Saturday, 21 July 2018

ওয়েব ডেস্ক ২১ শে জুলাই ২০১৮ : বিজেপির সমন্ধে বলতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিটলার ,মুসোলিনির সঙ্গে তুলনা  টেনে আনেন ।
বিদ্যজনেদের একাংশের ব্যাখ্যা , হিটলার যেমন একচ্ছত্র নায়ক ছিলেন , একনায়কতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন , ঠিক সেই ভাবেই বিজেপি ভারত শাসন করছেন । তাদের আরো বক্তব্য তৃণমূল যখন ক্ষমতায় এসেছিলো তখন তাদের মূল মন্ত্র ছিল "বদলা নয় বদল চাই " আর সেই মতোই ২০১১ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে  রাজত্ব করছে , কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই বিরোধীদের জেলে পুড়ছে মিথ্যে মামলায় ।
Image result for pics of mamta bandyopadhyay

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে তাকিয়ে বলেন , বিজেপি একেও জেলে পুড়েছিল , এবং বিজেপির এই কাজ কর্মে তীব্র নিন্দা করেন । তিনি বলেন ইডি, সারদা , নারোদার ফাঁদে ফেলে বিজেপি বিরোধীদের চাপে রাখার চেষ্টা করছে । বিজেপির দিকে টিপ্পনি কেটে মমতা এও বলেন ২১শে পা , ৪২সে থাক (মানে ৪২টা আসনই তৃণমূল পাবে পশ্চিমবাংলা থেকে ) আর ২০১৯শে বিজেপি গোল্লায় যাক  ।২১ শে জুলাই সভা মঞ্চ থেকে  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন বিজেপি হিন্দু ধৰ্মকে বদনাম করছে , তিনি তার নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া তিক্ত অভিজ্ঞতার কোথাও জনসাধারণকে জানান । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন পুরীর মন্দিরে ঢুকতে যাওয়ার সময় তাকে বলা হয় তিনি হিন্দু নন , সে প্রসঙ্গ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন তিনি কি সেই সব লোকেদের পেট থেকে হয়েছেন , যারা তার ওপর বিধান দিচ্ছেন  তিনি হিন্দু নন বলে । 
ওয়েব ডেস্ক ২১ শে জুলাই ২০১৮ : দেশব্যাপী বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলন যে আরও জোরদার হবে তা স্পষ্ট ভাষায় বলে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল একাই বিরোধিতা করবে ,কেউ পাশে থাকুক আর নাই বা থাকুক সেরকমই ইঙ্গিত পাওয়া গেল মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ।তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন কোনো রকম কোনো অশান্তি তিনি বরদাস্ত করবেননা এই বাংলায়  , এবং আইনত তার ব্যবস্থা নেবেন ।বিজেপিকে কটাক্ষ করার সাথে সাথে তিনি কংগ্রেস আর সিপিএম কেও একহাত নেন ।Image result for pics of mamta bandyopadhyay

