Monday, 22 July 2019

ওয়েব ডেস্ক ২২ ই জুলাই ২০১৯: যত সময় যাচ্ছিলো , ততই মানুষের মনে প্রশ্ন জাগছিল "আচ্ছে দিন "প্রকৃতপক্ষে কাদের এসেছে ? সাধারণ মানুষের ? না অন্য কারুর ? তাদের এই প্রশ্ন জাগাটা অমুলূক কিছু নয় । কারণ সরকারে প্রথমবার যখন বিজেপি এসেছিল তখন বছরে দুকোটি বেকারকে চাকরি দেওয়ার ব্যাপারটা জুমলা ছাড়া কিছুই ছিল না ।প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক খাতে পনেরো লক্ষ্য টাকা জমা পর্বে , সেটাও জুমলাই ছিল । কিন্তু আচ্ছে দিন অবশ্যই এসেছে , নীরব মোদী , বিজয় মালিয়া , মেহুল চোকসিদের মতো ব্যবসায়ীদের । যারা সবাই রিন্ খেলাপি । তবে এবার দেখা যাচ্ছে, ঋণের পাশাপাশি ‘জিএসটি খেলাপি’দের সংখ্যাও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে দেশে।২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩৭,৯৪৬ কোটি টাকা এবং চলতি অর্থবর্ষের প্রথম তিন মাসে (এপ্রিল-জুন) ৬,৫২০ কোটি টাকার জিএসটি ফাঁকির হদিশ পেয়েছেন কর আধিকারিকরা। সম্প্রতি সংসদে এই তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। শুধু কর ফাঁকি দেওয়াই নয়, জাল ইনভয়েস তৈরি করে গত অর্থবছরে ১১,২৫১ কোটি টাকা এবং এ বছর এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে ২,৮০৫ কোটি টাকা কর ফেরতও নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

গত বছরে জিএসটি আদায়ের বাজেট লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ না হওয়ার আশঙ্কায় ফেব্রুয়ারি মাসে সংশোধিত বাজেট অনুমানে ওই আদায়ের পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি টাকা কমিয়ে আনে অর্থমন্ত্রক। কিন্তু, সেই সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রাও বাস্তবে পূরণ হয়নি। ফলে, এ বছর রাজকোষ ঘাটতি বাজেট লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে বেঁধে রাখতে মরিয়া নির্মলা সীতারামন এখন ফাঁপড়ে পড়ে জিএসটি আদায় বাড়ানোয় জোর দিচ্ছেন।

কর আদায় বাড়াতে তাঁর প্রথম লক্ষ্যই হবে করফাঁকি বন্ধ করা। তাই, ব্যবসায়ীদের বিক্রি, জিএসটি রিটার্ন প্রভৃতি ঘেঁটে জোর কদমে তথ্য-তল্লাশি শুরু করেছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। জিএসটি শুরুর প্রথম বছরে জাল ইনভয়েস দেখিয়ে মোট ১২।৬৭ কোটি টাকার কর ফেরত নেওয়ার মাত্র পাঁচটি ঘটনার সন্ধান পাওয়া যায়। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অপরাধে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রথম বছরে মাত্র ১২।৬৭ কোটি টাকার তছরূপ ধরা পড়লেও, দ্বিতীয় বছরে জাল ইনভয়েস (কেনার বিল) দেখিয়ে করফাঁকি দেওয়ার ১,৬২০টি ঘটনার হদিশ মিলেছে, যেখানে মোট ১১,২৫১।২৩ কোটি টাকার করফাঁকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ১৫৪ জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তবে এর পরেও করফাঁকির ঘটনায় ইতি পড়েনি।

চলতি অর্থবর্ষের প্রথম তিন মাসেই জাল বিল তৈরি করে কর ফেরত নেওয়ার ৬৬৬টি ঘটনা সামনে এসেছে। মোট করফাঁকির পরিমাণ ২,৮০৪।৯৮ কোটি টাকা! গ্রেফতার করা হয়েছে ৪১ জন ব্যক্তিকে। জিএসটি শুরু হওয়ার পর ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের জুলাই থেকে মার্চ মাসের মধ্যে ৪২৪টি করফাঁকির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে এবং এর সঙ্গে জড়িত অর্থের পরিমাণ ১,২১৬ কোটি টাকা । এবার নির্মলা সীতারামনের নেতৃত্বে কি ভাবে জি এস টি কর আদায় করে কেন্দ্র সরকার এখন সেটাই দেখার ।
