Wednesday, 4 December 2019

ওয়েব ডেস্ক ৪ঠা  ডিসেম্বর ২০১৯: বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের আমলে যেই দেশ ছেড়ে টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে তারাই বহাল তবিয়তে  বিদেশে বসবাস করছেন ।আর এই নিয়ে কোনো হেল দোল নেই সরকারের ।ব্যাপারটা এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে , কেন্দ্র যে সব পদক্ষেপ নিয়েছে তাদের ফিরিয়ে আনার সেগুলো বুমেরাং হয়েছে দেশবাসীর কাছে ।নীরব মোদী , মেহুল চোকসি তো এই তালিকাতে ছিলই এবার যোগ হলেন বিতর্কিত স্বঘোষিত 'গডম্যান' নিত্যানন্দ। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ছোট ছেলেমেয়েদের অপহরণ করে আশ্রমে আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। এই দাবি করেছে গুজরাত পুলিশ। নিত্যানন্দ দেশ থেকে পালিয়ে ত্রিনিদাদে আশ্রয় নিয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। এবার সামনে এলো আরও চাঞ্চল্যকর খবর। ইকুয়েডরে তিনি একটি গোটা দ্বীপ কিনে ফেলেছেন। শুধু তাই নয়, সেই দ্বীপের নাম রেখেছেন 'কৈলাশ'।জানা গেছে, সেই দ্বীপকেই নিত্যানন্দ নিজের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছেন। শুধু তাই নয়, সেই দ্বীপের পতাকা, পাসপোর্ট, এমব্লেম সবই নাকি তৈরি হয়ে গিয়েছে। সেখানে তিনি একজন প্রধানমন্ত্রীও নিয়োগ করবেন।
সেই নাকি যোগা, বিজ্ঞানচর্চা, বিনামূল্যে শিক্ষা, চাকরি, খাবার-সবই তিনি রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।স্বামী নিত্যানন্দের বিরুদ্ধে কর্নাটকে একটি ধর্ষণের মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁর আহমেদাবাদের আশ্রমে ছোট ছেলেমেয়েদের আটকে রেখে অত্যাচার করার অভিযোগ উঠেছে। ছোট ছেলেমেয়েদের জোর করে টাকা সংগ্রহের কাজে লাগানো হতো বলে অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। নিত্যানন্দের দুই শিষ্যা প্রাণপ্রিয়া ও প্রিয়াতভাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।আহমেদাবাদের পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) আরভি আসারি জানিয়েছেন, নিত্যানন্দ বিদেশে পালিয়েছেন বলে তাঁদের কাছে খবর আছে। তাঁকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা করা হবে। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এই বিষয়ে কোনও অফিসিয়াল রিপোর্ট নেই বলে দাবি। 
ওয়েব ডেস্ক ৪ঠা  ডিসেম্বর ২০১৯: অবশেষে মুক্তি পেলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বারান। ১০৬ দিন জেলে থাকার পর সর্বোচ্চ আদালত তার শর্ত সাপেক্ষ জামিন মঞ্জুর করলো । সর্বোচ্চ আদালতের শর্ত গুলো হলো, জামিন নিতে তাকে দুই লাখ টাকার  একটি বন্ডে সই করতে হবে। প্রকাশ্য কোনো প্রকার বিবৃতি দিতে পারবে না। আদালতের অনুমতি ব্যতীত দেশের বাহিরে যেতে পারবে না এবং পাসপোর্ট নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে জমা দিতে হবে।দীর্ঘ ১০৬ দিন কারাবাস করার পর তাকে জামিন দেওয়া হলো। এদিকে তার গ্রেফতারকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে উল্লেখ করেছেন  তিনি।
চিদাম্বরম (৭৩) ভারতের বিজেপি সরকারের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের একজন প্রবীণ নেতা। কংগ্রেস ক্ষমতা থাকা অবস্থায় ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত দুইবার ভারতের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।গত আগস্টে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, অর্থ পাচার এবং মালয়েশিয়ার একটি টেলিযোগাযোগ সংস্থাকে অবৈধভাবে অনুমোদনের অভিযোগ রয়েছে। তারপর দীর্ঘদিন সিবিআই হেফাজতে ছিলেন তিনি। শেষে দেশটির কুখ্যাত জেল তিহারেও তাকে রাখা হয়।কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় থাকাকালীন তার ছেলে কার্তি চিদাম্বরম এবং বেশ কয়েকজন সরকারী কর্মকর্তা এসব কেলেঙ্কারিগুলোতে ভূমিকা রয়েছে কিনা তা নিয়ে তদন্তও করছেন সিবিআই।
