Wednesday, 26 June 2019

ওয়েব ডেস্ক ২৬শে  জুন ২০১৯: বিজেপি নেতা মন্ত্রী মানেই লাগাম ছাড়া কথা বার্তা , আর লাগাম ছাড়া অভদ্রতা । এখন এটাই পরিচিত দৃশ্য  হয়ে উঠেছে সারা দেশে । একদিকে বিপ্লব কুমার দেব , অন্য দিকে পুলিশ মারা নিদান শুনিয়েছেন দিলীপ ঘোষ এবার সরকারি আধিকারিকদের ব্যাট দিয়ে পেটালেন কৈলাশ বিজয়বর্গিওর  ছেলে আকাশ বর্গীয় । সূত্রের খবর অনুসারে  কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ের ছেলে বুধবার ইন্দোরে এক সরকারি আধিকারিককে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।আকাশ বিজয়বর্গীয় এবারেই প্রথম ইন্দোর-৩ বিধানসভা আসন থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছেন।

ঘটনা নাটকীয় হয়ে ওঠে তখনই যখন দেখা যায় সদ্য বিধায়ক হওয়া আকাশ তাঁর দলবল নিয়ে সর্বসমক্ষে ব্যাট দিয়ে একজন আধিকারিককে বেজায় মারধর করছেন। এমনকি এই ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও। ইন্দোরের  গাঞ্জি কমপাউন্ড এলাকায় জবরদখল বিরোধী অভিযানে গিয়েছিলেন মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের দুই আধিকারিক  ধীরেন্দ্র ব্যাস ও অসিত খারে। সেই সময়েই আকাশের সঙ্গে তাঁদের কথা কাটাকাটি হয়। ওই আধিকারিককে শাসাতেও দেখা যায় আকাশ ও তাঁর সঙ্গীসাথীদের । “পাঁচ মিনিটের মধ্যে এখান থেকে চলে না গেলে পরের ঘটনার দায় আপনাদেরই নিতে হবে”,এমনভাবেই সরকারি আধিকারিকদের হুমকি দিতে দেখা যায় কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ের ছেলে আকাশকে।তার কিছুক্ষণের মধ্যেই কথাকাটাকাটি মারামারিতে পরিণত হয়।তখনই ক্রিকেট ব্যাট হাতে ওই আধিকারিকদের মারধর করতে শুরু করেন আকাশ, একজন পুলিশ আধিকারিক সেই সময় তাঁকে থামানোর চেষ্টা করলেও কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ের  ছেলের রোষের হাত থেকে বাঁচেন নি আধিকারিক। এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে । অনেকেই এর নিন্দায় সরব হয়েছে । 
ওয়েব ডেস্ক ২৬শে  জুন ২০১৯: লাল বিজেপি বলছে সিন্ডিকেট রাজ , সমীক্ষা বলছে উন্নয়ন মমতার আমলেই  , লাল বিজেপি বলছে আই শৃঙ্খলার ভেঙে পড়েছে , কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সমীক্ষা বলছে তৃণমূলের আমলেই আইন শৃঙ্খলায় এগিয়েছে বাংলা ।
প্রসঙ্গত শের মোট ১৫,৬৬৬টি থানার ওপর এই সমীক্ষা চালানো হয়। থানাগুলির পরিকাঠামো এবং নাগরিকদের মতামতের ওপর ২০ শতাংশ ওয়েটেজ রাখা হয়। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা ছাড়াও এই সমীক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মহিলাদের জন্য পৃথক হেল্প ডেস্ক ও চাইল্ড কেয়ার রুম রয়েছে কিনা, তার ওপর। দেখা হয়েছে থানায় অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা, সিসিটিভি ও অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত আছে কিনা, তা-ও।