Wednesday, 17 July 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৭ই জুলাই  ২০১৯: আসামের মতো নাগরিকপঞ্জী বিজেপি সারা ভারতেই যে করতে চাইছে সেটা রাজ্য সভায়   পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিলেন অমিত শাহ । এর অর্থ একটাই হতে পারে, যা হল  অরাজগতা , যা এখন আসামে চলছে । নিয়ম অনুসারে বিজেপি সরকার বলছে অনুপ্রবেশকারীদের সনাক্ত করে দেশের বাইরে পাঠানো হবে , শুনতে ভালো লাগলেও তার জন্য যেই তথ্য প্রযুক্তি দরকার এই সম্পূর্ণ ব্যাপারটা সম্পন্ন করার জন্য সেটা আছে কি কেন্দ্র সরকারের ।
প্রসঙ্গত আসামে যেভাবে নাকানি চোবানি খাওয়ানো হচ্ছে এই অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করতে তা এক কোথায় হয়রানি ছাড়া অন্য কিছুই নয় । সে সব কথা বেমালুম চেপে গিয়ে  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যসভায় বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আমরা অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করব, তারপর তাঁদের দেশছাড়া করব। আন্তর্জাতিক সীমান্তে অনুপ্রবেশ আটকাতে সরকার উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করেছে বলেও জানান তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক লোকসভায় এক লিখিত জবাবে জানিয়েছে, সীমান্তে পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হচ্ছে। উন্নত বেড়া দেওয়া হচ্ছে, ফ্লাড লাইট লাগানো হচ্ছে। সীমান্তে টহলদারি জোরালো করা হয়েছে। অসমে এনআরসি নিয়ে ধুন্ধুমার হয়েছে। তারপর লোকসভা ভোটে বাংলায় প্রচারে এসে এনআরসি চালু করার কথা বলেন অমিত শাহ। এবার সরকার যে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে পদক্ষেপ নিতে চলেছে, তা তাঁর কথাতেই পরিষ্কার।কিন্তু অনুপ্রবেশকারী তাড়াবার নামে নিজেদের সংগঠন মজবুদ করার স্বপ্ন দেখছে না তো বিজেপি?
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই জুলাই  ২০১৯: যে খানে কোনো প্রকল্পের টাকা খরচই করা হয়না , সেখানে একশো দিনের কাজে অভাবনীয় কাজ করার শিরোপা বাংলার । যেখানে ১০০ দিনের কাজে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি ঠিক মতো টাকা খরচ করতেই হিমশিম খাচ্ছে সেখানে বাংলা সবার ওপরে । শুধু টাকা পয়সা খরচের বিষয়েই নয় কাজ দেওয়ার বিষয়েও অভাবনীয় উন্নতি দেখিয়েছে রাজ্য সরকার । ‘‌মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি’‌ অর্থাৎ ১০০ দিনের কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার সবথেকে সফল।
মমতা ব্যানার্জি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর প্রচেষ্টাতেই এই সাফল্য। কেন্দ্রের গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের তথ্য বলছে, মানুষকে কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে ২০১৭–১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গে ৩১ কোটি ২৫ লক্ষ ৫৫ হাজার শ্রমদিবস তৈরি হয়েছে। যা দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি। ২০১৮–১৯ সালে এই সংখ্যাও ছাপিয়ে গেছে। এই অর্থবর্ষে আগের হিসেব টপকে এ রাজ্যে ৩৩ কোটি ৮৪ লক্ষ ৫৯ হাজার শ্রমদিবস তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি শ্রমদিবসের পাশাপাশি ১০০ দিনের কাজে টাকা খরচের ক্ষেত্রে এ রাজ্য–সহ গোটা দেশের কী অবস্থা, তা কেন্দ্রের কাছে লিখিতভাবে জানতে চেয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইয়া। তাঁরই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর জানিয়েছেন, শ্রমদিবস তৈরির ক্ষেত্রে এবং অর্থ খরচের ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গ। ২০১৭–১৮ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গ খরচ করেছে ৭ হাজার ৯১৩ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা। ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রে টানা এই সাফল্য ধরে রাখতেই বদ্ধপরিকর তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। একই সঙ্গে মজুরি ৩০০ টাকা করারও দাবি তোলা হবে। এখন ১৮৭ টাকা করে দেওয়া হয়।