ওয়েব ডেস্ক ২২ ই জুলাই ২০১৯: উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রে  যে ভাবে মানুষকে  নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছিল  প্রায় এক সপ্তাহের পর গা হিম করা সেই ভিডিও প্রকাশ পেল  । যোগী আদিত্যনাথ মুখ্যমন্ত্রীত্বের পদে  বসার পরেও সেখানকার ক্ষমতাসীন মানুষেরা চাষিদের ওপর  এতটা নির্মম হতে পারে তা কল্পনাও করা যায়না । কোনো রকমে যেই ভিডিওটি তুলতে পেরেছেন কেউ , সেটাই আজ নেট দুনিয়াতে ভাইরাল হয়ে গেছে ।প্রথম ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, গ্রাম প্রধান নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে কৃষকদের ওপর।
৩৬ একর জমি তাঁর হাতে তুলে দিতে অস্বীকার করার পর এই গুলি চালাতে শুরু করে গ্রাম প্রধান। আধ ঘন্টা পরে সেখানে পুলিশ আসে। যা অনেক প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। গ্রামবাসীরাই এই ভিডিও তুলে রাখে। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেখানে এটাও দেখা যাচ্ছে, গুলি চালানোর আগে কৃষকদের লাথি মারা হচ্ছে। লাথি মেরে তাদের মাঠে ফেলে দেওয়া হয়। তারপর শুরু হয় গুলিবর্ষণ।দ্বিতীয় ভিডিওতে দেখা যায়, মাঠের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছে একাধিক ট্র‌্যাক্টর। সেই ট্র‌্যাক্টরগুলিই কৃষকদের ঘিরে ফেলে। শুরু হয় আক্রমণ। যার ফলে সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচার কোনও সুযোগ পায়নি কৃষকরা। কারণ একদিকে ট্র‌্যাক্টর, অন্যদিকে গ্রাম প্রধান যজ্ঞ দত্ত-সহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
এর মাঝেই কৃষকদের ওপর তাঁরা লাঠি চালাতে শুরু করে। কৃষকরা যখন মার থেকে বাঁচতে দৌড়াচ্ছে, তখন শুরু হয় গুলি চালানো। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখে এক মহিলা পুলিশকে ফোন করার পরামর্শ দেয়। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। প্রকাশ্য দিবালোকে নির্মমভাবে খুন করা হল ১০ জন নিরীহ কৃষককে।মধ্যযুগেও এরকম হয়েছে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা । ।অবিলম্বে বিভিন্ন জায়গা থেকে দোষীদের শাস্তির দাবি করা হয়েছে ।
ওয়েব ডেস্ক ২২ ই জুলাই ২০১৯:যোগী আদিত্যনাথ উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হলেও রাজ্যের যে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি সেটা ভালোই বুঝতে পারা যাচ্ছে । উত্তরপ্রদেশ যেই তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই আছে । তাদের কু প্রথা এতটুকুও কমেনি । শুনলেও অবাক লাগে , উত্তর প্রদেশের একটি গ্রাম রয়েছে যেখানে পয়সা থাকলেই দুটো বিয়ে করা যায়। এরকমই নাকি নিয়ম ।
প্রসঙ্গত উত্তরপ্রদেশের একটি জেলার নাম লখিমপুর খেরি। আর এই জেলার অন্তর্গত গ্রামের নাম ফতেপুর। সেখানে গেলেই দেখা যাবে প্রত্যেক পুরুষের দুটো থেকে তিনটে স্ত্রী রয়েছে। এই গ্রামের জনসংখ্যা ৩ হাজার। এখানে হাতে গোনা দু’‌চারজনকে বাদ দিলে প্রত্যেক পুরুষই সরকারি চাকরি করেন। তাই একটার বেশি বিয়ে করেন তাঁরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই সরকারি চাকরি করা পুরুষদের দুটো করে বাড়ি আছে। একটি এই গ্রামে। অপরটি কর্মক্ষেত্রের কাছে। দু’‌জায়গাতেই একজন করে স্ত্রী রয়েছে। এমনকী এটা সবার জানা। দুই স্ত্রীও জানে এই ঘটনা। অদ্ভূত বিষয় হল এটা তাঁরা মেনেও নিয়েছেন।আরও জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় বিয়েটি করার কারণ সম্মানরক্ষার্থে। পারিবারিক ঐতিহ্য বজায় রাখতেই এই দ্বিতীয় বিয়ে করা হয় এখানে। গ্রামে সম্মান বাড়াতেই এই দ্বিতীয় বিয়ে বলে খবর। যোগী আদিত্যনাথ এসবের খবর রাখেন তো ?
