Monday, 18 November 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৮ই নভেম্বর ২০১৯: ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামান একদিকে যখন ভারত পেট্রোলিয়াম , এয়ার ইন্ডিয়া বিক্রি করার কথা ঘোষণা করছেন  ,উল্টোদিকে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে । আজ নিয়ে টানা পাঁচ দিন তেলের দাম বাড়ল ।আর তেলের দাম যখন বাড়ছে তখন পরিবহন  খরচটাও বাড়বে , আর এটাই  স্বাভাবিক ।
আর পরিবহন খরচ বাড়া মানেই জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়া । তবে স্বাময়িক ভাবে  ডিজেলের দাম এখনো বাড়ানো হয়নি । কিন্তু সেটা কতদিনের জন্য ?কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে কিছুই বলা হয়নি । এদিকে দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা এবং চেন্নাইয়ে সোমবার লিটারে ১৬ পয়সা করে বাড়ল পেট্রোলের দাম। ইন্ডিয়ান অয়েলের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, দেশের এই চার মেট্রো শহরে সোমবার মূল্যবৃদ্ধির পর পেট্রোলের দাম দাঁড়াল দিল্লিতে লিটার পিছু ৭৪.০৫ টাকা, মুম্বইয়ে ৭৬.৭৪ টাকা, কলকাতায় ৭৯.৭১ এবং চেন্নাইয়ে ৭৬.৯৭ টাকা। এই দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে জনমানসে।এবার ভারত পেট্রোলিয়াম যদি বিক্রি করে দেওয়া হয় সে ক্ষেত্রে বেসরকারি মালিকেরা যা হিসাব দেখাবে সেই হিসেবেই তেলের দাম বাড়তে থাকবে । কারুর কিছু বলার থাকবে কি ?
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই নভেম্বর ২০১৯: "আচ্ছে দিন" দেশবাসীর আসুক না আসুক কর্নাটকে আসন্ন  বিধানসভা  উপনির্বাচনে বিজেপি প্রাথী এম টি বি নাগরাজের অবশ্যই এসেছে । তিনি করতেন কংগ্রেস কর্ণাটকের হোসকোটে, সেখানে কংগ্রেসের সাথে মনোমালিন্য হওয়ার পর তিনি যোগ দেন বিজেপিতে আর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই তার সম্পত্তি ফুলে ফেঁপে ওঠে ।
এক হলফনামায় তিনি জানান তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১,২৩৩ কোটি টাকা। তথ্য বলছে, ২০১৮ সালের হলফনামা অনুযায়ী তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১,০১৫.৪৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র ১৮ মাসের মধ্যে তিনি প্রায় ১৮৫ কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তি বাড়িয়ে ফেলেছেন! এ না হলে আছে দিন ! যেখানে সাধারণ মানুষ খেতে পাচ্ছেনা , সেখানে ১৮৫ কোটির টাকার উত্থান । এখানেই শেষ নয় গত বছর তার অস্থাবর  সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৩১৪.৭৫ কোটি টাকার আর এবছরে সেটা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪১৯।২৮ কোটি টাকা তার মানে সম্পত্তি বৃদ্ধি পেয়েছে ১০৪.৫৩ কোটি টাকার। সত্যি আচ্ছে দিন এসেছে নাগরাজের ।
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই নভেম্বর ২০১৯: নিজেদের কার্য্য সিদ্ধি করবার  সময় বাংলার মানুষ দেখেছে সিপিএম কি ভাবে সেই জিনিষটা নিয়ে মিথ্যে প্রচার চালাতো । দেখাতো সেটাই সব থেকে ভালো , কিন্তু মানুষের লাভের লাভ কিছুই হতোনা । উল্টো মানুষকে সংগ্রামের পথ বেছে নিতে হতো , এবং দিন রাতের ভোগান্তি । আর আজ সেই পথেই হাঁটছেন বলে মনে হচ্ছে বিজেপির উঠতি নেতা শান্তনু ঠাকুরকে  । যেখানে আসামে নাগরিক পঞ্জির জন্য ১৯ লক্ষ মানুষ উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে সেখানে সেই নাগরিক পঞ্জী নিয়ে গান গাওয়া শুরু করলেন সেন্ট্রাল এভেন্যুয়েতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে মাথা ঘুরে পরে যাওয়া বিজেপির এই নেতা ।
