Monday, 19 November 2018

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই নভেম্বর ২০১৮ : ধৈয্যের বাঁধ অবশেষে ভাঙলো প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির ।তিনি সচরাচর সরাসরি কারুর  দিকে আঙ্গুল তোলেনা , কিন্তু বিজেপির নৈরাজ্য দেখে পরোক্ষে বুঝিয়েদিলেন তিনি কেন্দ্র সরকারের প্রতি খুশি নন ।সংবাদমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব তাঁদের প্রশ্ন করা যাঁরা মানুষের সহায়তায় সরাসরি ক্ষমতায় এসেছেন। গণতান্ত্রিক সমাজে জাতীর রক্ষার স্বার্থে এটাই মৌলিক কর্তব্য হওয়া উচিত।



 ‘‌গণতান্ত্রিক ভারতে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা’‌ শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই কথাই বললেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি।তিনি সংবাদ মাধ্যমকে আদতে কেন্দ্রীয় সরকারের ভুল ভ্রান্তি গুলো তুলে ধরার পরামর্শই দিয়েছেন , এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই ।তিনি জানান, ভুয়ো খবর এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার জন্য সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হচ্ছে। সাংবাদিকদের এই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। একইসঙ্গে সচেতন থাকতে হবে তাঁদের ক্ষমতা সম্পর্কেও। কারণ তাঁদের ক্ষমতা রয়েছে জনগণের মনোভাবকে প্রভাবিত করার। সংখ্যালঘুদের প্রতিও নজর দিতে হবে। কারণ ভারতের সভ্যতা দাঁড়িয়ে আছে বহুত্ববাদের ওপর। তাই যাঁরা ক্ষমতায় আছেন তাঁদের সরাসরি প্রশ্ন করা উচিত সংবাদমাধ্যমের বলে তিনি মনে করেন। সংবাদ মাধ্যমকে পক্ষপাতিত্ব না করে যে সত্যি ব্যাপারটা সামনে আনা উচিত এই বিষয়ে তিনি পরামর্শ দেন ।বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি  যেই কথাগুলো বলেছেন একদমই ঠিক বলেছেন , কারণ কিছুদিন আগেই অনেক বিরোধী রাজনীতিবিদ  অভিযোগ করেছিলেন কেন্দ্র সরকার সংবাদ মাধ্যমের একাংশকে কিনে নিয়েছে , এটাই যদি সত্যি হয় তাহলে ভয়াবহ ব্যাপার ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই নভেম্বর ২০১৮ : প্রত্যাশা মতই চন্দ্রবাবু নাইডু এবং মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মধ্যে বৈঠক হল নবান্নে , যা নিয়ে সারা ভারতের প্রচার মাধ্যমের নজর ছিল। এই বৈঠক  একটা বার্তা বয়ে নিয়ে  আসছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া বিরোধী শক্তির কোনো অস্তিত্ত্ব নেই  । আজ সেটাই প্রমাণিত হল ।২২ নভেম্বর দিল্লিতে সমস্ত বি জে পি বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকের বিষয়ে আলাদা করে উদ্যোগী হয়েছেন চন্দ্রবাবু। সেই বিষয়েই তিনি মূলত কথা বলতে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। কিন্তু এই সভায় মমতার যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে আগেই জানা যায় , কেননা মমতার মতে অখিলেশ –মায়াবতী ছাড়া এই বঠক অর্থহীন। আবার একইভাবে ১৯ জানুয়ারিতে ব্রিগেডের জনসভাতেও এদের উপস্থিতি কাম্য বলে মনে করেন মমতা ।