তিনি বলেন , কংগ্রেস ,সিপিএম কে তৃণমূল অনেক সাহায্য করেছে দিল্লিতে আর এখানে (বাংলায় ) ওরা তৃণমূলের বিরোধিতা করবে এটা মেনে নেওয়া যায়না । কংগ্রেস ঠিক কি করতে চাইছে সেটা খুলে বলুক । আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের এই দ্বিচারিতা সহ্য করে উঠতে পারছেননা । বিদ্যজনেদের একাংশের মত , যেকোনো সুস্থ সমাজে এটা মেনে নেয়াও কঠিন ।বিদ্যজনেদের একাংশের মত , কংগ্রেস নিজের কার্য্য সিদ্ধি করার জন্য দিল্লিতে তৃণমূলকে পাশে পেতে চাইছে ,এবং কিছু ক্ষেত্রে তারা পেয়েছেও , কিন্তু পশ্চিমবাংলায় তারা নিজেদের জমি আরো শক্ত পোক্ত করার  ব্যাপারে বিজেপি সঙ্গেও হাত মিলিয়েছেন আর সঙ্গে তো সিপিএম রয়েছেই ।এটা নিজের স্বার্থ চরিথার্ত করার রাজনীতি ছাড়া আর কিছুই নয় ।এই ভাবেই তিনি কংগ্রেস, বিজেপি, এবং সিপিএমকে বিঁধতে থাকে ।
ওয়েব ডেস্ক ২১ শে জুলাই ২০১৮ : ২১শে জুলাই ২০১৮ মঞ্চ থেকেই ২০১৯শের লোকসভা ভোটের দামামা বাজিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।বিজেপিকে তুলোধোনা করে তিনি "‘বিজেপি হঠাও দেশ বাঁচাও" স্লোগানের ডাক দেন ‘। তিনি জনসমক্ষে বলেন , ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবাংলায় তৃণমূল ৪২টার মধ্যে ৪২টা আসনই দখল করবে ।

mamata


শুধু তাই নয় , এ নিয়ে দলকে সেই মতো কাজ করতে বলেন । প্রতি বারের মতো এবারও ভিক্টোরিয়া হাউসের সংলগ্ন এলাকায় জন প্লাবন দেখা যায়, ঝড় বৃষ্টির মধ্যেও এতো লোকজন এসেছেন , যে কল্পনা করাও মুশকিল  ।
এবছরের ২১শে জুলাই আর এক দিকে তাৎপর্য্যপূর্ণ হয়ে রইলো এই কারণে ,যে বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ শ্রীযুক্ত চন্দন মিত্র আজকের দিনে তৃণমূলে যোগ দিলেন ।এখানেই শেষ নয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও দেখা গেছে তৃণমূলের মঞ্চে , শুধু তাই নয় দীঘদিনের নামকরা বামপন্থি লেখক -বুদ্ধিজীবী আবুল বাসারও তৃণমূল মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ।
৩৪ বছরে বাংলাকে ঋণের দায়ে ডুবিয়ে দেওয়া বামফ্রন্ট , আলিমুদ্দিন থেকে দেখছে তো ?
ওয়েব ডেস্ক ২১ শে জুলাই ২০১৮ :মুশুলধারে বৃষ্টি তার মধ্যেই  স্টেজের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তিতা দিয়ে চলেছেন , কোনো সময় নরম ভাবে কোনো সময় তিরস্কারের ভঙ্গিমায় , এই দৃশ্য বাংলা তথা গোটা বিশ্বের মানুষ দেখে অভ্যস্ত  । সঙ্গে আছেন কর্মী সমর্থকেরাও , যারা গোটা ধর্মতলা  জুড়ে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে নেত্রীর ভাষণ শুনছেন ।এটা বিগত কয়েক বছরের চিত্র যেটা আমরা সাধারণ মানুষ দেখে অভ্যস্ত ।
Weather


                                                                                     সংগ্রহীত চিত্র কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল"

এবারও এই চিত্রের অন্যথা যে হবেনা তা মানুষের ডোর দূরান্ত থেকে আসার ঢল দেখেই পরিষ্কার । আলিপুরে আবাহ দফতর ,আসার বাণী শোনায়নি, তাদের কথায় লকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকায় মাঝেমধ্যেই দু’-এক পশলা বৃষ্টি হবে। বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে এবারও ২১ জুলাইয়ের সভায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারেন বরুণদেব।তবে প্রতিবারের মতো এই বারেও , ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিকে দিকে তৃণমূল কর্মী সর্থকেরা ভিড় জমাচ্ছেন ধর্মতলায় , মেট্রো সকাল থেকেই ভিড়ে ঠাসা , পা ফেলার জায়গা নেই , তার মধ্যেও তৃণমূলের কর্মী সমর্থকেরা এগিয়ে চলেছেন ধর্মতলার দিকে , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটু দেখার জন্য , তার কথা শোনার জন্য ।

