Monday, 3 August 2020

ওয়েব ডেস্ক ৩রা  অগাস্ট ২০২০:পাঞ্জাব প্রদেশে ভেজাল মদপানে গত কয়েকদিনে কমপক্ষে ৮৬ জন মারা গেছে। শনিবার পুলিশ শতাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে অনেক মদ জব্দ করা ছাড়াও ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। সূত্রের  খবরে বলা হয়, রাস্তার ধারে কিংবা স্থানীয়ভাবে তৈরি ভেজাল এসব মদপানে ভারতে প্রতিবছর শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটে। শুক্রবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং ভেজাল মদ খেয়ে এত মানুষের প্রাণহানির ঘটনার একটি তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।
অবৈধ এসব মদ একসাথে অনেক তৈরি করা হয়। তারপর সেগুলো রাস্তার পাশের ছোট ছোট দোকানগুলোতে অবৈধভাবে বিক্রি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা সেগুলো খেলে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। যাদের অনেকে আর বেঁচে থাকার সুযোগ পান না। অনেকে আবার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন।এইতো গত শুক্রবারও মদ না পেয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার খেয়ে  দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশে ১০ জন মানুষের মৃত্যু হয়। অনুমোদন নিয়ে তৈরি মদের চেয়ে ভারতে ভেজাল মদ পাওয়া যায় সাধারণ গ্রাম কিংবা মফস্বল এলাকাগুলোতে। আর এসব মদ খেয়ে গ্রামীণ এলাকাগুলোতেই মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটে।

ভেজাল মদ প্রস্তুতকারকরা মাঝে মধ্যেই এসব মদে মিথানল মিশিয়ে থাকেন। এটি অ্যালকোহলের একটি অত্যধিক বিষাক্ত রূপ যা কখনও কখনও এর শক্তি বাড়ানোর জন্য মদের মিশ্রণে অ্যান্টি-ফ্রিজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যদি অল্প পরিমাণেও খাওয়া হয় তবে মিথানল অন্ধত্ব, লিভার অচল এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

ওয়েব ডেস্ক ৩রা  অগাস্ট ২০২০:চীন-ভারত উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। লাদাখ নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যেই উত্তরাখণ্ডের সীমান্ত এলাকায় সেনা মোতায়েন করেছে চীন। এছাড়া উত্তর সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত বরাবরও সেনা মোতায়েন করছে চীন । এ ঘটনায় গভীর উদ্বিগ্ন ভারত। চীনের এ কাজে নেপালের সমর্থন রয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম।
লাদাখে শান্তি ফেরাতে চীনের সঙ্গে কমান্ডার পর্যায়ে রবিবার পঞ্চম দফা বৈঠকে বসে ভারত। বৈঠকে প্যাংগং লেকসহ পূর্ব লাদাখের একাধিক এলাকা থেকে চীনা সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের বিষয়ে ফের আহ্বান জানায় দেশটি। চীনের মোলডো এলাকায় এই বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরিন্দর সিংহ।

ভারতের দাবি, বারবার আহ্বানের পরও ওই এলাকা থেকে এখনো সেনা সরায়নি চীন। এর মধ্যেই নতুন কয়েকটি সীমান্তে সেনা উপস্থিতি বাড়িয়েছে দেশটি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, উত্তরাখণ্ডের কাছে ভারত-নেপাল সীমান্তের লিপুলেখ পাসে গেলো কয়েক দিন ধরে সেনা সমাবেশ বাড়াচ্ছে চীন। সম্প্রতি ওই এলাকাকে নিজেদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করে নেপাল। চীনকে এবার সহায়তা করছে নেপাল। যা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসন নতুন করে অস্বস্তিতে। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করেছে বিরোধীদল কংগ্রেস।

