Monday, 18 March 2019



ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মার্চ ২০১৯:গত বিধাসভা নির্বাচন থেকে চলে আসা বাম -কংগ্রেসের গাঁটছড়া ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এসে মুখ থুবড়ে পড়ল ।বিদ্যজনেদের একাংশের মত এটা হবারই ছিল , আর যেটা ছিল তা হল অপেক্ষা , কবে এই মধু চন্দ্রিমা শেষ হয় । কেননা সব রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীদের সন্তুষ্ট করা সম্ভব সিপিআইএম কে নয় , কারণ নিজেদের জেদ থেকে তাদের বেরিয়ে আসাটা অসম্ভব ,যদি না খুব বিপদে পড়েন । এবার দোষারোপের পালা , যেখানে সিপিআই-এর  সাধারণ সম্পাদক  সুরাভরম সুধাকর রেড্ডি সোমবার বললেন, পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের   জন্য আসনবন্টন নিয়ে কংগ্রেসের  ‘অন্যায্য' দাবি কোনওভাবেই মানবে না বামফ্রন্ট। প্রসঙ্গত, এই রাজ্যে কংগ্রেস ও বামফ্রন্টের  জোটগঠন করা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পরে এখন দুই দলই লোকসভায় পৃথকভাবে লড়াই করার তোড়জোর শুরু করেছে।

তিনি বলেন, “ওরা (কংগ্রেস) ১৭'টি আসনে লড়ার দাবি জানিয়েছিল। বামফ্রন্ট ওদের কাছে ১২'টি আসন ছাড়ার প্রস্তাব রাখে। ওরা আরও যে ৫'টি আসনের দাবি করে, সেগুলি সবই বামফ্রন্টের আসন। এটা অন্যায্য। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি আসনে আগের নির্বাচনে ওরা ২ থেকে ৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল”। তাঁর কথায়, বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে গত লোকসভা নির্বাচনে সিপিআই পেয়েছিল ৪ লক্ষ ভোট। অন্যদিকে, কংগ্রেস পায় ১ লক্ষ ভোট। তা সত্ত্বেও, ওদের দাবি ওই আসন থেকে এবারে লড়াই করবে কংগ্রেস। এটা কী করে সম্ভব? এমন দাবি বামফ্রন্ট কখনওই মেনে নেবে না। ওরা ফরওয়ার্ড ব্লকের একটি আসন এবং সিপিএমের তিনটি আসনও চেয়ে বসেছিল। এর ফলে, ব্যাপারটি ভীষণ জটিল হয়ে যেত।উল্টোদিকে কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সৌমেন মিত্র রবিবারের রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর বলেন "আমাদের দলের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, নিজেদের সম্মান নষ্ট করে কোনওরকম জোট করব না আমরা। কারা প্রার্থী হবেন বা হবেন না, সেই ব্যাপারে বামফ্রন্ট আমাদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে পারে না। আমরা বাংলায় একাই লড়ব"।পুনশ্চ , মধুচন্দ্রিমা শেষ ।   
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মার্চ ২০১৯:যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর সাধারণ মানুষের কি উন্নতি হয়েছে ? মানুষ যেই তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই আছে । তাদের মানসিকতাই এতটুকু পরিবর্তন আসেনি । আগে ছাত্রছাত্রীরা পাশ করার জন্য যে রকম অসৎ উপায় গ্রহণ করত সেগুলো তো এখনো করছে সঙ্গে তার সাথে সাথে নতুন সংযোজন হয়েছে অনুভূতির ফাঁদ।প্রসঙ্গত পড়াশোনা না-করেও পরীক্ষায় পাশ করতে টুকলি, সাইট টক এসব তো পুরনো।
