Sunday, 25 August 2019

ওয়েব ডেস্ক ২৫ শে অগাস্ট  ২০১৯: আগে পেছনে না ভেবে , জি এস টি চালু করে দিয়েছিল কেন্দ্র সরকার , তার মাশুল গুনতে হচ্ছে একাধিক সংস্থাকে । এবার পরিস্তিতি এমন এসে দাঁড়িয়েছে যে  পার্লে জি–র মতো সংস্থা আর তাদের ১ লক্ষ কর্মীকে টানতে পারছেনা ।

সব মিলিয়ে পার্লে জির ২৫ টা কারখানা সাড়া ভারতে চলছে , এই জি এস টির খপ্পরে  এই কারখানা গুলো চালাতে নাভিঃশ্বাস উঠে যাচ্ছে সংস্থাটির । এই মুহূর্তে সরকার যদি পার্লে জির জন্য কিছু না করে তাহলে কম পক্ষে ৮ থেকে ১০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করতে হবে । যা পরিস্তিতি আরও জটিল করে তুলবে । সংস্থা জানিয়েছে, ক্রেতারা সাধারণত ছোট পার্লে জি বিস্কুটের প্যাকেট কিনতে অভ্যস্ত। সেখানে খুব কম টাকায় বিস্কুট পাওয়া যেত বলেই তাঁরা কিনতেন। কিন্তু এখন দাম বেড়ে গিয়েছে, তাই ক্রেতারা মনে করছেন একই পরিমাণ বিস্কুট বেশি দাম দিয়ে কিনলে তাঁরা ঠকে যাবেন।
এই যদি অবস্থা হয় তাহলে সংস্থা লাটে ওঠায় কে আটকাবে ? এ বার দেখার মোদী-অমিত জুটি কি করে ।
ওয়েব ডেস্ক ২৫ শে অগাস্ট  ২০১৯: ভারতীয় বাজারের প্রতি আর ভরসা করতে পারছেনা লগ্নিকারীরা । তাই শেয়ার বাজারে ধস নামতে শুরু করল । গত বৃহস্পতিবার শেয়ার বাজার ব্যাপক ধসের সম্মুখীন হয় , এতটাই হয়েছে যে বিগত ৬ মাসেও এরকম হয়নি । সেনসেক্স  ৫৮৭ পয়েন্ট পড়ে দাঁড়ায় ৩৬৪৭৩ পয়েন্টে। অন্যদিকে, নিফটির সূচক ১৮১ পয়েন্ট বা ১.৬ শতাংশ পড়ে দাঁড়ায় ১০৭৩৮ পয়েন্টে।

একমাত্র তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্র ছাড়া সরকারি ব্যাঙ্ক, পরিকাঠামো শিল্প, ধাতু শিল্প, গাড়ি শিল্প সহ বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার পড়ে গিয়েছে। আইডিবিআই ক্যাপিটাল–এর প্রধান এ কে প্রভাকর বলছেন, ‘‌অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে লগ্নিকারীরা নিজেদের সম্পত্তি বিক্রি করে দিচ্ছেন মূল ধন রক্ষা করতে’‌। সাধারণ লগ্নিকারীরা বিভ্রান্ত এফ পি আই বা ফরেন পোর্টফোলিও ইনভেস্টরদের ক্ষেত্রে ঠিক কত বসাবে কেন্দ্র সরকার এই নিয়ে , কারণ এখনো কোনো কর বসায়নি কেন্দ্র সরকার , যেটা তাদের বসানো উচিত ছিল ।এখানেই  শেষ নয়
কেন্দ্রের পক্ষ থেকে লগ্নিকারীদের উদ্দেশ্যে যেই প্যাকেজ ঘোষণার দরকার ছিল সেটাও এখনো করেনি কেন্দ্র । তার ওপর কিছু বিজেপি নেতার উল্টোপাল্টা মন্তব্য বাজারকে আরো নিম্নগামী করেছে। 
ওয়েব ডেস্ক ২৫ শে অগাস্ট  ২০১৯:হতে পারতো বিরাট সংঘর্ষ , শুধু মাত্র নিজেদের মুন্সিয়ানার জোরে এবং সজাগ থাকার দরুন একটা বড়সড় ঝামেলা এড়াতে সক্ষম হল তৃণমূল কর্মীরা  । ঘটনাটি  খানাকুলের ধান্যঘোরি গ্রাম পঞ্চায়েতের বন্দর এলাকায়।সূত্রের খবর অনুযায়ী , ১৫-২০ জন বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী এদিন সন্ধেয় নৌকোয় করে রূপনারায়ণ নদ পার হয়ে বন্দরে পৌঁছয়। তার পর বিজেপি–র দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে তৃণমূল কর্মীদের ওপর আক্রমণের পরিকল্পনা করে। তাদের সঙ্গে ছিল বেশ কিছু ফাইবার স্টিক ও অস্ত্রশস্ত্র। ওই সময় তৃণমূলের একজন কর্মী দোকানে পান কিনতে গেলে তঁাকে মারধর করে।