কংগ্রেস পার্টির নেতা রণদীপ সিংহ সুরজেওয়ালা বলেন, লিপুলেখ পাসে আমাদের ভূখণ্ডে চীনা আগ্রাসন ঘটছে। দেশের রক্ষায় ভারতীয় সেনা বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে। কিন্তু চোখে চোখ রেখে যার কথা বলার ছিল, তিনি কোথায়? প্রধানমন্ত্রী কবে চীনকে বার্তা দেবেন?
ওয়েব ডেস্ক ৩রা  অগাস্ট ২০২০: ভারত ও নেপালের মধ্যকার সম্পর্কে তিক্ততা দিনকে দিন বাড়ছে। সেই তিক্ততা সহজে মিটছে না। কারণ কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরাকে নিজেদের দাবি করে যে মানচিত্র প্রকাশ করেছিল নেপাল, সেটির ইংরেজি সংস্করণ জাতিসংঘ ও গুগলের কাছে পাঠাচ্ছে দেশটি।
নেপালের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ভারতের ‘ইন্ডিয়া টুডে’র খবরে এসব কথা বলা হয়েছে।
নেপালের সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, ইংরেজিতে নতুন মানচিত্র ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে নেপাল। ওই মানচিত্র পাঠানো হচ্ছে জাতিসংঘ ও গুগলের কাছে। ইন্টারনেটে ও বিশ্ব মানচিত্রে নেপালের ওই মানচিত্র সবাই যেন হাতে পান, সে জন্যই এ উদ্যোগ নিয়েছে নেপাল। গতকাল শনিবার এ কথা জানান নেপালের ভূমি ব্যবস্থাপনাবিষয়ক মন্ত্রী পদ্মা আরিয়াল।
মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে নেপালের সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, শিগগিরই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নেপালের সংশোধিত এই মানচিত্র পাঠানো হবে। ওই মানচিত্রে কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধুরা নেপালের অন্তর্গত রয়েছে। তিনি আরও জানান, দ্রুতই একটি বইও নাকি প্রকাশ করবে নেপাল। সেখানেও এই তিনটি অংশকে নেপালের অংশ হিসেবেই দেখানো হয়েছে।

ইতিমধ্যেই ওই সংশোধিত মানচিত্রের ২৫ হাজার কপি ছাপানো হয়েছে। দেশের স্থানীয় ইউনিট, প্রাদেশিক বিভিন্ন সংস্থা ও অন্যান্য দপ্তরে পাঠানো হয়েছে সেই মানচিত্রের কপি। কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা—এই তিনটি অংশকে নিজেদের বলে দাবি করে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে নেপাল সরকার। জাতীয় আইনসভায় সর্বসম্মতভাবে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবও পাস করেছে নেপাল সরকার।

জুনেই নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে নেপাল। আর সেই মানচিত্রে নেপালের অন্তর্গত হিসেবে দেখানো হয় লিপুলেখ, কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরা এলাকাকে। কাঠমান্ডুর দাবি, ১৮১৬ সালে ইঙ্গ-নেপাল যুদ্ধের পর সুগলি চুক্তি অনুসারে লিম্পিয়াধুরা, কালাপানি এবং লিপুলেখ কোনোভাবেই ভারতের নয়।

ওয়েব ডেস্ক ৩রা  অগাস্ট ২০২০: বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা খরচের বিলে লাগাম টানতে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশন গতকাল রোববার সাত দফা নির্দেশ জারি করেছে। এই কমিশনের চেয়ারম্যান হলেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসায় লাগামহীন বিল নিচ্ছে হাসপাতালগুলো। সরকারি নির্দেশ অনেকটাই উপেক্ষা করছে তারা। সরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার খরচ তেমন না হলেও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার খরচের নামে পকেট কাটা শুরু হয়েছে। এই বিল মেটাতে নিঃস্ব অনেক রোগীর পরিবার।
এ নিয়ে প্রতিদিনই অভিযোগ আসছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর ও রাজ্য সরকারের কাছে। চরম অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্য সরকারও। রাজ্য সরকার বেসরকারি হাসপাতালের খরচের রাশ এখনো টানতে পারছে না। নির্দেশ দিলেও তা মানছে না বেসরকারি হাসপাতালগুলো।করোনা সন্দেহভাজন একজন মানুষের সোয়াব টেস্ট করতে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতাল বিল করেছে দেড় লাখ রুপি। ছয় দিন হাসপাতালের বেডে রেখে ওই রোগীর টেস্ট করা হলেও দুবারই আসে নেগেটিভ। তবু একটি মধ্যশ্রেণির বেসরকারি হাসপাতাল বিল করেছে দেড় লাখ রুপির ওপর। আবার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি একজন করোনা রোগীর কাছ থেকে ১০ লাখ থেকে ২৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বিল করেছে। আর এই বিল মেটাতে গিয়ে অনেকেই নিঃস্ব।

কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক একজন নারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সীতাংশু শেখর পাঁজা (৬৫) তাঁর নিজ এলাকা দমদমের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন করোনা নিয়ে। তাঁর বিল আসে ২৪ লাখ টাকা। সেখান থেকে কমিয়ে শেষ পর্যন্ত করা হয় ১৬ লাখ টাকা। ওই চিকিৎসকের পরিবার শেষ পর্যন্ত বিল মিটিয়ে তাঁকে নিয়ে আসেন কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। দমদমের এই চিকিৎসক শেষ পর্যন্ত গত শনিবার মারা যান কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই।

তাই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা খরচের বিলে লাগাম টানতে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশন গতকাল সাত দফা এক নির্দেশিকা জারি করে। এই কমিশনের চেয়ারম্যান হলেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোভিড সুরক্ষা বাবদ পিপিইসহ যাবতীয় সামগ্রীর খরচ এক হাজার টাকার মধ্যে রাখতে হবে প্রতিদিন। সুরক্ষার নামে হাসপাতালের বহির্বিভাগে ৫০ রুপির বেশি নিতে পারবে না। রোগীর সঙ্গে একজন আত্মীয় থাকলে আরও ৫০ টাকা  নেওয়া যেতে পারে। চেষ্টা করতে হবে সস্তার অ্যান্টিবায়োটিক দিতে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নির্দিষ্ট দামি ব্রান্ডের অ্যান্টিবায়োটিক নয়। বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে কিলোমিটারপ্রতি ১৫ টাকা বেশি যাতায়াত খরচ নেওয়া যাবে না। করোনা নমুনা পরীক্ষার খরচ ২ হাজার ২৫০ টাকা    বেশি হতে পারবে না। জোর করে রোগীকে ভর্তি করে রেখে দেওয়া যাবে না। ছুটি দেওয়া সত্ত্বেও রোগী যেতে না চাইলে তাঁকে সেফ হোম বা স্যাটেলাইট সেন্টারে স্থানান্তর করতে হবে।
ওয়েব ডেস্ক ৩রা  অগাস্ট ২০২০: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আজ রোববার তিনি নিজেই টুইট করে এ কথা জানিয়েছেন।  উত্তর প্রদেশ রাজ্যের এক মন্ত্রীর করোনায় মৃত্যুর পর অমিত শাহর করোনা শনাক্তের খবর এল।

সূত্রের খবর অনুসারে , অমিত শাহকে হরিয়ানার মেদান্তা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
টুইটে অমিত শাহ বলেন, তিনি ‘সুস্থ’ আছেন। ‘চিকিৎসকদের পরামর্শে’ তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ৫৫ বছর বয়সী অমিত শাহ বলেন, করোনার প্রাথমিক কিছু উপসর্গ থাকায় পরীক্ষা করান তিনি। তাতে ফল পজিটিভ এসেছে। গত কয়েক দিন যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁদের আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
কয়েক দিন আগেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নিয়েছেন অমিত শাহ। বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে তাঁর সংস্পর্শে আসা লোকজনকে শনাক্ত করে আইসোলেশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Saturday, 1 August 2020