এ বার নয়া সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়েছে বেশকিছু ছাত্রী। উত্তরপ্রদেশের বোর্ডের পরীক্ষায় পাশ করতে তারা কাজে লাগাতে চেয়েছে দেশপ্রেমকে। UPSEB-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার উত্তরপত্রে বহু ছাত্র লিখেছে, তারা বড় হয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চায়। বোর্ডের এক নিয়ামক জানিয়েছেন, 'এ বছরও উত্তরপত্র খালি রেখে চলে যাওয়া বা ভুলভাল উত্তর লেখা অব্যাহত রয়েছে। তবে পুলওয়ামায় হামলার পর নেওয়া পরীক্ষাগুলির উত্তরপত্রে অনেকে পরীক্ষকের ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে পাশ করার চেষ্টা করেছে।' এক ছাত্র লিখেছে, 'পূজনীয় গুরুজি, আমি দেশসেবার জন্য জওয়ান হতে চাই। দেশের পাশাপাশি আপনার সন্তানকেও শত্রুদের থেকে রক্ষা করতে চাই। নম্বর দেওয়ার আগে নিজের সন্তানের কথা একবার ভাববেন।' আর একজন লিখেছে, 'গুরুজি, আমি ফেল করতে দেশও ব্যর্থ হবে। কারণ আপনি একজন আগামীর জওয়ানকে ফেল করাবেন। তাহলে দেশকে কে রক্ষা করবে?' যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন , কিন্তু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ যারা , অর্থাৎ ছাত্রছাত্রী , তাদের মানসিকতার উন্নতি কি করে ঘটবে তার কোনো পদক্ষেপ নিয়েছিলেন কি ? রাজ্যের সম্পর্কে তার কিছু অজানা ছিলনা সেটা হলপ করেই বলে দেওয়া যায় । 
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মার্চ ২০১৯:কংগ্রেস যতই বন্ধুত্বের হাত মায়াবতী ও অখিলেশের দিকে বাড়িয়ে দিক না কেন,  দুজনেই  বদ্ধপরিকর কিছুতেই সেই হাত ধরবেননা।অখিলেশ আর মায়াবতী এরা দুজনেই অসম্ভব আশাবাদী,তাদের  বসপা-সপা-আরএলডি জোট বিজেপির জন্য কাফী! প্রসঙ্গত উত্তরপ্রদেশের ৮০টি কেন্দ্রে ‘স্বাধীন ভাবে’ লড়ুক কংগ্রেস।
এ ভাষাতেই কংগ্রেসকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন বসপা সুপ্রিমো মায়াবতী। একইসঙ্গে মায়াবতীর কড়া বার্তা, বসপা-সপা-আরএলডি জোটের জন্য ৭টি আসন ছেড়ে ভুল বার্তা দিচ্ছে কংগ্রেস। এটা ঠিক নয়। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের ৭টি আসনে সপা-বসপা জোটের বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীদের সেই সিদ্ধান্তের পরই মায়াবতী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, তাঁরা কোনওভাবেই কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন না।বসপা নেত্রীর পাশাপাশি এ নিয়ে টুইটারে সরব হয়েছেন সপা নেতা অখিলেশ যাদবও। বাবুয়া টুইটে লিখেছেন, ‘‘উত্তরপ্রদেশে বিজেপিকে হারানোর ক্ষমতা রাখে সপা, বসপা ও আরএলডি-র জোট। কোনওরকম বিভ্রান্তি ছড়ানো ঠিক নয় কংগ্রেসের।’’ আশা করা যায় , লোকসভা ভোটের পরেও এই অখিলেশ মায়াবতীর এই দম্ভটা থাকবে ।
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মার্চ ২০১৯:যিনি হাতের তালুর মতো গোয়া রাজ্যটিকে চিনতেন , যিনি মানুষের পরিচয় পত্র দেখে তার গ্রামের নাম বলে দিতে পারতেন , তিনি আজ আমাদের মধ্যে নেই ।  মনোহর পরিক্কর যার স্মৃতি শক্তি নিয়ে অনায়াসেই একটা আলোচনা সভা বসানো যায় তাকে চোখের জলে বিদায় জানালেন গোয়ার মানুষ ।
