Monday, 16 September 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৯: উন্নাও ধর্ষণকান্ডে অভিযুক্ত কুলদীপ সিংহ সেঙ্গার এবার পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জ্ঞান দিলেন । উপযাচক হিসেবে । তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে গতকাল বলেন ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খারাপ দিন ঘনিয়ে এসেছে। বাংলাদেশের জনগণের সমর্থন নিয়ে তিনি যদি রাজনীতি করতে চান তাহলে তাঁর বাংলাদেশই চলে যাওয়া উচিত।
মুখ্যমন্ত্রীর যদি সাহস থাকে তাহলে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে যান । তাতে আখেরে তাঁর ভালোই হবে।’নেটিজেনদের অভিমত , এটা ঠিক ভারতীয় বিচার ব্যবস্থা যতক্ষণ না কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে সে কখনোই অপরাধী নন , তবে যতক্ষননা আদালত থেকে বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সিংহ সেঙ্গার 'ক্লিন চিট' পাচ্ছেন ততক্ষন উনি নিজের মুখটা বন্ধ করতে পারতেন । তবে কে শোনে কার কথা , কুলদীপ সিংহ সেঙ্গার নিজের হাম্বরি ভাবটা বজায় রেখে আরো বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পি চিদাম্বরমের মতোই উচিত শিক্ষা দেওয়া উচিত।’।
রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন , কুলদীপ সিংহ সিঙ্গারের একবার বোঝা উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ? উনি কোন লেভেল থেকে উঠেছেন । এগুলো সেঙ্গার সাহেব মনে রাখলে আদতে তিনি তার ভাব মূর্তিটা কিছুটা উজ্জ্বল করতে পারতেন । তাই নয় কি ?
ওয়েব ডেস্ক ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৯: বাংলার মানুষের স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কত দূর যেতে পারে তার নিদর্শন পাওয়া গেল । প্রথমত বাংলায় আঞ্চলিক দল রয়েছে বলেই হোক বা অন্য কোনো কারণে কেন্দ্র তাদের সাহায্যের হাত গুটিয়ে নিচ্ছে। এটি যেমন দিনের আলোর মতো পরিষ্কার তেমনি পরিষ্কার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র  মোদী সময় দিয়েছেন দেখা করার জন্য । সোমবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দেয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর।
তারপরই ঠিক হয়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ মুখোমুখি হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। জানা গিয়েছে, রাজ্যের উন্নয়ন ভিত্তিত প্রকল্প নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি জঙ্গলমহল এলাকায় উন্নয়ন নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর কথা বলবেন মমতা ব্যানার্জি। দেড় বছর বাদে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছেন। প্রসঙ্গত কেন্দ্র ও রাজ্য  মিলে যৌথ উদ্যোগে যে সব প্রকল্প সম্পন্ন করছিল সেগুলোর থেকে অর্থ বরাদ্দ কমিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র , অতএব বিপাকে মমতার সরকার । যদিও এ নিয়ে অনেকবার মুখ খুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।বরাদ্দ অর্থের পরিমান যাতে বাড়ানো হয়, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। এছাড়াও ‘‌একশো দিনের কাজ’‌ প্রকল্প নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কথা হতে পারে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। দেশের হাল হকিকত নিয়ে যে তাদের মধ্যে কথা হবেনা এমন নয় , সেই বিষয় নিয়েও কথা হতে পারে ।
