Monday, 20 May 2019

ওয়েব ডেস্ক ২০শে মে  ২০১৯: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশংকায় শেষ পর্যন্ত সত্যি হচ্ছে কি ? এখন এই কথাটাই রাজনৈতিক মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে । আগেই তিনি বলেছিলেন, বিজেপি সব করতে পারে। তাঁর কাছে খবর আছে বিজেপি ইভিএম মেশিন লুঠ করতে পারে। তাই মা, বোন, ভাইদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। এমন কিছু দেখলে ছবি তুলে পাঠাতে হবে। এই কাজ যিনি করবেন তাঁকে সরকারের পক্ষ থেকে পুরষ্কার দেওয়া হবে। এখন ফ্রন্টলাইনে একটি খবরে দাবি করা হয়েছে, বেশ কয়েক লক্ষ ইভিএম মেশিন লোপাট হয়ে গিয়েছে। ২০১৭ সালের একটি তথ্যের অধিকার মামলায় এই তথ্য দিয়েছিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।

বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর দাবি ছিল, এই ইভিএমে কারচুপি করে বিজেপি জেতার চেষ্টা করবে। এমনকী ইভিএম সরিয়ে তার জায়গায় কারচুপি করা ইভিএম ঢুকিয়ে দিয়ে বাজিমাত করতে পারে বিজেপি। এখন সেই আশঙ্কাই সত্যি হতে চলেছে বলে মনে করছেন অনেকে। তাই ২১টি বিরোধী রাজনৈতিক দল বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চলেছে। অন্যদিকে এই ছকের কথা জানতে পেরে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু–সহ আরও অনেকে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে চিঠি লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শোনা যাচ্ছে, মোট ২০ লক্ষ ইভিএমের নাকি কোনও খোঁজ নেই। তাহলে সেগুলি গেল কোথায়?‌ এই কারসাজি করবে বলেই কি বিজেপি’‌র পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল এবার ৩০০ আসন পার করবে তারা?‌ জাতীয় রাজনীতির অলিন্দে এখন এইসব প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তার ওপর এক্সিট পোলের রিপোর্ট ঠিক ৩০০ আসনের আশেপাশেই রেখেছে বিজেপিকে। সব মিলিয়ে এখন দেখার ২৩ মে কোনদিকে জল গড়ায়।
ওয়েব ডেস্ক ২০শে মে  ২০১৯: নির্বাচন কমিশনের মধ্যেই যে ব্যাপক মতবিরোধ রয়েছে এবার সেটা প্রকাশ্যে এলো । এর মধ্যে যে পক্ষপাতিত্বের গন্ধ রয়েছে সেটা আর চেপে রাখা গেলনা ।প্রসঙ্গত বার বার নির্বাচন আচরণ বিধি লঙ্ঘন করার পরেও কি করে মোদী এবং অমিত শাহ পার পেয়ে গেছেন এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অন্যতম নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা।
এখানেই শেষ নয় অশোক লাভাসা অভিযোগ করেছেন তার মত কে নথিবদ্ধও করা হয়নি যেটা এক রকম অপমানজনক ।তিনি আরো জানিয়েছেন তার মত কে মূল্য দেওয়া হচ্ছেনা বলেই তিনি কমিশনের বৈঠক এড়িয়ে গেছেন । এই অবস্থায় মুখ্য নির্বাচন কমিশিনের দায়িত্বে থাকা সুনীল অরোরা জানিয়েছেন তিন জন কমিশনারের মধ্যে মত বিরোধ থাকতেই পারে তবে নিয়ম অনুসারে সংখ্যাগরিষ্টতা মতই গ্রহণ যোগ্য এনিয়ে বিতর্ক বিবাদ অর্থহীন ।যতই সুনীল অরোরা ব্যাপারটাকে ধামা চাপা দিকনা কেন , অস্বচ্ছতার একটা পরিবেশ যে ঘটেছে সেটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার ।
