Tuesday, 21 August 2018

ওয়েব ডেস্ক ২১শে অগাস্ট ২০১৮ : এই কিছুদিন আগেই এই সুরাটে এক নাবালিকার গণধর্ষণ এবং তার নির্মম হত্যাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়, আজ সেই সুরাটে এক নাবালিকার,  নিজের বাবার হাতে দিনের পর দিন ধর্ষিত হয়ে গুজরাট সরকারকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিলেন ।বিদ্যজনেরা প্রশ্ন তুলেছেন দিনের পর দিন এরকম গর্হিত কাজ হচ্ছিলো কিন্তু প্রশাসনের কাছে কোনো খবর ছিলোনা কেন ? গোদের ওপর বিষ ফোঁড়ার মতো নাবালিকা আবার সেই পাষণ্ড বাবার সন্তানের জন্ম দেয় ।


                                                                                      প্রতীকী চিত্র
সূত্রের খবর অনুসারে ই নাবালিকা অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। দীর্ঘদিন আগে তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। মায়ের সঙ্গে সুরাটেই থাকত নাবালিকা। স্কুলে ছুটি চললে বাবার কাছে বেড়াতে আসত। বাবা থাকে তাপি জেলার ভিয়াড়া শহরে। অভিযোগ, ছুটিতে তাপিতে গিয়ে বাবার যৌন লালসার শিকার হয় নাবালিকা। দিনের পর দিন চলে অত্যাচার। কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল ধর্ষক বাবা। আতঙ্কে মাকে কিছুই বলে উঠতে পারেনি নির্যাতিতা। এদিকে মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে জানতে পারেন নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। এতদিনে মায়ের কাছে নারকীয় অত্যাচারের ঘটনা খুলে বলে নির্যাতিতা। জুনের ২৬ তারিখে সুরাটের কাকরাপাদ থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়। কাকরাপাদ থানeর পুলিশ কেসটি তাপির সোনগড় থানায় স্থানান্তর করে দেয়। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়ে গেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। এরপর থেকে মায়ের কাছেই ছিল নাবালিকা।
নাবালিকার অবস্থা এমনি ছিল ডাক্তার সূত্রে জানা গেছে ,অস্ত্রোপচার ছাড়া প্রসব করতে গেলে মা এবং বাচ্চার দুজনেরই প্রাণহানি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল ।এরকম নক্কারজনক ঘটনা স্বভাবতই গুজরাট সরকারকে  বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে ।
তুবুও  এখন পয্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকে কোনো বার্তা আসেনি ।




তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "সংবাদ প্রতিদিন "
ওয়েব ডেস্ক ২১শে অগাস্ট ২০১৮ : এটা কি মধ্য যুগীয় বর্বরতা ? না অন্য কিছু ? আগে সেটাই ঠিক করা দরকার বজ্রং দলের , ঠিক এই মতামতটাই  পেশ করলেন বিদ্যজনেদের একাংশ ৷ প্রসঙ্গত নভজোত সিংহ সিধুর পাকিস্তান যাওয়া নিয়ে জলঘোলা হতে হতে বজ্রং দল তার মাথার দাম   ৫ লক্ষ্য টাকা ধার্য্য করে বসল   ৷

মনে করিয়ে দিলো আয়াতোল্লাহ খোমেনীর কথা যিনি ফতোয়া জারি করেছিল ,বিতর্কিত লেখক সালমান রুশদিকে মারবার জন্য  ৷ বিদ্যজনেদের একাংশের মত এরকম মধ্য যুগীয় বর্বরতা না দেখাতেও  পারতো বজ্রং দল  ৷ গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে পাকিস্তানের তখতে বসেন ইমরান খান৷ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের তিন ক্রিকেটার বন্ধু, সুনীল গাভাসকর, কপিল দেব ও নভজ্যোৎ সিং সিধুকে আমন্ত্রণ করেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রধান৷ প্রথম দু’জন না গেলেও, ‘পরম বন্ধু’ ইমরানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যান পাঞ্জাবের মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা সিধু৷ সেখানে পাক সেনা প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাজওয়াকে আলিঙ্গন করেন ভারতের প্রাক্তন এই ক্রিকেটার এবং সমগ্র অনুষ্ঠানে তিনি বসে থাকেন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট মাসুদ খানের পাশে৷ মূহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে বিতর্ক৷ বিভিন্ন স্থানে পোড়ানো হয় সিধুর কুশপুতুল৷ আক্রমণ নেমে আসে বিভিন্ন দিক থেকে৷ তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় মামলাও৷
যদিও এই পরিস্থিতি থেকে বেরোনোর জন্য সিধু কসুর  করছেননা, তিনি এমনও ব্যাখ্যা দিয়েছেন পরিস্থিতি  অনুযায়ী যেটা তার বলার মনে হয়েছে তিনি তাই বলেছেন  , কিন্তু এতো সহজে বজ্রং দল ব্যাপারটা মিটিয়ে নেবে সেটা তাদের শারীরিক ভাষা থেকে মনে হচ্ছেনা ৷ অতএব সমস্যা বাড়ছেই ৷