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই জুলাই  ২০১৯: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন তার বিরোধীদের চোখে না পড়লেও বিশ্বব্যাঙ্কের চোখ এড়ায়নি , তাই গ্রামীণ পরিকাঠামোর উন্নয়নের জন্য ৩৫০ কোটি  টাকা সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করল । এই টাকায় গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে মহিলাদের শৌচালয়, পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া এই অর্থ দিয়ে গ্রামের রাস্তা, কালভার্ট, বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ, শৌচাগার তৈরির মতো কাজ করা হবে।
গ্রাম পঞ্চায়েত সশক্তিকরণের জন্য বিশ্ব ব্যাঙ্ক টাকা দিয়ে থাকে। অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় এই রাজ্যে এই প্রকল্পে ভাল কাজ হয়েছে। ২০১৭ সাল থেকেই বিশ্ব ব্যাঙ্ক এই টাকা দিয়ে আসছে। ২ দফায় ৫০০ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই দিয়েছে। সেই টাকায় ঠিকমতো কাজ হওয়ায় বিশ্ব ব্যাঙ্ক খুশি। তাই তৃতীয় দফায় ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এর আগেই বিশ্ব ব্যাঙ্কের টাকায় গ্রাম পঞ্চায়েতে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। বসানো হয়েছে কম্পিউটার। পঞ্চায়েত কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৩ হাজার ২২৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের উন্নয়নে এই অর্থ খরচ হবে। চলতি মাসেই পঞ্চায়েত দপ্তরের হাতে এই অর্থ চলে আসবে। তারপরই সব গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে কী কী ধরনের কাজ হবে তার রূপরেখা চেয়ে পাঠানো হবে। ইতিমধ্যেই স্বচ্ছতার সঙ্গে সব কাজ করার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিকে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। দরপত্রের মাধ্যমে সব কাজ করতে হবে। কাজ কতটা হয়েছে তার ছবি তুলে পাঠাতে হবে। এই কাজের সুফল মানুষ ঠিকমতো পাচ্ছেন কিনা তা জেলা প্রশাসনকে দেখতে বলা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে একটা দুর্নীতি মুক্ত সরকার সেটারই যেন সিলমোহর দিল বিশ্ব ব্যাঙ্ক ।
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই জুলাই  ২০১৯: বিচার পাওয়ার অধিকার প্রতিটা মানুষেরই আছে । কোন সরকার সেটা মুখে বলে কোনো সরকার সেটা কাজে করে দেখায় , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন কাজে করে দেখালেন । বাংলার বর্তমান সরকার সেটা করতে যে বদ্ধপরিকর তা আবার প্রমান পাওয়া গেল ।
মমতা এ দিন টুইটারের একটি পোস্টে লিখেছেন, “আজ আন্তর্জাতিক বিচার দিবস। সকলের জন্য ভালো আইন প্রণয়ন করতে এবং সবাই যাতে বিচার পায়, তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর আমাদের সরকার। গত আট বছরে আমরা ১৯টি মানবাধিকার কোর্ট তৈরি করেছি”।প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার স্বীকৃতি লাভের লক্ষেই এই দিনটি পালন করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল জাস্টিস ডে বা আন্তর্জাতিক বিচার দিবসটিকে,  আন্তর্জাতিক বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক বিশ্ব দিবস বা আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচারের দিন হিসেবে গোটা বিশ্বে উদযাপিত হয় ।
