Saturday, 23 March 2019

ওয়েব ডেস্ক  ২৩শে  মার্চ ২০১৯:কর্ণাটকের বিধান সভা নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি পাছে ভোটাররা বিমুখ হন । কিন্তু ভোট হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তেলের দাম বাড়িয়ে ছিল কেন্দ্রীয় সরকার । এবার লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে পেট্রোলের দাম বাড়াল বিজেপি সরকার ।

লিটার প্রতি পাঁচ পয়সা হলেও তেলের দাম বেড়েছে । আর ভারতের মতো বৃহৎতম কোটি কোটি লিটার পেট্রল প্রতিদিন খরচ হচ্ছে । টাকার পরিমানটা কততে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে সেটা সহজেই অনুমেয় । প্রসঙ্গত এখন দিল্লিতে পেট্রলের দাম ৭২  টাকা  ৮১  পয়সা। কলকাতায় পেট্রলের নতুন  দাম ৭৪ টাকা  ৮৯ পয়সা। মুম্বই  আর চেন্নাইতে দাম ৭৮ টাকা ৪৩ পয়সা এবং ৭০ টাকা ৬২ টাকা।
ওয়েব ডেস্ক  ২৩শে  মার্চ ২০১৯:এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র টুইটার হ্যান্ডেলের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখবে নির্বাচন কমিশন ।বলা বাহুল্য বাবুল সুপ্রিয় যা ব্যাখ্যা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনকে তা সন্তুষ্ট না হওয়াতেই নির্বাচন কমিশনার এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে । প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই, কেন কমিশন ও মিডিয়া মনিটরিং কমিটির কাছ থেকে কোনও রকম ছাড়পত্র (সার্টিফিকেশন) না নিয়ে এমন গান পোর্টালে এবং ইন্টারনেটে আপলোড করে  আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করা হল , জানতে চেয়ে বাবুলকে শোকজ নোটিস দেয় কমিশন।টিএমসির অভিযোগ, এই গানে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কলুষিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া ওয়াচ সেন্টার গানটি দেখেছে এবং তারপরেই বাবুলের কাছে জবাব তলব করেছিল । গানের বিষয় নিয়ে আপত্তি তো উঠেছেই, সঙ্গে এও অভিযোগ রয়েছে যে বৈধ ছাড়পত্র ছাড়াই গানটির প্রচার হচ্ছে। এক পদস্থ নির্বাচন কমিশন অধিকারিক বলেন, “ইসিআই ও মিডিয়া মনিটরিং কমিটি বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। নোটিশে গানটি টুইটারে আপলোডের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।”বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বাবুল দাবি করেন, তিনি গানটি রিলিজ করেন নি, কিন্তু কিছু বন্ধুদের পাঠিয়েছিলেন। বাবুল সাংবাদিকদের বলেন, “আমি এখনও গানটা রিলিজ করি নি। শুধুমাত্র দলের কিছু কর্মীদের সঙ্গে গানটা শেয়ার করেছিলাম”। এমনকি সাংসদ নিজেকে আড়াল করতে এও বলেন যে তাঁকে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে যখন গানটির রেকর্ডিং চলছিল। কিছু মিডিয়ার প্রতিনিধি স্টুডিওতে উপস্থিত ছিলেন সেই সময়।পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনায় পশ্চিম বর্ধমানের স্টুডেন্ট লাইব্রেরী কো-অর্ডিনেশন কমিটির সম্পাদক গৌরব গুপ্ত আসানসোল দক্ষিণ থানাতে বাবুল সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। তিনি আরও বলেন, মমতার বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় অভিযোগের সুরেই গানটির কথা লেখা হয়েছে। যা অত্যন্ত বিদ্বেষমূলক ও অপমানজনক।মোদ্দা কথা বাবুল ফ্যাসাদে পড়লেন,এবার তিনি কি করেন সেটাই দেখার ।