 প্রসঙ্গত তিনি বলেন ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলই হবে এ দেশে আসা উদ্বাস্তু ও শরণার্থীদের রক্ষাকবচ। সব শরণার্থীর ভারতের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা হবে। তাঁদের বঞ্চিত করা হবে না। শুধু আবেদন করলেই মিলবে ভারতের নাগরিকত্ব। এ নিয়ে কোনো চিন্তার কারণ নেই।শান্তনু ঠাকুর বলেন, যাঁরা দেশভাগ না মেনে ভারতে থেকে গেছেন, তাঁরাও পাবেন ভারতের নাগরিকত্ব।রোববার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তরমন্তরে মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে আয়োজিত মতুয়াদের এক বিশাল সমাবেশে ভারতের মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি সাংসদ শান্তুনু ঠাকুর এ কথা বলেন। সমাবেশে কয়েক হাজার মতুয়া ডঙ্কা বাজিয়ে লাল নিশান উড়িয়ে যোগ দেন।শান্তনু ঠাকুর যা বলছেন , সবই সিপিএমের রীতি নীতি মেনে , তার পরিণাম এটাই হয় , যে , কাজের কাজ কিছুই হয়না ।
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই নভেম্বর ২০১৯: বেফাঁস মন্তব্য করাটা ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী একেবারে অভ্যেসে পরিণত করে ফেলেছেন । তাতে তার সম্মানহানি হল কি না সে সমন্ধে বিন্দু বিসর্গও পাত্তা দেননা । সস্তায় প্রচার পাওয়া নিয়ে এতটাই তিনি উৎসুক । প্রসঙ্গত ,আগরতলার এক ক্লাবে আয়োজিত শারদ সম্মান অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে বিপ্লববাবু বলেন, ‘ত্রিপুরায় এখনও এমন অনেক সম্পদ আছে, যা অনেকের অজানা। কিন্তু মোগলরা বোমা মেরে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল ত্রিপুরার শিল্প এবং স্থাপত্য।’পাশাপাশি তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় যেন ত্রিপুরার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান, সৌন্দর্য, এবং ঐতিহ্যের কথা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সবাই যদি অন্তত পাঁচটি দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে (সোশ্যাল মিডিয়ায়) পোস্ট করেন, তবে ত্রিপুরা পর্যটনের আর বিশেষ বিজ্ঞাপনের প্রয়োজন হবে না, সারা বিশ্বে ত্রিপুরার জনপ্রিয়তা আপনা থেকেই ছড়িয়ে যাবে।’
কিন্তু মোগলরা ত্রিপুরার কোন কোন ঐতিহাসিক স্থাপত্যে ‘বোমা মারতে’ চেয়েছিল, তা স্পষ্ট করা হয় নি ওই বিবৃতিতে।সাহিত্যিক তথা ইতিহাসবিদ অশোক দেব বলছেন যে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের বড় ভাই তথা বাংলা এবং ওড়িশার সুবেদার শাহ সুজা ছোট ভাইকে সিংহাসনচ্যুত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে আরাকান (বর্তমানে বর্মার রাখাইন অঞ্চল) পালিয়ে যান আশ্রয়ের খোঁজে। পথে পড়ে তিপ্পেরা (ত্রিপুরা) অঙ্গরাজ্য, যেখানে তিনি এর আগে আশ্রয় চেয়েছিলেন মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্য বাহাদুরের কাছে।অশোকবাবু জানাচ্ছেন, ‘মোগল যুবরাজ শাহ সুজাকে যাতে সম্রাটের হাতে তুলে দেওয়া হয়, সেই মর্মে মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্যকে চিঠি লেখেন আওরঙ্গজেব। কিন্তু সেই নির্দেশ না মেনে আওরঙ্গজেবকে শান্ত করার চেষ্টায় হাতি এবং অন্যান্য উপহার নজরানা পাঠান মহারাজা। তাতে ফল না হওয়ায় ত্রিপুরা ছেড়ে আরাকানের দিকে পালিয়ে যান শাহ সুজা।’
শাহ সুজা নির্মিত সুজা মসজিদ আজও দেখা যায় ত্রিপুরার উদয়পুর শহরের বদরমোকাম এলাকায়। সপ্তদশ শতাব্দীতে তিপ্পেরা রাজ্যের রাজধানী ছিল উদয়পুর, যা আজও তার ঐতিহাসিক স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত।ইতিহাসবিদরা মনে করতে পারলেননা , মোঘলরা কোন স্থপতি বোমা মেরে ধ্বংস করেছে । অতএব সস্তার প্রচারই প্রমাণিত হল বিপ্লব কুমার দেবের কথায় ।