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই জুলাই  ২০১৯: সেই বাম জমানার থেকে বাংলাকে বঞ্চনা করে চলেছে কেন্দ্রে । অবশ্য তখন একটানা বিজেপি সরকার ছিলনা , কংগ্রেসের সরকারও ছিল । পরবর্তী কালে সিপিএমের সাহায্যে কংগ্রেস যখন দিল্লির মসনদে এলো তখন বাংলার সিপিএম নেতারা ইচ্ছে কৃত ভাবেই  কেন্দ্রের কাছ থেকে তাদের পাওনা আদায় করেনি , কারণ সংকট তৈরী করে নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখাটাই তাদের  মূল উদেশ্য ছিল। কারণ যত সংকট ততো আন্দোলন , আর ততই নিজের পতাকা তলে নিয়ে আসার সুযোগ ।  যায় হোক মোদীজির দ্বিতীয় ইনিংসেও চিত্রটা বদলায়নি ।
এ নিয়েই এবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনা মতো দিল্লীতে সরব হবে তৃণমূল।এখন থেকে প্রায় প্রতিদিন কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বাংলার প্রকল্পগুলি নিয়ে মোদী সরকারের মনোভাব জেনে নেবে বলেই ঠিক করেছে তৃণমূল। আর সেটি জানার পরেই রাজ্যের প্রকল্পকে সামনে রেখে বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়ের স্ট্র্যাটেজি ঠিক করবে। সেই মতো রাজ্যের নাম পরিবর্তন থেকে শুরু করে রেল, বিদ্যুৎ, জল, কয়লার মতো বাংলার বিভিন্ন প্রকল্পের গতিবিধি নিয়ে মোদী সরকারকে চেপে ধরা শুরু করলেন দলের সাংসদরা। যেমন রাজ্যের নাম পরিবর্তনের ইস্যুতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছ থেকে জবাব চাইবে বলেই ঠিক করেছে তৃণমূল।মমতার পরিকল্পনা মতোই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চেয়ে সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চাওয়া হয়েছে সাক্ষাতের সময়। রাজ্য বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে ‘বাংলা’ রাখার প্রস্তাব পাশ হওয়ার পরেও কেন তার অনুমোদন দিচ্ছে না কেন্দ্র? তা এবার মোদীর মুখ থেকেই শুনতে চায় বাংলার শাসক দল। তাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়ে যৌথ চিঠি দিয়েছেন তৃণমূলের লোকসভা ও রাজ্যসভার দলনেতা দ্বয় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ও’ব্রায়েন।
অন্যদিকে, কাটোয়া তাপবিদ্যুৎ নিয়ে কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকরের সঙ্গে দেখা করার পর কয়লামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশির কাছেও দরবার করেছে তৃণমূল। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লীতে এসে সংসদেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পরেও কেন সরকারিভাবে বীরভূমের ডিপিএইচডি (দেওচা-পাঁচামি-হরিণসিং-দেওয়ানগঞ্জ) কয়লা ব্লকের বরাত এখনও মিলল না? কেন তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে বিষয়টি আটকে রয়েছে? মন্ত্রীর কাছে জানতে চান দলের প্রতিনিধি দল।সব মিলিয়ে একটা ব্যাপার পরিষ্কার বিগত বামেদের মতো প্রকল্প চাওয়ার অভিনয় অন্তত বর্তমান সরকার করছেনা , তারা সত্যি বাংলার উন্নতি করতে চায়।
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই জুলাই  ২০১৯:ভোটে জেতার ক্ষমতা বিজেপির দুর্দান্ত ভাবেই আছে , বুথ ভিত্তিক সমীক্ষা করে কি ভাবে রণকৌশল তৈরী করে সফল হওয়া যায়, তা মনে করাবে ৩৪ বছরের বাংলায় বাম শাসনকে । এতো অবধি তো জনগণ ভালোই বুঝতে পেরেছে , কিন্তু কিভাবে নিজেদের শাসিত রাজ্য আসামে বন্যা পরিস্তিতি সামাল দেওয়া যায় সেটাই হয়তো অজানা বিজেপি শিবিরের । প্রসঙ্গত লাগাতার বৃষ্টির জেরে দিনদিন যত খারাপ হচ্ছে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি, ততই হিমশিম খাচ্ছে আসামের বিজেপি সরকার। রাজ্যের যে দিকেই চোখ যায়, বিপর্যস্ত জনজীবন। ডুবে গেছে অধিকাংশ পথঘাট, লোকালয়। এমনকী বিখ্যাত কাজিরাঙা জঙ্গলও। এই মুহূর্তে কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের প্রায় ৯৫ শতাংশই জলের তলায়। যার ফলে এখনও পর্যন্ত সেখানে ৩০টি বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে শুধু কি বন্যপ্রাণী? ইতিমধ্যেই রাজ্যের ৩০ জেলার ৪ হাজার ৬০০টি গ্রাম জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