Friday, 20 July 2018

ওয়েব ডেস্ক ২০শে জুলাই ২০১৮ : শিবসেনার সাথে মহারাষ্ট্রে জোট থাকলেও কেন্দ্রে তারা যে বিপরীত মেরুতে বাস করে , সেটা আরো একবার প্রমাণিত হল ।অনাস্থা প্রস্তাবে শিবসেনার ১৮ জন সাংসদ  উপস্থিত থাকছিলোনা বলে খবর ছিল সকালে , এবার শিবসেনার তরফ থেকে নরেন্দ্র মোদির সরকারকে  কসাই’‌ বলে সম্বোধন করল ।
Image result for pics of uddhav thackeray

মারাঠি সংবাদপত্রে আজ সন্দেহ প্রকাশ করা হয় , কি ভাবে মোদী সরকার কেন্দ্রে এসে বসল ।শুধুই কি টাকার জোরে ? না সাইন্টিফিক রিগিং করে ? শিবসেনার তরফ থেকে আরো বলা হয়  ‘‌দেশের শাসক দল কসাই, যারা পশুতো রক্ষা করছে কিন্তু মানুষ খুন করে চলেছে। শাসকের মধ্যে দেশ চালানোর সেই ক্ষমতা নেই। সরকার অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচন জয় করলেই আর ক্ষমতা হাতে পাওয়ার অর্থ এই নয় যে তারা গণতন্ত্রকে জয় করেছে। সবসময় জনগণের সমর্থন থাকে না। দেশের মানুষই আসল, এটা ভুললে চলবে না।’
এতো সব হওয়ার পরেও কোন সমীকরণে অমিত শাহ দাবি করে বেড়াচ্ছেন যে শিবসেনা আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকেই সমর্থন করবে , সেটা বিদ্যজনেদের একাংশেরও বোধগম্য হচ্ছেনা।
ওয়েব ডেস্ক ২০শে জুলাই ২০১৮ : সৌজন্যতার এক বিরল নজির স্থাপন করলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ।অনাস্থা  প্রস্তাবনিয়ে একাই মাত করার চেষ্টা করেন রাহুল গান্ধী এবং এতে উনি অনেকটাই যে সফল সেটা কোনো বিদ্যজনেদেরও দ্বিমত থাকার কথা নয় ।প্রথমে একেবারে চাঁচাছোলা ভাষায়  মোদি সরকারকে আক্রমণ করেন , তিনি উত্থাপন করেন বিজেপির প্রতিশ্রুতি দিয়েও কোনো একটি প্রতিশ্রুতিও পূরণ না করার কাহিনী  ।
Image result for pics of rahul gandhi in parliament