বিষয়টি চাউর হতেই এলাকার তৃণমূল কর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। খবর দেওয়া হয় খানাকুল থানাতেও। পুলিশও পৌঁছে যায়। এর পর তৃণমূল ও পুলিশের যৌথ তাড়ায় ওই দুষ্কৃতী দল আবারও নৌকো করে নদী পার হয়ে চন্দ্রকোনা ও ঘাটালের দিকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় তৃণমূল নেতা মুন্সি নজমুল অভিযোগ করেন, খানাকুলের বন্দর এলাকার কিছু বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে লোক নিয়ে এসে তৃণমূল কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই বন্দর এলাকায় বিজেপি–র দুষ্কৃতীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ও বন্ধ করে দিয়েছিল। যদিও কিছুদিন আগে পুনরায় সেটি খোলা হয়েছে। এ ছাড়াও গত কয়েকদিনে তিনজন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করেছে বিজেপি দুষ্কৃতীরা। বৃহস্পতিবার রাতে বন্দর খেয়াঘাটের কাছে কাশীনাথ সামন্ত নামে এক তৃণমূল কর্মীকে তারা বেধড়ক মারধর করে। তঁাকে খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিমত এই ভাবে যদি বিজেপি দুষ্কৃতীদের 'স্পনসর' করে তাহলে আগামী দিনে ব্যাপারটা কখনই ভালোর দিকে যাবেনা ।
ওয়েব ডেস্ক ২৫ শে অগাস্ট  ২০১৯: কাশ্মীরে শান্তি ফেরানোর নামে মানুষের মানবাধিকার যে লঙ্ঘিত হচ্ছে তার প্রমান আবার পাওয়া গেল  । মনে আছে কান্নান গোপিনাথনকে যিনি নিজের আই এ এস পরিচয় গোপন রেখে সাধারণ  মানুষের উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছিলেন কেরলে? হ্যায়, সেই কান্নান গোপিনাথন আজ জম্মু কাশ্মীরের আসল চিত্রটা তুলে ধরলেন দেশবাসীর কাছে । তিনি বলেন ‘‌‌লক্ষ লক্ষ মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। গোটা রাজ্য জুড়ে লকআউট চলছে।
বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এই ঘটনা দিনের পর দিন ঘটছে, ভাবাই যায় না।’‌তিনি কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে সরব হয়েই থিম থাকেননি , তার সন্মানিক সরকারি চাকরিটাও ছেড়ে দিলেন, যা এক কথায় অবিশাস্য। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন ‘‌দেশের প্রতিটি মানুষের নিজের বক্তব্য রাখার অধিকার আছে। আমি যেদিন সরকারি আধিকারিকের পদ গ্রহণ করেছিলাম, ভেবেছিলাম আমিই মানুষকে সেই সুযোগ করে দেব। কিন্তু এখন দেখছি, আমি নিজেই সেই অধিকার হারিয়ে ফেলেছি। আমি সেই অধিকার আবার ফিরে পেতে চাই, তাই এই সিদ্ধান্ত। বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রে মানুষ কথা বলার অধিকার হারিয়ে ফেলছে। এর চেয়ে ভষঙ্কর কিছু হতে পারে না। কেউ যদি আমায় জিজ্ঞেস করেন যে আমি কী করেছি, আমি এটুকু বলতে পারব যে আমি লোভনীয় সরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়েছি।’‌এখানেই শেষ নয় গোপীনাথান বাবু কাশ্মীরের প্রথম আই এ এস অফিসার শাহ ফয়জলের প্রসঙ্গও টেনে আনেন । তিনি বুঝিয়ে দেন শাহ ফয়জল যা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন বর্তমান পরিস্তিতি নিয়ে তা ধ্রুব সত্য । আর এই জন্যই তাকে গ্রেফতার হতে হয়েছিল । 
