Wednesday, 19 June 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জুন ২০১৯: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো স্বচ্ছ মুখ্যমন্ত্রী ভারতে এসেছে না আসবে । যিনি যা বলেন সবার সামনে বলেন পেছনে কিছু নয় । অন্যায়কে তিনি কোনোদিনও প্রশ্রয়  দেননি এবং আজও দেননা । প্রসঙ্গত রাজ্যের কয়েকটি প্রকল্প থেকে যাঁরা কাটমানি নিয়েছেন, তাঁদের সব টাকা ফেরত দিতে হবে। এঁদের মধ্যে কয়েকজন অন্য দলে পালিয়ে গেছেন। কমিশন ও কাটমানি নেওয়ায় এভাবেই হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। মঙ্গলবার নজরুল মঞ্চে রাজ্যের সব পুরসভার কাউন্সিলর ও চেয়ারম্যানদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।
কর্মীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌গরিবদের জন্য ‘‌বাংলার বাড়ি’‌ তৈরি করা হয়েছে। সেখান থেকে ২৫ হাজার টাকা করে কমিশন নেওয়া হয়েছে। সমব্যথী ও কন্যাশ্রী প্রকল্প থেকেও ২০০ টাকা করে কমিশন নেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রকল্প ‘‌বাংলার বাড়ি’‌ সকলের জন্য। ২৫ শতাংশ কাটমানি যাঁরা নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই বিজেপি–তে পালিয়ে গেছেন। যাঁরা এই কাটমানি নিয়ে এখন দলে আছেন, তাঁরা এই টাকা ফেরত দেবেন। ভবিষ্যতে এমন কাজ করবেন না।’‌ এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী কোনও রাখঢাক না করে বলেছেন, ‘‌চোরেদের দলে রাখব না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এঁরা চলে যান। দল শূন্যস্থান পূরণ করে নেবে। এ ব্যাপারে নতুন করে কাজও শুরু হয়েছে।’‌‌ তিনি এদিন এ–ও বলেন, ‘‌দল ছেড়ে যাঁরা গেছেন তাঁরা যদি পায়ে ধরে ফেরত আসতে চান, তাহলেও নেওয়া হবে না। পুরনোদের দলের কাজে ফেরাতে হবে। তৃণমূল দুর্বল নয়। ১৫–২০ জন কাউন্সিলর চলে গেছেন। তাতে বয়ে গেছে আমার। নতুনদের টিকিট দেওয়া হবে।’‌।এতো কাউন্সিলর চলে গেলেও তাতে তৃণমূলের যে কিছু আসে যায়না সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখে না বললেও বুঝিয়ে দিলেন ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জুন ২০১৯: মমতা মন্দ্যোপাধ্যায় এক কথার মানুষ উনি যা বলেন তাই করেন, মানুষের স্বার্থে নিজের দুর্নীতিগ্রস্ত  দলীয় সৈনিককেও শাস্তি দিতে পিছপা হননা । মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর যেরকম কথা সেরকম কাজ । প্রসঙ্গত কাটমানি নিয়ে মনটা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন তারই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার মালদহ জেলার রতুয়া থানার মহানন্দাটোলার প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান সুকেশ যাদব কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আজকে তাকে চাঁচল আদালতে তোলা হয়। পুলিশ সাত দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে রতুয়া ব্লকের বিডিও রতুয়া থানাতে এফআইআর করেছিলেন। তৎকালিন প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ নির্মল বাংলা মিশনের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে যে শৌচাগার তৈরীর কথা ছিল প্রধান এই শৌচাগার তৈরীর টাকা আত্মসাৎ করেছে।মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজরিয়া বলেন, প্রাথমিক ভাবে প্রায় ৫০০টি শৌচালয়ের কথা উল্লেখ থাকলেও এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। সেই জন্য আমরা প্রধান কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিতে চায়। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মৌসম নূর বলেন, আমাকে সদ্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তে বিরুদ্ধে দল যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেবে।প্রশ্ন জাগে সিপিএমের জমানায় কটা দুর্নীতি গ্রস্ত নেতাদের শাস্তি দেওয়া হয়েছিল ? উত্তর একটাই , সব ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল । 
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জুন ২০১৯:  বাংলার মুখ্যমন্ত্রী চিরকালই স্পষ্টবাদী তিনি কোনো রাক ঢাক করে কথা বলেননা । যা তার মনে সেটাই তার মুখে , অন্তত  সারা দেশের মানুষ তাকে এই ভাবেই চেনে ।
আজ অকপটে স্বীকার করলেন কিছু লোককে বেশি ভালোবেসে আদতে তিনি ভুলই করেছেন । লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে তৃণমূলের আসন কমার পর এবার সেই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মঙ্গলবার নজরুল মঞ্চে মমতার ঘোষণা, “আমরা ভুল করেছিলাম, তা সংশোধন করতে হবে।”
কিন্তু, কোন ভুলের কথা বললেন মমতা?নোয়াপড়ার বিধায়ক সুনীল সিং সোমবার দিল্লিতে বসে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি সম্পর্কে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভগ্নীপতি। এর আগে অর্জুন ছিলেন ভাটপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক ও ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান। মমতার স্বীকারোক্তি, “যে বিকাশকে সিপিএমের আমলে খুন করল তাদেরই টিকিট দিলাম। তাঁর (বিকাশের) স্ত্রীকে টিকিট দিইনি। আত্মীয়ের কথায় টিকিট দিয়েছিলাম। এটা আমাদের ভুল ছিল। বেশি ভালবেসে ফেলেছিলাম। এই ভুলগুলো আমাদের সংশোধন করতে হবে।” তাঁর আত্মপোলব্ধি, “ভুল শুধু কর্মীরা করে না, আমাদেরও ভুল হয়। এটা আমাদের ভুল।”মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশুকে বীজপুর বিধানসভার টিকিট দেওয়া নিয়েও আপশোস করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভানেত্রী। তিনি বলেন, “বাবা দল করতেন, তাই বাবার ছেলেকে টিকিট দিয়েছিলাম”। এর আগে কাঁচরাপাড়ায় মমতা বলেছিলেন, “বিশ্বাস করে তাঁকে ফের দলে নিয়ে ভুল হয়েছিল”। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য়, ঘর ভাঙানোর খেলায় মুকুল যে এ বাংলায় সবার থেকে এগিয়ে তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে আর কেউ ভাল জানেন না। 
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জুন ২০১৯:  মমতার পথেই যে অনেক মুখ্যমন্ত্রী হাঁটছেন সেটা আর খাতায় কলমে নয় , বাস্তবে । প্রধানমন্ত্রীর সর্বদলীয় বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে যাবেননা সেটাই আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন তার পূর্ব নির্ধারিত সুচির জন্য । তবে মমতার পথে যে পা বাড়াবেন আরও অনেকেই সেটা হয়তো বুঝতে পারেনি মোদী সরকার । প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুধবার সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন প্রধানত দু’টি বিষয়ে আলোচনা করতে। যার একটি তাঁর প্রস্তাবিত ‘এক দেশ এক নির্বাচন’।