ওয়েব ডেস্ক ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৯: জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি নিয়ে আতঙ্ক বাড়ছে পশ্চিমবঙ্গে। এ ব্যাপারে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা মুকুল রায় ঘোষণা করেছেন , পশ্চিমবঙ্গে এনআরসির আগে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস করা হবে। আর সেই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে এই রাজ্যে আসা উদ্বাস্তু এবং শরণার্থীদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা হবে।
গতকাল রবিবার  বীরভূমে দলীয় কর্মী স্বরূপ গড়াই হত্যার পর মৃতের স্ত্রীর হাতে ৫ লাখ টাকার একটি চেক তুলে দেন মুকুল রায়। সে সময় সাংবাদিকদের এ কথা বলে মুকুল রায় বোঝাতে চেয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গেও এনআরসি হবে। একই দিনে  হরিয়ানার  মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খাট্টারও ঘোষণা করেছেন , তাঁর রাজ্যেও কার্যকর করা হবে এনআরসি।বিজেপি জোর দিয়ে বলছে, আসামের মতো পশ্চিমবঙ্গেও এনআরসি হবে। ঠিক তেমনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি কার্যকর করতে দেওয়া হবে না। তিনি জীবিত থাকতে এই রাজ্যে এনআরসি কার্যকর হবে না। এর পাল্টা জবাব দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, মমতার জীবদ্দশাতেই এই রাজ্যে এনআরসি দেখে যেতে হবে তাঁকে। ফলে এনআরসি নিয়ে এখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি উত্তাল। আর এতে করে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে।

আসামে এনআরসিতে নাম তুলতে গেলে যে সব নথি চাওয়া হয়েছে, সে সব নথি এখানকার বাংলাদেশ বা সাবেক পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা বহু পরিবারের কাছে নেই। অনেকেই হারিয়ে ফেলেছে সে সব পুরোনো কাগজ। তবে সবার কাছে এখন রয়েছে ভারতের রেশন কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র এবং আধার কার্ড। তবুও এতে তাঁদের মন থেকে আতঙ্ক কেটে যায়নি।

বিশেষ করে সত্যিই যদি এনআরসি এই রাজ্যে কার্যকর হয়, তবে সংখ্যাগুরু হিন্দুরাও যে বিপাকে পড়বে সেটি এখন বুঝতে পারছে বিজেপি। আর তাঁর ফল যে ২০২১ সালের রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনে প্রতিফলিত হবে, সেটিও উপলব্ধি করতে পারছে রাজ্য বিজেপি। বিজেপিও মনে করছে, এনআরসি পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর হলে সমস্যায় পড়বে বাংলাদেশ ও পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা বহু উদ্বাস্তু ও শরণার্থী। আর এর ফলে তারা যে মমতার দিকে ঝুঁকবেন না, তার গ্যারান্টি নেই।

তবুও বারবার বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব বলেছে, হিন্দু শরণার্থী বা উদ্বাস্তুদের এই রাজ্য থেকে তাড়ানো হবে না। তাঁদের দেওয়া হবে নাগরিকত্ব। তাড়ানো হবে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের।

আগামী ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। সেই নির্বাচনে মমতাকে হারানোর জন্য বিজেপি আদাজল খেয়ে নেমেছে। কিন্তু বিজেপির কাঁটা হতে পারে এনআরসি, সেটি বুঝতে পেরেই মুকুল রায় গতকাল এই ঘোষণা করেছেন।
ওয়েব ডেস্ক ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৯: কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলকে ‘ট্রেলার’ বলে উল্লেখ করলেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন , ‘কাশ্মীর তো ট্রেলার মাত্র, পুরো সিনেমা এখনও বাকি আছে!’ বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের কৃষক এবং ছোট ব্যবসায়ীদের পেনশন প্রকল্প চালুর পর রাঁচীর জগন্নাথপুর ময়দানের জনসভায় বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন তিনি।