ওয়েব ডেস্ক ২০শে মে  ২০১৯: গতকাল, নির্বাচন  শেষ হওয়ার পরেই এগজিট পোল জানিয়ে দেয় বিজেপিই  আবার মসনদে বসছে। ব্যবধানও হবে বিরাট। অনায়াসেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে তারা। এগজিট পোলের হিসেব থেকে পরিষ্কার, অন্ধপ্রদেশে চন্দ্রবাবুর প্রতিপক্ষ জগন্মোহন রেড্ডির দল ২৫টির মধ্যে ১৫টি আসনই পাবে। চন্দ্রবাবুর দল পাবে মাত্র ১০টি।
তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  ও চন্দ্রবাবু, দু'জনেই এগজিট পোলের হিসেবকে এক কথায় নাকচ করে দিয়েছেন। মমতা জানিয়েছেন এটা ‘গসিপ'। তিনি বলেন, ‘‘গেমপ্ল্যানটা হল হাজার হাজার ইভিএমকে গসিপের মাধ্যমে কারচুপি অথবা পরিবর্তন করা।''সোমবার চন্দ্রবাবু বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত এ বিষয়ে আরও স্বচ্ছ ও দায়িত্ববান হওয়া। পাশাপাশি কেন ভিভিপ্যাটের  ৫০ শতাংশের গণনা করা হবে না সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘‘এবার আমরা জানতে চাই, যদি কোনও গরমিল থেকেই থাকে। তাহলে সমস্ত বিধানসভা ধরে গণনা করতে হবে। কেন দেরি করছেন? কেন এড়িয়ে যাচ্ছেন?'' পাশাপাশি প্রতিটি ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট সংযুক্ত করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘সারা পৃথিবীর মানুষ কথা বলছেন এভিএম কারচুপি নিয়ে।'' চন্দ্রবাবু বলেন, ‘‘আমরা চাই যেখানে ইভিএম থাকবে, সেখানেই ভিভিপ্যাট থাকবে... যখনই আপনি ইভিএম টিপবেন তখনই প্রিন্টার একটি ব্যালটের প্রিন্ট আউট বের করবে, যেখানে নাম ও দলীয় চিহ্নটি থাকবে। এবার ভোটার সেটি দেখে পরীক্ষা করে ব্যালট বক্সে ফেলতে পারবেন।''
ওয়েব ডেস্ক ২০শে মে  ২০১৯: ভোটের ফলাফলের আগেই যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশ মন্ত্রিসভার জোটসঙ্গীকে তার অপ্রয়োজনীয়তার কথা ভালো ভাবেই বুঝিয়ে দিলেন । জোট সঙ্গীকে যে আর দরকার নেই সেটা সুচতুর ভাবে জোটপ্রার্থীর ইস্তফা গ্রহণের মাধ্যমেই পরিষ্কার করে দিলেন ।প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশ মন্ত্রিসভার শরিক নেতা ওমপ্রকাশ রাজভরকে মন্ত্রীসভা থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
 তবে এই নিয়ে বিচলিত নন সদ্যপ্রাক্তন জোটসঙ্গী সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টির নেতা রাজভর। তাঁর দাবি, একমাস আগেই মন্ত্রীসভা থেকে ইস্তফা দেওয়ার চিঠি যোগীর কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।রাজভর অবশ্য গত এক বছর ধরেই দূরত্ব বাড়াচ্ছিলেন বিজেপির সঙ্গে। একাধিক ইস্যুতে তোপ দাগছিলেন রাজ্যকে। যার মধ্যে অন্যতম ছিল দলিত নিপীড়নের ঘটনা। উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল, রাজ্য মন্ত্রীসভা থেকে ইস্তফা দেওয়ার চিঠি আদিত্যনাথের কাছে পাঠিয়ে দেন রাজভর। কিন্তু সেই চিঠি তখনও গ্রহণ করেননি যোগী।