 তিনি জনপ্রিয় ছিলেন আজ এই জন জোয়ার না দেখলে ভিন্ন রাজ্যের মানুষেরই হয়তো সারা জীবন অন্ধকারে থাকতেন । প্রসঙ্গত তেরঙায় ঢেকে ডোনা পৌলায় পার্রিকরের ব্যক্তিগত বাসভবন থেকে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় পানাজিতে বিজেপির সদর দফতরে। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।পার্রিকরকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে গোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। পার্রিকরের প্রয়াণে সোমবার গোয়ার হাইকোর্ট ও অন্যান্য সব আদালত বন্ধ রয়েছে।গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুতে সোমবার এক দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এদিকে রাজ্যে সোমবার থেকে টানা ৭ দিন শোক পালন করা হবে।
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মার্চ ২০১৯:কংগ্রেসের হাত ধরে যদিওবা নিজেদের ভাবমূর্তি বদলাবার মরিয়া চেষ্টায় ছিল বামেরা সেটাই এখন অথৈজলে  । কারণ আসন্ন নলকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস একাই ৪২ টি আসনে লড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে । এতে বামেদের অভূতপূর্ণ ক্ষতি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ত্বদের একাংশ । বামেদের এখন যা অবস্থা তার জন্য একমাত্র বামেরাই দায়ী । মানুষ বুঝতে শিখেছে বামেরা কি ক্ষতি বাংলার মানুষের করে গেছে বিগত ৩৪ বছরে । তাই সিপিএম এর খুবই ইচ্ছে ছিল কংগ্রেসের সাথে জোট করার , আবার আসন নিয়ে কোনো সমঝোতা করবেনা এই জেদটাও ছিল ।অবশেষে কংগ্রেসের রাজ্যসভাপতি সৌমেন মিত্রের বুদ্ধিতিপ্ত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বামেরা কুপোকাত ।
প্রসঙ্গত এবার বাংলাতেও ভেস্তে গেল জোট প্রক্রিয়া। বামেদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পরও  সমাধান সূত্র না বের হওয়ায় কংগ্রেস রাজ্যে একাই লড়বে বলে জানা গিয়েছে। তার মানে আগামী মাস থেকে শুরু হতে চলা লোকসভা নির্বাচনে  এ রাজ্যে চারটি দলের মধ্যে লড়াই হওয়ার সম্ভবনা আরও কিছুটা বাড়ল। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে  প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি  সোমেন মিত্র জানান, নিজেদের সম্মান নষ্ট করে আমরা কোনও জোটে যাব না। কোন আসন থেকে কে লড়বেন আর কে লড়বেন না সেটা  বামেরা ঠিক করে দিতে পারে না। এ রাজ্যে আমরা নিজেদের শক্তিতেই লড়াই করবো। তবে বামেদের তরফ থেকে সরকারি ভাবে  কিছু জানান হয়নি। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক  সূর্যকান্ত মিশ্র কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে  সিদ্ধান্ত নিতে সোমবার বৈঠকে বসছে বামেরা।পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে  দিল্লি গিয়ে প্রার্থী নির্বাচনের (Election ) ব্যাপারে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে  বৈঠক করবেন সোমেন। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য  তিন  জন  করে প্রার্থীর নাম  ঠিক করে দিল্লি যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু কেন ভেস্তে গেল জোট? কংগ্রেসের একটি সূত্র বলছে, আলোচনা শেষ  হওয়ার আগেই  বামেরা যে ভাবে তালিকা প্রকাশ করেছে  তাতে  অপমানিত বোধ  করেছে কংগ্রেস। শুধু তাই নয় নিজেদের প্রার্থী তালিকায় কংগ্রেস নেতা  রেজাউল করিমের নাম  ঘোষণা করেছে বামেরা। বীরভূম আসন থেকে  তাঁর নাম ঘোষণা হয়েছে তবে তিনি কোন দলের প্রতিনিধি সেটা বামেদের তালিকায় উল্লেখ করা হয়নি। এটাতেই আপত্তি কংগ্রেসের। প্রদেশ সভাপতি বলেন, ওরা আমাদের প্রার্থীর নাম ঠিক করে কোন যুক্তিতে। দলের প্রবীণ নেতা  শুভঙ্কর সরকার বলেন, আমরা এমন একটা জোট চেয়েছিলাম যেখানে  দু' পক্ষেরই সম্মান থাকবে। কিন্তু সিপিএম সে পথে হাঁটল না।