ওয়েব ডেস্ক  ২৩শে  মার্চ ২০১৯:আজকের বিজেপির বাড়বাড়ন্ত সিপিএমের জন্যই । এই কথাটা বোধয় ধ্রুব  সত্যিতে পরিণত হতে চলেছে । আগে বহুবার অবিজেপি দলগুলি এই অভিযোগ করেছিল , যা তখনও  বিশ্বাসযোগ্য ছিল আর এখন তো সন্দেহের কোনো অবকাশই নেই । প্রসঙ্গত জঙ্গিপুরে বিজেপি প্রার্থী বামফ্রন্ট থেকে আসা মাফুজা খাতুন।

শনিবার দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজ্যের প্রার্থীদের নামের প্রকাশ করা হয়। তাতে পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গিপুর আসনে মাফুজার নাম আছে। গতবছর সিপিএম থেকে বিজেপিতে যোগ দেন মাফুজা। সিপিএমের বিধায়ক ছিলেন তিনি। বর্তমানে বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য।নাম ঘোষণা হওয়ার পরই তিনি সরাসরি চলে আসেন কলকাতায় বিজেপি সদর দফতরে। সেখানে তিনি বলেন, ‘এবারের ভোটের সব থেকে বড় হাতিয়ার মোদিজীর বিগত পাঁচ বছরের মানুষের বিকাশ। সেই বিকাশ কে সামনে রেখেই তিনি দৌড়ে দৌড়ে গিয়ে মানুষের কাছে ভোট চাইবো।তবে জঙ্গিপুরের জন্য একাধিক বড়নাম ঘোরাফেরা করছিল বিজেপির অন্দরে, তবুও সব নাম কে ছাপিয়ে তিনি এবারের বিজেপির নয়া চমক।তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে আলিমুদ্দিন ভেতরে ভেতরে বিজেপির শরণাপন্ন হয়েছে ? ভাবাটা কি ভুল ? পাঠকরাই বিচার করুন ।
ওয়েব ডেস্ক  ২৩শে  মার্চ ২০১৯:নিজেদের দলের লোক না হলেও তবুও জোর করে নিজেদের লোক হিসেবে মানুষের কাছে দেখাবে , বঙ্গ রাজনীতিতে কমিউনিস্ট শাসনেকালে যা করত বামপন্থীরা তাই এবার জাতীয় রাজনীতি করে বেড়াচ্ছে বিজেপি । যিনি গানই লেখেননি নরেন্দ্র মোদীর বায়োপিকের জন্য তার নাম জোর জবরদস্তি ঢোকানো হয়েছে নিজেদের লোক প্রমান করার জন্য , এবং সংখ্যালঘু বলে নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য । 

প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বায়োপিকের সঙ্গে বেশ কিছু বড় মাপের বলিউড অভিনেতার নাম ইতিমধ্যেই জুড়ে গিয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছেন বিবেক ওবেরয় এবং বোমান ইরানিও। বায়োপিকে ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে বুধবার। কিন্তু তারপরেই তৈরি হয় বিতর্ক। ট্রেলারে জাভেদ আখতারের নাম গীতিকার হিসেবে লেখা হয়েছে। যদিও জাভেদ আখতার বলেছেন, তিনি পি এম নরেন্দ্র মোদী সিনেমার একটিও গান লেখেননি। জাভেদ আখতার টুইটারে একথা জানানোর পরেই তা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিষয়টি ট্রেন্ডিং তালিকার শীর্ষে চলে আসে।বায়োপিক এর যে অংশে তার নাম দেখানো হচ্ছে সেটি শেয়ার করে জাভেদ আখতার লিখেছেন, নিজের নাম দেখে তিনি ‘শকড' হয়ে গিয়েছেন। পি এম নরেন্দ্র মোদী সিনেমার ট্রেলারের শেষে গীতিকার হিসেবে জাভেদ আখতারের নামের পাশাপাশি, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের প্রধান এবং খ্যাতনামা গীতিকার প্রসুন যোশী, সমীর ও অন্যদেরও নাম রয়েছে।জাভেদ আখতারের টুইটটি ১৫ হাজারের বেশি লাইক পেয়েছে এবং ৫৬০০ বার পুনর্টুইট করা হয়েছে। তবে চিত্রনির্মাতাদের তরফে এখনও এই বিতর্কে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।যে লোকটি অসহিষ্ণুতার ব্যাপারে সোচ্চার , যিনি মোদী সরকারের সমালোচনা করতে একমুহূর্ত ভাবেন না , তার নাম গীতিকার হিসেবে ঢোকানো মানে একটাই হয় , নিজেদের বিজেপির নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার । কিন্তু এটা করতে হচ্ছে কেন ? সত্যিই যদি বিজেপি ভালো কাজ করে থাকে তাহলে এসবের দরকার আছে কি ?