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "সংবাদ প্রতিদিন "
ওয়েব ডেস্ক ২১শে অগাস্ট ২০১৮ : বিজেপি যখন তাদের দলের ভাঙ্গন রুখতে ব্যতিব্যস্ত সেই সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা তাদের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ।এর কারণ , অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি মানেই "চমক " অবধারিত , আর এটাই বিজেপির মূল চিন্তা ।ঘটনাটি বলরামপুরের  যেখানে বিজেপি জিতেও একেবারেই স্বস্তিতে নেই ,এর পর তৃণমূল কংগ্রেস প্রচার চলছে ," সভাতেই চমক রয়েছে।" সেই চমকের অপেক্ষাতেই বিজেপি ভিতরে ভিতরে ত্রস্ত।


জেলা তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার দিনই বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির দখল তৃণমূলের হাতে আসবে। অন্তত সাতজন পঞ্চায়েত সমিতি সদস্য ওইদিন বিজেপি ছেড়ে যোগ দিতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তাহলেই পঞ্চায়েত সমিতিতে বোর্ড গঠনের ব্যাপারে এক ধাপ এগিয়ে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির দাবি, তাদের সদস্যরা কেউই দল ছাড়বেন না। কেউ তৃণমূলে যাবেন না। বিজেপির জেলা নেতৃত্ব এই সম্ভাবনার কথা একেবারে উড়িয়ে দিলেও, স্থানীয় নেতৃত্বের কথায়, একসঙ্গে এতজন যেতে পারে না তৃণমূলে। তবে পুলিশকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে আমাদের দলের সদস্যদের শাসকদলে যোগ দেওয়ানোর একটা চেষ্টা চলছে।বিজেপি বলরামপুর নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হলেও, নিত্যদিন দলের ভাঙন ঘটছে, ঠেকাতে পারছে না নেতৃত্ব। রঘুনাথপুরের বিজেপি টিকিটে পঞ্চায়েত সমিতিতে জয়ী সীমা বাউড়ি, জেলা পরিষদে জয়ী বিজেপি সদস্যা লিপিকা বন্দ্যোপাধ্যায়রা যোগ দিয়েছেন তৃণমূল। ঝালদার দড়দা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজয় লায়া এ বিলাসীবালা রুইদাসও যোগ দিয়েছেন শাসকদলে। এবার পুরুলিয়ার বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সাতজন সদস্য রয়েছেন লাইনে। শুক্রবার অভিষেকের সভায় তাঁদের যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে। তৃণমূল জেলা নেতৃত্বের কথায়, আমরা শুধু বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতিই নয়, বিজেপির দখলে থাকা কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতও দখল করব। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল জেলা সভাপতি শান্তিরাম মাহাতো বলেন, আমাদের কাছে আগে উন্নয়ন পরে রাজনীতি। যারা উন্নয়ন চেয়ে আমাদের দলে আসতে চাইছেন, তাদের আমরা সাদরে গ্রহণ করছি।
উল্লেখ্য ,বলরামরুরের পঞ্চায়েত সমিতির ২০ টি আসনের মধ্যে , ১৭ টা এখনো অবধি বিজেপি দখলে আর ৩টি তৃণমূলের , এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যারিশমায় ৭ জন বিজেপি প্রার্থী যদি তৃণমূলে যোগ দেয় তাহলে অ্যাডভান্টেজ পজিশনে চলে যাবে তৃণমূল ,এতেই বিজেপি ত্রাহি ত্রাহি রব ।





তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "ওয়ান ইন্ডিয়া বেঙ্গলি "