ওয়েব ডেস্ক ১লা অগাস্ট ২০২০: লকডাউনের কারণে মদ কিনতে পারেননি তারা। পরে স্যানিটাইজার পান করে কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ প্রদেশের প্রকাসাম জেলায়।
শুক্রবার স্থানীয় পুলিশ জানায়, কুড়িচেদু গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে কয়েকজন গত কয়েকদিন ধরে স্যানিটাইজারের সঙ্গে পানি এবং কোমল পানীয় মিশিয়ে পান করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের মধ্যে দু’জন মারা যান এবং বাকি ৮ জন শুক্রবার সকালের দিকে মারা গেছেন।
প্রকাসাম জেলার পুলিশ সুপার সিদ্ধার্থ কুশল বলেন, ‘অন্ধ্রপ্রদেশে করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনের মেয়াদ কয়েকদিন আগে বাড়ানো হয়। এ কারণে ঐ এলাকার সব মদের দোকান বন্ধ রয়েছে। মৃত ব্যক্তিরা মাদকাসক্ত ছিলেন এবং লকডাউনের কারণে তারা মদ জোগাড় করতে না পেরে অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার পান করেন।’
পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে খালি হ্যান্ড স্যানিটাইজারের বোতল উদ্ধার করে পুলিশ। অসুস্থ বেশ কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পুলিশ জানায়।
ওয়েব ডেস্ক ১লা অগাস্ট ২০২০: বাড়িতে স্বামী থাকতেও বিবাহবর্হিভূত সম্পর্কের কারণে এক নারীকে আজব শাস্তি পেতে হলো। গোটা গ্রাম জুড়ে স্বামীকে নিজের কাঁধে করে বয়ে নিয়ে যেতে হবে স্ত্রীকে, এমনই আজব শাস্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের ঝাবুয়ার পাড়া পুলিশ পোস্টের অন্তর্গত রানওয়াস গ্রামে।
সম্প্রতি এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক নারী তাঁর স্বামীকে কাঁধে তুলে নিয়ে গ্রামে হেঁটে বেড়াচ্ছেন। পিছন থেকে বহু লোক ওই নারীকে বিদ্রুপ করছে। ওই নারী স্বামীকে কাঁধে নিয়ে চলতে চলতে থামলে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হচ্ছে তাঁকে।

ওই নারীর স্বামীর অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে অন্য পুরুষের সম্পর্ক আছে। এই বিষয়ে স্থানীয় গ্রামেই পঞ্চায়েত ডাকা হয় এবং সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে শাস্তিস্বরূপ ওই নারী তাঁর স্বামীকে কাঁধে বসিয়ে গোটা গ্রাম ঘুরে বেড়াবে।

জানা গিয়েছে, স্বামীর ওজন ছিল যথেষ্ট বেশি। তথাপি তাঁকে কাঁধে নিয়ে ওই নারী সহজে রাস্তায় এগোতে পারছিলেন না। কিন্তু গ্রামবাসীরা তাঁকে এগোতে বাধ্য করেন। ওই সময় এলাকার কেউ তাঁকে সাহায্য করেনি। উল্টে তাঁর দূরবস্থার ছবি তোলার জন্য হুড়োহুড়ি করছিল অনেকে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই নারী তিন সন্তানের মা। এই ঘটনায় ওই নারী সাজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
ওয়েব ডেস্ক ১লা অগাস্ট ২০২০: বুধবারই ভারতে এসে পৌঁছেছে পাঁচটি রাফাল যুদ্ধবিমান৷ এর ফলে ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তি অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি করা হচ্ছে৷ যথারীতি এই দাবি মানতে নারাজ চিন৷ তাদের সরকারি মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসে দাবি করা হয়েছে, চিনের জে ২০ যুদ্ধবিমানের সামনে দাঁড়াতেই পারবে না ভারতের রাফাল৷
ঝাং জিউফাং নামে এক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞকে উদ্ধৃত করে দাবি করা হয়েছে ভারতের হাতে থাকা সুখোই ৩০ যুদ্ধবিমানের তুলনায় রাফাল অবশ্যই উন্নত প্রযুক্তির৷ কিন্তু আকাশে যুদ্ধের সময় কোনওভাবেই রাফাল চিনের ফোর্থ জেনারেশন জে ২০-র সামনে দাঁড়াতেই পারবে না৷
 প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান বি এস ধানোয়া দাবি করেছিলেন, রাফাল আসায় ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তিতে আমূল পরিবর্তন আসবে৷ চিনের জে ২০ রাফালের ধারেপাশে আসেনা বলেও দাবি করেন তিনি৷ রাফালকে ৪.৫ জেনারেশনের যুদ্ধবিমান বলেও দাবি করেছিলেন ধানোয়া৷ ভারতের প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধানের এই দাবি খারিজ করে পাল্টা চিনা মুখপত্র রাফালকে তৃতীয় প্রজন্মের যুদ্ধবিমান বলে কটাক্ষ করা হয়েছে৷