যার ফলে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে বন্যাতে মানুষ মরার সংখ্যাও। মঙ্গলবার জলে ডুবে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হওয়ায়, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০। গোটা রাজ্য জুড়ে ইতিমধ্যেই লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, আসামের ৩৩ জেলার মধ্যে ৩০টি জেলার প্রায় ৫২ লক্ষ মানুষ জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। তার মধ্যে সবথেকে খারাপ অবস্থা বারপেটা, গোয়ালপাড়া, মরিগাঁও, ন’গাঁও, হাইলাকান্দি প্রভৃতি জেলার। ব্রহ্মপুত্রের জল প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটির অবস্থাও খারাপ। এ ছাড়া রাজ্যে যে আরও ১০ নদী রয়েছে, সবার জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। যদিও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলার কাজ করছে রাজ্য সরকারের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। তবে তাদের ব্যর্থতার ফলে পরিস্থিতি ক্রমশই হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। বেশ কিছু জায়গায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণই বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছে।অন্যদিকে, বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকা জলমগ্ন। একশৃঙ্গ গণ্ডারের জন্য বিখ্যাত এই উদ্যানে গত তিন’দিনে ৩০টি বন্য জন্তুর মৃত্যু হয়েছে। জলের হাত থেকে বাঁচার জন্য পশুরা জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। ফলে জন্তুদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হিমশিম খাচ্ছে বন দফতর। এরকম একটা ঘটনা যে ঘটতে পারে আবহ বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই সতর্ক করে দিয়েছিল , তা সত্ত্বেও কেন সতর্কতা অবলম্বন করা হয়নি তা নিয়ে টক শো করা যেতেই পারে । এর জন্য বিজেপি নেতা মন্ত্রীদের উত্তর দিতেই হবে বলে অসম মানুষের বিশ্বাস । 

Monday, 15 July 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৫ই জুলাই  ২০১৯: সংসদে মহুয়া মৈত্রের ফ্যাসিবাদী শব্দ ব্যবহারটা , মোদী সরকারের উদ্দেশ্যে, খুব একটা ভুল বলে মনে হচ্ছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের  একাংশের । কেননা যেই মোদির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে তাদেরই কণ্ঠ রোধ হয়েছে চিরতরে । এর মধ্যে সংবাদমাধ্যমও ছাড় পায়নি। মাস খানেক আগেই যোগীরাজ্যে জেলে পোরা হয়েছিল একাধিক সাংবাদিককে। এবার চলল জম্মু-কাশ্মীরের সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চেষ্টা। যার ফলে সরব হয়েছে তারা।