ওয়েব ডেস্ক, ২১ শে অগাস্ট :-  গতকাল রাত্রি ১১.০০,হুকুম চাঁদ জুট মিল সংলগ্ন ছাই ময়দানের পাস দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী রাজু বাল্মীকি। সেই সময় স্থানীয় বিদ্যুতের সংযোগ বন্ধ করে তাঁর উপর হামলা করে কয়েকজন দুষ্কৃতী। পর পর ছয়টি গুলি করে গুপ্তি দিয়ে বারংবার তাঁর বুকে আঘাত করে খুন করা হয়।   



মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে পূর্বের শত্রুতা বশত এই কাজ করেছেন হালিশহর পৌরসভার নির্দল কাউন্সিলর তারক চৌধুরী।      ৪ মাস আগে রাজু বাল্মীকি স্থানীয় এলাকায় জুয়া, মদের ঠেকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তোলেন। সেই আন্দোলনের চাপে পড়ে সেই সময় পুলিশ স্থানীয় নির্দল কাউন্সিলর তারক চৌধুরীর অফিসে তল্লাশি করলে সেখান থেকে ১৪ টি বোমা, ৮টি দেশি বন্দুক ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। এরপর পুলিশ তারক চৌধুরী ঘনিষ্ঠ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেন । মৃতের পরিবার আরো বলেন ওই ঘটনার বদলা নিতে তারক চৌধুরী স্থানীয় গুন্ডা সুদীপ্ত দাসের সাথে যড়যন্ত্র করে রাজু বাল্মীকিকে খুন করেছে। এই কাজে তাদের সাহায্য করেছে স্থানীয় দুষ্কৃতী প্রকাশ ঠাকুর, ধীরাজ ঠাকুর, অমিত চৌধুরী ও প্রভু।

রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে বর্তমানে এই তারক চৌধুরী হালিশহরে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের খুবই ঘনিষ্ঠ। তলে তলে এই তারক চৌধুরীর মদতেই হালিশহরে বিজেপির সংগঠন গড়ার চেষ্টা করছেন মুকুল বাবু। স্থানীয়দের অভিযোগ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনে এখনও প্রচুর মুকুল ঘনিষ্ট লোক রয়ে যাবার কারণে পুলিশ এই ব্যাপারে সঠিক পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তাদের দাবি অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। 
ওয়েব ডেস্ক ২১শে অগাস্ট ২০১৮ :  বিজেপি শাসিত বিহার যে বিহারেই আছে , তা আরো  একবার প্রমাণিত হল ।মুজাফ্ফরপুরের ঘটনা থেকে বিহারের পুলিশ যে তৎপর হওয়ার শিক্ষা নেয়নি তা এই ঘটনায় আবার উঠে এলো । বিহারের ভোজপুর জেলার দামোদরপুর গ্রামে একটি মাঠ থেকে উদ্ধার হয় কিশোরের দেহ। গ্রামবাসীদের আনুমান করে যৌনপল্লীতেই কোনও গোলমালে জড়িয়ে পড়ার জন্যই  ওই কিশোরকে খুন হতে হয় । তারপরেই গ্রামের সেই যৌনপল্লীতে হামলা চালায় গ্রামবাসীরা।



একের পর এক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন তাঁরা। এমনকী দোকানপাট ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেন। সেই পল্লী থেকেই একটি মহিলাকে টেনে বের করে উলঙ্গ করে মারধর করে গ্রামবাসীরা। স্রেফ অনুমানের  ভিত্তিতে ওই মহিলার ওপর চলে অত্যাচার  । তার উপযুক্ত সাজা দিতে মহিলাকে নগ্ন করে রাস্তাতেও ঘোরানো হয় । সঙ্গে ছিল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর ।                                                প্রকাশ্যে দিনের আলোয় এই নারকীয় ঘটনা দেখেও মহিলাকে বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসেনি। তারপর গ্রামবাসীরাই তাঁকে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এখনও পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তাঁদের মধ্যে রয়েছে এক আরজেডি নেতাও। কিশোরী যাদব নামে ওই আরজেডি নেতাকে আটক করে জেরা করছে পুলিস। জগদীশপুরের এসডিএম অরুণ কুমার জানিয়েছেন, থানার অদূরেই এই ঘটনা ঘটার পরেও কর্তব্যরত পুলিসকর্মীরা কেন পদক্ষেপ করেননি তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেদিন কর্তব্যরত আট পুলিসকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে । তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্টেশন হাউস অফিসার কানোয়ার গুপ্তাও করেছেন। গ্রামে উত্তেজনা থাকায় পুলিস মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের "ইনফরমার "থাকার সত্ত্বেও কি করে এই ঘটনাটা এতো বড় আকার নিল ? পুলিশ কি তাহলে ইচ্ছাকৃত ভাবেই এর মজা নিচ্ছিলো না অন্য কিছু ?



