। যখন তিনি পায়ে পড়তে যান, তখনও কোনওরকম জোরাল বাধা দেননি অফিসার। সেই ছবিই ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সূত্রের খবর অনুসারে ফুটেজ ভাইরাল হতেই নড়ে চড়ে বসেছে শীর্ষ পুলিশ কর্তারা । তারা তদন্তের পর  কি পদক্ষেপ নেয় এখন সেটাই  দেখার । 
ওয়েব ডেস্ক ২০শে   জানুয়ারি ২০১৯: বিরোধিতা তিনি অনেক দিন ধরেই করছিলেন কিন্তু কোনো দিন সরাসরি নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি নিয়ে আক্রমণ করেননি, যা গতকাল করে শিরোনামে চলে এসেছেন বিহারের শত্রুঘন সিনহা ।এবার শাস্তি পাওয়ার পালা বলেই মনে করছেন অনেক বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা , অন্তত সূত্র অনুসারে তাই জানা যাচ্ছে ।প্রসঙ্গত তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জির ডাকে কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা শত্রুঘ্ন সিন্‌হা। মঞ্চে বলতে উঠে মোদির রাফাল দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন তিনি।

এই কুৎসা আর সহ্য হয়নি বিজেপির। তাই শত্রুঘ্ন সিনহার বিরুদ্ধে এবার শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে বিজেপি। সূত্রের খবর দলের একাংশ শত্রুঘ্নর এই সরকার বিরোধী বক্তব্যে অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হয়েছে। পার্টি মনে করছে শত্রুঘ্ন মোদির নামে অকারণে কুৎসা রটাচ্ছেন। এই নিয়ে দলের অন্দরে আলোচনা চলছে। অমিত শাহ সক্রিয় ভাবে কাজ শুরু করলেই বিষয়টি নিয়ে তাঁরা বৈঠকে বসবেন বলে মনে করা হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে বিরোধী শিবিরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে দলবিরোধী কথা বলায় শত্রুঘ্ন সিন্‌হাকে শোকজ করতে পারেন মোদি। অর্থাৎ বহিষ্কারের যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়ে গিয়েছে। শুধু অমিত শাহের অপেক্ষা। তিনি সিলমোহর দিলেই কোপ পড়বে শত্রুঘ্নর। তৃণমূলের ব্রিগেডে যোগ দিয়ে মহাজোটে সামিল হওয়ার বার্তাই দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ শত্রুঘ্ন সিন্‌হা। ৭২ বছরের প্রবীণ এই বিজেপি সাংসদ পাটনার সাহিব থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।এবার অমিত শাহ সুস্থ হয়ে আসার পর কি সিদ্ধান্ত নেন এখন এটাই দেখার।  
ওয়েব ডেস্ক ২০শে   জানুয়ারি ২০১৯: মমতার ডাকা ১৯শে জানুয়ারির ব্রিগেডে বিজেপিকে তুলোধোনা করলেন ড: ফারুক আব্দুল্লাহ । একটু ঘুরিয়ে হলেও কেন্দ্র সরকারকে চোর বলে সম্মোধন করেন তিনি ।এর আগে এরকম রূপ তার কেউ দেখেছে কি না সন্দেহ প্রকাশ করলেন অনেকেই ।
প্রসঙ্গত দেশের ইলেকট্রনিক ভোট যন্ত্রকে (ইভিএম) ‘চোর মেশিন’ বলেন  জম্মু-কাশ্মিরের প্রাক্তন  মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান ডা. ফারুক আব্দুল্লাহ।শনিবার ব্রিগেড ময়দানে বিজেপি বিরোধী মহাসমাবেশে ভাষণ দেয়ার সময় তিনি ওই অভিযোগ করেন।ফারুক আব্দুল্লাহ বলেন, “এটা ‘চোর মেশিন’। আমি অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে বলছি এটা ‘চোর মেশিন’! এই মেশিনকে শেষ করে দেয়া উচিত। দুনিয়ার কোথাও এই মেশিন নেই। এই মেশিনের সাহায্যে চুরি (ভোট) করা হচ্ছে! নির্বাচনে তা দেখা গেছে।” রাজনৈতিক মহলে সঙ্গে সঙ্গে গুঞ্জন ছড়িয়ে যায় , তাহলে কি এই ভোট মেশিনের কারচুপিতে বিজেপির এতো সাফল্য পূর্বে এসেছিল ? উস্কে দিল জল্পপনা ।
loading...