ওয়েব ডেস্ক ২৫ শে অগাস্ট  ২০১৯: দেশটা যে ধর্ম নিরপেক্ষ সেটাই বোধয় ভুলে গেছেন বিজেপি নেতা চন্দ্রকান্ত পাটিল। তিনি মোদীজির ভাষণটাও হয়তো শোনেননি , যেখানে মোদীজি বলেছিলেন 'এই দেশ না হিন্দুদের না মুসলমানদের , এই দেশ হিন্দুস্তানীদের ' অর্থাৎ ভারতীয়দের জন্য । যদি এই ভাসন্ত শ্রীযুক্ত চন্দ্রকান্ত পাটিল শুনতেন তাহলে হয়তো তিনি এরকম মন্তব্য করবার আগে দশবার ভাবতেন । এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন “দেশ সেভাবেই চলবে, যেভাবে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুরা চাইবে। তাঁরা যদি মনে করে দুপুর ১২টার সময়েই গণেশের যাত্রাপালা দেখবে তাহলে তখনই সেটা দেখানো হবে”।
 বিরোধীরা এর তীব্র বিরোধ করেছে , তিনি যে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ছড়াচ্ছেন সেই বিষয়েও বিরোধীরা সোচ্চার। ইচ্ছাকৃতভাবে তিনি পরিস্থিতি অস্থির করে তুলতে চাইছেন বলে সরব বিরোধীরা।এই প্রথম নয়, গত সপ্তাহেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন চন্দ্রকান্ত পাতিল। অভিযোগ বন্যাবিধ্বস্ত মহারাষ্ট্রের জলচিত্র খতিয়ে দেখতে গিয়ে দুর্গত মানুষের উপরই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্রাণের আরজি জানানোয় দুর্গতদের ধমক দিতে শোনা যায় তাঁকে। এই ঘটনার পরেও মহারাষ্ট্র সরকারকে তুলোধনা করেন বিরোধিরা।কিন্তু কোনোভাবেই চন্দ্রকান্ত পাটিল দমবার পাত্র নন তিনি যা মনে করেন তাই বলে দেন , হয়তো এখনো প্রধানমন্ত্রীর ফোনটা তার কাছে আসেনি :
ওয়েব ডেস্ক ২৫ শে অগাস্ট  ২০১৯ : 'দিদিকে বলো' ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে সারা বাংলায় । এতে কিছু মানুষের ঈর্ষা হতেই পারে । তবে কোনো রকম অনৈতিক কাজের ঈর্ষা জনিত কারণে নিজেদের জড়িয়ে ফেলা কখনই বুদ্ধিমত্তার পরিচয় হতে পারেনা।  প্রসঙ্গত আসানসোলের তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ খালিদ খান কিছু অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুক বাজদের গুলিতে নিহত হলেন ।
আসানসোল পুরনিগমের ৬৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন তিনি।শনিবার রাতে খাওয়াদাওয়ার পর বাড়ির বাইরে পাইচারি করছিলেন খালিদ। গুলি করে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। গুলিবিদ্ধ খালিদকে নিয়ে যাওয়া হয় আসানসোল জেলা হাসপাতালে। সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিত্সকরা। খালিদের ভাই আরমান জানিয়েছেন , তার চোখের সামনেই তার দাদাকে খুন করা হয় । তিনজন একটি বাইকে চেপে আসে , তাদের মধ্যে দুজন বৈয়াক থেকে নেমে খালিদ বাবুর পায়ে গুলি করে , তারপর একজন খালিক বাবুর গলায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে । ঘটনাস্থলেই কাউন্সিলর মহম্মদ খালিদ খানের মৃত্যু হয় । আসানসোলের মানুষ দাবি করেন এই ভাবে কখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ২০২১ শে হারানো যাবেনা । 

Friday, 23 August 2019