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "
ওয়েব ডেস্ক ২১শে অগাস্ট ২০১৮ :  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের , যা কাজ করার ইচ্ছে এবং খাটাবার ক্ষমতা , তা রীতি মতো স্তম্ভিত করার মতো । তার অদম্য ইচ্ছে বাংলার মানুষের ভালো করার  ,যা  তাকে আজ এই মুখ্যমন্ত্রীর পদে নিয়ে এসেছে  তার  কোনো প্রশংসা যথেষ্ট বলে মনে করেননা বিদ্যজনেদের একাংশ । কিছু বিদ্যজনেদের এরকমও মত , তিনি দেশের যেকোনো সিইও কে নিজের জ্ঞানের ভান্ডার এবং "মুশকিল আসান " সমাধান সূত্রের মাধ্যমে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিতে পারেন । বর্তমান পরিস্তিতি এটাই ।


সোমবার ঝলমলে সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ক্ষুদ্র শিল্পোদ্যোগীদের একের পর এক প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে চটজলদি সমাধানও। যেখানে শিল্প সম্মেলনের মঞ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছিল আসলে এক মুশকিল আসনের পটভূমি। যেখানে সমস্যা শুনে নিয়েই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তাকে ডাকছেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর সমাধানের ভার ছাড়ছেন দপ্তরের শীর্ষ আমলার হাতে। কখনও কখনও এমনকী, বেঁধে দিচ্ছেন ‘ডেডলাইন’ও।
নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে দু–দিনের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সম্মেলনের উদ্বোধন করতে উঠে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শেষে সমবেত শিল্পদ্যোগীদের বলেছেন, ‘আমার আর বিশেষ কিছু বলার নেই। আপনাদের কোনও প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন। আমি তার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করব। কিছু প্রশ্নের জবাব দেবেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র এবং মুখ্যসচিব মলয় দে।’
যেমন কথা, তেমন কাজ। দ্রুত প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিটি প্রশন মন দিয়ে শোনা তো বটেই, চটজলদি তার সমাধানও করেছেন তিনি।  যেমন বাঁকুড়া চেম্বার অফ কমার্সের এক প্রতিনিধি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে সমস্যার কথা বলছিলেন। বক্তব্য শুনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ক্ষুদ্রশিল্পে এ রাজ্যে প্রভূত গতি বৃদ্ধি হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ক্ষুদ্র শিল্পকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি জানিয়ে দেন, ‘‌এক জানলা’‌ পদ্ধতিতে ট্রেড লাইসেন্স, বিদ্যুৎ, দমকল, পরিবেশ দপ্তরের ছাড়পত্র যাতে একইসঙ্গে পাওয়া যায়, তার ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার।
এরই মধ্যে কোচবিহারের এক ক্ষুদ্র শিল্পোদ্যোগী মমতার অনুযোগ করেন, গত ১৫ মাস ধরে ফাইল পড়ে রয়েছে সরকারের ঘরে। ফলে কোনও কাজই শুরু করতে পারছেন না তাঁরা। শোনামাত্রই জেলার ডিআইসিও–র খোঁজ করেন মমতা। তিনি উঠে দাঁড়ালে সটান মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে প্রশ্ন করেন,  ‘ফাইল কেন আটকে রয়েছে আপনি জানেন?‌’‌ খানিকটা ইতস্তত করে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক জানান, তিনি মাত্র দু’‌মাস আগে ওই জেলায় এসেছেন। জবাবে সন্তুষ্ট হতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সাফ বলেন, ‘‌এরকম তো চলতেই থাকবে। একজন অফিসার বদলি হবেন। আর একজন  আসবেন। তাই বলে আগের জমে–থাকা কাজের খোঁজ রাখবেন না আপনি?‌ এটাও দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এভাবে চলতে পারে না।’‌ তখনই মুখ্যমন্ত্রী ওই অফিসারকে নির্দেশ দেন, ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। স্পষ্ট বলেন, ‘আজ ২০ তারিখ। আপনি ২৭ তারিখের মধ্যে আলাপন ব্যানার্জিকে (দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব) রিপোর্ট দেবেন!’পার্থ চ্যাটার্জি নামে বেহালার এক শিল্পোদ্যোগী জানান, ওই এলাকায় শিল্পতালুকে বেশ কয়েকগুণ ভাড়া বেড়েছে। শুনে দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনের আধিকারিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘‌এটা ইচ্ছেমতো করা যাবে না। সরকারের অনুমতি ছাড়া ভাড়া বাড়ানো যাবে না। পুরসভাতেও কখনও কখনও ইচ্ছেমতো লোক নিয়োগ করে শুনি। এসব কী হচ্ছে?‌ সরকারের অনুমতি ছাড়া এসব করা যাবে না।’‌