সংসদীয় বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে এদিন লোকসভায় ২০১৯ নির্বাচনে বিরোধীদের সুর বেঁধে দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। রাহুল গান্ধীর দাবি, দেশের নারী, সংখ্যালঘু, দলিত কেউ সুরক্ষিত নয়। আর এই ব্যাপারে কোনও কথা বলছেন না প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু শেষে সহিষ্ণুতার বার্তা দিয়ে রাহুল বলেন, ‘‌বিজেপি ও আরএসএস আমাকে ভারতীয় হওয়ার মানে বুঝিয়েছে। আমাকে হিন্দু হওয়ার মানে বুঝিয়েছেন। আপনাদের বিরুদ্ধে আমার হাজারো অভিযোগ আছে। আপনারা আমাকে পাপ্পু বলেন। কিন্তু তাতে আপনাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় এতটুকু ভাটা পড়েনি। বিরোধী আসন থেকে উঠে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জড়িয়ে ধরেন রাহুল গান্ধী। প্রাথমিকভাবে রাহুলের এই আচরণে প্রধানমন্ত্রী কিছুটা হকচকিয়ে যান। তারপর নিজেকে সামলে রাহুল গান্ধীকে ডেকে নিজে রাহুলের  পিঠ চাপড়েদেন এবং করমর্দন করেন । রাহুল গান্ধীর এই আচরণে পুরো সংসদই হকচকিয়ে যায় , এরকম দৃশ্য এর আগে কোনো বিরোধী দলের নেতা কস্মিনকালেও করেননি । তিনি মহাত্মা গান্ধীর ভালোবাসার নীতি নিয়ে যে বাজি মাৎ করার চেষ্টা করবেন ,সেটা কেউ ভাবতেও পারেননি । 
ওয়েব ডেস্ক ২০শে জুলাই ২০১৮ : সংখ্যা থাকা সত্ত্বেও অনাস্থার বিরুদ্ধে ভোট জোগাড় করতে গিয়ে কার্যত হাত জোড় করতে বাধ্য হলেন অমিত শাহ ।প্রধানমন্ত্রীর একনোবিষ্ট সৈনিকের যে এরকম দশা হবে , অতি বিরোধীও হয়তো কল্পনা করতে পারেনি । কিন্তু এমনটা হয়েছে কারণ , যখন দেখাযায় বিজেপির নিজেস্ব কুড়ি জন সংসদ গরহাজির তখন বাধ্য হয়েই অমিত শাহজি কে ফোন ঘোরাতে হয় বিভিন্ন জায়গায় ।পরিস্থিতি বুঝে উদ্ধব ঠাকরে, চন্দ্রশেখর রাও, নবীন পট্টনায়েক, এডিএমকে-র মতো শরিক ও ‘বন্ধু’ নেতাদের অনেকটা হাতজোড় করে অমিত অনুরোধ করেন, তাঁরা যেন ভোটদানে বিরত না থেকে সরকারের পক্ষেই ভোট দেন।


Image result for pics of Amit Shah

কিন্তু সেই কৌশলই বা কাজে এল কই! আগের দিন মোদী সরকারকে সমর্থন করা নিয়ে জারি করা হুইপ প্রত্যাহার করে বৃহস্পতিবার রাতে শিবসেনা জানাল, কাল সকালে সমর্থনের বিষয়টি তারা চূড়ান্ত করবে। তবে হাল না-ছেড়ে রাত পর্যন্ত সংসদ ভবনে থেকে নিজের দলের সাংসদদেরও প্রত্যেককে ফোন করেন অমিত। আজ নৈশভোজ থেকে কাল মধ্যাহ্নভোজ— একসঙ্গে করতে হবে। এমনকি হাসপাতালে ভর্তি এক সাংসদকে তুলে এনে ভোট করানোর কথা ভাবছে অমিত-শিবির।
বিজেপির এমন দশা দেখে কংগ্রেসের রণদীপ সুরজেওয়ালার কটাক্ষ, ‘‘এতই যদি সংখ্যার দম্ভ, তা হলে কেন জনে জনে প্রণাম করতে হচ্ছে অমিত শাহকে? গত লোকসভার সংখ্যা ধরে রাখতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে! দেশের মানুষ মোদীর প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে বসে আছেন। অপেক্ষা শুধু আগামী লোকসভা ভোটের।’’ কংগ্রেসের আর এক নেতার কথায়, ‘‘লড়াইটা কৌরব-পাণ্ডবের। কৌরবের সংখ্যা আর দম্ভ দুটোই বেশি। আখেরে জয় হয় পাণ্ডবের সত্যেরই।’’ সাংসদ সংখ্যার অনুপাতে কাল বিজেপি সাড়ে তিন ঘণ্টা সময় পেলেও কংগ্রেসের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মাত্র ৩৮ মিনিট!
অনাস্থা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে জেতার জন্য অন্য পন্থাও নিল বিজেপি , জয় পণ্ডা যিনি বিজেপি ছেড়ে বিজেডিতে চলে গেছেন তার ইস্তফাই আজ হটাৎ করে গৃহীত হয়েছে বিজেপি অফিসে ।এখানেই শেষ নয় শত্রুঘ্ন সিন্হাকেও যা ক্যাটাগরি নিরাপত্তা বলয়
দিয়ে তুষ্ট করা হয়েছে । এখন শত্রুঘন চুপ । মোদির বিরুদ্ধে তার কোনো মন্তব্য নেই ।
ওয়েব ডেস্ক ২০শে জুলাই ২০১৮ : বিগত পাঁচ বছরে নরেন্দ্র মোদীকে অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে বিরোধীদের কাছ থেকে । কিন্তু কস্মিনকালেও মনে পড়ছেনা কেউ পূর্বের কোনো প্রধানমন্ত্রীকে সংসদে দাঁড়িয়ে অভিশাপ দিয়েছেন । এই অঘটনটাই ঘটিয়ে ছাড়লেন বিত্তশালী টিডিপি সাংসদ জয়দেব গল্লা  । শুক্রবার সকালে অনাস্থা প্রস্তাবের উপর আলোচনা শুরুই হয় জয়দেব গল্লার ভাষণের মধ্যে দিয়ে। যদিও তেলুগু দেশম পার্টির পক্ষে প্রস্তাবক ছিলেন তাঁর দলের সাংসদ কাশিনেনি শ্রীনিবাসন। কিন্তু টিডিপি সুপ্রিমো চন্দ্রবাবু নায়ডু শুরু করতে বলেন গল্লাকেই।