ওয়েব ডেস্ক ২২ ই জুলাই ২০১৯: আবার শিরোনামে সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর ।আর এবারও সে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য । যেন বিতর্কিত মন্তব্য করাটা তিনি অভ্যেসে পরিণত করেছেন । প্রসঙ্গত  নর্দমা পরিষ্কার করানোর জন্য বা শৌচাগার সাফ করানোর জন্য তাঁকে সাংসদ নির্বাচিত করা হয়নি।
এই ধরনের আলটপকা মন্তব্য করে নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি ।একটি ভিডিও তিনি পোস্ট করেছেন সেখানে দেখা যাচ্ছে তিনি বলছেন “আমি নর্দমা সাফ করার জন্য নির্বাচিত হইনি। আপনাদের শৌচাগার পরিষ্কার করার জন্য মোটেই সাংসদ নির্বাচিত হইনি। যে কাজের জন্য আমাকে নির্বাচিত করা হয়েছে, তা সততার সঙ্গে করব।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযানের’ সাফল্য নিয়ে যতই প্রচার করুক না কেন কেন্দ্র, এ দিন প্রকারান্তরে তার উলটো পথেই হাঁটলেন প্রজ্ঞা। তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার আলটপকা মন্তব্য করেছেন । প্রজ্ঞা বাহ্ কি কথা । 
ওয়েব ডেস্ক ২২ই জুলাই ২০১৯: কেন্দ্রে যখন বিজেপি সরকার রয়েছে , তখন কর্নাটকে নাটক অব্যাহত থাকবেনা ভাবাই যায়না , অন্তত বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদদের এরকমই অভিমত ।আর যেদিকে সব কিছু এগোচ্ছে , বিজেপি কর্নাটকে আধিপত্য বিস্তার করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে ।আর সেই সুবাদেই আস্থা ভোট নিয়ে টানটান নাটক কর্ণাটকে। কুমারস্বামীর আর্জি নাকচ করে আজই আস্থা ভোট করার সিদ্ধান্ত নিলেন কর্ণাটক বিধানসভার অধ্যক্ষ। এর আগে বুধবার আস্থা ভোট করার আর্জি জানান কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। অধ্যক্ষ রমেশ কুমারের কাছে এদিন এ আর্জি রাখেন তিনি। উল্লেখ্য, আজ বিকেল ৫টার মধ্যে আস্থা ভোট করার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন দুই নির্দল বিধায়ক। এ নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির দাবি জানান তাঁরা। কিন্তু সেই দাবি খারিজ হয়ে যায় শীর্ষ আদালতে। আগামিকাল এ ব্যাপারে দেখা যেতে পারে বলে জানিয়েছে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর বেঞ্চ।
এর আগে আস্থা ভোট করার জন্য বেশ কয়েকবার ডেডলাইন বেঁধে দেন খোদ রাজ্যপাল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আস্থা ভোট ঘিরে জট কাটেনি। এদিকে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ নিয়ে আসরে নেমেছে কংগ্রেস-জেডিএস সরকার। এদিকে, সরকার টিকিয়ে রাখতে মরিয়া এইচ ডি কুমারস্বামী। সমস্যা সমাধানে আলোচনার আশ্বাস দিয়ে বিধায়কদের খোলা চিঠি লিখেছেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের ফেরার আর্জি জানিয়ে কুমারস্বামী বলেছেন, আপনারা বিধানসভায় এসে বলুন, কীভাবে বিজেপি ষড়যন্ত্র করে গণতন্ত্র ধ্বংস করতে চাইছে। একইসঙ্গে বিধায়কদের লেখা চিঠিতে কুমারস্বামী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি চেয়ার আঁকড়ে থাকতে চান না।  নেটিজেনদের একাংশের অভিমত কুমারস্বামী একটু বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন । রাজনীতিতে এতটা আবেগ প্রবন হলে চলেনা ।
ওয়েব ডেস্ক ২২ ই জুলাই ২০১৯: ঝাড়খণ্ডে গণপিটুনির ঘটনা অব্যাহত । ২১ জুন জয় শ্রীরাম না বলায় তাবরেজ আনসারী নামে এক যুবককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ ওঠে ।
মাস পেরোতে না পেরোতেই গুমলা জেলার নগর সিসকারি গ্রামে ডাইনি অপবাদে চার বৃদ্ধ বৃদ্ধাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠলো ।শনিবার রাতে এই  ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ । নিহতদের নাম শুনা ওঁরাও, পাগনি দেবী , চাপা ভগত এবং পিঁড়ি দেবী ।

তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার :আনন্দ বাজার পত্রিকা 

Sunday, 21 July 2019

ওয়েব ডেস্ক ২১ই জুলাই ২০১৯:অভিযোগটা  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন,  তাই অনেকের কাছেই এটা বিশ্বাস যোগ্য । আর কেনই বা হবেননা , যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেনেন তারা জানেন তিনি কখনোই ভিত্তিহীন অভিযোগ করেননা । আজ ২১শের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন বিজেপিতে জোর করে যোগদান করানোর জন্যই তারকাদের তলব করা হচ্ছে।এদিন মমতা বলেন, ‘‘শতাব্দী আমাকে বলছিল, জানো দিদি, আমাকে আবার ইডি ডেকেছে…শতাব্দীকে একা নয়, প্রসেনজিৎ-, ঋতুপর্ণাকেও ডেকেছে ইডি। আরও অনেককেই ডাকবে। ডেকেই বলছে, বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ কর। বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে গ্রেফতার করা হবে না। না যোগাযোগ করলে তাপস পাল হতে হবে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় হতে হবে…আমার কাছে প্রমাণ রয়েছে’’।

উল্লেখ্য, রোজভ্যালি মামলায় ইতিমধ্যেই প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণাকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। অন্যদিকে, সারদাকাণ্ডে অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়কেও তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রোজভ্যালি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা তাপস পাল। চিটফান্ড মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।তবে পূর্বেও দেখা গেছে বিজেপি নিজেদের শক্তি বারবার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই  মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছে , যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক । কোনো ভদ্র সমাজে এসব হয়না ।
ওয়েব ডেস্ক ২১ই জুলাই ২০১৯:বিজেপির গুন্ডামি তৃণমূল যে মুখ বুজে সহ্য করবেনা সেই বার্তায় দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ভাবে । এমন অনেক জায়গাই আছে যেখানে থেকে তৃণমূলের কর্মীরা ২১শে জুলাই সমাবেশে বিজেপির গুন্ডামির জন্য আসতে পারেনি । প্রসঙ্গত রবিবার সকালে বাঁকুড়া থেকে আসা তৃণমূলকর্মীদের হুগলির গুড়াপের কাছে দু’‌নম্বর জাতীয় সড়কের উপর মারধর করে বিজেপিকর্মীরা। প্রথমে বাস এবং গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ে তারা। এর জেরে গাড়িগুলি দাঁড়িয়ে পড়লে সেখান থেকে টেনে নামিয়ে তৃণমূলকর্মীদের মারধর এবং গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। প্রতিবাদে পথ অবরোধ করেন তৃণমূলকর্মীরা।
 পুলিসকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। শনিবার বাঁকুড়ার সোনামুখীর বাগচীবাঁধেও একইভাবে তৃণমূলকর্মীদের সঙ্গে প্রথমে বচসা এবং তারপর ছয়টি বাস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির দিকে।আর এই জন্যই সেই  সব জায়গায় সোমবার পাল্টা মিছিল করবে তৃণমূল। প্রত্যাশা মতোই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।শনিবার বাঁকুড়ার ওন্দায় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জন্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করেছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। জবাবে দিলীপ হুমকি দেন, ‘‌এফআইআর যখন করেছে তখন গন্ডগোল করবই। রেল, বাস সব বন্ধ করে দেব।’‌ দিলীপের সেই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রবিবার মমতার সতর্কবার্তা, ‘‌বিজেপির নেতারা আমাদের কর্মীকে বাস থেকে টেনে নামিয়ে মারধর করেছে। তৈরি থাকুন, আগামী দিন মিটিং, মিছিল করবেন তো, এর পাল্টা যদি আমাদের লোকেরা দেয়, মানুষ দেয় রুখতে পারবেন তো?‌’‌
কোনো মোটেই বিজেপিকে মমতা এক চুলও জমি ছড়াবেননা সেটা আবার প্রমাণিত ।