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই নভেম্বর ২০১৯:রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া ও তেল কোম্পানি ভারত পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে বিক্রি করে দেয়ার ঘোষণা করেছে  সরকার। ঋণে জর্জরিত  রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠান দুটিকে আগামী বছরের মার্চের মধ্যে বেসরকারি কম্পানির হাতে ছেড়ে দেয়া হবে।
এক সাক্ষাৎকারে সরকারের এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। চলতি বছরের মধ্যে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী বছরের শুরুতে কোম্পানি দুটি বিক্রি করা হবে নিশ্চিত করেছেন অর্থমন্ত্রী।অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ  বলেন, ‘আমরা এই দুই কম্পানি নিয়েই অগ্রসর হচ্ছি। আশা করছি, সব কাজ চলতি বছরের মধ্যে শেষ করে আমরা কম্পানি দুটি বিক্রির পথে অগ্রসর হবো। বাকিটা নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর।’
এমন এক সময়ে নির্মলা সীতারমণ সরকারের এমন সিদ্ধান্তের কথা জানালেন যখন এয়ার ইন্ডিয়া প্রায় ৫৮ হাজার কোটি টাকার  বোঝায় জর্জরিত। গত বছর রাষ্ট্রায়ত্ত ওই বিমান পরিবহন সংস্থাটির ৭৬ শতাংশ শেয়ার বিক্রি ঘোষণা করে কেন্দ্র  সরকার। তবে তাতেও বিনিয়োগকারীদের সাড়া মেলেনি।
বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ ছিল ৭৬ শতাংশ শেয়ার বিক্রি হলেও বাকি ২৪ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা থাকবে সরকারের হাতে। তাই সরকার সংস্থাটির ওপর নিয়ন্ত্রণ জারি রাখাসহ নানাভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে। এমন শঙ্কার কারণে তাই তারা এয়ার ইন্ডিয়ার শেয়ার ক্রয়ের ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি।তবে  অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখনও এয়ার ইন্ডিয়া নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ আছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী  কৌশল বদলে শেয়ার বিক্রির আগে রোড শো-র মাধ্যমে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করাসহ তাদের উদ্বেগ দূর করার ব্যবস্থাও নেবে সরকার।

সরকার অক্টোবরে ভারত পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ৫৩ দশমিক ২৯ শতাংশ শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। তাতে সায় দেয় কম্পানির কর্মকর্তারা। বাজারে কম্পানিটির মূলধন এখন এক দশমিক শূন্য দুই লাখ কোটি টাকা । সরকার সেখান থেকে শেয়ার বিক্রি করে ৬৫ হাজার কোটি টাকার  পাওয়ার আশা করছে।
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই নভেম্বর ২০১৯:বেহাল অর্থনীতি, কাশ্মীর পরিস্থিতি ও রাফাল নিয়ে যুগ্ম সংসদীয় কমিটি গঠনের দাবিতে বিরোধীরা যে সরব হবে, পার্লামেন্টের শীতকালীন অধিবেশন শুরুর আগের দিন তা স্পষ্ট হয়ে গেল। সর্বদলীয় বৈঠকে কংগ্রেস নেতা গুলাম নবী আজাদ সরাসরিই প্রশ্ন তুললেন, কেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন  মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে অন্যায়ভাবে বন্দী করে রাখা হয়েছে? কেন তাঁকে ও প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমকে সংসদের অধিবেশনে হাজির হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না?এই প্রশ্ন তোলার মধ্য দিয়ে বিরোধীরা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন, শীতকালীন অধিবেশনে তাঁরা কোন কোন বিষয়কে বড় করে তুলে ধরতে চাইছেন। কাল সোমবার থেকে এই অধিবেশন শুরু হচ্ছে। চলবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।এই প্রশ্ন তোলার মধ্য দিয়ে বিরোধীরা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন, শীতকালীন অধিবেশনে তাঁরা কোন কোন বিষয়কে বড় করে তুলে ধরতে চাইছেন। কাল সোমবার থেকে এই অধিবেশন শুরু হচ্ছে। চলবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