দ্বিতীয়টি নীতি আয়োগ প্রস্তাবিত ২৮টি রাজ্যের ১১৭টি জেলার আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটানোর জন্য ‘অ্যাসপিরিশনাল ডিস্ট্রিক্টস’। সমস্ত দলের প্রধান নেতানেত্রীকে সরকারের তরফে বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কিন্তু সাতজন গুরুত্বপূর্ণ নেতানেত্রী বৈঠকে আসছেন না। এঁদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন মুখ্যমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও বৈঠকে আসছেন না। পাশাপাশি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তেলুগু দেশম পার্টি প্রধান এন চন্দ্রবাবু ‌নাইডু ও ডিএমকে প্রধান এমকে স্টালিনও তাঁদের না আসতে পারার ব্যাপারে জানিয়েছেন। আসছেন না মায়াবতী ও সমাজবাদী নেতা অখিলেশ যাদব। মমতা ও স্টালিন তাঁদের পরিবর্তে কাউকে পাঠাচ্ছেন না। কিন্তু অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তেলুগু দেশম পার্টি প্রধান এন চন্দ্রবাবু ‌নাইডু ও কে চন্দ্রশেখর রাও তাঁদের তরফে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছেন। কংগ্রেস বৈঠকে থাকবে কি না এখনও জানা যায়নি।তবে না থাকার সম্ভাবনাটা প্রবল । বামফ্রন্ট ফ্রন্টের প্রতিনিধি থাকবে বলেই এখনো অবধি খবর , আর থাকবে নাই বা কেন যাদের ভোটে বিজেপির উত্থান পশ্চিমবাংলায় , তাদেরই তো থাকার কথা ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জুন ২০১৯:  একরাশ স্বপ্ন নিয়ে যারা যেসব তৃণমূল  কর্মীরা বা কাউন্সিলররা বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন তারাই এখন নিজেদের মান সন্মান বাঁচাতে ব্যস্ত ।  তাদেরকে বিজেপির মধ্যেই দ্বিতীয় সারির নাগরিকের স্থান দেওয়া হয়েছে যেটা খুবই বেদনা দায়ক তাদের পক্ষে । মুখে যতই এই সব তৃণমূল ফেরত বিজেপি কর্মীরা বলছেন সব ঠিক আছে , কিন্তু আদতে কোনো কিছুই যে ঠিক নেই সেটাই বার বার প্রমাণিত হচ্ছে। কেউ কেউ নিজেদের রাগটাও আর চেপে রাখতে পারছেননা । ঝগড়া ‘‌আসল’‌ বিজেপি বনাম ‘‌তৃণমূল–ফেরত’‌ বিজেপি–‌র। দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মনোগত বাসনা, ‘‌দল ভাঙাও, দল ভাঙাও’‌।‌ রাজ্যের ‘‌পুরনো’‌ বিজেপি সদস্যরা এতে মোটেই স্বস্তি পাচ্ছেন না। কিন্তু দল বাড়াতে গেলে, অন্য দল থেকেই তো আনতে হবে!‌ এরই মাঝে ক্ষোভের চাপা সুর বেজে উঠেছে।
পুরনো বিজেপি কর্মী–সদস্যদের মনে একটা বড় আশঙ্কা জেগে উঠেছে। তঁাদের মূল বক্তব্য, ‘‌আমরা এত দিন পড়ে পড়ে মার খেয়ে দলটা করেছি। আরও আগে বিজেপি এতটাই দুর্বল ছিল যে উপেক্ষা আর অবহেলা ছাড়া আমরা কিছু পাইনি। একটু একটু করে শক্তি বাড়ার পর আমাদের কপালে জুটেছে মার। অন্য দলের কর্মীরা মারধর করেছেন। পুলিশি নিগ্রহও বাদ যায়নি। এখন শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে। আমরা ১৮ লোকসভা আসন পেয়েছি। এখন মধু খাওয়ার লোভে অন্য দল থেকে অনেকেই বিজেপি–‌তে আসতে চাইছেন। আর নেতৃত্ব তঁাদের যত আদর করছেন, আমাদের প্রতি অনাদর ততই বাড়ছে।’‌‌  ই সব ‘‌পুরনো’‌ বিজেপি কর্মীর মনে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আছে। এবার লোকসভায় অর্জুন সিং, সৌমিত্র খঁা, অনুপম হাজরার মতো মানুষ বিজেপি–‌তে যোগ দিতে–‌না–‌দিতেই লোকসভার বিজেপি–‌র টিকিট পেয়ে গেলেন। এঁরা টিকিট পাবেন, এই প্রতিশ্রুতি পেয়ে বিজেপি–‌তে যোগ দিলেন। ‘‌তা হলে আমরা এত দিনে কী করলাম!