আজকের  বৈঠকের পর একতার বার্তা দিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু –মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে চন্দ্রবাবু বলেন , আমরা গণতান্ত্রিক বাধ্যবাধকতায় একজোট হওয়ার ব্যাপারে সচেষ্ট হয়েছি। একের পর এক ইস্যুতে এই সরকারের আসল রূপ প্রকাশিত হচ্ছে।’ এইসব ইস্যুগুলির মধ্যে উঠে এসেছে বিমুদ্রাকরণ , আর বি আই গভর্নর , পেট্রোল –ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি , টাকার দাম বেড়ে যাওয়া প্রভৃতি। চন্দ্রবাবু আরও বলেন , কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে ভেঙে ফেলা হচ্ছে , রাজনীতিকদেরও দেখানো হচ্ছে সি বি আই -এর ভয়। এমতাবস্থায় বিরোধী শক্তিকে এগিয়ে আসতে হবে। ‘কেননা দেশকে বাঁচানো আমাদের দায়িত্ব ‘– চন্দ্রবাবু বলেন।বিজেপি তথা এনডিএ সরকারের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে চন্দ্রবাবু বলেন, ‘‌নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম প্রত্যেকদিন বাড়ছে। আর টাকার দাম রোজ কমছে। সব কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলি ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। সিবিআই দিয়ে রাজনীতিবিদদের ভয় দেখানো হচ্ছে। তাই দেশকে বাঁচাতে এবং প্রতিষ্ঠানগুলিকে বাঁচাতে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরুর আগেই অবিজেপি রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে বৈঠক হবে।’‌ ইতিমধ্যেই সিবিআই ইস্যুতে চন্দ্রবাবু নাইডুর পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী নতুন করে স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে নোট দিয়েছেন কি করা যায় তা নিয়ে। এদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে আপ্লুত চন্দ্রবাবু। মমতাও যথাযোগ্য সমর্থন করবেন বলে জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন দেশের স্বার্থে চন্দ্রবাবুর সঙ্গে তার বৈঠক হয়েছে । বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  যেরকম সিপিএমকে বিতাড়িত করেছিল বাংলা থেকে ঠিক সেভাবেই বিজেপিকে উৎখাত করবে কেন্দ্র থেকে ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই নভেম্বর ২০১৮ : ভারত যে একটি ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ সেটা বিজেপির  নেতা মন্ত্রীদের মনে রাখা উচিত , সঙ্গে এটাও মনে রাখা উচিত স্বয়ং  নরেন্দ্রমোদী দলীয় বার্তায় কি বলেছিলেন কয়েক মাস আগে ।তিনি বলেছিলেন সংবাদ মাধ্যমে কিছু বলার আগে চিন্তা ভাবনা করে নিতে যাতে দলকে  কোনো রকম হাস্যকর বা বিতর্কিত পরিস্থিতিতে দলকে না পড়তে হয় । ঠিক এই কথাটি ব্যক্ত করলেন বিদ্যজনেদের একাংশ ।কারণ যোগী সরকারের সংস্কৃতি ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী লক্ষ্মী নারায়ণ চৌধুরি দিলীপ ঘোষ , এবং বিপ্লব দেবকে মনে করালেন  ।



রাজ্যের ধর্ম, সংস্কৃতি ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী লক্ষ্মী নারায়ণ চৌধুরি বলেন, ‘‌সরকারই হোক বা দেশের অন্য কোনও প্রতিষ্ঠান, তাদের উচিত জনতার আবেগকে শ্রদ্ধা জানানো। দেশের আম মানুষ উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছেন অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের জন্য। দ্রুত এই মন্দির বানানো উচিত।’‌ তিনি আরও বলেন, ‘‌যত দ্রুত সম্ভব অযোধ্যায় রমা মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করা হোক। এটা অযোধ্যার ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এর পাশাপাশি লক্ষ লক্ষ পর্যটক অযোধ্যায় ভিড় জমাবে। তাতে অযোধ্যা আরো প্রসিদ্ধ হবে।’‌ মন্ত্রীর দাবি, গোটা বিশ্ব অপেক্ষা করে র‌য়েছে এই মন্দির তৈরির জন্য। শ্রী রামের পরিচয়ে আগামীদিনে ভারতবাসী পরিচিত হবেন। বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত স্বাধীন ভারতে সবার মতামত রাখার অধিকার আছে তবে সেটা বিতর্কিত না হয়ে একান্ত বাঞ্ছনীয় , কিন্তু যোগী রাজ্যের এই মন্ত্রী নিজেকে যদি বিপ্লব ঘোষের সমকক্ষ করতে চান তাহলে কার বা কি বলার থাকতে পারে ?তবে এটাও সত্যি প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দেওয়ার পরেও বিজেপি নেতা মন্ত্রীরা দলটিকে অস্বস্তির মধ্যে ফেলেই চলেছে  ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই নভেম্বর ২০১৮ :হিটলারি শাসন বিজেপির অনেকেই যে মেনে নেবেন সেটা রাজস্থান বিধানসভা  নির্বাচনের প্রাক্কালে বেশি করে প্রকট পাচ্ছে । একের পর এক বিধায়করা টিকিট না পেয়ে ছেড়ে চলে যাচ্ছে  বিজেপি থেকে, তবুও ভাঙব কিন্তু মচকাবোনা  একটা মনোভাবের পরিচয় দিয়েই চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব । সেটা রাজস্থানের বিজেপির দায়িত্বে যারা ছিলেন তারা বুঝতে পারলেও , মুখে আনছিলেন না অন্তর দলীয় কোন্দল এবার বিজেপি নেতা মন্ত্রীরা দল ছাড়ার সময় মুখখুলছেন খোলা খুলি ভাবে , যা বিজেপির অস্বস্তি বাড়াচ্ছে বৈকি ।