জম্মু-কাশ্মীরের সংবাদমাধ্যমের অভিযোগ, সত্য পরিবেশনে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ক্রমশ চাপ বৃদ্ধি ও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রভাবিত করা হচ্ছে সংবাদমাধ্যমকে।রাজ্যের বহুল প্রচারিত ইংরেজি দৈনিক ‘গ্রেটার কাশ্মীর’-এর সম্পাদক ফৈয়াজ কালুকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনআইএ। জঙ্গী নেতা বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পরে সংবাদ পরিবেশনের ধরণ নিয়ে গোয়েন্দারা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বলে শোনা যায়। নিজের সংবাদ সংস্থায় টাকার জোগান নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তিনি। দু’দশকের পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে একটি উর্দু দৈনিকের সম্পাদক আফাক গুলাম জিলানি কাদরিকে। গ্রেফতার করা হয়েছে একটি পত্রিকার সাংবাদিক আসিফ সুলতানকেও। শ্রীনগরের বিভিন্ন সাংবাদিক ও দৈনিকের কর্ণধারদের দাবি, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের খবরের ক্ষেত্রে মৌখিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্য।
একটি ইংরেজি কাগজের সম্পাদক জানিয়েছেন, পুলওয়ামা কাণ্ডের পরে চার-পাঁচ মাস ধরে কোনও দৈনিকের প্রথম পাতায় থাকছে না আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের খবর। তাঁরা মনে করছেন, নিষেধ অমান্য করলে কোপ পড়তে পারে সরকারি বিজ্ঞাপনে। এই যদি অবস্থা হয় , তাহলে আগামী দিনের জন্য এটা খুবই ভয়াবহ ।
ওয়েব ডেস্ক ১৫ই জুলাই  ২০১৯:বাম জমানায়  দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ছিলেন সূর্য্য কান্ত মিশ্র । তাকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিল , স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বাংলার এরকম বেহাল দশা কেন ? তার উত্তর ছিল , স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নাম কামানো মুশকিল । দীর্ঘদিনের বামপন্থী কর্মী ,নিজের দুর্বলতা কি ভাবে ঢাকতে হয় ভালোই জানেন শ্রীযুক্ত সূর্য্য কান্ত মিশ্র ।তবে চেষ্টা করলে কি না হয় , কত প্রাণই না বাঁচানো যায়।আজ সেটাই হয়তো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । প্রসঙ্গত এসএসকেএমের এইমসের ধাঁচে ট্রমা কেয়ার সেন্টারের আজ সকাল থেকে পুরোদস্তুর ট্রমা রোগীদের ভর্তি নেওয়া শুরু হচ্ছে।
বিশ্বমানের আধুনিক ট্রমা কেয়ার সেন্টারটি ১ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করেন। তার পর দু’সপ্তাহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা ২০–২৫ জন রোগীকে এখানে রেখে চিকিৎসা করা হয়। ট্রমা কেয়ার সেন্টারের কোর গ্রুপের সদস্য জেনারেল সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ মাখনলাল সাহা জানিয়েছেন, “অপারেশন থিয়েটারে ফিউমিগেশনের কাজ চলছিল। তাই এই ক’দিন সরাসরি ট্রমা রোগী ভর্তি নেওয়া হচ্ছিল না। তবে নতুন কর্মীদের ধাতস্থ করতে কয়েকজন কোল্ড কেস রোগীকে ভর্তি রেখে ট্রায়াল দেওয়া হয়েছে। পুরোদস্তুর রোগী ভর্তির জন্য এখন সবদিক থেকে প্রস্তুত”।কীভাবে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে কাজ করতে হয়, তা জানতে এসএসকেএম থেকে নার্সদের একটি টিম দিল্লীর এইমস থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তাঁরা ফিরে হাসপাতালের বাকি নার্সদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। চিকিৎসকদের একটি দলও গিয়েছিল দিল্লীতে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে।
ট্রমা রোগী ভর্তির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্কোর অনুযায়ী লাল, হলুদ ও সবুজ জোন ভাগ করা হয়েছে। খুব খারাপ রোগীকে লাল জোনে রেখে আইসিইউ–তে দেওয়া হবে। অল্প আঘাত মানে মাঝারি পর্যায়ের রোগীকে হলুদ জোনে রেখে চিকিৎসা চলবে। একটু স্থিতিশীল, আইসিইউ–তে রাখার প্রয়োজন নেই এমন রোগীকে সবুজ জোনে।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, সম্পূর্ণ রাজ্য সরকারের বরাদ্দে এটি লেভেল ওয়ান ট্রমা কেয়ার সেন্টার। মোট ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প। দশতলার বিল্ডিংয়ে থাকছে ৬টি আলট্রা মডার্ন অপারেশন থিয়েটার, ২৪৪টি বেড, ৬২টি বেডের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট বেড। আপাতত এখন ১৪০টি বেড, ৪টি ওটি এবং ৩৭টি আইসিইউ দিয়ে শুরু হচ্ছে। আলট্রাসোনোগ্রাফি, ডিজিটাল এক্স–রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই প্রভৃতি পরিষেবা থাকছে। ৭৬৪ পদে নিয়োগ হবে।