মহারাষ্ট্র বিধানসভার ভোটের ফল বেরোনোর পর বিজেপির সঙ্গে শিবসেনার যে সম্পর্কহানি ঘটেছে, তা আরও গভীর হতে চলেছে। আজ রোববার এনডিএ শরিকদের যে বৈঠক ডাকা হয়, শিবসেনা তাতে গরহাজির থাকে। শুধু তা–ই নয়, সংসদে ইতিমধ্যেই তারা বিরোধী বেঞ্চে বসার আবেদন জানিয়ে সভাধ্যক্ষদের চিঠি পাঠিয়েছে। পরিস্থিতি যা, তাতে মনে হচ্ছে, আপাতত বেশ কিছুদিনের জন্য এই বিভেদ চূড়ান্ত হতে চলেছে।সংসদে কাশ্মীর নিয়ে সরকারকে কিছুটা ব্যতিব্যস্ত হতে হবে বলেই ধারণা। সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার মধ্য দিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ ক্ষমতা অধিকার খর্ব করার পর থেকে উপত্যকা আজ পর্যন্ত স্বাভাবিক হয়নি। সকাল-সন্ধ্যা কিছু সময়ের জন্য বাজার খোলা ছাড়া জনজীবন বিপর্যস্তই বলা যায়। ইন্টারনেট পরিষেবা এখনো চালু হয়নি। চালু হয়নি পোস্টপেইড মোবাইল পরিষেবাও। রাজনৈতিক দলের নেতারা এখনো গৃহবন্দী। কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি কাউকে গ্রহণ করতে দেওয়া হচ্ছে না। যদিও এভাবে সেখানে পঞ্চায়েতের ব্লক পর্যায়ের কর্তাদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে; এখন তোড়জোড় চলছে বিধানসভার ভোট গ্রহণের।
এই অবস্থায় আজকের সর্বদলীয় বৈঠকে গুলাম নবী আজাদ কাশ্মীর নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। বৈঠকে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিশেষ কোনো জবাবদিহি করেননি। তাঁদের একটাই কথা, যা করা হয়েছে, তা জাতীয় স্বার্থে।
এবারের অধিবেশনের আকর্ষণ নাগরিকত্ব আইন সংশোধন বিল। গত অধিবেশনে এই বিল লোকসভায় পাস হলেও রাজ্যসভায় আনা হয়নি। এই বিলে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যেসব অমুসলিম নাগরিক ভারতে আশ্রয় প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এই বিলের বিরোধিতা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস ও বামপন্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন দল এর বিরোধিতা করছে। গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চল এই বিলের বিরোধিতায় উত্তাল। উদ্বেগ দেখা দিয়েছে বাংলাদেশেও। কারণ, ভারত এই বিল পাস করলে বাংলাদেশে তার বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Sunday, 17 November 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৭ই নভেম্বর ২০১৯:আসামের জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) থেকে সেখানকার বাঙালি হিন্দু-মুসলমানের নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে কলকাতায় বিশাল সমাবেশ হয়েছে গতকাল । গতকাল  দুপুরে শহরের কেন্দ্রস্থল ধর্মতলার রাণী রাসমণি রোডে এই সমাবেশ হয়।‘আমরা বাঙালী’ সংগঠন এই সমাবেশের ডাক দেয়। এতে আসাম, ত্রিপুরা, ঝাড়খন্ড, আন্দামান, মণিপুর প্রভৃতি রাজ্যের ‘আমরা বাঙালী’ এর নেতৃবৃন্দ যোগ দেন।সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, পঞ্জি থেকে যে সব বাঙালির নাম বাদ গেছে তাদের নাম অবিলম্বে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নইলে তারা এনআরসি বাতিলের দাবিতে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে। গত ৩১ আগস্ট আসামে এনআরসির চূড়ান্ত তালিকায় বাদ দেওয়া হয়েছে ১৯ লক্ষাধিক বাঙালি হিন্দু-মুসলমানের নাম। এটা বাঙালিরা মানবে না।