জানা গেছে, ফরাক্কা থানার শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, জিমন্যাসিয়াম ও খেলার মাঠ নজর কেড়েছে সমীক্ষকদের। তার ভিত্তিতেই ফরাক্কা থানাকে সেরা তিনের মধ্যে বেছে নিয়েছে খোদ কেন্দ্রই। উল্লেখ্য, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বারবারই অভিযোগ তুলতে দেখা গিয়েছে বিজেপিকে। কিন্তু এবার খোদ তাদের নেতৃত্বাধীন সরকারের সমীক্ষা রিপোর্টেই ধরা পড়ল বাংলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উজ্জ্বল চিত্র।লকেট চট্টোপাধ্যায় , দিলীপ ঘোষেরা দেখছেন তো , এমনি উক্তি বাংলার মানুষের ।
ওয়েব ডেস্ক ২৬শে  জুন ২০১৯:মোদীজির "আচ্ছে দিন আনেওয়ালে হে " জুমলা ছাড়া কিছুই ছিলনা । বছরে ২ কোটি বেকারকে চাকরি দেওয়ার কথাও ভাওতা ছাড়া কিছুই নয় , শুধু লক্ষীর ওপর ভর করেই দ্বিতীয় দফায় বিজেপির দিল্লির মসনদে ফিরে আসা , অন্তত অনেক ভারতীয়রই এই রকম মত। তার মধ্যেই  ১৯টি বড় সরকারি সংস্থা বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে মোদী সরকার। যার মধ্যে এইচএমটি ওয়াচ লিমিটেড, হিন্দুস্থান কেবলস, তুঙ্গভদ্রা স্টিল প্রোডাক্টস লিমিটেড, ইন্ডিয়ান ড্রাগসের মত বড়ো সংস্থাও রয়েছে।
জানা গিয়েছে, মূলত লোকসানে চলার কারণেই বড় সরকারি সংস্থাগুলি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। মঙ্গলবার লোকসভায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। যদিও সরকার এখনও পাকাপাকিভাবে বিষয়টি ঘোষণা করেনি। এক কংগ্রেস সাংসদের প্রশ্নের জবাবেই একথা জানিয়েছে। মঙ্গলবার লোকসভার অধিবেশনের সময় এক কংগ্রেস সাংসদ প্রশ্ন করেছিলেন, লোকসানে চলা সংস্থাগুলি নিয়ে কেন্দ্র সরকার কী পদক্ষেপ করতে চলেছে। ওই সংস্থাগুলি কি বন্ধ করে দেওয়া হবে নাকি বেসরকারিকরণ করা হবে? তারই জবাবে ১৯টি সংস্থার নাম করে সেগুলি বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানায় নরেন্দ্র মোদীর সরকার। এই সংস্থাগুলি কতদিন ধরে লোকসানে চলছে, বর্তমানে সংস্থাগুলির কী অবস্থা- তাও বিশদে ব্যাখ্যা করে সরকার। তবে সংস্থাগুলি বন্ধ হলেও সেগুলির কর্মীদের জন্য কী পদক্ষেপ করা হবে সে ব্যাপারে সরকার কিছু জানায়নি। রুগ্ন শিল্পকে যদি চাঙ্গা না করতে পারল কেন্দ্রীয় সরকার , তাহলে আর কিই বা করল ? প্রশ্ন উঠছে এটাই । যে দেশে আই আই এমের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে ,সে দেশের সরকার ১৯টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে , ভাবা যাই ? আর বাংলার মসনদে যদি ের আসে কি হবে ? 