Image result for PICS OF JAYADEV GALLA

সেই মতো এ দিন শুরুতেই বলতে ওঠেন তিনি। দলের জন্য নির্ধারিত সময় ছিল ১৩ মিনিট। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষের পরেও প্রথম বারের ওই সাংসদ দাবি করেন, তাঁর আরও অন্তত আধ ঘণ্টা লাগবে। সেই আর্জি মঞ্জুরও করেন স্পিকার সুমিত্রা মহাজন। প্রথম সুযোগেই  গল্লা এই ভাবে বাজিমাত করবেন স্বয়ং টিডিপি সুপ্রিমোও  ভাবতে পারেননি ।অন্ধ্র প্রদেশকে স্পেশাল স্টেটাস দেয়ার দাবিকে সামনে রেখেছে ওমর রাজা গ্রূপের মালিক প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধোনা করেন ।তিনি বলেন, ‘‘অন্ধ্রকে বরাবর বঞ্চনা করেছে কেন্দ্র। কংগ্রেস, বিজেপি কেউ প্রতিশ্রুতি রাখেনি। রাজ্যবাসীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। আর মোদী সরকার শুধু প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে তাই নয়, অন্ধ্রবাসীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’’
নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দিয়ে এবং তথ্যপ্রমানের সাহায্যে ৭০০ কোটি টাকার মালিক বলেন তেলেঙ্গানা হওয়ার পর বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশকে , শুধু তাই নয় পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ঋণের বোঝা ।এ ক্ষেত্রে স্পেশাল স্টেটাস না দিলেই নয় , যদিও ২০১৬ থেকে স্পেশাল স্ট্যাটাসের দাবি করে আসছে টিডিপি , এবং কেন্দ্র প্রতিস্তুতি দেওয়া সত্ত্বেও , এখন প্রজন্ত তা রাখেনি ।অর্থ মন্ত্রকের সুপারিশ করেছিল একটা স্পেশাল প্যাকেজ দেওয়া হবে , গল্লা অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রীকে , সেটাও এখনো আসেনি ।
এর পরই গল্লা তার বক্তব্যের তরুপের তাস টি খেলেন , তিনি বলেন ‘মিস্টার প্রাইম মিনিস্টার, আপনি যদি প্রতিশ্রুতি না রাখেন, তা হলে অন্ধ্রপ্রদেশে বিজেপি শেষ হয়ে যাবে। এটা হুমকি নয়, অভিশাপ।’’