ওয়েব ডেস্ক ২৩ই অগাস্ট  ২০১৯ :কুরুচিকর মন্তব্য করাটা বিজেপির নেতা মন্ত্রীদের অভস্যে পরিণত হয়েছে । মুখে যা আসে তাই এরা বলে যায় । দিলীপ বাবু , বিপ্লব কুমার দেব , থেকে সায়ন্তন বসু । তাদের যা মনে হয়েছে তারা তাই বলে গিয়েছে । এবার সায়ন্তন বসু একধাপ এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ বাতলে দিলেন ।
প্রসঙ্গত দিঘা সফরে গিয়ে তিনি সবাইকে চা বানিয়ে খেতেও দেন নিজের হাতে করেই। এরপর সেই ভিডিও তিনি নিজেই স‍্যোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। সেই বিষয়কে নিয়ে মুখ‍্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ করেন সায়ন্তন বসু । তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে বলেন  মুখ্যমন্ত্রিত্বের চেয়ে চা বানাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেশি পারদর্শী। তিনি চা বানান। তাতে অসুবিধা নেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চাওয়ালা থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থেকে চাওয়ালা হবেন।সায়ন্তন বসু এর আগেও বেফাঁস মন্তব্য অনেক করেছেন এবারও করলেন । বাংলার মানুষ এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আশীর্বাদ করে এসেছেন , তৃণমূলীরা আত্মবিশ্বাসী ২০২১ শে আবার আশীর্বাদ করবেন ।
ওয়েব ডেস্ক ২৩ই অগাস্ট  ২০১৯ :উন্নয়ন কে না চায় , কিন্তু উন্নয়নের পথে হাটতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনোই তার মানবিকতার মুখটা ফিরিয়ে নেননি । বিগত দিনে বিরোধী আসনে যখন ছিলেন , তখন যেমন মানবিক ছিলেন , আজ মুখ্যমন্ত্রী হয়েও একই রকম আছেন । প্রতিবছর কচুয়া ও চাকলায় জন্মাষ্টমীর সময় একাধিক লোকের সমাগম হয় , আর এবারও হয়েছিল । আর সেই সমাগমেই পদপৃষ্ট হয়ে ৬ জনের প্রাণ গেলো । খবর পাওয়া মাত্র শুক্রবার সকালেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আহতদের দেখতে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ উপস্থিত হন ।

সেখানে মৃতদের পরিবর্জনদের  আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেন । সেখানে তিনি বলেন,'‘খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। ‌সব মৃত্যুই কষ্টের। সাহায্য করে হয়ত সেই কষ্ট দূর করা সম্ভব নয়। তবে সরকারের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা, গুরুতর আহতদের এক লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’‌ তিনি আরও বলেন, ‘‌এবারে প্রচুর দর্শনার্থী কচুয়ায় গিয়েছিলেন। আর দুর্ঘটনার সময় প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হয়। আর সেসময় আশেপাশের অস্থায়ী দোকানে অনেকে আশ্রয় নেয়। তখনই কয়েকটি দোকান ভেঙে পড়ে। উল্টোদিকে পুকুর, তারমধ্যে জায়গাটি ছোট হওয়ায় ওই জায়গা থেকে অনেকেই বেরোতে পারেনি। ফলে দুর্ঘটনা ঘটে। খুবই দুর্ভাগ্যজনক এবং দুঃখজনক ঘটনা। ইতিমধ্যে ওই এলাকায় স্থানীয় নেতাদের যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’‌‌ খুব জানতে ইচ্ছে হয় জ্যোতিবসু কোনোদিন কোনো আহতদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন ?