ওয়েব ডেস্ক ২৬শে  জুন ২০১৯:নাগরিক পঞ্জী নিয়ে বিজেপি  সরকার অসমে যা ইচ্ছে তাই করে যাচ্ছে । নিজের স্বার্থে নাম ঢোকাচ্ছে , আবার নিজেদেরই স্বার্থেই  জনগণের একাংশের নাম বাদ দিচ্ছে , অন্তত অসমবাসীর তেমনই অভিযোগ । প্রসঙ্গত আজ প্রকাশিত হলো অসমের নাগরিক পঞ্জীর অতিরিক্ত খসড়া তালিকা। তালিকা প্রকাশিত হতেই চক্ষু চড়কগাছ আমজনতার। নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ পড়েছে ১ লক্ষ ২ হাজার ৪৬২ জনের নাম। এদের সকলেরই আগের লিস্টে নাম থাকার পরেও আজকের তালিকায় নাম বাদ পড়ায় অসম জুড়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

এনআরসির রাজ্য কো-অর্ডিনেটর এক বিবৃতিতে জানান, ২০০৩ সালের নাগরিকত্ব নিয়মের ৫ নং ধারা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই প্রকাশিত তালিকায় ৩।২৯ কোটি আবেদনকারীর মধ্যে ২।৯ কোটি মানুষের নাম ছিল। সেই খসড়ায় বাদ পড়েছিল ৪০ লাখ মানুষ। এবারের সেই তালিকা বৃদ্ধি পেয়ে এক লাখে পৌঁছানয় রাজ্য জুড়ে জনমানসে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।বাংলায় যদি কখনো ক্ষমতাই আসে বিজেপি তাহলে এখানেও নাগরিক পঞ্জী করবেন বলে
বলে রেখেছেন অমিত শাহ । আজ অসমের মানুষের যেমন উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে অবশ্যই  যারা  তিন পুরুষ ধরে অসমে বাসকরছেন তারাও এর মধ্যে রয়েছেন , বাংলায় যদি কোনোদিন বিজেপি ক্ষমতায় আসে তাহলে এখানকার লোকেদেরও সে রকম অবস্থা হবে । প্রশ্ন একটাই বাংলার মানুষ কি খেয়াল কেটে কুমির আনবেন ?
ওয়েব ডেস্ক ২৬শে  জুন ২০১৯:এক বার জ্যোতি বাবু সুভাষ ঘিসিঙ্গদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন , ওনারা কি দার্জিলিংকে  স্বর্গ রাজ্য বানাবেন  ? কেননা সেই সময় দার্জিলিংকে আলাদা  রাজ্য করার দাবিতে অশান্তি সৃষ্টি করছিলেন , পরবর্তীকালে সুভাষ ঘিসিং অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়লেও মাথাচারা দিয়ে উঠেছেন সাম্প্রতিককালের বিমল গুরুং,যার  আবার নাগাল্যান্ডের আতঙ্কবাদীদের সাথে যোগাযোগ থাকার প্রমান অনেকদিন আগেই এসেছে । এবার বিমল গুরুং ও রোশন গিরিকে ‘‌প্রোক্লেইমড অফেন্ডার’‌ ঘোষণা করল দার্জিলিং আদালত। এই ঘোষণার জেরে দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে পুলিশ এদের গ্রেপ্তার করতে পারবে, কোনওরকম ওয়ারেন্ট ছাড়াই। জেলা পুলিশের তরফে পোস্টার আকারে এই নোটিস সাঁটানো হচ্ছে পাহাড় জুড়ে। সাধারণ মানুষকে বিষয়টি জানাতে এবং সচেতন করতেই এই পোস্টারিং। 
ইতিমধ্যে বিমল গুরুং ও রোশন গিরি–‌সহ বেশ কয়েকজন একাধিক মামলার আসামি। এঁদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলাও রয়েছে। ফলে, উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েও পাহাড়ে পা রাখতে পারছেন না তাঁরা। ২০১৭ থেকে তাই দুজনে আত্মগোপন করে আছেন। লোকসভা নির্বাচন ও দার্জিলিং বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রচার করার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েও কোনও কাজ হয়নি। এখনও পালিয়েই থাকতে হচ্ছে। মাঝে মাঝে রোশন গিরির অস্তিত্ব দিল্লিতে পাওয়া গেলেও, তৎক্ষণাৎ ওয়ারেন্ট ইস্যু না করতে পারায় পুলিশের পক্ষেও গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে পড়ছিল। এবারে আদালতের ঘোষণায় রাজ্য পুলিশের সুবিধা হল। এখন আর গুরুং–রোশনদের গ্রেপ্তার করতে আলাদা করে ওয়ারেন্টের প্রয়োজন
হবে না।