ওয়েব ডেস্ক ৪ঠা  ডিসেম্বর ২০১৯: অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেয়া বিষয়ক নতুন নাগরিকত্ব বিলে অনুমোদন হয়েছে  মন্ত্রিসভায় । বুধবার (৪ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের মন্ত্রিসভা বিলটিতে অনুমোদন দেয়। ভারতের একটি গনমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান থেকে আসা অ-মুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের লক্ষ্যে আনা নাগরিকত্ব (সংশোধনী) বিলে অনুমোদন দিয়েছে  নরেন্দ্র মোদি সরকারের মন্ত্রিসভা। ওই বিলটি আগামী সপ্তাহে পার্লামেন্টে গৃহীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী রাজনাথ সিং মঙ্গলবার বিজেপি এমপিদের উদ্দেশে বলেন যে, এই বিলটি অগ্রাধিকার পাবে, এই বিলটি ঠিক জম্মু ও কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা শেষ করার জন্যে ৩৭০ অনুচ্ছেদে বাতিলের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ওই নাগরিকত্ব (সংশোধনী) বিলের লক্ষ্য হল হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ ও পার্সী এই ৬টি সম্প্রদায়কে ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদান করা। এই বিলে নির্বাচিত বিভাগগুলিতে অবৈধ অভিবাসীদের ছাড় দেওয়ার জন্য বিদ্যমান আইনটি সংশোধন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যখন সংসদে এই বিল উপস্থাপন করবেন সেই সময় বিজেপির সমস্ত এমপিদের পার্লামেন্টে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বিরোধীরা এই বিলটিকে মুসলমানদের বাদ দেওয়া নিয়ে দেশের ধর্মনিরপেক্ষ নীতির বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ হিসাবে সমালোচনা করেছে। রাজনাথ সিং গতকাল বলেন যে ধর্মীয়-নিপীড়ন থেকে বাঁচতে এ দেশে আশ্রয় নেওয়া অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দেওয়ার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। এ বিল আগেও একবার পার্লামেন্টে পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু আসামসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে তখন সেটি পাস করানো যায়নি। ওই পার্লামেন্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে ফের পার্লামেন্টে উঠতে যাচ্ছে বিলটি।
ওয়েব ডেস্ক ৪ঠা  ডিসেম্বর ২০১৯: এক দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন  এনআরসিকে বিজেপি চাল বলে মনে করছেন তখন এনআরসি হবেই বলে সপ্তমে সুর চড়াচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ।বিজেপি বদ্ধপরিকর যাই হোক না কেন নাগরিক পঞ্জী গোটা দেশে হবেই আর বাংলাও তার বাইরে নয় । কিন্তু অন্য দিকে মমতাও জনগণকে আশ্বাস দিয়েছে নাগরিক পঞ্জী কিছুতেই বাংলায় হতে দেবেন না । এরই মাঝে অনুপ্রবেশকারীদের দেশছাড়া করার হুশিয়ারি দিয়ে রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের
আগে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বাস্তবায়ন করে সব অনুপ্রবেশকারীকে ভারত থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে অমিত শাহ এ হুমকি দেন। সূত্রের খবর অনুসারে , এর আগে বহুবার অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিলেও প্রথমবারের মতো সময়সীমা উল্লেখ করেছেন অমিত। বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই সারা দেশে এনআরসি তৈরি করে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করা হবে।তিনি বলেন, ভোটের আগেই সব অনুপ্রবেশকারী বিদেশিকে তাড়ানো হবে দেশ থেকে। বিদেশি তকমা দিয়ে বিতাড়নের এ উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করায় প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন অমিত শাহ। রাহুলকে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, বৈধ নাগরিকত্বের তালিকা থেকে বাদ পড়াদের নিয়ে রাহুল গান্ধীর এত উদ্বেগ কেন? অনুপ্রবেশকারীরা কি আপনার খুড়তুতো ভাই? বিদেশি আখ্যা দিয়ে ভারত থেকে মানুষকে তাড়ানোর প্রশ্নে কিছু মানবিক প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল। এ জন্য তাকে বিদ্রূপ করে চক্রধরপুর ও বহরাগোড়ার নির্বাচনী সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাহুল বাবা বলেন, তাদের তাড়াবেন না। তারা কোথায় যাবে? কী খাবে? কিন্তু কেন তাড়াব না? তারা কি আপনার খুড়তুতো ভাই? একই সঙ্গে অমিতের হুংকার, ‘আপনারা নিশ্চিত থাকুন- ২০২৪ সালের ভোটের আগে সব অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে তাড়িয়ে দেয়া হবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত , তৃতীয় বারের জন্য দিল্লির মসনদে বসার জন্যই আগে থেকে প্ল্যান ঠিক করে রাখছে । 
ওয়েব ডেস্ক ৪ঠা  ডিসেম্বর ২০১৯: নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি নিয়ে  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “এটা আসলে বিজেপির একটি রাজনৈতিক চাল।”তিনি বলেন  , “দেশে বাসকারী সমস্ত ব্যক্তিই বৈধ নাগরিক, জাত ও ধর্মের ভিত্তিতে কখনোই নাগরিক তালিকা তৈরি হতে পারে না।”
প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডের এক জনসভায় বিজেপি প্রধান অমিত শাহ বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে গোটা দেশের  নাগরিকপঞ্জিকরণ হবে, আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগেই দেশ থেকে প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে বহিষ্কার করা হবে।মমতা বলেন, “আমরা এ রাজ্যে কখনোই নাগরিকপঞ্জিকরণের (এনআরসি) অনুমতি দেবো না। আপনি কখনোই বর্ণ ও ধর্মের ভিত্তিতে এনআরসি প্রয়োগ করতে পারেন না। এনআরসি আসলে বিজেপির রাজনৈতিক চাল। এটি কখনোই বাস্তবায়িত হওয়া সম্ভব নয়।”ওরা (বিজেপি) রাজনৈতিক ভাষণ দিতে ব্যস্ত, তবে আমাদের কিছুতেই ওদের ফাঁদে পড়লে চলবে না। এদেশে বসবাসকারী সমস্ত মানুষই বৈধ নাগরিক এবং কেউ তাদের এ নাগরিকত্ব কেড়ে নিতে পারে না, যোগ করেন তিনি।বিজেপির কট্টোর সমালোচনাকারী মমতা ভাষ্য, এনআরসির প্রতি তার বিরোধিতা কেবল রাজনীতির জন্যে নয়, মানবিক কারণেও তিনি এর বিরোধিতা করছেন।
ওয়েব ডেস্ক ৪ঠা  ডিসেম্বর ২০১৯: মশা কি তৃণমূল কংগ্রেস আমদানি করে নিয়ে এসেছে? ডেঙ্গু নিয়ে সমালোচনার বিরুদ্ধে এ কথা বলেছেন   মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিধানসভায় ডেঙ্গু নিয়ে বিরোধীদলের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে  এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেছেন,  ‘‘প্রায় ৪৫ হাজার আক্রান্তের মধ্যে এ পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা ২৭। চুয়াল্লিশ হাজার কেসে ২৭ জন যদি মারা যায়, বাকি রোগীদের তো সরকার বাঁচিয়েছে। আমরা সিরিয়াস বলেই এত লোককে বাঁচাতে পেরেছি। আমদানি করতে পারলে প্রথমেই বলতাম, আপনাদের কামড়াতে। বলি কামড়াতে? বুঝবেন, জনগণকে কামড়ালে কী হয়!’’