ওয়েব ডেস্ক  ২৩শে  মার্চ ২০১৯:জনগণের মনে আছে পশ্চিমবঙ্গে মোদীজি যখন একবার ভাষণ দিতে এসেছিলেন ঠাকুরনগরে , তখন স্টেজ ভেঙে পড়েছিল যার জন্য অনেকে আহত হয়েছিল । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন তার দূরদর্শিতা থেকে একটাই কথা বলেছিলেন , যারা একটা স্টেজ বানাতে পারেনা তারা আবার দেশ চালাবে ? আবার এই স্টেজ ভাঙার ঘটনা উঠে এলো যা ঠাকুরনগরের স্মৃতি উস্কে দিল ।
প্রসঙ্গত  বিজেপির পক্ষ থেকে উত্তর প্রদেশের সম্ভলে আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ হোলি অনুষ্ঠানের। ভোটের আগে হোলির অনুষ্ঠান করে প্রচারে চমক দেওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। আর সেটা করতে গিয়েই ঘটল বিপদ। হুল্লোড়ের চোটে অনুষ্ঠানের মাঝেই ভেঙে পড়ল মঞ্চ। ভিড়ের চাপে মঞ্চ সহ পড়ে যান বিজেপি নেতারা।গুরুতর আহত হয়েছেন বিজেপির কিষাণ মোর্চা নেতা অবধেশ যাদব। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহত নেতাদের যদিও প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। হোলির আনন্দ মুহুর্তে মাটি। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও। হোলির উৎসবে প্রচারের পরিকল্পনা যাকে বলে মাঠে মারা গেল বিজেপির। আপাতত প্রচার শিকেয় তুলে নেতাদের সেবা সুশ্রুষাতেই মেতেছেন কর্মী সমর্থকরা।  
ওয়েব ডেস্ক  ২৩শে  মার্চ ২০১৯:যত দিন যাচ্ছে বিজেপি নেতাদের কেচ্ছা কেলেঙ্কারি ততই সামনে আসছে  । এরা বাংলার ক্ষমতায় আসবার আগেই যদি এরকম অবস্থা হয় তাহলে , এরা ক্ষমতায় যদি কখনো কালবৈশাখে আসে তাহলে কি হবে ? এই প্রশ্নটাই সর্বত্র ।প্রসঙ্গত অনুতোষ বিশ্বাস হাবড়া থানার ফুলতলা এলাকার বাসিন্দা। নিজের এলাকায় বিজেপি নেতা বলে তিনি পরিচিত। ১০ মার্চ নদিয়া জেলার হাঁসখালি থানার এক যুবক হাবড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন চাকরি দেওয়ার নাম করে অনুতোষ বিশ্বাস ৬ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা প্রতারণা করেছে।
ওই যুবকের দাবি, ২০১৫ সালে প্রাথমিক শিক্ষকের একটি পরীক্ষা দিতে গিয়ে এক বন্ধু মারফত অনুতোষের সঙ্গে পরিচয় হয়। ওই যুবকের অভিযোগ, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার বিষয়ে তাঁকে আশ্বস্ত করে অনুতোষ। কিন্তু তার জন্য কিছু টাকা খরচ করতে হবে বলে দাবি করেন অভিযুক্ত। আর তা হলেই চাকরি হয়ে যাবে। বেকার ওই যুবক অনুতোষের কথা বিশ্বাস করে তঁার বাড়িতে যান। চাকরির আশায় ওই যুবক ধার–দেনা করে ৬ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা জোগাড় করেন। সেই টাকা অনুতোষের হাতে তুলে দেন বলে ওই যুবকের দাবি। যদিও ফল প্রকাশের পর দেখা যায় ওই যুবকের নাম তালিকায় নেই। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, তিনি প্রতারিত হয়েছেন। তখন তিনি অনুতোষের বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরত চান। অনুতোষ দিন বাড়াতে থাকেন। অভিযোগ, অনুতোষ ওই যুবককে হুমকি দেন। প্রাতারিত যুবক জানান, তিনি একা নন, তাঁর মতো একাধিক বেকার যুবক–যুবতীর সঙ্গে একই ঘটনা ঘটেছে। প্রতারিত যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে হাবড়া থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, অনুতোষ সরকারি চাকরি করার কারণে তাঁর উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়েছে। কোনও উত্তর না দিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে অনুতোষের বাড়িতে গিয়ে যোগাযোগ করা হলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তিনি বাড়িতে নেই। তবে বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আইন চলেছে তার নিজের পথেই । অভিযুক্ত বিজেপি নেতা সত্যি এরকম কিছু করে থাকলে তার শাস্তি তাকে পেতেই হবে বলে মনে করেন বিদ্যজনেদের একাংশ । 
ওয়েব ডেস্ক  ২৩শে  মার্চ ২০১৯:মোদীজির আমলে অহিষ্ণুতার নিদর্শন আরও একবার সামনে এলো । রাস্তায় একটা ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে এক মুসলিম পরিবারকে একরাত হতে হল ।  তুচ্ছ একটা ব্যাপার তা যে এতটা ভয়াবহ আকার নেবে তা মহম্মদ সাজিদ নামে এই ব্যক্তিও হয়তো ভাবতে পারেননি । প্রসঙ্গত উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা এই ব্যক্তি গত তিন বছর ধরে স্ত্রী সামিনা এবং ছয় সন্তানকে নিয়ে গুরুগ্রামে বসবাস করছিলেন। ঘটনার দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তাঁর ভাইপো দিলশাদ এবং তাঁর কয়েকজন বন্ধু বাড়ির সামনের ফাঁকা রাস্তায় ক্রিকেট খেলছিলেন। তিনি পরে সংবাদমাধ্যমকে ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘‌আমরা তখন ক্রিকেট খেলছিলাম।
 আচমকা দু’‌জন যুবক বাইকে করে সেখানে আসে এবং বলে, এখানে কী করছিস?‌ পাকিস্তানে গিয়ে ক্রিকেট খেল। এরপরই আমার কাকা সাজিদ সেখানে আসেন। তিনি বচসা থামানোর চেষ্টা করলে, বাইকের পিছনে বসে থাকা যুবক নেমে এসে তাঁকে চড় মারে। সেই সঙ্গে বলে, দাঁড়া আমরা দেখাচ্ছি কী করতে পারি। এরপর ১০ মিনিট পর দু’‌টি বাইকে আরও ছ’‌জন যুবক আসে। তাঁদের সঙ্গে আরও অনেককে পায়ে হেঁটে আসতে দেখে আমরা ভয়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকে যাই।’ এখানেই না থেমে দিলশাদ আরও জানায়, ‘আমাদের বাড়ির ভিতর ঢুকে যেতে দেখে, ভিড়ের মধ্যে থেকে অনেকে চিৎকার করে বাইরে আসতে বলে। কিন্তু আমরা বাইরে না বেরোনোয় ওরাই জোর করে বাড়ির ভিতর ঢুকে পড়ে। কারোর হাতে হকি স্টিক ছিল, কারোর হতে ছিল লোহার রড। এই দিয়েই ওরা আমাদের বাড়ি ভাঙচুর করতে থাকে। আমাদের প্রত্যেককে বেধড়ক মারধর করে। লোহার রড, বাঁশ, বল্লম, তলোয়ার, হকি স্টিক কোনও কিছুই বাদ যায়নি। এরপর বাড়ির দামী জিনিসপত্র লুঠ করে পালিয়ে যায়। এই সময় পুলিসকে ফোন করেও কোনও সুরাহা হয়নি। পরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় হুমকি দেয়, বাড়ি ছেড়ে চলে যাও নাহলে আমরা বাড়িতে জবরদখল করব।’ ঘটনা প্রসঙ্গে সাজিদের স্ত্রী সামিনা বলেন, ‘আমি ওই সময় ‌রান্নাঘরে ছিলাম। আচমকাই বেশ কয়েকজন বাড়ির ভেতর ঢুকে সবাইকে বেধড়ক মারতে শুরু করে। আমি বারবার মিনতি করলেও ওরা আমার কথা শোনেনি। ওরা জানলা–দরজা, গাড়ি এবং বাড়ির মূল্যবান আসবাবপত্র ভাঙচুর করতে থাকে। এরপর বেশ কিছু সোনার গয়না এবং ২৫ হাজার নগদ টাকা চুরি করে চলে যায়।’পুলিশের তরফ থেকে মামলা রুজু করা হয়েছে । এখানেই শেষ নয় , যারা যুক্ত ছিল এই অপকর্মের সাথে তাদের ভিডিও দেখে সনাক্ত করার কাজ চলছে ।