বিষয়টি প্রচার হতেই থমথমে হয়ে গেছে পাহাড়। ক্রমশ বুঝতে পারছেন, একে ৪৭ বা আইইডি বিস্ফোরণের মতো অপরাধ যাঁরা করেছেন, তাঁদের পুলিশ সহজে ছাড়বে না।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে গণেশ ছেত্রি এবং আরও কয়েকজন নাগাল্যান্ডে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন। এই গণেশ ছেত্রি হলেন বিমল গুরুংয়ের গাড়ির চালক। প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর দার্জিলিঙেও এসেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে গুরুংয়ের বৈঠক হয়েছিল।
এসবের প্রমাণ সংগ্রহ করে ফেলেছে পুলিশ। এছাড়া পুলবাজার থেকে যে ৩৯৫টি জিলেটিন স্টিক চুরি হয়েছিল, সেটা কারা, কখন, কীভাবে চুরি করেছিল, তার অনেক তথ্যই পুলিসের হাতের মুঠোয়। মূলত, এই জিলেটিন স্টিক দিয়েই যে ২০১৭ সালে নাগাড়ে বিস্ফোরণ করা হয়েছে, তারও প্রমাণ মিলেছে। সেই সঙ্গে অমিতাভ মালিক খুন, একে ৪৭ নিয়ে হামলা, নেপালের মাওবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ–‌সহ অনেক অপরাধের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। সে কারণেই গুরুং-‌গিরির বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি হয়েছিল।

Monday, 24 June 2019

ওয়েব ডেস্ক ২৪শে  জুন ২০১৯: ইভিএম নিয়ে একটা সংশয় বিরোধী দল গুলোর রয়েছে । তারা এই নিয়ে বারংবার আপত্তি জানিয়েছে , কিন্তু মোদির জমানায়  একবারও  কর্ণপাত করা হয়নি । তাই বলে সবাই দমে গেছে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসও যে দোমে যাবে সেটা মনে করা ভুল ।আর সেই জন্যই সংসদে গান্ধীমূর্তির সামনে ধর্নায় বসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা। তাঁদের দাবি, ইভিএম তুলে দিয়ে ব্য়ালট পেপার ফিরিয়ে আনতে হবে।
সাম্প্রতিক লোকসভা ভোটের সময় থেকেই ইভিএম নিয়ে আপত্তি তুলছে তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার তাঁদের বিক্ষোভের শ্লোগান ছিল ইভিএম চাই না, ব্য়ালট চাই।তৃণমূল সুপ্রিমো তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় এর আগে ইভিএম নিয়ে আপত্তি তুলেছেন এবং বিরোধী দলগুলির কাছে ব্য়ালট পেপার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে শামিল হতে আহ্বান জানান।
তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো বলেছেন একটি সাম্প্রতিক ভোটে যে ইভিএম ব্য়বহৃত হয়েছে তার খুঁটিনাটি পরীক্ষা করার জন্য় একটি ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠনের প্রয়োজন। কোনো ভুল বলেছেন কি ?
ওয়েব ডেস্ক ২৪শে  জুন ২০১৯: নরেন্দ্র মোদী ২০১৪ তে সরকারে আসার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বছরে দুকোটি বেকারকে চাকরি দেবেন । প্রতিশ্রুতি তো রাখতেই পারেননি , উল্টে  স্রোত উল্টো দিকে বইতে  শুরু করেছে  । ভোটের বাজার বলে তখনি কিছু করেনি  এবার কি করে সেটাই দেখার  ।প্রসঙ্গত দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক মন্দায় ধুকছে এই টেলিকম সংস্থাটি। সেজন্য সংস্থার হাল ফেরাতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছিল বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ।