প্রসঙ্গত একনায়কতন্ত্রের তথ্য দেখিয়ে এবার দল ছাড়ছেন বিজেপি বিধায়ক জ্ঞানদেব আহুজা। ইতিমধ্যেই তিনি রাজস্থান বিজেপি নেতৃত্বের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিযেছেন। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আলোয়ার জেলার রামগড় থেকে আহুজা বিধায়ক হয়েছিলেন। কিন্তু এবার তাঁকে টিকিট দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকদের তিনি পদত্যাগের কথা জানিয়ে বলেন, ‘‌দলে একনায়কতন্ত্র চলছে। কী কারণে তাঁকে টিকিট দেওয়া হয়নি তা জানানো পর্যন্ত হল না। তাই তিনি পরিবার এবং সমর্থকদের দাবি মতো দল ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তিনি নির্দল প্রার্থী হিসাবে ভোটে দাঁড়াবেন। তাঁর নির্বাচনী ইস্যু হবে হিন্দুত্ব, রাম জন্মভূমি এবং গোরক্ষা।’‌ সুতরাং নির্দল হিসাবে দাঁড়িয়ে বিজেপিকেই যে তিনি চ্যালেঞ্জ জানাবেন তা মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।  এদিকে রাজস্থান বিজেপি তিন দফায় ২০০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১৭০ জনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন একাধিক বিধায়ক এবং মন্ত্রী। কারণ হিসাবে লোকসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসের জয়কেই মনে করা হচ্ছে। প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে দলে কার্যত পদত্যাগের হিড়িক পড়ে যায়। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন জ্ঞানদেব আহুজা।বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত , বিজেপির কেন্দ্রীয় সংগঠন ভেতরে ভেতরে কংগ্রেস কে যে সমীহ করছে এটা তারই নিদর্শন  ।যতই নেতা মন্ত্রীরা বিজেপি ছেড়ে চলে যাক কেন্দ্রীয় বিজেপি কোনো মতেই নিজেদের প্ল্যানযে বদলাবে না এটা একরকম পরিষ্কার  ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই নভেম্বর ২০১৮ :পালা বদল হওয়ার পর উত্তরপ্রদেশের উন্নতি কি হয়েছে সেটা যোগী আদিত্যনাথ বলতে পারবেন কিনা সন্দেহ আছে তবে তার রাজ্যের শিক্ষকদের  একাংশ নিজেদের যে  স্বৈরাচারী মনে করছেন এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ।না হলে একটা দুধের শিশুর সাথে এরকম নির্মম কাজ করতে পারে ? সিসিটিভি ফুটেজ আসার পর এখন এটাই ভাইরাল হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় যা নিয়ে যোগী প্রশাসন মুখ লুকোবার জায়গা পাচ্ছেনা ।প্রসঙ্গত একটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে পরা ছোট্ট ছেলেকে  বাড়িতেই পড়াতে আসতেন এক শিক্ষক।