Thursday, 19 July 2018

ওয়েব ডেস্ক ১৯শে জুলাই ২০১৮ : এবার কেন্দ্র তথ্য অধিকার আইন বা আর.টি.আই এ ব্যাপক সংশোধনী আনার চেষ্টা চালাচ্ছে , যেটা কিছুতেই মেনে নেবেন বিরোধী শিবির ।রাহুল গান্ধীর টুইট অনুসারে , তথ্য গোপন রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মোদী সরকার ।
সাধারণ মানুষের জানবার অধিকারটুকুও কেড়ে নিতে চাইছে বিজেপি সরকার ।এ বিষয়ে সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরির মন্তব্য সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরিও কেন্দ্রের আনা সংশোধনীর বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, জনগণের পরিশ্রমের ফল এই আরটিআই আইন। তাঁর দল সংসদের বাইরে ও ভিতরে সর্বত্রই এই বিলে কেন্দ্রের সংশোধনী আনার বিরোধিতা করবে।


Image result for pics of rahul + modi


তথ্যের অধিকার আইন সংক্রান্ত বিলে চলতি বাদল অধিবেশনে কিছু রদবদলের কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। প্রস্তাবিত পরিবর্তনে রাজ্য ও কেন্দ্রের তথ্য কমিশনারদের বেতন ও মেয়াদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা। একেই স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করছেন বিরোধীরা। তথ্যের অধিকার আইনের সংশোধনীতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, পাঁচ বছর মেয়াদে থাকা তথ্য কমিশনারদের সরকার নির্ধারিত শর্তাবলী মানতে হবে। তাঁদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারও কেন্দ্রেরই।
তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় এর কড়া সমালোচনা হয়েছে , দিকে দিকে মানুষ ধিক্কার জানিয়েছে ।দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়া মানুষ এবং , সেই সব মানুষ যারা নিজেদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন দূর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খোলার জন্য , তারাও এই সংশোধনীকে ধিক্কার জানিয়েছেন ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯শে জুলাই ২০১৮ : এতো দিন ধরে বিজেপিই অন্য দলের ভাঙ্গন  ধরিয়ে এসেছে বলে একাধিকবার অভিযোগ এসেছে বিরোধী শিবির থেকে , এবার খোদ বিজেপির ঘরেই ভাঙ্গন ধরছে বলে জোর জল্পনা ।সর্বভারতীয় এক দৈনিকের খবর অনুসারে দুবারের সাংসদ চন্দন মিত্র ,বিজেপির সবভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের কাছে তার পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েদিয়েছেন ।


Image result for pics of narendra modi

দু'দফায় রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন চন্দন মিত্র। প্রথমবার ২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি মনোনীত রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। পরেরবার ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশের থেকে বিজেপি-র টিকিটে নির্বাচিত হয়েছিলেন চন্দন মিত্র। তিনি লোকসভায় বিজেপির টিকিটেও পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ছিলেন রাজ্য বিজেপি-র পর্যবেক্ষকও।
তবে বিশিষ্ট এই সাংবাদিক লাল কৃষ্ণা আদভানির খুব কাছের লোকহিসেবে পরিচিত , একাধিকবার তিনি বিজেপির সমালোচনা করতেও ছাড়েননি ।সেই জন্যেই কি তিনি হাই কমান্ডার চক্ষুশূল হয়েছিলেন ? বিদ্যজনেদের এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি ।রাহুল সিনহার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ, এটাও তার পক্ষ্যে মেনে নেওয়া কঠিন হয়ে উঠেছিল । তবে ঠিক কি কারণে তিনি দল ছাড়ছেন সেই প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি । তিনি কোনো দলে যাচ্ছেন , না নতুন দল তৈরী করবেন সে নিয়েও কোনো তথ্য নেই,এই মুহূর্তে  ।

loading...