সিপিএম এক সময় কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলেছিল বুর্জুয়া কবি মানে , যে ব্যক্তি নিজের ছাড়া কারুর সমন্ধে ভাবেনা ,আসলে সিপিএমই সব থেকে বড় বুর্জুয়া । মানুষ তখন বুঝতে পারেনি এখন বুঝতে পারছে ।
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মার্চ ২০১৯:কলকাতা কে বলা হয় সিটি অফ জয় , সেই সিটি অফ জয়েতে কার কু-দৃষ্টি পড়ল । ভোটের নির্ঘন্ট বাজার সাথে সাথেই কলকাতায় বিস্ফোরক বোঝাই ট্রাক ধরা পড়ল ।প্রসঙ্গত নিয়মমাফিক নিরাপত্তা বেড়েছে রাজ্যের সর্বত্র। আর তার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে বোমা, বিস্ফোরক দ্রব্য এবং নগদ টাকা উদ্ধারের পরিমাণও বেড়েছে।
রোববার পশ্চিমবঙ্গের ফৌজদারি তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) একটি বিস্ফোরক বোঝাই মালবাহী ট্রাক আটক করেছে এবং ওই ট্রাকের মালিককেও বাঁকুড়া জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার বেলিয়াটোর থানার কাছাকাছি তেলঙ্গানা থেকে আসা ওই ট্রাকটিকে সিআইডি ও পুলিশ আটক করে। সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, “ওই ট্রাকে ইলেক্ট্রনিক ডিটোনেটরের ৬৫ টি বাক্স, জিলেটিনের ২৫০ টি প্যাকেট এবং ৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মোট ২২৯ টি ব্যাগ ওই ট্রাকের মধ্যে থেকে আটক করা হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, ট্রাকটির মালিক ও চালক, বছর ৩৪-এর নিশান্ত কুমারের কাছে পুলিশ বৈধ নথিপত্র দেখতে চায়। কিন্তু নিশান্ত তা দেখাতে না পারায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ঝাড়খন্ডের গিরিডি জেলার বাসিন্দা নিশান্ত কুমারকে শনিবার আদালতে হাজির করা হয়।এবার কথা হচ্ছে , কে চন্দ্রশেখর তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী , এবং তিনি আবার নরেন্দ্র মোদী আর অমিত শাহের পরম বন্ধুও বটে ।  সেই তেলেঙ্গানার থেকেই বিস্ফোরক বোঝাই ট্রাক কলকাতায়  ঢুকেছিল । 

Sunday, 17 March 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৭ই মার্চ ২০১৯:অনেক কষ্ট সহ্য করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিক্কর ।অত্যাধুনিক চিকিৎসাও করিয়েছিলেন আমেরিকাতে , কিন্তু তা সত্ত্বেও মৃত্যুকে আর কিছু দিনের জন্য পেছোতে পারলেননা তিনি ।অবশেষে প্রয়াত হলেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনোহর পারিক্কর। গত এক বছর ধরেই অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। চিকিৎসাধীন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মুম্বই ও দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।