কিন্তু যতনা পড়াতেন তার থেকে বেশি বর্বরোচিত আচরণ এই গৃহ শিক্ষককে কুখ্যাত করেছে ,পড়ানোর নামে যে বর্বর আচরণ গৃহশিক্ষক ওই ছোট্ট শিশুর উপর করতেন সেটা দেখে শিউরে উঠেছিলেন সকলেই। বাড়িতে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ চেক করতে গিয়ে শিশুটির মা–বাবা যা দেখলেন, তাতে তাঁরাই কান্নায় ভেঙে পড়েছিল গোটা পরিবার । ভিডিওয় দেখা গিয়েছে ছোট্ট ওই শিশুকে পড়ানোর নামে অকথ্য অত্যাচার চালাচ্ছেন গৃহশিক্ষক। জুতো চটি দিয়ে মার তো চলতই। এমনকী কিল, চড়, ঘুষিও মারত সে।  এখানেই শেষ নয় কাঁচের কোনও ধারালো বস্তু অথবা ধাতব কোনও সূচালো জিনিস দিয়ে হাতে এবং আঙুলে আঘাত করত শিক্ষক। শিশুটি যন্ত্রণায় ছটফট করলে এক গ্লাস জল খেতে দিয়ে হাসতে বলা হত। শিশুটির আঙুলও কামড়ে দিতে দেখা গিয়েছে শিক্ষককে। সেই সিসিটিভি ফুটেজটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। বিদ্যজনেদের একাংশের দাবি , যে করেই হোক পলাতক এই শিক্ষককে গ্রেফতার করতেই হবে , এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে ।শিক্ষক হলেন পিত মাতার সমতুল্য , তার যদি এরকম আচরণ হয় তাহলে কোন ভরসায় বাচ্ছাদের স্কুলে পাঠাবে অভিভাভকরা ? যদিও এই কথাটা  উত্তরপ্রদেশের মতো বিজেপি শাসিত রাজ্যেই  জন্যই প্রযোজ্য ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই নভেম্বর ২০১৮ : রক্ষকই যদি ভক্ষক হয় তাহলে সাধারণ মানুষের  অবস্থা কি  হচ্ছে  সেটা আন্দাজ করা কঠিন নয় ।এটা  কোনো রূপ কথা নয় , নয় এটা রুপোলি পর্দার কোনো কাল্পনিক তথ্য  এটা ঘোর বাস্তব যা শুনলেও গায়ে শিহরণ দিয়ে  ওঠে ।প্রসঙ্গত এক মহিলা কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের এক সাব ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সাব ইন্সপেক্টর অমিত শেলারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে মুম্বইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

ওই মহিলা কনস্টেবলের অভিযোগ, অমিত শেলা গত বছরের মার্চ মাসে তাঁকে ধর্ষণ করে। ঠান্ডা পানীয়তে কিছু মিশিয়ে দিয়ে তাঁকে অচৈতন্য করে ধর্ষণ করা হয়। পুরো ঘটনার ভিডিও করে তাঁকে হুমকি দিতে থাকে অমিত। এমনকি, ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ওই মহিলা পুলিশকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত এসআই। ধর্ষণের পাশাপাশি তাঁকে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ।সাহসটা বাড়তে বাড়তে কোথায় গিয়ে ঠেকেছে ! শুনলেও যেমন গায়ে কাটা দেবে তেমন সহ্য করাও কঠিন হয়ে পড়বে । এই সব পুলিশ কর্মীরা  বিজেপি শাসিত রাজ্যে কি ভাবে এরকম নক্কার জনক কাজ করার সাহস পাচ্ছে এটাই এখন বিদ্যজনেদের চর্চার বিষয় ।এর আগেও দেখা গেছে   এক মহিলা পুলিশ কর্মী থানার ভেতরেই দুর্বৃত্তদের দ্বারা ধর্ষিত হতে এবং সেটাও   বিজেপি  শাসিত অন্য এক রাজ্যেই ঘটনাটি ঘটেছিল ।কিন্তু কথা হচ্ছে কেন এমন হবে ? আর বার বার বিজেপি শাসিত রাজ্যেই কেন হচ্ছে ? প্রসঙ্গত ঘটনাটি ঘটেছিল হরিয়ানায়  , যেখানে  মহিলা থানাতে ঢুকেই মহিলা হেড কনস্টেবলকে গণধর্ষণ করে ছিল  দুজন দুষ্কৃতী  ।ছুরি দেখিয়ে মহিলা হেড কনস্টেবলকে দুই দুষ্কৃতী ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে  অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল । কাউকে এই বিষয়ে জানালে বা অভিযোগ দায়ের করলে তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল দুর্বৃত্তের । শেষ পর্যন্ত নির্যাতিতা পুলিস কনস্টেবলের অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছিল । বিদ্যজনেদের একাংশের মত বিজেপি শাসিত রাজ্যেই এরকম নক্কার জনক ঘটনা বেশি করে হচ্ছে , কিন্তু কেন ? তাহলে কি প্রত্যেকেই নিজেদের আইনের উর্ধে মনে করছে ?