মমতা ডেঙ্গু নিয়ে বিরোধীদলের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, ‘‘কখনও কখনও কোনও একটা রোগ কোনও কোনও রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।” এসময় সোয়াইন ফ্লু-তে আক্রান্ত রাজস্থান, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, আসামে মৃতের সংখ্যা যে অনেক বেশি, সে তথ্যও দেন তিনি। বাম আমলে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা কী ভাবে ক্রমবর্ধমান ছিল, সেই তথ্যও দেন। বিরোধীদের উদ্দেশে মমতার কটাক্ষ, ‘‘লেজ গুটিয়ে যখন পালিয়ে গিয়েছেন, তখন বুঝতে হবে, যা বলছেন, তা সত্য নয়, তথ্যও নয়। শুধু অসত্য, কুৎসা, চক্রান্ত, অপপ্রচার!’’

মঙ্গলবার বিধানসভায় ডেঙ্গুতে মৃত্যুর বিষয়ে রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে বিরোধীদল। এরই প্রতিবাদে বিরোধীদলের বেশ কয়েকজন নেতাও বিধানসভা থেকে বের হয়ে যান। এরপর ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এসময় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য দফতর ব্যর্থতার দায় অস্বীকার করতে পারে না বলে মন্তব্য করেন শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্য।প্রসঙ্গত, রাজ্যটিতে প্রায় ৪৫ হাজার ব্যক্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্যে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৭ জন।

Tuesday, 3 December 2019

ওয়েব ডেস্ক ৩রা  ডিসেম্বর ২০১৯: দীর্ঘ কালীন ধরে একটাই কথা সবাই জেনে আসছে , এয়ার ইন্ডিয়া দীর্ঘ দিন ধরে ব্যাপক লোকসানে চলছে । এমনই অবস্থা যে অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সীতারামান আগাম জানিয়ে রেখেছেন আগামী বছর মার্চ মাসেই এয়ার ইন্ডিয়াকে বেসরকারিকরণ করে দেওয়া হবে ।  কিন্তু তথ্য বলছে , কেন্দ্রের থেকে বকেয়া যদি এয়ার ইন্ডিয়া এতদিনে পেয়ে যেত তাহলে এই জীর্ন অবস্থার থেকে উঠে দাঁড়াতে পারতো ।
কারণ শুধু ২০১৯ সালেই ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে কেন্দ্রের বকেয়া ছিল ৭৯৭.৯৫ কোটি টাকা। এই বকেয়া টাকার পুরোটাই রাষ্ট্রপতি, উপ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিদেশি প্রতিনিধিরা এবং ভিভিআইপি–দের যাতায়াতে খরচ হয়েছে। যা এই তিন মাসে আরও বেড়েছে।প্রসঙ্গত অবসরপ্রাপ্ত কমোডোর লোকেশ বাত্রার তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে একটি প্রশ্ন করেছিল যার উত্তরে এয়ার ইন্ডিয়া তাকে বিস্তারিত জানাতে বাধ্য হয় । দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াত খরচ হয়েছিল ১৩২১.৪১ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৮৬২.৪৫ কোটি টাকা মিটিয়েছিল কেন্দ্র। এখনও বকেয়া ৪৫৮।‌৯৫৯ কোটি টাকা। রাষ্ট্রপতির সফরের খরচ বহন করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সেখানে ৫৩৯।‌৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ২৯৫.।‌৪০ কোটি টাকা মেটানো হয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়াকে। এখনও বাকি ২৪৩।‌৯৫০ কোটি টাকা।উপরাষ্ট্রপতি আবার মেটানোর দিক থেকে একনম্বর না হলেও সামান্য কিছু বকেয়া আছে তার । ৭৭৯.৪০ কোটি টাকা খরচের মধ্যে ৭০৬.৬৯ কোটি টাকা মেটানো হয়েছে।প্রায় অনেকটাই মিটিয়ে ফেলেছে । 