ওয়েব ডেস্ক ২৩ই অগাস্ট  ২০১৯ :  ভারতীয় অর্থনীতিকে একহাত নিয়েছেন নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমার । এবার সেই কথাই যেন প্রতিধ্বনিত হল অ্যাপোলো হসপিটালসের এগজিকিউটিভ ভাইস-চেয়ারম্যান শোভানা কামিনেনির মুখে । তিনি বলেন “ভারতের অর্থনীতি উচ্চ রক্তচাপের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে”।অ্যাপোলো মতো সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট যদি এরকম কথা বলে তা নিঃসন্দেহে আলোড়ন ফেলবে বৈকি । আর সেটাই হয়েছে । বিগত পাঁচ বছর সময়কালে ভারতের অর্থনীতি সংকটজনক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে প্রকাশ পেয়েছে। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। স্বাভাবিক ভাবেই শোভানার এই ধরনের মন্তব্য সেই বিতর্কে নতুন ইন্ধন জুগিয়েছে।

শোভানা ওই সাক্ষাৎকারে দেশের সমসাময়িক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলেন, “প্রতিটা দেশের অর্থনীতিই একটা চাপের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করে। কিন্তু আমাদের দেশে সেই ধরনের চাপ রয়েছে একাধিক। বিশ্বব্যাপী চাপ, এর পরিবেশের চাপ,কর্মসংস্থানের চাপ- যে দিকেই তাকানো হচ্ছে, সর্বত্রই কোনো না কোনো চাপ কাজ করছে। যে কারণে আমি বলছি, দেশের অর্থনীতিতে এখন উচ্চ রক্তচাপের সৃষ্টি হয়েছে”।কথাটা কি খুব ভুল বলেছেন শোভানা? ব্যাখ্যা করার জন্য অরুন জেটলিকে প্রশ্ন করা যেতেই পারে , সরি তিনি তো এখন অসুস্থ ।
ওয়েব ডেস্ক ২৩ই অগাস্ট  ২০১৯ :কেঁচো খুঁড়তে গেলে কেউটের খোঁজই মেলে । এবার মুকুল রায়ের ঘনিষ্ট বাবান ঘোষকে জেরা করে মুকুল রায়ের আর এক ঘনিষ্ঠের নাম পাওয়া গেল যিনি ৭০ লক্ষ টাকা জালিয়াতের সাথে সরাসরি যুক্ত । গত মঙ্গলবার বাবান ঘোষকে জেরা করার পর সাদ্দামের নাম উঠে আসে , আর তার পর টোরি ঘড়ি তাকে বাবুঘাটের থেকে গ্রেফতার করা হয় ।
উল্লেখ্য, রেলের স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ পাইয়ে দেওয়ার জন্য দফায় দফায় ৭০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তাঁর হয়ে এই টাকা তুলেছেন দক্ষিণ কলকাতার প্রভাবশালী বিজেপি নেতা বাবান ঘোষ। স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছিল বাবানকে।পুলিশ দাবি করেছে , বাবান ঘোষ যেমন সাদ্দামের কথা পুলিশকে জানিয়েছেন তেমনি ৭০ লক্ষ টাকার জালিয়াতি মেনে নিয়েছেন।   এই বাবান ঘোষই হলেন মজদুর ট্রেড ইউনিয়নের রাজ্য সভাপতি, আর বলি পারে চালু হওয়া বিজেপি সংগঠনেরও সভাপতি। অমিত শাহেরা মনে করতেই পারেন মুকুল কাদের বিজেপিতে ঢোকাচ্ছে ।
loading...