Sunday, 18 November 2018

ওয়েব ডেস্ক ১৮ই নভেম্বর ২০১৮ : সাম্প্রদায়িক বিজেপি শক্তির হাত থেকে বাংলাকে, আর ঠকবাজির ও দাঙ্গাবাজি হাত থেকে দেশকে, বাঁচাতে কর্মীদের একজোট হওয়ার বার্তা দিলেন নেত্রীর ।শুক্রবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের বর্ধিত সভায় সকল স্তরের নেতাদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিলেন দল নেত্রী দল নেত্রীর..


বিধায়ক, সংসদ সকলকে সমাজের সব পিছিয়ে পড়া মানুষকে নিয়ে চলার কথা বলবো। নেতা হওয়া মানুষের পাশে  থাকা। নেতা হওয়া মানে ঘরে বসে থাকা নয়। তাঁর সাফ কথা- আমি যদি এত কাজ করতে পারি, এত মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারি, আপনাদের করতে কি হয় ? মনে রাখতে হবে সমাজের সবাইকে নিয়ে চলাটা আমার কাজ। যারা মানুষের পাশে থাকে, তাদের নিয়েই আমার দল। মানুষের পাশে যারা থাকবেনা,যেই দেখবে কাজ করছেনা , নামটা ঘ্যাচ করে কেটে দেবে। নো কম্প্রোমাইজ। মাননীয়া দল নেত্রী তাঁর দলের নেতা কর্মীদের হুশিয়ার করে বলেছেন- যে মানুষ ভুল বুঝে দূরে সরে আছেন,তাদের দলে ডেকে আনুন। আপনি ডেকে না আনলে,আমিই ডেকে আনবো। যারা এমন ভাবে দূরে সরে আছেন, আমায় চিঠি দেবেন। আমি দেখছি কোন নেতার কত বড়ো কারসাজি ! বামপন্থীদের মধ্যেও যারা আদর্শের জন্যে দল করেন, তাদের বুঝিয়ে সম্মানের সাথে দলে টেনে নিতে হবে।আগামী দিনে লড়ায়ের জন্য তৈরী হতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থ নয়, মানুষের দেশের দলের স্বার্থ নিয়ে ভাবতে হবে। আমি কি পেলাম আর কি হলাম এটা টার্গেট হলে চলবেনা। দিদি যদি সকাল থেকে রাত  পর্যন্ত খাটতে পারে, আপনাকেও করতে হবে।

                            
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই নভেম্বর ২০১৮ : বাংলায় সিপিএম ৩৪ বছরের রাজত্বে পার্টিবাজি ছাড়া যেমন কিছুই করেনি , সেরকম মানিক সরকার ত্রিপুরার জন্যও কিছুই করেননি , শুধু মাত্র পার্টিবাজি ছাড়া।ভাবতে  পারেন, একটা ভালো চোখের হাসপাতাল পর্যন্ত নেই ত্রিপুরায় ।ত্রিপুরার মানুষ চোখের কোনো সমস্যা হলে কলকাতা আসে চোখ দেখানোর জন্য , আর বিজেপি আসার পর অভাবনীয় কোনো উন্নতিও সেরকম কিছুই হয়নি  