পার্থর মতোই বর্ধমানে হস্তশিল্পের সমস্যা নিয়ে অনুযোগ করেন এক শিল্পোদ্যোগী। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় পুরসভা কাজের ঢিলেমি দিচ্ছে। বিএলআরও–‌দের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ করেন ওই শিল্পোদ্যোগী। প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী  দপ্তরের প্রধান সচিব মনোজ পন্থকে কড়া নির্দেশ দেন, ‘‌আমি ওঁর সঙ্গে একমত। পুরসভা কোথাও কোথাও পাকামো মারে। মনোজ, এসব বন্ধ করতে হবে। বিএলআরও–‌দের কাজকর্মে নজর রাখুন!’‌ প্রসঙ্গত, গতবছর ডিসেম্বর মাসে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন বসেছিল এখানেই। সেখানে যোগ দিয়েছিলেন দেশবিদেশের শিল্পপতি ও কনসুলেটের প্রতিনিধিরা। এদিন সারা রাজ্যের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পদ্যোগীদের নিয়ে সম্মেলনের সময় মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী বাণিজ্য সম্মেলনে তাঁরা একটি দিন রাখবেন ক্ষুদ্রশিল্প নিয়ে আলোচনার জন্য। কারণ, তিনি চান, বাংলার ক্ষুদ্রশিল্প সারা বিশ্বে একনম্বরে যাক। উদ্বোধনে অর্থমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। ছিলেন শিল্পপতি হর্ষ নেওটিয়া, মায়াঙ্ক জালান, রুদ্র চ্যাটার্জিরা। ছিলেন বিদেশি প্রতিনিধিরাও। অনুষ্ঠানের শুরুতেই মুখ্যসচিব সম্মেলনের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‌আমাদের রাজ্যে যে প্রগতি আমরা দেখছি, তা কর্মসংস্থানমুখী। বিশেষত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে।
মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী এদিন হায়দরাবাদে ‘‌বিশ্ব বাংলা’‌ বিপণির উদ্বোধন করেন। সেই সঙ্গে উদ্বোধন করেন পার্ক স্ট্রিটে নতুন খাদি শো–রুম, মঞ্জুষার একটি উৎকর্ষকেন্দ্র ও পরিধান গার্মেন্ট পার্কেরও। ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষুদ্রশিল্প কেন্দ্র করেই কর্মসংস্থান আরও বাড়বে। কিন্তু একে সিনার্জি‌র সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। বড় শিল্পের পাশাপাশি অনুসারী শিল্পেরও গুরুত্ব রয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগীরা তা স্থাপন করে সফল হতে পারেন।’‌
ওই কাজে প্রতিটি জেলায় শিল্পোদ্যোগীদের সমস্যা সমাধানের জন্য ব্লক স্তরে গিয়ে প্রশাসনকে নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে— কৃষি, হস্তশিল্প, পর্যটন, চা–‌পর্যটন ইত্যাদি নতুন নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। তাই জেলাগুলিতে আরও বেশি করে ক্লাস্টার বা শিল্পপার্ক তৈরি করতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, ছোট শিল্পপতিদের স্বস্তি দিতে ইতিমধ্যে দমকলের ফি ৩৪ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। তাঁতশিল্পে ঋণের হার ৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করেছে সরকার। রপ্তানি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, সব জেলায় ‘‌ডেটা ব্যাঙ্ক’‌ তৈরি করতে হবে। মোবাইলে ‘‌অ্যাপস’‌–‌এর মাধ্যমে সরকার–শিল্পোদ্যোগী যোগাযোগ রাখা দরকার। তাঁর কথায়, ‘ব্যাঙ্কঋণ পেতে সমস্যা হয় ক্ষুদ্র শিল্পোদ্যোগীদের। নোটবন্দির পর সমস্যা তৈরি হয়েছে।’ এ ব্যাপারে সমবায় ব্যাঙ্কগুলিকে ক্ষুদ্র শিল্পোদ্যোগীদের পাশে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এসব দেখে বিদ্যজনেদের একাংশের মন্তব্য সারা ভারত বর্ষে এরকম  মুখ্যমন্ত্রী আর দুটো পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ ।বিগত সরকারের আমলে ,কোনো সাধারণ নাগরিক  কোনো মন্ত্রীকে বলতে পেরেছেন কেন ১৫ মাস ধরে ফাইলটা আটকে রয়েছে আপনার দফতরে , এরাজ্যের মানুষরা সেই প্রশ্ন করার সুযোগ পাচ্ছেন ,যেটা আগের সরকারের আমলে "কল্পনা" ছিল ।





তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "

Sunday, 19 August 2018

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: তৃণমূলের রাজনীতি ,রাজনৈতিক ফায়দা  তোলার জন্য নয় , সত্যের পথে চলার জন্য । এই কথাটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতিতে বারং  বার উঠে এসেছে , এবং এর জন্যই আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশের তাবড় তাবড় ব্যক্তিত্ব প্রধান মন্ত্রিত্বের পদে দেখতে চাইছেন   । তবে কিছু মানুষ যারা নিজেদের তৃণমূলী বলে নিজেদের দাবি করেন তারা প্রয়াত অটল বেহারী বাজপেয়ী সমন্ধে  কুরুচিকর মন্তব্য করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়  ।


বিষয়টি একেবারে অভিপ্রেত ছিলোনা  শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে , তাই তৃণমূলের রাজ্য যুব সম্পাদক সায়নদেব চট্টোপাধ্যায় সোজাসুজি বলেন, ‘‘অটলজি একজন মহান নেতা ছিলেন৷ আমাদের নেত্রীর সঙ্গে তাঁর ভালো সম্পর্ক ছিল৷ তৃণমূলের নামে তাঁকে নিয়ে কোনও নোরাংমো হলে তা বরদাস্ত করা হবে না৷’’শুক্রবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় বাজপেয়ীজির৷ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শেষ যাত্রায় নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও দলীয় এবং বিরোধী দলের নেতারাও পা মেলান৷ স্মৃতিস্থলে অটলজিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন দেশ বিদেশের রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বরা৷ স্মৃতিস্থলে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধিরাও৷ফেসবুকে নিজেদের তৃণমূলে বলে দাবি করা বেশ কয়েকজন অটলজিকে নিয়ে নানা রকমের কুরুচিকর মন্তব্য করেন, যাদের নিয়ে অসন্তুষ্ট ক্ষোদ তৃণমূল শিবির৷তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক সায়নদেবকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলছেন সেটাই আমাদের পার্টির শেষ কথা৷ আমাদের সর্বোচ্চ নেত্রী পরিষ্কার বলেছেন অটলজির সরকার এই সরকারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহ আমাদের দলের প্রত্যেকে অটলজির প্রয়ানে শোকাহত৷ এরপর যদি কেউ নিজেকে তৃণমূল বলে কুরুচিকর মন্তব্য করে এবং সে যদি পার্টির স্বীকৃত সদস্য হয় তাহলে দল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে৷’তিনি আরো বলেন  ‘‘ এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই অটলজি একজন লেজেন্ড৷ ভারতীয় রাজনীতির একজন মহীরূহ৷ উনি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন গুজরাট দাঙ্গার প্রসঙ্গে বলেছিলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের রাজধর্ম পালন করা উচিৎ ৷ তাঁর মৃত্যুতে গোটা দেশের মতই তৃণমূল কংগ্রেসও শোকাহত৷’’ বিদ্যজনেদের একাংশের মত তৃণমূল কোনো মতেই পূর্বের বামফ্রন্ট সরকার নয় ,যারা শুধু মাত্র নিজেদের ফায়দার কথা ভেবে কোনো একটা ভালো জিনিস করেও মিথ্যে যুক্তি সাজিয়ে খারাপ বলে প্রমাণিত করতো  ।তাদের কাছে কাজ বা সত্যের পথে চলার থেকেও মানুষকে ভুল বোঝানোটা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হতো ।এবং বিজ্ঞানসম্মত ভাবে সেটাই করে গেছে, যার জন্য চিরকালের মতো চলেও যেতে হল ।