মোদি জানান, তার দ্বিতীয় সরকার দুর্নীতি ও সন্ত্রাসবাদকে ভারত থেকে উচ্ছেদ করতে বদ্ধপরিকর। সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার

এ সময় দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের নাম উল্লেখ না করে মোদি বলেন, কেউ কেউ নিজেকে আইন ও আদালতের ঊর্ধ্বে ভাবতেন। এখন জামিন চেয়ে তারা আদালতে দৌড়াচ্ছেন।

পেনশন প্রকল্প চালু করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পে দেশজুড়ে ছোট ব্যবসায়ী ও কৃষকরা মাসে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাবেন। 
ওয়েব ডেস্ক ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৯: দেশের মধ্যে কে সুখে আছে আর কে সুখে নেই এবার সেটাও কি ঠিক করে দেবে আর এস এস ? ব্যাপারটা সেরকমই তো মনে হচ্ছে । সম্প্রতি পুনায় আরএসএস–এর এক শাখা সংগঠন দৃষ্টি স্ত্রী অধ্যায়ন প্রবোধন কেন্দ্র বা ডিএসএপিকে দেশের মহিলাদের উপর একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। সমীক্ষা রিপোর্টে তাদের দাবি, যে সব মহিলারা আধ্যাত্মিকতায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন তাঁরাই দেশের মহিলা সমাজের মধ্যে সব চেয়ে সুখী। তারপর সুখী বিবাহিতা মহিলারা। সহবাসে থাকা মহিলারা সব থেকে অসুখী। তার কারণ হিসেবে সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিয়ে সমাজে মেয়েদের স্থায়িত্ব দেয়। যার ফলে মানসিকভাবে তারা সুখী হয়।
রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, মেয়েদের মনে রোজগার এবং সুখের মধ্যে কোনও যোগাযোগ নেই এবং এটা সব শ্রেণির মহিলাদের মধ্যেই একরূপে বিরাজমান। স্নাতকোত্তর এবং গবেষণারত মহিলারা সুখী বেশি, নিরক্ষর মহিলাদের থেকে। ৫০–৬০ বছরের মহিলারাই সব চেয়ে সুখী। কারণ ওই সময়ে মহিলারা তাঁদের সাংসারিক দায়দিয়ত্ব থেকে অনেকাংশেই মুক্ত হয়ে যান। যার প্রভাব পড়ে তাঁদের মনে। ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে মহিলারা অসুখী হন কারণ তখন তাঁদের মধ্যে জীবনের অনিশ্চয়তা কাজ করতে থাকে।সম্প্রতি পুনায় আরএসএস–এর এক শাখা সংগঠন দৃষ্টি স্ত্রী অধ্যায়ন প্রবোধন কেন্দ্র বা ডিএসএপিকে দেশের মহিলাদের উপর একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। সমীক্ষা রিপোর্টে তাদের দাবি, যে সব মহিলারা আধ্যাত্মিকতায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন তাঁরাই দেশের মহিলা সমাজের মধ্যে সব চেয়ে সুখী। তারপর সুখী বিবাহিতা মহিলারা। সহবাসে থাকা মহিলারা সব থেকে অসুখী। তার কারণ হিসেবে সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিয়ে সমাজে মেয়েদের স্থায়িত্ব দেয়। যার ফলে মানসিকভাবে তারা সুখী হয়।২০১৭–১৮ সালের মধ্যে ২৯টি রাজ্য এবং সাতটির মধ্যে পাঁচটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৪৬৪টি জেলাজুড়ে এই সমীক্ষা চালিয়েছিলেন ডিএসএপিকে–র স্বেচ্ছাসেবকরা। আগামী ২৪ তারিখ আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত দিল্লিতে ‘‌স্টেটাস অফ উইমেন’‌ নামক ওই সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করবেন।নেটিজেনদের মধ্যে প্রশ্ন জাগছে , আর এস এস প্রকৃতপক্ষে কি করতে চাইছে , তাদের উদ্দেশ্যটাই বা কি ।