‌ আমাদের সব পরিশ্রম, নিষ্ঠা জলে গেল!‌’‌ সুদিন দেখে বিজেপি–তে যোগদানের হিড়িক পড়েছে। দলে রোজই নতুনেরা যোগ দিচ্ছেন। এমনকী রাজ্য অফিসের সামনে মঞ্চ বেঁধেই রাখা হয়েছে। সেই মঞ্চে আজ এ–‌জেলা কাল ও–‌জেলা, আজ এই পঞ্চায়েত তো কাল ওই পুরসভা থেকে বিজেপি–‌তে আসছেন। পুরনো যঁারা, তঁারা ভাবছেন, বিধানসভা ভোট আসছে। তখন কী হবে?‌ তখনও কি নতুনদের দাপটে আমরা টিকিট পাওয়া থেকে বঞ্চিত হব?‌  গোলমাল যে লেগেছে এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই , আর বিজেপিতে যোগ দিয়ে তৃণমূলের একাংশ কর্মীরাই যে কপাল চাপড়াচ্ছেন সেটা বলাই বাহুল্য ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জুন ২০১৯:  বাবা যখন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তখন ছেলেকে পায় কে ? ব্যাপারটা এরকমই । বাবার ক্ষমতার অপব্যবহার ছেলে করবেনা ?এটা কখনো হয় নাকি ? প্রসঙ্গত একটি খনির দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রদেশের গোটেগাঁও নরসিংপুর জেলায় সংঘর্ষ বাঁধে দুই গোষ্ঠীর। এক গোষ্ঠীর নেতৃত্বে ছিলেন প্রবাল সিং।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলে ও তাঁর খুড়তুতো ভাই মনু সিংয়ের নেতৃত্বে একটি গোষ্ঠী ওই এলাকার আরেক প্রভাবশালী গোষ্ঠীর উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এর পরই দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ শুরু হয়। এমনকি প্রকাশ্যে গুলিও চালানো হয়। যার জেরে অন্তত ২ জন গুরুতর আহত। বেশ কয়েক জন জখম হন এবং ২ জনকে অপহরণ করা হয়।এই ঘটনায় মধ্যপ্রদেশ পুলিশ শুরু থেকেই সক্রিয় হয়ে ওঠে। গ্রেফতার করা হয় প্রবালকে। যদিও রাজ্যের জলম সিংয়ের ছেলে মনু সিং এখন পলাতক। বিজেপির অবশ্য অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই গ্রেফতার করা হয়েছে মন্ত্রীর ছেলেকে। মন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং পটেল অবশ্য বিশেষ কিছু বলতে চাননি। আইনের ওপরেই ভরসা রেখেছেন তিনি। এ ছাড়া কি বা করতে পারতেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি নিজেও খুব ভালো করেই জানেন তার ছেলে কি গুন্ডামিটাই না করেছে ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জুন ২০১৯:  নিজেরদের দলীয় কর্মীদের দোষ ঢাকার জন্য বিগত বাম জমানার কমরেডরা কি বলতেন ? এরকম কাজ আমাদের সরকারের আমলে হয়না আর হবেনা । সে যতই কোনো ব্যক্তি বলার চেষ্টা করুকনা কেন বাম দলের মধ্যে অবশ্যই বেনোজলে রয়েছে । আর যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ স্বরূপ দেখাতে পারতো বাম ফ্রন্ট সরকারের  প্রশাসনিক গাফিলতির জন্যই তার ক্ষতি হয়েছে তখন সুচতুর কমরেডরা মুখ বন্ধ করে থাকাটাই শ্রেয় মনে করতেন । আর এই সব ট্যাক্টিস শেখানো হতো সিপিএমের পার্টি অফিসে ।
সমস্যার সমাধান না করে কি ভাবে সেটা ধামা চাপা দেওয়া যায় সেটাই জীবনের মূল মন্ত্র করে ফেলেছিল বিগত বাম সরকার । তাদের কাছে অলিখিত ভাবে একটাই মন্ত্র ছিল , যত সমস্যাটা জিইয়ে রাখা যাবে তত আন্দোলন তৈরী হবে তত লোক নিজেদের পতাকা তোলে আসবে । এতে প্রথম দিকে সাফল্য পেলেও মানুষ যখন বুঝতে পারল চালাকিটা তখনই তৃণমূলের উত্থান । আর সততার প্রতীক যে মমতা সেটা আরো একবার প্রমাণিত হল । প্রসঙ্গত মঙ্গলবার দলীয় কাউন্সিলারদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন তিনি প্রকাশ্যে দলীয় কাউন্সিলারদের জোর ধমক দেন। বলেন, “কেউ টাকা নিয়ে থাকলে ফেরত দিন, নচেত তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে”।