অসুস্থতার কারণে একাধিকবার তাঁর পদ ছাড়া নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে। তবু তিনি যতদিন গোয়ায় থাকবেন, মন্ত্রিত্বে রাখা হবে তাঁকেই, এমনটা জানিয়ে দিয়েছিল রাজ্য বিজেপি। তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে টুইট করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। শনিবার জানা যায়, শরিক দল গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সভাপতি বিজয় সরদেশাইয়ের সঙ্গে দেখা করবে গোয়ার বিজেপি নেতৃত্ব। দলের পক্ষ থেকে লোবো জানিয়েছিলেন , “পারিক্কর জি আজ আছেন, কাল থাকবেন। আমরা প্রার্থনা করছি। কিন্তু আরোগ্য লাভের সম্ভাবনা নেই। খুবই অসুস্থ উনি… যদি খুব খারাপ কিছু ঘটে যায়, বিজেপি থেকেই কেউ নতুন মুখ্যমন্ত্রী হবেন।” এবার দেখার বিষয় , কে মুখ্যমন্ত্রী হন ।
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই মার্চ ২০১৯:দীর্ঘ দিনের প্রতীক্ষার পর অবশেষে ভারতের জনগণ লোকপাল পেতে চলেছে ।লোকসভা ভোটের জন্য বাংলার মানুষের মন জয় করার জন্য কি না এখনই বলা শক্ত , তবে এবার লোকপাল হচ্ছেন একজন বাঙালি , নাম পিনাকীচন্দ্র ঘোষ।তিনি একজন প্রাক্তন বিচারপতি ।কয়েকটি সূত্র থেকে  রবিবার এই খবর জানা  গিয়েছে। দেশের শীর্ষ আদালত সময়সীমা ঠিক করে দেওয়ার পর এই  সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এই বিচারপতিই তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রয়াত জয়ললিতার ছায়াসঙ্গী শশীকলাকে দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত  করেন। হাইকোর্টের প্রাক্তন  বিচারপতি এবং প্রাক্তন আমলাদের নিয়ে লোকপালের বাকিটা  গঠিত হবে বলে জানা গিয়েছে। 
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন এবং দেশের প্রাক্তন এজি  মুকুল রোহতগিকে  নিয়ে গঠিত কমিটি প্রাক্তন  বিচারপতি নামে সম্মতি দিয়েছেন।প্রসঙ্গত ১৯৯৭  সালে কলকাতা  হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে কাজ শুরু করেন বিচারপতি পি সি ঘোষ।  ২০১৩ সালে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি হিসেবে তাঁর কাজ শুরু হয়। অন্ধপ্রদেশের হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি থাকার সময়  তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত এআইএডিএমকে নেত্রী জয়ললিতার ছায়াসঙ্গীকে দোষী সাব্যস্ত করেন তিনি।
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই মার্চ ২০১৯:অসমে যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বিজেপি অসমে সরকার গঠন করেছিল , আজ তারাই বিজেপির খাতায় ব্রাত্য ।এরকম অভিযোগ অনেকদিন ধরেই আসছিল , কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো রকম পদক্ষেপ নেয়নি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।এবার তার প্রতিক্রিয়া আস্তে শুরু করল ।প্রসঙ্গত অসমের তেজপুরের বর্তমান বি জে পি সাংসদ রামপ্রসাদ শর্মা বি জে পি ত্যাগ করলেন। এটা বি জে পি -র কাছে বড় ধাক্কা। নিজের দলত্যাগের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন , ‘দলে নতুন অনুপ্রবেশকারীদের ‘ কারণে পুরনো কর্মীরা অবহেলার শিকার হচ্ছেন।