বিপ্লব দেবের দায়িত্ব হীন মন্তব্ব্য শুনতে শুনতে ত্রিপুরার মানুষ ক্লান্ত , তারা আশায় আছে ত্রিমুল কবে আসবে সরকারে অন্তত সূত্রের খবর অনুসারে সেরকমই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে ।তবে রাজ্যের মানুষ প্রচন্ড ক্ষিপ্ত মানিক সরকারের ওপর তাদের অভিমত তিনি ইচ্ছা কৃত ভাবেই মানুষের জন্য কিছুই করেননি , শুধু মাত্র  ইনক্লাব জিন্দাবাদ ছাড়া ", কিন্তু তাই বলে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে হেনস্তা করা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায়না ।প্রসঙ্গত কিছু অজ্ঞাত পরিচয় লোক প্রাক্তন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক  সরকারকে আটকে রেখে ব্যাপক হেনস্তা করে, যা নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ করলেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি  ।শনিবার দিল্লির কে গোপালন ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি আরএসএসের বর্বোরোচিত হামলার শিকার হচ্ছেন দলের কর্মীরা। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে বিজেপি শাসনে। দলীয় কার্যালয় থেকে সাধারণ কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন বারবার। পুলিসে অভিযোগ জানিয়েও কোনও ফল হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। ইয়েচুরি বলেন, ‘‌একাধিকবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আমরা নালিশ জানিয়েছি। কোনও কাজ হয়নি। ফের স্বরাষ্টমন্ত্রীকে জানাব।’‌ ত্রিপুরায় বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর সিপিএমের নেতাকর্মীর ওপর আক্রমণ, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাকে সামনে আনতে এদিন ‘‌ডেমোক্রেসি আন্ডার অ্যাটাক’‌ শীর্ষক একটি ৫৬ পাতার পুস্তিকাও প্রকাশ করেন সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি পলিটব্যুরো সদস্যা বৃন্দা কারাত। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর গত মাসে সিপিএম নেতাকর্মীদের ওপর যে সব আক্রমণ হয়েছে, তার বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে ওই পুস্তিকায়।বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত , এটা সত্যি যে মানিক সরকার ত্রিপুরার জন্য কিছুই করেননি , এটাই সিপিএমের মানসিকতা কিন্তু আইন নিজেদের হাতে তুলে নেওয়া কিছুতেই মেনে নেওয়া যায়না , তাদের আরো বক্তব্য , হাজার হোক মানিক সরকার তো এক সময় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তাকে অন্তত একটু সন্মান দেওয়া উচিত ওই পদটিতে দীর্ঘকালীন ধরে রাখার জন্য


Saturday, 17 November 2018

ওয়েব ডেস্ক ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ : ধর্ষণ , নারী নির্যাতন , রাহাজানি , ডাকাতি , এগুলো তো ছিলই যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশে , এবার এমন একটা নক্কার জনক ঘটনা যুক্ত হল যার জন্য যে কোনো লোক লজ্জিত হবেন  ।এতটাই খারাপ এবং নীতি বিরুদ্ধ ।স্বামী জীবিত থাকা অবস্থাতেও বিধবা ভাতা পেলেন  গ্রামের ২২ জন মহিলা ।যা শুনে প্রশাসনিক কর্তাদের চক্ষু চরখগাছ ।ঘটনাটি ঘটেছে, উত্তরপ্রদেশের সীতাপুর জেলার বাতসগঞ্জ গ্রামে৷ গোটা ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনেন ওই গ্রামেরই বাসিন্দা সন্দীপ কুমার৷ তিনি জানান, দিন কয়েক আগে হঠাৎই তাঁর স্ত্রীর ফোনে একটি মেসেজ আসে৷