সমাবেশে ‘আমরা বাঙালী’ এর পক্ষ থেকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করা হয়। কারণ হিসেবে সংগঠনটি বলছে, আসাম সরকারই এনআরসির নামে বাঙালিদের তাড়ানোর নীলনকশা তৈরি করেছে।সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, আসাম, উত্তর-পূর্বাঞ্চলসহ সারা ভারতের প্রতিটি বাঙালির ন্যায্য নাগরিক অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। হিন্দির আগ্রাসন রুখতে সরকারি-বেসরকারি সমস্ত কাজে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে। বাঙালিদের বঞ্চনা ও শোষণ থেকে মুক্ত করতে অবিলম্বে বাঙালি রেজিমেন্ট এবং ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলসহ সারা ভারতে বাঙালি অধ্যুষিত এলাকাগুলি নিয়ে ‘বাঙালিস্তান’ গড়তে হবে।
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই নভেম্বর ২০১৯: কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ঘণ্টা বাজিয়ে ঐতিহাসিক ডে-নাইট টেস্টের উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে ক্রিকেটের নন্দনকাননে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।  ২২ নভেম্বর ইডেনে শুরু হবে ভারতে প্রথম দিন-রাতের টেস্ট। যেটা বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলীর এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। টেস্টের প্রথম দিনের খেলার পরে রাতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চলেছে সিএবি।
সিএবি সচিব জানান ‘এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। সুতরাং এই টেস্ট ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখার আমরা সবরকম চেষ্টা করছি। প্রায় দু’ দশক পর ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট খেলতে নামছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য আমরা সবরকম ব্যবস্থা করবো।’
প্রথম দিনের খেলার পর দুদলের সাবেক অধিনায়কদের সংবর্ধনা দেয়ার পাশাপাশি বক্তব্য রাখবেন উপস্থিত রাজনৈতিক হেভিওয়েটরা। ক্রিকেটারদের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তার ভূমিকায় দেখা যেতে পারে শচিন টেন্ডুলকারকে। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন রাহুল দ্রাবিড়ও। ইডেনে ঐতিহাসিক টেস্টে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক হওয়া বাংলাদেশ ও ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের।ইডেনে টেস্টে উপস্থিত থাকার বিষয়ে দু’দেশের তিন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ইতিমধ্যেই সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন বলে সিএবি-র তরফে জানা গিয়েছে। ঐতিহাসিক এই টেস্টে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও। যদিও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তর আসেনি বলে জানিয়েছে সিএবি। দিবা-রাত্রির টেস্ট উপলক্ষ্যে ইতিমধ্যেই জোরকদমে প্রস্তুতি চলছে ইডেনে। গণ্যমান-অতিথিদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে ক্লাব হাউসের প্রেসিডেন্ট বক্সে।