শ্রী শর্মা আরও জানান ,তিনি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন আর এস এস ও বি এইচ পি -তে ১৫ বছর এবং ২৯ বছর বি জে পি -তে একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে কাজ করার পর। ফেসবুক পোস্টে একথা জানিয়েছেন তিনি।তেজপুরে সম্ভাব্য প্রার্থীর প্যানেলে তাঁর নাম ছিল না , শুধুমাত্র অসমের মন্ত্রী ও এন ই ডি এ আহ্বায়ক হি ঘোষণার কথা আছে। আরেকটি সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে তিনি জানিয়েছেন — ‘ একজন বর্তমান সাংসদ ও অসম গোর্খা সম্মেলনের সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও প্রদেশ বি জে পি কমিটি আমার নাম দিল্লিতে পাঠানো প্যানেলে দিতে পারেনি ! এই ঘটনায় আমি তীব্র অপমানিত বোধ করেছি। ‘তিনি অবশ্য জীবনের শেষ বিন্দু পর্যন্ত তাঁর কেন্দ্র তেজপুরের মানুষের উন্নয়নের জন্য প্রাণপাত করবেন এমন অঙ্গীকার করেছেন। শ্রী শর্মা জানিয়েছেন যেসব পুরনো কর্মী দলের জন্য ঘাম রক্ত ঝরিয়ে বি জে পি কে ক্ষমতায় এনেছেন তারাই এখন দলের সবচেয়ে অপমানিত ও অবহেলিত অংশে পরিণত হয়েছেন।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য শ্রী শর্মা ২০১৪ সালে তেজপুর কেন্দ্র থেকে সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন , এই কেন্দ্রটি গোর্খা জনজাতি অধ্যুষিত।  
ওয়েব ডেস্ক ১৭ই মার্চ ২০১৯:দীর্ঘদিন ধরে অগ্নাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিক্কর , এর জন্য তিনি আমেরিকাতেও ঘুরে এসেছেন ।সেখান থেকে আসার পর কিছুটা সুস্থ ছিলেন , সংসদেও বক্তিতা দিয়েছিলেন তার পরেও তিনি আবার অসুস্থ হয়ে পড়লেন ।তবে এবারের সেই একই কারণে অসুস্থ হওয়াটা খুবই সঙ্কটজনক ।তবু তিনি যতদিন গোয়ায় থাকবেন, মন্ত্রিত্বে রাখা হবে তাঁকেই, এমনটা জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য বিজেপি।  শরিক দল গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সভাপতি বিজয় সরদেশাইয়ের সঙ্গে দেখা করবে গোয়ার বিজেপি নেতৃত্ব। দলের পক্ষ থেকে লোবো জানিয়েছেন, “পারিক্কর জি আজ আছেন, কাল থাকবেন।
আমরা প্রার্থনা করছি। কিন্তু আরোগ্য লাভের সম্ভাবনা নেই। খুবই অসুস্থ উনি… যদি খুব খারাপ কিছু ঘটে যায়, বিজেপি থেকেই নতুন মুখ্যমন্ত্রী হবে”।এর মাঝে শনিবারই গোয়ায় সরকার গড়ার দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। এই মর্মে সে রাজ্যের রাজ্যপাল মৃদুলা সিনহাকে চিঠি লিখলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা চন্দ্রকান্ত কেবলেকর। এই চিঠিতে গোয়ায় ক্ষমতাসীন মনোহর পরিক্কর সরকারকে ‘সংখ্যালঘু’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, কংগ্রেসকে ‘একক সংখ্যা গরিষ্ঠ’ দল হিসাবেও দাবি করেছেন গোয়া বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একটি চিঠিতে কেবলেকর লিখেছেন, “বিজেপি বিধায়ক ফ্রান্সিস ডি’সুজার মৃত্যুর পর মনোহর পরিক্কর সরকার বিধানসভার অন্দরে সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে। এমনিতেও এই সরকারের প্রতি জনসমর্থন নেই। এছাড়া, আগামী দিনে বিধায়ক সংখ্যা আরও কমতে পারে। এই পরিস্থিতিতে এমন দলকে এক মুহূর্তও ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া উচিত না…এখনই একক সংখ্যা গরিষ্ঠ দলকে সরকার গড়ার জন্য ডাক দেওয়া উচিত।”নিয়ম অনুসারে কংগ্রেসের দাবি একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায়না , এবার দেখা যাক কোথাকার জল কোথায় গিয়ে থামে । 
loading...