৭০০০ নয়, ফ্রান্স থেকে ৮৫০০ কিলোমিটার পেরিয়ে ফ্রান্স থেকে ভারতের আম্বালা এয়ারবেসে পৌঁছেছে যদিও ভারতের প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান এখনও নিজের বক্তব্যেই অনড়৷ নিজেদের দাবি প্রমাণ করতে চিনকে পাল্টা দু'টি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন ধানোয়া৷
তিনি প্রশ্ন করেন, জে ২০ যদি সত্যিই চিনা দাবি অনুযায়ী ফিফথ জেনারেশন যুদ্ধবিমান হয়, তাহলে কেন এই যুদ্ধবিমানগুলিতে কানার্ড থাকে? ধানোয়ার দাবি, আমেরিকার জে ২২, রাশিয়ার এসইউ ৫৭-এর মতো প্রকৃত পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানগুলিতে কানার্ড থাকে না৷ বিমানের নিয়ন্ত্রণ উন্নত করার লক্ষ্যে মূল দু'টি ডানার সামনে যে ছোট ডানাগুলি থাকে, সেগুলিকেই কানার্ড বলা হয়৷ ধানোয়ার দাবি এই ধরনের কানার্ড বিমানে থাকলে তা সহজে প্রতিপক্ষের রাডারে ধরা পড়ে যায়৷

প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধানের আরও প্রশ্ন, চিনের  জে ২০ যুদ্ধবিমানগুলিতে কেন 'সুপারক্রজিং'-এর সুবিধা নেই? যে যু্দ্ধবিমানগুলি আফটারবার্নারের বা অতিরিক্ত জ্বালানি না পুড়িয়েই মাখ ১ বা শব্দের থেকেও বেশি গতিবেগ তুলতে সক্ষম, সেগুলিকে এই গোত্রে ফেলা হয়৷ ধানোয়ার দাবি, রাফালে এই সুবিধা রয়েছে এবং ফ্রান্সে তৈরি এই যুদ্ধবিমানগুলির রাডারও অন্যতম সেরা৷
ওয়েব ডেস্ক ১লা অগাস্ট ২০২০: পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর যে এলাকাগুলি মূল সংঘাতের কারণ, সেখানে এখনও ঘাঁটি গেড়ে বসে রয়েছে তাদের সেনা৷ অথচ চিন দাবি করছে, পূর্ব লাদাখের অধিকাংশ জায়গা থেকেই সেনা প্রত্যাহার বা পিছিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে৷ চিনের এই দাবি খারিজ করে দিয়ে ভারত জানিয়ে দিল, পূর্ব লাদাখের অনেক জায়গাতেই এখনও সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে৷
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেছেন, 'কিছুটা অগ্রগতি হলেও সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি৷ আমরা আশাবাদী, চিন আমাদের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই তাদের বাহিনীকে পিছিয়ে নেবে এবং উত্তেজনা প্রশমনে সহযোগিতা করবে৷'
বৃহস্পতিবার ভারতে চিনের রাষ্ট্রদূত সুন ওয়েডং দাবি করেছিলেন, প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অধিকাংশ জায়গাতেই দু'দেশের বাহিনী পিছিয়ে গিয়েছে৷ তাঁর আরও দাবি ছিল, চিন কখনওই ভারতের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে না৷ চিনা রাষ্ট্রদূত দাবি করেছিলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা করতেই আগ্রহী চিন৷

দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যাতে আগের অবস্থায় ফিরে আসে, তার জন্য ভারত-চিন দু'পক্ষকেই উদ্যোগী হতে হবে বলে দাবি করেছিলেন চিনা রাষ্ট্রদূত৷ যদিও সেনা প্রত্যাহার নিয়ে চিনা রাষ্ট্রদূতের দাবি খারিজ করে দিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
কয়েকদিনের মধ্যেই লাদাখ ইস্যুতে ভারত এবং চিনা সেনার মধ্যে কমান্ডার স্তরে পঞ্চম বৈঠক হওয়ার কথা৷ অভিযোগ, প্যাংগং তাসো হ্রদ এবং গোগরায় ১৭এ প্যাট্রলিং পয়েন্ট থেকে এখনও পিছু হতে নারাজ চিনা সেনা৷ লাদাখের মোট চারটি জায়গা নিয়ে এখনও ভারত এবং চিনা সেনার মধ্যে সংঘাত দূর হয়নি৷ এই এলাকাগুলিতে দু'পক্ষের অন্তত ৫০ জন করে সেনা ১ কিলোমিটারের তফাতে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে৷

প্যাংগং তাসো হ্রদ এবং ১৭এ প্যাট্রলিং পয়েন্ট ছাড়াও গালওয়ানের প্যাট্রলিং পয়েন্ট ১৪ এবং হট স্প্রিং এলাকার ১৫ নম্বর প্যাট্রলিং পয়েন্টে একই ভাবে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে দু'দেশের সেনাবাহিনী৷

প্যাংগং তাসো হ্রদের উত্তরে ফিঙ্গার এইটের আট কিলোমিটার পশ্চিম দিকে ফিঙ্গার ফোর-এ এখনও চিনা সেনা ঘাঁটি গেড়ে বসে রয়েছে৷ ফিঙ্গার এইটকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বলে মানে ভারত৷ একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দু'পক্ষের সেনা পিছু হঠতে শুরু করার পর প্রথম ফিঙ্গার ফোর ছেড়ে তারা ফিঙ্গার ফাইভের দিকে চলে গিয়েছিল৷ কিন্তু আবার ফিঙ্গার ফোর-এ ফিরেছে লাল ফৌজ৷ 
ওয়েব ডেস্ক ১লা অগাস্ট ২০২০: অযোধ্যা রাম মন্দিরটির নির্মাণ শুরুর ৫ আগস্টের এই অনুষ্ঠানে  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিত থাকার কথা জানা গেছে। এই পরিবেশে ভূমিপূজা আয়োজনের সঙ্গে জড়িত পুরোহিত, পুলিশসহ ১৭ জন করোনা সংক্রমিত। ইতোমধ্যে অযোধ্যা রাম মন্দির ভূমিপুজার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
এই সংক্রমিতদের মধ্যে রয়েছেন মন্দির কমিটির এক সেবায়েত এবং ১৬ পুলিশ সদস্য। তবে মন্দির কমিটির পক্ষে ঘোষণা করা হয়েছে, কোভিড-১৯ প্রোটোকল মেনেই এই ভূমিপূজা আয়োজন করা হবে। কমবেশী ২০০ জন উপস্থিত থাকবেন এই অনুষ্ঠানে।

ভগবান রামের জীবনকাহিনী কারুশিল্পের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে স্থানীয় দেওয়ালে। শহরজুড়ে বড় পর্দা বসানো হয়েছে। উৎসাহী নাগরিকরা এই পর্দায় দেখতে পারবেন ভূমিপূজা।

এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবানি, মুরলীমনোহর জোশী, উমা ভারতী এবং আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।




loading...