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "কলকাতা ২৪*৭ "

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: আর বি আই এর সদ্য নিযুক্ত ডিরেক্টর , যার আরও  একটা পরিচয় তিনি আরএসএস এর অত্যন্ত ঘনিষ্ট ,সেই এস গুরুমূর্তি কেরলের বন্যা নিয়ে তার নিজেস্ব বিতর্কিত মত রেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন ।


শনিবার সকালে এই রকম একটি টুইটই রিটুইট করে গুরুমূর্তি লেখেন, ‘‘কেরলে অতিবর্ষণের সঙ্গে শবরীমালা মামলার যোগ রয়েছে কি না, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা ভেবে দেখতে পারেন। বন্যার দশ লক্ষ সম্ভাব্য কারণের মধ্যে একটা কারণও যদি এটা হয়, মানুষ কিন্তু চাইবে না শবরীমালা মামলার রায় আয়াপ্পার বিরুদ্ধে যাক।’’প্রসঙ্গত কেরলের শবরীমালা মন্দিরে  দশ থেকে পঞ্চাশ বছর বয়সী মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। সেই নিষেধাজ্ঞা তোলার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে। এ দিকে কেরলের বন্যায় বিস্তৃত এলাকার মতো শবরীমালা মন্দির চত্বরও জলমগ্ন। শুক্রবার রাত থেকেই কেউ কেউ বলতে শুরু করেন, শবরীমালার প্রাচীন রীতিনীতি বদলানোর কথা উঠতেই আয়াপ্পা ক্ষুব্ধ হয়েছেন! শবরীমালায় সকলের প্রবেশাধিকারের প্রশ্ন ওঠা মাত্র আয়াপ্পা সকলেরই প্রবেশের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন! তার এহেন টুইটে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠে , তাকে পমর্শ দেওয়া হয় মুখ বন্ধ রাখার ,অনেকে ক এমন লেখেন মুখ বন্ধ রাখলেই প্রশংসা কুড়োবেন ।


তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আনন্দবাজার পত্রিকা "
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: বিজেপি ক্ষমতায় আসবার আগেই রাম মন্দির নির্মাণটা যে তাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে ছিল , সেটা অনেকবার প্রমান পাওয়া গেছে বিজেপির শীর্ষ স্থানীয় কিছু নেতা মন্ত্রীর কথায়,সে কথাতেই আরও একবার সিলমোহর পড়ল এক বিজেপি মন্ত্রীর  বিবৃতিতে ।


উত্তর প্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য সোমবার বলেছেন সংসদের দুই কক্ষে বিজেপি পূর্ণ সংখ্যা গরিষ্ঠকা পেলেই রামমন্দির তৈরির সব বাঁধা দূর হয়ে যাবে। তখন সংসদের দুই কক্ষে রামমন্দির তৈরির জন্য বিল আনবে বিজেপি। তিনি আরও বলেছেন এই মুহূর্তে সংসদের দুই কক্ষে বিজেপি এখনও পূর্ণশক্তি লাভ করতে পারেনি। রাজ্যসভায় এখনও কিছু শক্তি সঞ্চয় করতে হবে বিজেপিকে। সেটায় জয় পেলেই কেল্লা ফতে। রামের সব ভক্তরাই সেকথা জানেন। আদালতও তাঁদের পক্ষেই রায় দেবে। যেদিন রাজ্যসভায় শক্তি সঞ্চয় করতে পারবে বিজেপি সেদিন আর কোনও বাধা থাকবে না। প্রসঙ্গত বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ নাকি একবার ঘোষণা করেছিলেন ২০১৯–এর লোকসভা নির্বাচনের আগে রামমন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়ে যাবে অযোধ্যায়। যদিও সেকথা পরে অস্বীকার করেছিলেন তিনি। বিদ্যজনেদের একাংশের বক্তব্য , বিজেপি রাম মন্দির কে সামনে রেখেই গত বারের লোকসভা নির্বাচনে জিতেছিল , এবার সে রকম কিছু একটা করার মতলবে আছে ।তবে আগামী লোকসভা নির্বাচনের কথা চিনতে করে বিজেপিও যে ঘুটি সাজাচ্ছেন সেটা বলাই বাহুল্য ।


তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: যুদ্ধ বিমান রাফায়েলকে হাতিয়ার করেই  কংগ্রেস তাদের আক্রমন শানাবে বলে ঠিক করেছে আগামী লোকসভা নির্বাচনে ৷ এর জন্য রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের কিছু দুদে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দিয়ে গঠন করেছেন টাস্ক ফোর্স যারা দায়িত্বে থাকবেন রূপরেখা তৈরী করার ক্ষেত্রে ৷ এ বিষয়ে রাহুল গান্ধী সারা দেশের কংগ্রেস নেতা তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ৷জানা গিয়েছে, টাস্কফোর্সের মাথায় রয়েছে কংগ্রেস মুখপাত্র রনদীপ সুরজেওয়ালা ও জয়পাল রেড্ডি৷


এছাড়া ফোর্সের সদস্য করা হয়েছে, অর্জুন মোধওয়াদিয়া, শক্তি সিং গোহিল, প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদি, জয়বীর শেরগিল ও পাওয়ান খেরকে৷ আগামী ২৫ আগস্ট থেকে কাজ শুরু করবে এই টাস্ক ফোর্স৷ দলের মুখপাত্র রনদীপ সুরজেওয়ালা সাংবাদিকদের জানান, বিশেষভাবে রাফাল ইস্যু-সহ মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন দুর্নীতি এবং কেলেঙ্কারিগুলি সারা দেশের জনতার সামনে তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিন কংগ্রেস কর্মীরা জেলা ও রাজ্যস্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন। এই ব্যাপারে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অবিলম্বে যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠনের দাবি তুলবে। তিনি আরও বলেন, রাফাল ইস্যু কংগ্রেসের অন্দরে বিশদে আলোচনা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, এই চুক্তির ফলে সরকারি কোষাগারে ৪১ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এই কংগ্রেস মুখপাত্রের অভিযোগ, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেড (হ্যাল)-এর থেকে বরাদ ছিনিয়ে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রর মোদির বন্ধুর সংস্থার সঙ্গে ৩০ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করা হয়েছে৷ শুরু থেকেই রাফাল ইস্যুতে কেন্দ্রের মোদি সরকারকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। এর আগেও দলের নেতাদের তিনি রাফাল ইস্যু জিইয়ে রাখার জন্য একাধিকবার নির্দেশ দিয়েছেন। সম্প্রতি নির্বাচনমুখী রাজস্থানের জয়পুরে একটি দলীয় সভাতেও তিনি এই নিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ইউপিএ সরকার রাফাল যুদ্ধ বিমান নিয়ে যে চুক্তি করে তা ছিল মাত্র ৫৪০ কোটি টাকার। আর মোদি সরকার আসার পরেই সেই যুদ্ধ বিমান ১৬০০ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হচ্ছে। প্রতিরক্ষায় এর চেয়ে বড় দুর্নীতি কখনও হয়নি বলে অভিযোগ করেন রাহুল৷রাহুল গান্ধী সংসদের বাদল অধিবেশনেও রাফাল ইস্যুতে সরব হয়েছেন। কংগ্রেস ২০০৮ সালে ইউপিএ-র আমলের রাফাল চুক্তির প্রতিলিপি প্রকাশ করেছে। কংগ্রেসের দাবি, বিমানের দাম নিয়ে গোপনীয়তার শর্ত ছিল না সেই চুক্তিতে। কংগ্রেসের তরফে বলা হচ্ছে, ইউপিএ আমলে প্রতি রাফালের দাম পড়ছিল ৫২৬.১০ কোটি টাকা। এখনকার চুক্তিতে দর ১৬৭০.৭০ কোটি টাকা। বিদ্যজনেদের একাংশের প্রশ্ন রাফেন কিনতে কেন এতো গোপনীয়তা বজায় রাখছেন মোদীজি ।কি এমন প্রযুক্তি থাকবে যেটা ভারতকে উপমহাদেশীয় দেশ গুলির থেকে এগিয়ে রাখবে ? মোদী সরকারের উচিত জনগণের সামনে এর সম্বন্ধ্যে খোলসা করে বলা ।



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "সংবাদ প্রতিদিন "
loading...