Wednesday, 20 March 2019

ওয়েব ডেস্ক  ২০শে  মার্চ ২০১৯:মোদীজির কথা দিয়েই মোদীজিকে জব্দ করার দুর্দান্ত চেষ্টা করলেন প্রাক্তন আই আই টিয়ান তথা বর্তমান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল । রস বোধ যে তার ভালোই আছে আগে সেই প্রমান না দিলেও আসন্ন লোকসভা ভোটের আগে বেশ ভালো ভাবেই প্রমান দিচ্ছেন কেজরিওয়াল সাহেব । প্রসঙ্গত গত সপ্তাহেই ‘‌ম্যায় ভি চৌকিদার’‌ নামে প্রচার শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টুইটারে নিজের নামের পাশে ‘‌চৌকিদার’ শব্দটিও যোগ করেন। আর নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেন কেজরিওয়াল।
তাঁর মতে, দেশের মানুষ যদি চান তাঁদের সন্তানরা চৌকিদার হবেন, তাহলে অবশ্যই মোদিকে ভোট দেওয়া উচিত। টুইট করে কেজরিওয়াল লেখেন, ‘‌মোদিজি চাইছেন গোটা দেশ চৌকিদার হয়ে যাক। আপনি যদি চান আপনার ছেলেও বড় হয়ে চৌকিদার হোক, তাহলে মোদিজিকে ভোট দিন। কিন্তু নিজের সন্তানকে যদি ভাল পড়াশোনা দিতে চান, যদি চান তাঁরা বড় হয়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা আইনজীবী হোক, তাহলে আপ প্রার্থীদের ভোট দিন।’ ‌‌ শুধু কেজরিওয়াল নন, ‘‌ম্যায় ভি চৌকিদার’‌ নামে প্রচার শুরুর পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই সেটা নিয়ে মশকরা করেন। তবে শুধু মোদি নন, তারপর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ থেকে শুরু করে অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীই প্রধানমন্ত্রীর পথ অনুসরণ করে টুইটারে নিজের নামের পাশে ‘‌চৌকিদার’ শব্দটি যোগ করেন।মোদ্দা কথা নীরব মোদিকে কবে ফিরিয়ে আনছেন নরেন্দ্র মোদী , সেটাই দেশ বেশি দেখছে । 
ওয়েব ডেস্ক  ২০শে  মার্চ ২০১৯:নরেন্দ্র মোদীর আমলে মেহুল চোকসি , নীরব মোদীরা আটক হওয়ার দু দিন আগে দেশ ছেড়ে পালাতে সক্ষম হন , কারণ সর্ষের মধ্যেই ভূত লুকিয়ে আছে । সেখানে গুজরাটের দ্বারকায় একটা আস্ত এ টি এম মেশিনে লোপাট হয়ে যাবে ,এ আর এমন কি কথা । প্রসঙ্গত এটিএম থেকে রাতারাতি গায়েব হয়ে গিয়েছে এটিএম মেশিন। সকালে ব্যাঙ্ক খুলতেই কর্মীরা দেখেন সংলগ্ন এটিএমের মেশিনটাই নেই। পুলিসকে খবর দিতেই উঠে আসে রোমহর্ষক এক ডাকাতির ঘটনা। সিসিটিভি ফুটেজে যাতে মেশিন লোপাটের ঘটনা ধরা না পড়ে সেকারণে ডাকাতরা সিসিটিভি ক্যামেরার উপর কাপড় ঢাকা দিয়ে দিয়েছিল।