ওয়েব ডেস্ক ৩রা  ডিসেম্বর ২০১৯:৫ নিউ ইয়র্কে ভারতের শীর্ষ ডিপ্লোম্যাট সন্দীপ চক্রবর্তী ফরেন সার্ভিসের একজন পোড়খাওয়া কর্মকর্তা, আমেরিকার আগে তিনি পেরুতে ভারতের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশেও উপরাষ্ট্রদূত পদে ছিলেন।দিনদুয়েক আগে নিউ ইয়র্কে তিনি কাশ্মীরি পন্ডিতদের একটি ঘরোয়া বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দিচ্ছিলেন, যেখানে অন্যান্যদের সঙ্গে বলিউড অভিনেতা অনুপম খের ও পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীও উপস্থিত ছিলেন।
পরে বিবেক অগ্নিহোত্রী নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সেই ভাষণের প্রায় ঘন্টাখানেকের ভিডিও পোস্ট করামাত্র তা নিয়ে তুমুল হইচই শুরু হয়ে যায়।কাশ্মীর থেকে বিতাড়িত হিন্দু পন্ডিতদের ভ্যালিতে ফেরানোর প্রসঙ্গে সেখানে সন্দীপ  চক্রবর্তীকে বলতে শোনা যায়, আমি জানি না এখানে আমরা কেন ইসরায়েলি মডেল অনুসরণ করছি না, মধ্যপ্রাচ্যে তো এই মডেল সফল হয়েছে।প্রাণভয়ে যে পণ্ডিতরা ভ্যালিতে ফিরছেন না, তাদের জন্য ‌ইহুদি সেটলমেন্টের ধাঁচে সেখানে নিরাপদ বসতি গড়ে তুলতে হবে।ইসরায়েলিরা যদি পারে, আমরাও পারব - নিজেদের প্রতিশ্রুত ভূখণ্ডের বাইরে দুহাজার বছর থাকার পরও তারা নিজেদের সংস্কৃতি ধরে রেখেছে।আমাদেরও মনে রাখতে হবে কাশ্মীরি সংস্কৃতি হল ভারতের সংস্কৃতি, হিন্দু সংস্কৃতি।তিনি আরো বলেছেন, হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠদের শক্তিকে ভারত কাশ্মীরে কখনও ব্যবহারই করেনি।

সন্দীপ চক্রবর্তী বলেন, ভারত এতদিন যেভাবে সব ধর্মকে মর্যাদা দিয়ে এসেছে সেটাও এখন বন্ধ করার সময় এসেছে।এই খবর সামনে আসার কিছুক্ষণ পরেই এই সংক্রান্ত একটি খবরের লিঙ্ক দিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ওই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেন।তিনি টুইট করেন, এই বক্তব্যে আরএসএস আদর্শে পুষ্ট ভারত সরকারের ফ্যাসিবাদী মানসিকতারই প্রতিফলন ঘটেছে-যারা কাশ্মীরকে আজ একশো দিনেরও বেশি হল অবরুদ্ধ করে রেখেছে।চক্রবর্তী নিজে বুধবার রাতে টুইট করেন, আমার সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে কিছু মন্তব্য চোখে পড়েছে, কিন্তু আমার মন্তব্যকে এখানে ভিন্ন প্রসঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে।

ভারতে শাসক বিজেপির শরিক জনতা দল ইউনাইটেডের নেতা, প্রাক্তন এমপি ও কূটনীতিবিদ পবন ভার্মা মনে করছেন, চক্রবর্তীর কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য আদৌ কাঙ্ক্ষিত নয়।ভার্মার যুক্তি, ইসরায়েলের পটভূমিতে কাশ্মীর ও গাজার তুলনাটাই আসলে ভুল বলে আমি মনে করি কারণ কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, কাশ্মীরের সব লোক ভারতেরই নাগরিক।কাশ্মীরি পন্ডিতদের অবশ্যই ভ্যালিতে ফেরার অধিকার আছে, কিন্তু এটা তো ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ফলে কাশ্মীরের প্রসঙ্গে ইসরায়েলের সঙ্গে তুলনা টানায় সংযম দেখানোটাই বাঞ্ছনীয়।জাতিসংঘ তথা আন্তর্জাতিক বিশ্ব ফিলিস্তিনকে অধিকৃত এলাকা হিসেবে মেনে নিলেও কাশ্মীর কিন্তু তাদের চোখে এখনও বিতর্কিত ভূখন্ড, তার বেশি কিছু নয়।কিন্তু কাশ্মীরেও ইসরায়েল মডেল প্রয়োগের কথা উঠলে অবধারিতভাবে প্রশ্ন উঠবে, ভারতও কি ওই এলাকাটি জোর করে দখল করে রেখেছে?