ওয়েব ডেস্ক ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৯: ইমরান খান গতকাল আল-জাজিরা টিভিতে এক সাক্ষাৎকারে তার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিলেন আসন্ন ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ নিয়ে । তার আশঙ্কা যে অমুলূক কিছু নয় তা আজ বোঝা গেল । প্রসঙ্গত ইন্টেলিজেন্স ওপারেও আছে এপারেও আছে । আর পাকিস্তানের ইন্টেলিজেন্স যে ভুল তথ্য ইমরান খানের কান অবধি দেয়নি , সেটা গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানির কথাতেই স্পষ্ট ।
এদিন গুজরাটের ভদোদরায় ‘‌ভারত একতা’‌ মিছিলে যোগ দিয়ে রূপানি বলেছেন, ‘‌৩৭০ ধারা বিলোপ হয়ে গিয়েছে। এখন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর বা পিওকে–ও আমাদেরই। পাকিস্তান প্রস্তুত থাকুক পিওকে–র দখল হারানোর জন্য। একত্রিত ভারত গড়ার লক্ষ্যে আমরা পিওকে–র জন্য এগোতে তৈরি। পাকিস্তানের উচিত সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়া বন্ধ করা। ভারত এগুলো একদম বরদাস্ত করবে না।’‌নিজের স্মৃতিথেকে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার কথা তুলে বিজয় রূপানি বলেন ‘‌১৯৭১ সালে দিল্লি দখলের দাবি করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু করাচির ক্ষমতাও ওরা হারাতে বসেছিল। বাংলাদেশ ভাগ হয়ে গেল। ওদের সেনা আমাদের শরণার্থী হয়ে গেল।’‌ ইতিহাসের  পাতায় লেখা আছে কি ভাবে নিয়াজী আত্মসমর্পণ করেছিল বাংলাদেশের মাটিতে ভারতীয় সেনার সামনে , সেটাই কি আবার করতে চাইছেন  নরেন্দ্র মোদী ?

Sunday, 15 September 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০১৯: শুভেন্দু অধিকারী চিরকালই স্পষ্ট বক্তা হিসেবে পরিচিত । উনি যা ভাবেন সরাসরি বলতে কোনো দ্বিধা করেননা । আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাই উনাকে আদেশ করুননা কেন অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন তিনি ।
এবার সেই শুভেন্দু অধিকারী মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর আলিয়া হাইস্কুলের মাঠে এক জনসভায় বহরমপুরের দায়িত্ব নেবেননা বলে জানিয়ে দেন ।এদিন তিনি বলেন,মুর্শিদাবাদ জেলার ২২টি বিধানসভার মধ্যে ২১ টির দায়িত্ব নেব।বহরমপুরের দায়িত্ব নেব না।কারন বহরমপুরে কালিদাসের বাস।তারা যে ডালে বসে থাকে সেই ডাল কাটে।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলের দুই সাংসদ আবু তাহের ও খলিলুর রহমান সহ বিভিন্ন নেতৃত্বরা। তারা শুভেন্দু বাবুর এহেন মন্তব্যে প্রথমে কিছুটা থমকে যান তার পর স্বাভাবিক অবস্থানে আসেন বলেই সূত্রের খবর ।
ওয়েব ডেস্ক ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০১৯: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ গণতন্ত্র দিবসে নরেন্দ্র মোদির সরকারকে এক হাত নিলেন । চিরকালই তিনি স্পষ্টবাদী , এবং সত্যি কথা বলতে বা লিখতে তিনি ভয় পাননা।
আজ এক টুইটের মাধ্যমে তিনি বলেন ‘‌আজ আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে আসুন আমরা সকলে আমাদের দেশের সাংবিধানিক পরিকাঠামোকে অক্ষুণ্ণ রাখার অঙ্গীকার নিই। এই সুপার এমারজেন্সি-র জমানায় মানুষের সাংবিধানিক অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যা যা করতে হবে আমরা তা অবশ্যই করব।’‌ এখানেই শেষ নয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হয়রানি অভিযান , আসামের নাগরিকপঞ্জী ,আর দূর্গা পুজোর কমিটিগুলোকে আয়করের নোটিশ এই সব ব্যাপার নিয়েও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী ।সবাইকে এক জোট হয়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের করার জন্যও আহ্বান জানান তিনি ।  