মনে করা হচ্ছে মঙ্গলবার মধ্যরাতে ঘটনাটি ঘটেছে। দ্বারকার কর্পোরেশন ব্যাঙ্কের সঙ্গেই রয়েছে তাদের এটিএম। সেখানে পাহারাদারও থাকেন। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে এটিএমটি। তারপরে পাহারাদার এটিএমের শাটার বন্ধ করে চলে যান। মঙ্গলবার ভুল বশত এটিএমের শাটার টানতে ভুলে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সুযোগে ডাকাতি করে দুষ্কৃতিরা। প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ছিল সেই মেশিনে। এটিএম খুলতে না পেরে মেশিনটি নিয়েই চম্পট দেয় তারা। এই ঘটনায় ব্যাঙ্কের কোনও কর্মী জড়িত রয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রথমিক তদন্তে পুলিস জানিয়েছে দুই ডাকাতকে এটিএমে ঢুকতে দেখা গিয়েছে। তারাই সিসিটিভি তার কেটে দেয়। ব্যাঙ্কের ম্যানেজার জানিয়েছেন, সোমবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ এটিএমে ১৬ লাখ টাকা ভরেছিলেন। মোট ৩০ লাখ টাকা ছিল তাতে। নরেন্দ্র মোদী নিজেকে  চৌকিদার বলেননা ? তাহলে বিজেপি শাসিত গুজরাটে এরকম অবস্থা? 
ওয়েব ডেস্ক  ২০শে  মার্চ ২০১৯: ভোট শুরুর আগেই নির্বাচন কমিশনের রোষের মুখে পড়লেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় । এরকম একটা ঘটনা যে ঘটতে পারে তা দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি বাবুল ।প্রসঙ্গত সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর গলায় ও সুরে যে প্রচারমুখী গান ছড়িয়ে গেছে, তার প্রচার আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মিডিয়া সার্টিফিকেশন মনিটরিং কমিটির অনুমোদন ছাড়াই এই গান প্রকাশ করায় কমিশনের পক্ষ থেকে শোকজও করা হয়েছে বাবুল সুপ্রিয়কে। তাঁকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি, এই গানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং বাংলাকে অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে আসানসোল দক্ষিণ থানায় তঁার বিরুদ্ধে এফআইআর করেছেন তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলা স্টুডেন্টস লাইব্রেরি কোঅর্ডিনেশন কমিটির সাধারণ সম্পাদক গৌরব গুপ্তা। তবে আসালসোলের মেয়র ও তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, ‘‌একটি ছাত্র সংগঠন অভিযোগটা করেছে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও মামলার কথা ভাবা হয়নি। যে চলে যাওয়ার পথে, তাকে আমরা ধাওয়া করি না।’মনিটরিং কমিটির অনুমোদন ছাড়াই গানটি প্রচার করায় মঙ্গলবার বাবুল সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সঞ্জয় বসু। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘‌আমাদের মিডিয়া ওয়াচ সেকশন বিষয়টি লক্ষ্য করে। এর পর তৃণমূল থেকেও অভিযোগ জানানো হয়। এই ধরনের গান করতে গেলে মিডিয়া সার্টিফিকেশন মনিটরিং কমিটির সার্টিফিকেট নিতে হয়। তিনি তা নেননি। তাই তাঁকে শোকজ করা হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। গানের বিষয় নিয়ে অভিযোগ এসেছে, তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। বাবুল সুপ্রিয়র এই গান এখন বন্ধ থাকবে।স্বাভাবিক ভাবেই বাবুল এতে ব্যাক ফুটে ।  তিনি কি কারণ দর্শায় এখন সেটাই দেখার ।
loading...