ওয়েব ডেস্ক ২০শে মে  ২০১৯: বুথ ফেরত সমীক্ষা যে সব সময় ঠিক পথেই এগোয় এমন কোনো মানে নেই , এমন অনেক ছোট ছোট ব্যাপার আছে যা সমস্ত হিসেবে নিকেশ উল্টে দিতে পারে ,যা বুথ ফেরত সমীক্ষায় ধরা পড়েনা । এই ধরনের বুথ ফেরত সমীক্ষার মাধ্যমে ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দেওয়ার নেপথ্যে গভীর চক্রান্ত রয়েছে বলেন দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির জোটকে দুর্বল করতেই বুথ ফেরত সমীক্ষার মাধ্যমে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন মমতা। তিনি সংবাদ মাধ্যমের কাছে বলেন, “আমি একটাও বুথ ফেরত সমীক্ষা বিশ্বাস করি না”।
মমতা বলেন, “বুথ ফেরত সমীক্ষার মাধ্যমের গুজব ছড়িয়ে দিয়ে ইভিএম বিকৃতি করার জন্যই এ ধরনের কাজ করছেন নরেন্দ্র মোদী। আমি প্রত্যেকটা মানুষের কাছে অনুরোধ করব, তাঁরা যেন ইভিএম পাহারা দেন”।তিনি বলেন, “ভোট শেষ হওয়ার পরই সারা দেশের বিজেপি-বিরোধী দলগুলি জোট গড়ার জন্য উদ্যোগ নেবে বলে আগেই ঘোষণা করেছে। তার আগে এ ধরনের ভুয়ো খবর ছড়িয়ে সেই কার্যকলাপকে দুর্বল করে দেওয়ার জন্যই এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে”।

এ দিন ভোট শেষে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ হওয়ার সময় মমতা টুইটারেও নিজের মত প্রকাশ করেন। তিনি বুথ ফেরত সমীক্ষায় বিশ্বাসী নন জানানোর পাশাপাশি লেখেন, “আমরা একত্রিত ভাবে লড়াই করব”।