ইচ্ছে থাকলে যে উপায় হয় , তা প্রপমান করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কোনোদিন আলিমুদ্দিনের চেষ্টা ছিল এসব করার ? ওখানে আবার কোনো কাজ করতে গেলে কমপক্ষে পাঁচ সাতশো লোক নিয়ে আন্দোলন করতে হবে , তার পরেও কাজ হবে কিনা কোনো গ্যারান্টি নেই ।
ওয়েব ডেস্ক ১৫ই জুলাই  ২০১৯: বিজেপি বিধায়ক সুরিন্দর সিংহ সেনগারের বিখ্যাত সংলাপ ছিল "তিন বাচ্চার মা কে কেউ ধর্ষণ করে নাকি ?" যা তাকে বদনামের ভাগিদার করেছিল ।  কিন্তু দেখা যাচ্ছে , বেশ কিছুদিন পরেও তিনি একই রকম রয়েছেন একটুও বদলাননি । আলপটকা মন্তব্য  করার স্বভাবটা রয়েই গেছে তার ।
 তিনি মুসলিমদের জনসংখ্যার কথা বলতে গিয়ে তাঁদের আচরণের সঙ্গে পশুদের তুলনা করেছেন। এই প্রথম নয়। এর আগেও অনেকবার নানা বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে এসেছেন গেরুয়া শিবিরের এই বিধায়ক। গত বছর তিনি বলেছিলেন, হিন্দুত্বকে অটুট রাখতে প্রত্যেক হিন্দু দম্পতির ৫টি করে সন্তানের জন্ম দেওয়া উচিত।বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য পরিচিত এই বিজেপি বিধায়ক বলেছেন, “আপনারা জানেন, মুসলিম ধর্মের অনেকের ৫০টি স্ত্রী আর ১০০টি সন্তান থাকে। এটাই তাঁদের ঐতিহ্য এবং এই প্রবণতা পাশবিক। সমাজে দুটি বা চারটি সন্তানের জন্ম দেওয়াটাই স্বাভাবিক”। প্রমান করলেন সুরিন্দর সিংহ সেঙ্গার আছেন সুরিন্দর সিংহেই ।
ওয়েব ডেস্ক ১৫ই জুলাই  ২০১৯:এখনো ঠিক মতো মেলে ধরতে পারেনি বাংলায় , শুধু মাত্র কেসটা আসন বেশি পেয়েছে গত লোকসভা নির্বাচনে আর তাতেই নিজেদের আখের গোছাতে নেমে পড়েছে বিজেপি কর্মীরা ।  আর এতেই অন্তর   দলীয় কোন্দল চরমে বিজেপিতে । এখানেই শেষ নয় নতুন বিজেপি কর্মীদের হাতে প্রহৃত হলেন আদি বিজেপি কর্মীরা।এই ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন আদি বিজেপি কর্মী। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের দক্ষিণ নারায়ণপুর হাসপাতাল মোড়ে।
সমীর প্রামাণিক নামে এক বিজেপি কর্মীর আঘাত গুরুতর হওয়ায় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। সমীর বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিজেপি করে আসছি। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি–তে ঢুকে আমাদের কোণঠাসা করে দিচ্ছে। তারা বিভিন্ন উল্টোপাল্টা কর্মসূচি গ্রহণ করছে। এলাকায় অশান্তি ছড়াচ্ছে। অহেতুক মারধর করছে। আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আমাদের কোনও গুরুত্ব দিচ্ছে না। তাই আমরা শনিবার বিকেলে পুড়া এলাকায় একটা সাংগঠনিক আলোচনা করছিলাম। আর তা জানতে পেরেই এদিন রাত ন’টা নাগাদ আমরা যখন দক্ষিণ নারায়ণপুর হাসপাতাল মোড়ে বসেছিলাম তখনই বেশ কয়েকজন সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতী আমাদের মারধর করে। ওরা কিছুদিন আগে সিপিএম থেকে বিজেপি–তে ঢুকেছে বলে দাবি করছে। এই ঘটনায় আমাদের চারজন আহত হয়েছেন।’ তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ছুটে গেলে ওরা পালিয়ে যায়। কিন্তু পুলিশ চলে যাওয়ার পর ওরা আবার এলাকায় বোমাবাজি করে সকলকে ভয় দেখাচ্ছে। এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে দিল পদ্মশিবিরের অন্দরের রাশ আলগা হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে বিজেপির রাজ্য সভাপতি প্রসঙ্গত এড়িয়ে চলেন , এবারও তার অন্যথা হয়নি ।
loading...