ওয়েব ডেস্ক ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০১৯: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই  নতুনত্বের ছোয়া সর্বত্রই । বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এবং উৎকর্ষের ম্যান ধরে রাখার জন্য যা যা করা দরকার তাই করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী । এবার বাংলা ভাষা সাহিত্যকে একটা অন্য মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সংযুক্তি হলো বাংলাদেশের সাহিত্য উত্তরবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়ে ।
যা এক কথায় অভিনব ।উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান নিখিল চন্দ্র রায় জানিয়েছেন,"বাংলাদেশের যেভাবে বাংলা ভাষা সাহিত্য চর্চা হচ্ছে এখানে কিন্তু সেভাবে হচ্ছে না। বাংলা ভাষা সম্পর্কে যে আবেগ বাংলাদেশের রয়েছে তেমন আবেগ এখানে নেই , আমরা সেটাই ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি । বাংলাদেশের সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রে আগ্রহ বারবার জন্য এই পদক্ষেপ কারণ   এখানে বাংলা শেখার ক্ষেত্রে একটা দায়সারা মনোভাব কাজ করে। কিন্তু ওপার বাংলায় সেটা হয় না সেই বিষয়গুলোকে মাথায় রেখেই বাংলাদেশের সাহিত্যকে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।"
প্রসঙ্গত রাজ্যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ কে সংযুক্ত করা হয়নি। পুরোটাই স্পেশাল পেপার যা বাংলাদেশের কবিতা, উপন্যাস ও সাহিত্য সিলেবাস ভাগ করা হয়েছে। এ বছর যারা মাস্টার্স ভর্তি হয়েছেন তারাও পড়ার সুযোগ পাবেন।অতএব ব্যাপারটা আকর্ষণীয় করে তোলার জন্যই এরকম একটা ভালো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ।
ওয়েব ডেস্ক ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০১৯: হাতি ঘোড়া গেল দল , মশা বলে কত জল ।প্রসঙ্গত এনআরসি ইস্যুতে মমতার পদক্ষেপের সমালোচনা করতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশিদের স্থান করে দিতে মমতা এনআরসি’র বিরোধিতা করছেন। গতকাল  বিজেপির এই নেতা হুঁশিয়ার করেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি প্রয়োগ করা হবে তা নিশ্চিত। চূড়ান্ত তালিকার পর পশ্চিমবঙ্গে যারা ভারতের নাগরিক হিসাবে যোগ্যতা অর্জন করবেন না তাদের সম্মানজনকভাবে ভারত ছাড়তে হবে।’তিনি যোগ করেন, ‘মমতা শত বাঁধা দিলেও পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি কার্যকর করা হবে এবং সব বাংলাদেশির হাতে দুটি খাবাবের প্যাকেট ধরিয়ে তাদের দেশে পাঠিয়ে দেয়া হবে।’
এ সময়  রামায়ণ থেকে উদাহরণ টেনে আনেন সুরেন্দ্র সিং। তিনি বলেন, ‘লঙ্কার মানুষ হনুমানজিকে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। তবুও তিনি সেখানে প্রবেশ করেছিলেন এবং লঙ্কা জয় করেছিলেন। একইভাবে যোগী আদিত্যনাথ এবং অমিত শাহও পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছেন এবং অনেকগুলো আসন জয় করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই লঙ্কার রাবণ। সেখানে রাম (বিজেপি সরকার) পা রেখেছেন। শিগগিরই পুরো পশ্চিমবঙ্গ জয় করবে বিজেপি।’

আগস্টের শেষে আসামের তালিকা প্রকাশের পর ভারতের ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার সমন্বয়কারী ও আসামের অর্থমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘বাংলাদেশ ভারতের বন্ধু এবং তারা আমাদের সহায়তা করে আসছে। আমরা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে উপস্থাপন করলে তারা বরাবরই তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিচ্ছে। এই সংখ্যাটি বেশি বড় না, তবে এখন আমরা তাদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’
loading...