বিরোধীদের অভিমত বেসরকারি টেলিকম কোম্পানি গুলিকে সুবিধে পাইয়ে দেওয়ার জন্যই এতদিন ধরে বিএসএনএল এর উন্নতর  পরিষেবার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি মোদী সরকার তা যদি নিত ছাঁটাইয়ের বদলে আরও কর্ম সংস্থান হত ।বিএসএনএল-এর বাজেট ও ব্যাংকিং ডিভিশনের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার পুরন চন্দ্রা জানিয়েছেন, ‘প্রতি মাসে রেভিনিউ ও খরচের মধ্যে বিপুল ফারাক এসে দাঁড়িয়েছে। আর্থিক সাহায্য় এখনই না এলে খরচ চালানো প্রায় অসম্ভব।’ এই বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে পরামর্শ চেয়েছে বিএসএনএল। কোটাক ইনস্টিটিউশনাল ইক্যুইটির হিসেব অনুযায়ী ২০১৮-র ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএসএনএল-এর ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৯০,০০০ কোটি টাকা।দ্রুত অর্থ সাহায্য না করলে খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। কর্মীদের বেতন বাবদ ৮৫০ কোটি টাকা-সহ ১৩,০০০ কোটি টাকার বিপুল খরচ আর টানা যাচ্ছে না বলে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন এই বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ। গত কয়েক বছর ধরেই বিএসএনএল-এর গ্রাফ নিম্নমুখী। অতিরিক্ত কর্মচারীর বিপুল মাইনে, খারাপ ম্যানেজমেন্ট, অকারণ সরকারি হস্তেক্ষেপের জেরে ধুঁকছে এই সরকারি সংস্থা। বিএসএলএল-এর মোবাইল সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা বাজারের মোটে ১০%।
ওয়েব ডেস্ক ২৪শে  জুন ২০১৯: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কারিশমা ছিল , আছে থাকবে । এই কথাটাই চূড়ান্ত সত্য এবং তার ওপর সত্যতা কিছুই নেই ।এটাই প্রমান দেওয়ার জন্য হয়তো  শয়ে শয়ে মানুষ পূর্ব বর্ধমান জেলা জুড়ে তৃণমূলের জনসংযোগ যাত্রায় পা মেলালেন । পুরনো চেনা পথেই হাঁটা শুরু করলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ। পূর্বস্থলীর শ্রীরামপুর থেকে তিনি যাত্রা শুরু করেছিলেন। তারপর নিজের গোটা পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা ক্ষেত্র থেকে শুরু করে গোটা পূর্ব বর্ধমান জেলার সব মানুষের দরজায় দলকে নিয়ে যাবেন এমনই পরিকল্পনা তাঁর।
হাঁটার ফাঁকে স্বপন জানালেন, “ মানুষের কাছে যেতেই হবে। আমাদের হাতিয়ারই তো মানুষ। মমতাদি এই কথাই সবসময় বলেন। তাঁর লক্ষ্য, তাঁর সংকল্প নিয়েই এগোচ্ছি আমরা। আমরা জানি মানুষ সবসময় আমাদের সঙ্গে থাকবেন”।মানুষের মধ্যেই মিশে থাকতে পছন্দ করেন কাটোয়ার টানা পাঁচবারের বিধায়ক এবং চারবারের পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। রোজই দলীয় কার্যালয়ে বসে সবার কথা শোনেন। তিনিও শুরু করেছেন এই জনসংযোগ যাত্রা। কাটোয়াবাসী তাঁকে জানিয়েছেন মানুষ সবসময় আপনার সঙ্গে থাকবে।এতো বিপুলসারা এতো কম সময়ে সেটা  তৃণমূলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্বও হয়তো আশা করেনি ।
ওয়েব ডেস্ক ২৪শে  জুন ২০১৯: বিজেপি সরকারের কোনো হেলদোল থাকবেনা বলে যে তাদের জবাব দিহি করতে হবেনা সর্বোচ্চ আদালতে এই কথাটাই হয়তো ভুলে গিয়েছিল বিহার সরকার । প্রথমত তেমন ভাবে বিহার সরকার এই এনসেফালাইটিস নিয়ে উল্লেখযোগ্য কিছুই করেনি , তারা নিজেরা দিশেহারা মতন অবস্থা ,এই সময় সুপ্রিম কোর্ট  বিহার সরকারকে নোটিশ পাঠাল  এনসেফালাইটিস নিয়ে ।এনসেফালাইটিসে শিশু মৃত্যুর ব্যাখ্যা চেয়ে কেন্দ্র ও বিহার সরকারকে  দু জায়গায় রিপোর্ট তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট । রাজ্য সরকার এই রোগ মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তা জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত।