মমতা এ দিন জানান, “রাজ্য সরকার দুর্নীতি দমনে নতুন পরিকাঠামো তৈরি করছে। ফলে সরকারি প্রকল্পের টাকা নয়ছয় করলে বা নিয়ম বহির্ভূত কাজে জড়িত থাকলে কাউন্সিলারদেরও তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে”।লোকসভা ভোটের পর সিঙ্গুরে গিয়েও একই ভাবে মমতা অভিযোগ করেছিলেন, দলের কোনো কোনো নেতা কাটমানি নেন। যে কারণে সাধারণ মানুষের কাছে দলের ভাবমূর্তি নষ্ঠ হচ্ছে। প্রভাব পড়ছে ভোটের বাক্সেও। এ দিন আরও চড়া সুরে তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের টাকা নিয়ে খাকলে এখনই ফেরত দিন। তিনি দাবি করেন, তাঁর কাছে খবর রয়েছে, কোনো কোনো কাউন্সিলার সরকারি প্রকল্পের টাকাতেও ভাগ বসাচ্ছেন”।এতটা স্পষ্টবাদী , আর জনদরদী সারা বাংলা তথা ভারতে কেউ আছে ? যারা ভোট দিতে যান তারা কি কখনো ভেবে দেখেছেন ? এখন এরকম কথাই চাঊর হচ্ছে সর্বত্র ।

Monday, 17 June 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৭ই  জুন ২০১৯:  বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ নিজেকে এমন একটা উচ্চতায় নিয়ে গেলেন যে জুনিয়র ডাক্তার যারা এতদিন ধর্মঘটের সাথে সাথে বিষ উগরে দিচ্ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দ্যেশে যে আজ তারাও সাধুবাদ জানাতে বাধ্য হলেন । প্রসঙ্গত শেষ বেলায়   মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির মাস্টারস্ট্রোক সব সমস্যার সমাধান করে দিল । বিকেল ৪টের সময় বৈঠক শুরু হতেই সবাই বসার জায়গা পেয়েছে কিনা জিজ্ঞাসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। জুনিয়র চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, তাঁদের ভয়ের সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাধ্য হয়েই আন্দোলনে যেতে হয়েছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন। যাতে একটা বার্তা যায়। আর সম্ভব হলে পরিবহ মুখার্জিকে দেখতে যান।
সব অভাব–অভিযোগ–দাবি মন দিয়ে শোনেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর বলেন, ‘‌তোমরা আমার ছোট ছোট ছেলে–মেয়ে। জুনিয়র চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি। কেন অভিযোগ দায়ের করতে যাবো?‌ আর এই ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য ইমার্জেন্সি বিভাগের সামনে কোলাপসিবল গেট করে দিতে চাই। যাতে দু’‌জনের বেশি প্রবেশ করতে না পারে।’‌ এছাড়া একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি মানবিক। একদিকে তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন, অন্যদিকে সমস্ত দাবিদাওয়া মেনে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও করে দেন। যা এককথায় অনবদ্য। নবান্নে লাইভ কভারেজে বসে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, একজন ব্যক্তিকে রাখা যিনি রোগীর পরিবার এবং চিকিৎসকদের মধ্যে সমন্বয় ও যোগাযোগ রাখবেন, পুলিসের পক্ষ থেকে নোডাল অফিসার ঠিক করে হাসপাতালগুলিতে পরিদর্শন করতে হবে, জেলার ক্ষেত্রে তা করবে জেলা পুলিস, গ্রিভান্স সেল তৈরি করে তা হাসপাতালের সামনে রাখা, তিনটি ভাষায়  (‌বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি)‌ তা লিখিয়ে রাখতে হবে, সিনিয়র চিকিৎসকরা সরাসরি রোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলুক, জেলায় জেলায় হোস্টেল তৈরি হবে, অ্যাপস তৈরি করে মতামত বিনিময় করা, সিনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে এবং হাসপাতালে অ্যালার্ম ব্যবস্থা রাখা হবে। ‌নজর রাখা হবে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও। পাশাপাশি, চিকিৎসকদের সমস্ত পরামর্শই সানন্দে গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।তার এই মানবিক মুখ , আর যে ভাবে তিনি পরিস্তিতি সামাল দিলেন তাতে বিরোধীদের অনেকটাই ব্যাক ফুটে ঠেলে দিলেন সেটা না বললেও চলে ।
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই  জুন ২০১৯:  নরেন্দ্র মোদী ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এটাই এখনো অনেক ভারতীয় বিশ্বাস করে , আর হয়তো বিশ্বাস করে বলেই দ্বিতীয় বারের জন্য ভারতের মসনদে তাকে ফিরিয়ে এনেছে । কিন্তু কেউ জানে কি আত্মহত্যা করবে বলেই এই মোদীজির কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন এক কৃষক ? এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব বহুদিন ধরেই। খাবার জলে লবণের পরিমাণ এতই বেশি যে সেই জল খাওয়ার অযোগ্য।
জল লবণাক্ত হওয়ার কারণে চাষাবাদের কাজেও ব্যবহার করা যায় না। স্থানীয় প্রশাসনকে বহুবার এবিষয়ে অবগত করেও কোনও কাজ হয়নি। যোগী সরকারের ওপর একরকমভাবে আস্থা হারিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে একটি চিঠিতে আত্মহত্যার অনুমতি চাইলেন উত্তরপ্রদেশের হাসিয়ান ব্লকের বাসিন্দা কৃষক চন্দ্রপাল সিংহ। একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি জানিয়েছেন, ‘‌জলের অভাব সহ্য করতে পারছি না। জল ফুটিয়ে খাওয়ার সামর্থ নেই। তিন মেয়েকে নিয়ে মরতে চাই আমি।’‌ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ জল পৌছে দেওয়ার প্রকল্প ২০২৪ সালে শেষ হবে, কিছুদিন আগেই নীতি আয়োগের মিটিং–এ একথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আরও পাঁচ বছর জলের অভাবে কীভাবে বাঁচবেন, এই ভেবেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওই কৃষক।  
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই  জুন ২০১৯:  যে সব মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনায় মুখর থাকেন তাদের ইতিমধ্যেই চুপ করে যাওয়া উচিত । বিগত বাম ফ্রন্ট সরকারের আমলে যখন মুখ্যমন্ত্রী ঈদের চাঁদের মতোই দুর্লভ ছিলেন কোনো আর্জি জানানোর জন্য , এখনকার  মুখ্যমন্ত্রী ততটাই সহজ কোনো আর্তি শোনানোর জন্য ।
 প্রসঙ্গত সরকারি হাসপাতালে জনসংযোগের কাজ করার জন্য কাউকে নিয়োগ করার প্রস্তাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ডাক্তারদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, এই কথা শুনে তাঁর প্রস্তাব, রোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্য বিশেষ কাউকে নিয়োগ করা হোক। তিনি ডাক্তার ও রোগীর পরিবারের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করবেন।এছাড়া হাসপাতালের এমার্জেন্সির কাছে নতুন গেট লাগানোর প্রস্তাবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। এতে নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।
loading...