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই নভেম্বর ২০১৯: যেই চীনের কমিউনিস্ট  পার্টিকে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি "ব্রাদারহুড " বলে মনে করে । আরও ভালো করে বললে , আলিমুদ্দিনের বর্ষীয়ান নেতারা তাদের নিজেদের ভাই বলে মনে করে তারা কি জানেন এই চীনের কমিউনিস্ট পার্টি কি ভাবে উইঘুর মুসলমানদের প্রতি অত্যাচার চালাচ্ছে ? প্রসঙ্গত চীনের জিনজিয়াং রাজ্যে উইঘুর মুসলিমদের ওপর পরিচালিত রাষ্ট্রীয় নির্যাতন ও নিপীড়নের প্রত্যক্ষ প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বার্তা সংস্থা ওয়াশিংটন পোস্ট।
এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি। এতে বলা হয় সম্প্রতি এক সরকারি নথি ফাঁসের পর দেখা যায়, চীনা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নির্দেশেই সেদেশে উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতন চলছে। শুধু নৃতাত্ত্বিক উইঘুর সম্প্রদায়ের মুসলমানরাই নয়; বরং একই অবস্থা অঞ্চলটির অন্য মুসলিমদেরও।এতে আরও বলা হয়, চীনে প্রায় দেড় কোটি উইঘুর মুসলমানের বাস। জিনজিয়াং প্রদেশের জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশই উইঘুর মুসলিম। এই প্রদেশটি তিব্বতের মতো স্বশাসিত একটি অঞ্চল। বিদেশি মিডিয়ার সেখানে প্রবেশের ব্যাপারে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু গত বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সূত্রে খবর আসছে, সেখানে বসবাসরত উইঘুরসহ ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ওপর ব্যাপক ধরপাকড় চালাচ্ছে বেইজিং। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ ও অ্যাক্টিভিস্টরা দীর্ঘদিন থেকেই বলে আসছেন, জিনজিয়াং-এর বিভিন্ন বন্দিশিবিরে অন্তত ১০ লাখ মুসলিমকে আটক করে রেখেছে চীন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলোও জাতিসংঘের কাছে এ ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়েছে। তবে চীন বরাবরই মুসলিমদের গণগ্রেফতারের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের হাতে আসা নথিটি ফাঁস হয়েছে চীনের একজন ঊর্ধ্বতন রাজনীতিকের কাছ থেকে। এতে দেখা গেছে, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কিভাবে ২০১৪ সালে অঞ্চলটি সফরকালে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অঞ্চলটির মুসলিমদের ব্যাপারে বেইজিং-এর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।এবার কথা উঠছে , পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির লোকেরা কেন এখনো চুপ করে আছে ? তারা এই নিয়ে কেন আন্দোলন করছেন না । না এই সময় তারা কার্ল ম্যাক্সের নিয়মাবলী ভুলে যান ?
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই নভেম্বর ২০১৯: ‘বৈদেশিক তহবিল বিধিমালা’ লঙ্ঘন করায় ভারতে কর্মরত অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কার্যালয়ে তল্লাশি চালালো, সিবিআই (সেন্ট্রাল ব্যুর অব ইনভেস্টিগেশন)।অন্তত বিজেপির এমনই দাবি ।ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা অধিদফতর জানায়, নভেম্বরের ৫ তারিখ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তারা একটি অভিযোগ পায়। এরই ভিত্তিতে, রাজধানী নয়াদিল্লি ও বেঙ্গালুরুর ৪টি কার্যালয়ে শুক্রবার রাতে চালানো হলো অনুসন্ধান।
অভিযোগে বলা হয়, ভারতীয় বিধিমালা লঙ্ঘন করে ব্রিটেন থেকে অবৈধভাবে অর্থ-সহায়তা নিচ্ছে সংস্থাটি।এদিকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সরব অবস্থানের কারণেই তাদের টার্গেট করা হয়েছে।সংস্থাটির দাবি, ভারত ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি তাদের পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে।
loading...