ব্যাঙ্কের মেসেজ দেখে তাঁর কৌতূহল জন্মায়। এরপর মেসেজটি পড়েই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় সন্দীপবাবুর৷ তিনি দেখেন, বিধবা ভাতা বাবদ তিন হাজার টাকা পেয়েছেন তাঁর স্ত্রী৷ কীভাবে এল এই টাকা? কে দিল? কোনও প্রশ্নেরই উত্তর পাচ্ছিল না পরিবারটি৷ একেই সরকারি টাকা, তার উপর বেআইনিভাবে অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে, বিষয়টি বুঝতেই পারছিলেন না সন্দীপ কুমার ও তাঁর স্ত্রী৷ এই ঘটনা সম্পর্কে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জানান ওই দম্পতি৷কিন্তু নিজেদের সমস্যার কথা বলতে গিয়ে তাঁরা যা দেখলেন, প্রথমে তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছিলেন না সন্দীপবাবু ও তাঁর স্ত্রী৷ তাঁরা দেখেন, এই সমস্যার ভুক্তভোগী কেবল তাঁরাই নন, তাঁদের পরিজনদের মধ্যেই এমন অনেকে রয়েছেন, যাঁদের সঙ্গেও এই একই ঘটনা ঘটেছে৷ ভুক্তভোগীর তালিকায় রয়েছেন সন্দীপ কুমারের শাশুড়ি এবং শ্যালিকাও৷ চলতি মাসে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও বিধবা ভাতার টাকা ঢুকেছে৷ এই সমস্যার কথা জেলাশাসকের দপ্তরে জানাতে গিয়ে সন্দীপবাবু অবাক হয়ে যান৷ দেখেন, আরও অনেক মানুষ এই একই সমস্যা নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন৷ একেই তো গ্রামে কোনো উন্নয়ন মূলক কাজ করতে পারছেননা যোগী আদিত্যনাথ , তার ওপর কেন্দ্রের থেকে আসা টাকায় এই ভাবে মানুষের অনুভূতি নিয়ে খেলা করা , এটা সত্যি নক্কার জনক বলেই মনে করছেন বিদ্যজনেদের একাংশ ৷ ইতিমদ্দ্যেই এর উচ্ছপর্য্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন বিদ্যজনেদের এরকাংশ ৷
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ : মাওবাদী কার্য্যকলাপ কোনোভাবেই রাজ্য সরকার যে বরদাস্ত করবে না তা আরও একবার প্রমান পাওয়া গেল ।বিগত দিনে দেখা গেছে মাওবাদী আন্দোলনের জন্য রাজ্যবাসীকে  অনেক ঝুট ঝামেলা  সহ্য করতে হয়েছে , এই সব বামফ্রন্টের আমলে হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে একদমই যে চলবেনা সেটা আজকের ঘটনাটা থেকেই পরিষ্কার ।


প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে মেদিনীপুর থেকে মাওবাদী সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে  সব্যসাচী গোস্বামী, সঞ্জীব মজুমদার, অর্কদ্বীপ গোস্বামী ও টিপু সুলতান নামে চার ব্যক্তিকে। তাদের মুক্তির দাবিতে আজ নন্দনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে নির্বাণ, ঋত্বিক, সুরঞ্জনা, সৃজন, সৌরদীপ্তা, দেবপর্ণা সহ কয়েকজন  যুবক-যুবতী। তারা বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ইউডিএসএফ কর্মী বলে সূত্রের খবর। অন্যদিকে নিরাপরতার ঘেরাটোপে ঘিরে ফেলা হয়েছে ২৪ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উতসব ,নন্দন চত্বর । একই সাথে অন্যান্য প্রেক্ষাগারগুলিতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। তদন্তে নেমেছে কলকাতা পুলিশ সহ গোয়েন্দা শাখা।বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত , আন্তর্জাতিক মানের কোনো কিছুই যখন ঘটেছে এ রাজ্যে তখনি বামপন্থী মানুষেরা সেখানে ব্যাগড়া দেওয়ার চেষ্টা করেছে , এক্ষেত্রেও দেখা গেল মাওবাদীরা বিদেশিদের সামনে রাজ্যের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য উঠে পরে লেগেছিল , শুধু মাত্র  কলকাতা পুলিশের তৎপরতায় এটি বানচাল হয়ে যায় । কলকাতা পুলিশ কে কুর্নিশ ।
loading...