এনসেফালাইটিসে আক্রান্ত শিশুদের চিকিত্‍‌সায় অবিলম্বে মেডিক্যাল বিশেষজ্ঞদের একটি দল গঠনের নির্দেশ দেওয়ার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়েছিলেন আইনজীবী মনোহর প্রতাপ ও সনপ্রীত সিং আজমানি।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ১ জুন থেকে বিহারে এনসেফালাইটিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৪০টিরও বেশি শিশুর। অধিকাংশ ঘটনাই মুজফফরপুরের। রোগ ছড়ায় প্রায় ৬০০ শিশুর মধ্যে। এ দিন এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত বলে, ‘এ ভাবে চলতে পারে না। আমরা নির্দিষ্ট জবাব চাই।’

বিহারে চিকিৎসার উপযুক্ত পরিকাঠামো না থাকায় রোগ মোকাবিলা করা যাচ্ছে না বলে প্রশ্ন উঠেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য়মন্ত্রী ঘুরে গেলেও কেন পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যবস্থা করা হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই কারণে রাজ্যের পাশাপাশি কেন্দ্রকেও নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট।
ওয়েব ডেস্ক ২৪শে  জুন ২০১৯: কত আশা নিয়ে উত্তর দিনাজপুরের বিজেপি প্রধানকে গ্রামবাসীরা জিতিয়ে এনেছিলেন , শুধু মাত্র ১০০ দিনের কাজের জন্য ।  আর বিজেপি প্রধান  রুনা বালা দেব শর্মা ভোটে জেতার পর সেই গ্রামবাসীদের  জন্য কিছুই  করছেননা । এই নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন গ্রামবাসীরা ।  প্রসঙ্গত উত্তর দিনাজপুরে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় বিজেপির নেতা কর্মীরা তাদের গ্ৰামে ভোট চাইতে এসে কথা দিয়েছিলেন, তারা যদি পঞ্চায়েত দখল করতে পারে তাহলে তাদের গ্ৰামেই বেশি করে ১০০ দিনের কাজ দেওয়া হবে পঞ্চায়েতের মাধ্যমে। তাদের আর কাজের জন্য ভিন রাজ‍্যে যেতে হবে না। সেই আশা নিয়ে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার পর গ্ৰাম পঞ্চায়েত দখল করে বিজেপি। প্রধান হন বিজেপির রুনা বালা দেব শর্মা আর উপপ্রধান হন কংগ্রেসের সৌম হাসদা। কিন্তু নির্বাচনের পর আর ‘তোমার দেখা নাই রে’। গ্ৰামের মানুষদের আর আমরা চিনি না। ওরা চুলোয় যাক। উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধানের বিরুদ্ধে এমনটাই অভিযোগ গ্ৰামবাসীদের। পাশাপাশি এও অভিযোগ উঠেছে যে, এই গ্ৰামপঞ্চায়েতের কাজের বেশিরভাগটাই বিজেপির প্রধান কংগ্রেসের জয়ী সদস‍্যদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে দিচ্ছেন।
ফলে বিজেপির বিভিন্ন গ্ৰামের সমর্মকরা ক্ষুব্ধ মুস্তফানগর গ্ৰামপঞ্চায়েতের প্রধান রুনা বালা দেব শর্মার উপর। জানা গিয়েছে, মুস্তাফানগর গ্ৰামপঞ্চায়েতের চাইপাড়া, রায়পুরে প্রায় তিনশোর মতো এমন মানুষ রয়েছেন যাদের ১০০ দিনের জবকার্ড রয়েছে। কিন্তু তারা একদিনও কাজ করতে পারেনি বলে অভিযোগ। এরা মূলত বেশিরভাগ কৃষিজীবী ও দিনমজুর।গ্ৰামবাসীরা জানান, অবিলম্বে যদি তাদের কাজের ব‍্যবস্থা না করা হয় তবে গ্ৰামের মানুষরা একত্রিত হয়ে মুস্তাফানগর গ্ৰামপঞ্চায়েত ঘেরাও করবেন। সেক্ষেত্রে তারা দেখবেন না কারা ক্ষমতায় রয়েছেন। তাদের কাজ চাই।জাতি ধর্ম নির্বেশেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রামবাসীদের  জন্য যা কাজ করেছেন তার যে কোনো তুলনা হয়না সেটাই উত্তর দিনাজপুরের গ্রামবাসীরা বুঝতে পারছেন । তারা বিজেপিকে এনে আদতে খেয়াল কেটে কুমিরই এনেছেন সেটাই এখন তাদের অভিমত। 
loading...