বর্তমান বিজেপি সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে ইসরায়েলের কূটনৈতিক ঘনিষ্ঠতা অনেক বেড়েছে 
ওয়েব ডেস্ক ৩রা  ডিসেম্বর ২০১৯:৫ অগাস্ট ‘১৯ থেকে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা করার দরুন  কাশ্মীরে ৩৮ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো অন্তত ৮৫৩ জন। এরা বেশির ভাগই নিরাপত্তা কর্মীদের ওপর আক্রমণ করতে গিয়েছিলেন । ভারতীয় নিরাপত্তা রক্ষীদের পাল্টা মারে ৩৮ মারা গেছেন আর ৮৫৩ ঘায়েল হয়েছেন ।
এছাড়া শান্তি রক্ষার স্বার্থে অন্তত ১১ হাজার ৪০০ জন হুরিয়াত নেতা, এক্টিভিস্ট, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, সিভিল সোয়াইটি মেম্বারকে এখনো জেলে কিংবা গৃহে বন্দি করে রাখা হয়েছে।
সূত্রের খবর অনুসারে , উপত্যকাটিতে বন্ধ হয়ে আছে ইন্টারনেট সেবা, প্রপেইড মোবাইল ও টেক্সট আদান প্রদান সেবা। সেইসঙ্গে  নিরাপত্তা বাহিনী বিভিন্ন অঞ্চলে অব্যাহত রেখেছে তল্লাশি অভিযান।
গত ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ও বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয় বিজেপির নেতৃত্বাধীন দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। এই পদক্ষেপ ঘিরে কাশ্মীর জুড়ে মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত সেনা। আটক করা হয়েছে সেখানকার রাজনীতিককে।  কাশ্মীরে ভারতের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে পালটা ব্যবস্থা হিসেবে ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে বহিষ্কারের পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কও স্থগিত করেছে পাকিস্তান।কিন্তু তাতে যে খুব একটা সুরাহা হয়নি পাকিস্তান ভালোই বুঝতে পারছে ।

 

ওয়েব ডেস্ক ৩রা  ডিসেম্বর ২০১৯: স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ সরতেই প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বাড়ির নিরাপত্তা ঢিলে  হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আচমকা তার বাড়িতে গাড়ি নিয়ে ঢুকে পড়ে এক যুবতী ও চার যুবক!সূত্রের খবর অনুসারে  কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী তার স্বামী ও সন্তানদের সঙ্গে মধ্য দিল্লির লোদি এস্টেটে বসবাস করেন। এতদিন সব ঠিকই ছিল। কিন্তু এসপিজির বদলে জেড প্লাস নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হতেই বদলে যায় ছবি।
২৫ নভেম্বর বিকেলে আচমকা প্রিয়াঙ্কার লোদি এস্টেটের বাড়িতে গাড়ি চালিয়ে ঢুকে পড়ে এক যুবতী ও চার যুবক। তারপর গাড়ি থেকে নেমে সোজা পৌঁছে যায় বাড়ির বাগানে থাকা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর কাছে। সেখানে গিয়ে কংগ্রেস নেত্রীর সঙ্গে একটি ছবি তোলার আবদার জানান তারা।বলেন, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে ছবি তোলার জন্যই উত্তর প্রদেশের একটি শহর থেকে গাড়ি চালিয়ে এসেছেন।
তাদের কথা শুনে অবাক হয়ে যান প্রিয়াঙ্কা। কারণ, তার সঙ্গে দেখা করার জন্য আগে থেকে যোগাযোগ করেননি তারা। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআরপিএফ সেনাদের কাছেও এ বিষয়ে কোনও খবর ছিল না।
loading...