ওয়েব ডেস্ক ২১ই জুলাই ২০১৯:কস্মিনকালেও বিজেপি হয়তো ভাবতে পারেনি কাটমানি নিয়ে মমতার বিরুদ্ধে তোপ দাগতে দাগতে সেই তোপ বিজেপির দিকেই উল্টো ঘুরিয়ে দেবেন মমতা । যে কোন বিজেপি কর্মী বা সমর্থককে হতবম্ব করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট । বলা যেতেই পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন দুঁদে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব । প্রসঙ্গত কাটমানির ব্যাপারে বিজেপি তীব্র আক্রমণ করে আসছিলো তৃণমূলকে । এবার ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন ‘‌সরকারি প্রকল্প যাতে প্রত্যেকের কাছে পৌঁছয়, তার জন্য মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই তার উপর নজরদারির কথা বলা হয়েছিল।
কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থপূরণ করতে বিজেপি কাটমানি ফেরতের দাবি তুলেছে।’ এবার ব্ল্যাকমানি ফেরতের দাবিতে আন্দোলন শুরুর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাই জন্য দলীয় কর্মীদের আন্দোলন শুরুর নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। উজালার কাটমানির হিসেবও চেয়ে তৃণমূল কর্মীদের রাস্তায় নামার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, ‘‌উজ্জ্বলা যোজনার কাটমানির হিসেব দাও গামছাবাবু। উজ্জ্বলার নামে বাঁকুড়ায় কাটমানি নিয়েছে। উত্তরপ্রদেশে মারা গেলে এনকাউন্টার। বাংলায় মারা গেলে রাজনৈতিক হিংসা। চোরের মায়ের বড় গলা। ইন্দিরা জয়সিংয়ের জন্য বিদেশ মুদ্রার নিয়ে মামলা হয়। নিজেদের জন্য সেটা হয়নি।’‌ তিনি নির্দেশ দেন, গ্রামে গ্রামে গিয়ে বলুন উজালার কাটমানির হিসাব দাও। তাঁর দাবি, ‘‌উজালা মামলার তদন্ত হোক। এটা নিয়ে কাটমানি নিয়েছে বিজেপি। আমার কাছে খবর আছে। নির্বাচনের খরচ কোথা থেকে এল?‌ জবাব চাই জবাব দাও। ব্ল্যাকমানি, কাটমানির জবাব দাও। বিদেশি তহবিল কত পেয়েছো?‌ জবাব দিতে হবে।’‌এখানেই তিনি থেমে থাকেননি। সরাসরি তিনি প্রশ্ন তুলে দিয়ে বলেন, ‘‌নোট বাতিলের পর কত ‌‌সম্পত্তি কিনেছো?‌ কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি তৈরি হল কি করে?‌ বিজেপি ব্ল্যাকমানি ফিরিয়ে দাও। ব্লকে ব্লকে ব্ল্যাকমানি ফিরিয়ে দেওয়ার কর্মসূচী নেওয়া হবে। বিজেপি আগে কালো টাকা ফেরত দাও। ১৫ লক্ষ টাকা ফেরত দাও। নির্বাচনের জেতার জন্য এখনও পর্যন্ত যত কালো টাকা, কাটমানি নিয়েছ ফেরত দাও।’‌ এতেই বোঝা যাচ্ছে মমতা অটো সহজে বিজেপিকে ছাড়ছেনা । এতদিন তিনি চুপ করে বসে ছিলেন বিজেপির কটূক্তি গুলো হজম করছিলেন , এবার পাল্টা দিলেন রাজনৈতিক ভাবেই ।
ওয়েব ডেস্ক ২১ই জুলাই ২০১৯:বাংলার মানুষের জন্য সুখবর আগামী পৌরসভা  নির্বাচন ব‍্যালটেই হবে এ কথা জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১শের মঞ্চ থেকে ।  রবিবার ২১ শের মঞ্চে সর্বশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ‍্যমন্ত্রী বিজেপিকে বিভিন্ন দিক থেকে আক্রমণ করার পাশাপাশি পঞ্চায়েত ও পৌরসভার ভোট ব‍্যালটে করার কথা ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি সারা দেশে ব‍্যাপক আসন পাই‌। এর পরেই বিরোধীরা বিজেপির বিরুদ্ধে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তুলে। বিশেষ করে মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ব‍্যাপারে প্রশ্ন তুলে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয় এবং মুখ‍্য ভূমিকা পালন করে। নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোট চলাকালীনই বিরোধীরা ব‍্যালটে ভোট গ্ৰহণের আবেদন করে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।আর বাংলায় একটা প্রবাদ আছে যা র্তে তা কিছুটা বটে । তাই নোই কি দিলীপ বাবু ?
loading...