Saturday, 18 May 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মে ২০১৯: ভোটের ফল কি হবে সেটা আগাম যেন বুঝতেই  পেরে গেছে বিরোধীরা । আর তাই বেশি দেরি না করে ফেডারেল ফ্রন্ট নিয়ে আলোচনা প্রায় শুরু হয়ে গেল।২৩ তারিখে দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধীর সভাপতিত্বে বৈঠকে বসবে মহাজোটের দলগুলি। তার আগেই দফায় দফায় বৈঠক শুরু করে দিয়েছেন বিরোধীরা। শেষদফা ভোটের আগেই মুখোমুখি বসতে চলেছেন চন্দ্রবাবু নাইডু এবং রাহুল গান্ধী। তার আগে দিল্লিতে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের সঙ্গে একদফা বৈঠক সেরেছেন চন্দ্রবাবু নাইডু।
জানা গিয়েছে রাহুলের সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠক করার পর তিনি উত্তর প্রদেশের লখনউয়ে বিএসপি নেত্রী মায়াবতী এবং এসপি নেতা অখিলেশ যাদবের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। রাহুলের সঙ্গে বৈঠকের আগে তিনি সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি এবং আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে সম্ভবত ভোট পরবর্তী জোট নিয়েই আলোচনা হয়েছে।
গতকাল চন্দ্রবাবু জানিয়েছিলেন, বিজেপি বিরোধী সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তিনি হাত মেলাতে প্রস্তুত। তাতে কেসি আর থাকলেও আপত্তি নেই তাঁর। তেলঙ্গানা নিয়ে কেসি আরের সঙ্গে বিবাদ চন্দ্রবাবু নাইডুর নতুন নয়। চরম বিরোধী দলতেও বিজেপির বিরুদ্ধে জোট গড়তে কাছে টেনে নিতে প্রস্তুত এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। 
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মে ২০১৯: এবার কমিশনকে কড়া চিঠি দিতে বাধ্য হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।  এর আগেও তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছিলেন কিন্তু এবার কড়া চিঠি অন্য বার্তা বয়ে নিয়ে এল । প্রসঙ্গত বারবার কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। এবার শেষ দফা ভোটের আগে কমিশনকে কড়া চিঠি পাঠালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে চিঠি পাঠালেন তিনি। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সুনীল আরোরাকে লেখা ওই চিঠিতে পক্ষপাতহীন, শান্তিপূর্ণ ও কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়া ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
শেষ দফার আগে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব অত্রি ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে রাজীব কুমারকে। কমিশনের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ তৃণমূল নেত্রী সেদিনই অভিযোগ করেছিলেন, মোদী-শাহের কথায় চলছে কমিশন। এটা বকলমে তাঁদের নির্দেশ। সেই অভিযোগের পর এবার নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি দিলেন মমতা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সুনীল আরোরাকে চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে শেষ দফার আগে একাধিক বেআইনি, অসাংবিধানিক ও পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অযাচিত হস্তক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার ও শাসক দল। এর ফলে শুধু রাজ্য সরকারই নয়, আধিকারিক ও রাজ্যের সাধারণ মানুষকে হেনস্তা ও আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন কমিশনের নিযুক্ত কমিশনারের অনুমতির জন্যই অমিত শাহের রোড শো হয়েছিল , যার জন্য এতো গন্ডগোল ।
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মে ২০১৯: শত্রুঘ্ন সিনহা বিজেপি বিরোধী হয়েছেন , বিজেপি বিরোধী ছিলেন , আর বিজেপি বিরোধী থাকবেন , এবং সেটা যেকোন মূল্যে । এবার তার ভবিষৎবাণী হিন্দি বলয়ে মুছে যাবে বিজেপি। এমনই মনে করছেন পটনা সাহিবের সাংসদ ও কংগ্রেস প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। ভোটের আবহে বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। বহু আগে থেকেই তিনি মোদীর কাজকর্ম নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন। তাই দলের মধ্যে কোণঠাসা হয়ে যান। এই কারণে দল ত্যাগ করেন। খোলাখুলি বিজেপির সমালোচনা করছেন।
তাঁর মতে, মোদী হাওয়া ধ্বংসের বাতাবরণে পরিণত হয়েছে। ভোট প্রচার শেষ করার পর তিনি বলেন, হিন্দি বলয়ে মুছে যাবে বিজেপি। এর কারণ জিএসটি ও নোট বাতিলে মতো ধ্বংসাত্বক নীতি। এর ফল ভোগ করতে হবে মোদীকে। এমনটাই মনে করেন বিহারী বাবু। তিনি আরও বলেন, এটা এক ব্যক্তির সরকার। ২ ব্যক্তি সৈনিক। আদবানি, যোশী, যশবন্ত সিনহাদের নির্বাসনে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মে ২০১৯:নির্বাচন আচরণ বিধি ভঙ্গ করাটা বিজেপির নেতা নেত্রী এবং লোকসভা টিকিট পাওয়া বিজেপি প্রার্থীদের কাছে জলভাতের মতো হয়ে গেছে । আর এই বিধি ভাঙাতে নাম লিখিয়ে ফেললেন "গাদার"  সিনেমার নায়ক সানি দেওল।   প্রসঙ্গত গুরদাসপুরের বিজেপি প্রার্থী অভিনেতা সানি দেওলকে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে নোটিশ পাঠাল নির্বাচন কমিশন।
আগামী ১৯ মে লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম দফায় ভোটগ্রহণ গুরদাসপুরে। কমিশনের নিয়ম মতে, গত ১৭ মে বিকেল পাঁচটার মধ্যেই প্রচার শেষ করার কথা প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রাজনৈতিক দলগুলির। কিন্তু অভিযোগ, গত শুক্রবার বিকেল পাঁচটার পরেও নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের পাঠানকোটে প্রচার চালিয়েছেন সানি।কমিশনের সূত্র জানায়, প্রায় দু’শোর উপর কর্মী-সমর্থক নিয়ে আয়োজিত গত শুক্রবার রাতের ওই সভায় লাউডস্পিকারও বাজানো হয়। যে কারণে তাঁকে নোটিশ পাঠায় কমিশন। ওই দিনই পাঠানো নোটিশে স্পষ্টত জানানো হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই যেন জবাব দেন সানি।

গত ২৩ এপ্রিল বিজেপিতে যোগ দেন সানি। এর পরেই তাঁকে বিজেপি গুরদাসপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করে। তবে গোটা নির্বাচনী প্রচারে বলিউড তারকা বেশ বুদ্ধিদীপ্ত ভাবেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন। চলচ্চিত্র এবং বাস্তব জীবন যে পুরোপুরি আলাদা, সে কথাও একাধিকবার জানান।উল্লেখ্য, শেষ দফায় পঞ্জাবের ১৩টি লোকসভা আসনেই ভোটগ্রহণ। গুরদাসপুরে কংগ্রেস প্রার্থী সুনীলকুমার জাখরের সঙ্গেই সানির মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিজেপি সাংসদ বিনোদ খান্নার মৃত্যুর পর ওই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ী হন জাখরই। তবে গুরদাসপুরে আপ-সহ অন্যান্যরাও প্রার্থী দিয়েছে।হা সানির কাজটা একটু হলেও কঠিন করে দেবে ।

ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মে ২০১৯:নির্বাচন কমিশনকে দেখে মনে হচ্ছে তারা বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলছে । বিজেপি যা চাইছে সেটাই যেন করিয়ে নেওয়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে । এবার নরেন্দ্র মোদিকে জেতাতে তার পথের কাঁটাও নিয়ম বহির্ভূত ভাবে উপরে ফেলতেও কসুর করেনি নির্বাচন কমিশন ।প্রসঙ্গত  চক্রান্ত করেই বাতিল করা হয়েছে সীমান্তরক্ষী তেজ বাহাদুরের মনোনয়ন পত্র।কিন্তু, কীভাবে বাতিল হল তেজবাহাদুরের মনোনয়ন?‌ টিভি চ্যানেলের স্টিং অপারেশনে ধরা পড়েছে, নিয়মবহির্ভূত ভাবে মনোনয়ন বাতিলে হস্তক্ষেপ করেন নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক প্রবীন কুমার। নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়ন খামতি থাকলে একবার মাত্র নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু, তেজবাহাদুরকে দু-‌বার নোটিস দেওয়া হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশ রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের ডেপুটি সিইও ইন্দ্রভূষণ বর্মা বলছেন, ‘‌পর্যবেক্ষক কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। তাঁর ভূমিকা শুধুই পর্যবেক্ষণ।’‌
নিয়ম অনুযায়ী, দেশদ্রোহ বা দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন পত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ছাড়পত্র দিতে হয়। তেজবাহাদুর এই দুটির কোনও অভিযোগেই বরখাস্ত হননি। জেলা রিটার্নিং আধিকারিকের প্রথম নোটিসের জবাবে সেকথা জানিয়েছিলেন তিনি। তেজবাহাদুরের আইনজীবী রাজেশ গুপ্তার অভিযোগ, কমিশনের সব নিয়ম মেনে মনোনয়ন পত্র পেশ করা হযেছিল।

রিটার্নিং অফিসার বারাণসীর জেলাশাসক সুরেন্দ্র গুপ্তা তা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু, তাতে হস্তক্ষেপ করেন নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক। ৫ বছরের কম সময়ে বরখাস্ত হলে, শুধুমাত্র বরখাস্তের প্রমাণ জমা দিতে হয়। হলফনামায় তা জানিয়ে দ্বিতীয়বার মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন তেজবাহাদুর। কিন্তু, এর ৫ ঘণ্টা পর দ্বিতীয় নোটিস দেওয়া হয়। শেষ দিন সন্ধ্যা ছ’‌টায়। তাতে বলা হয়, নির্বাচন লড়তে হলে পরদিন সকাল ১১টার মধ্যে ছাড়পত্র আনতে হবে। যা প্রায় অসম্ভব ছিল। তা সত্ত্বেও রাতেই কমিশনে পৌঁছন তেজবাহাদুরের আইনজীবী নীতিন মিশ্র।

অভিযোগ, তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরদিন সকালে কমিশনে গিয়ে কমিশনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলানো হয়। কিন্তু, তাতেও কাজ হয়নি। বারাণসীর রিটার্নিং অফিসার সুরেন্দ্র গুপ্তা বলেছেন, ‘‌তেজবাহাদুর তো বলেই চলেছিলেন তিনি আইনের ধারার আওতায় পড়েন না। তারপর দ্বিতীয় নোটিস দেওয়া হয়েছিল।’‌

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্ন মানের খাবারের অভিযোগ তুলে ভিডিও পোস্ট করে বরখাস্ত হয়েছিলেন বিএসএফ জওয়ান তেজবাহাদুর যাদব। বারাণসীর ভোটে তাঁকেই মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিল সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি ও রাষ্ট্রীয় লোকদলের জোট।
loading...