Wednesday, 8 July 2020

ওয়েব ডেস্ক ৮ই  জুলাই   ২০২০:শুধু কোভিড নয়, আমাকে কংগ্রেস, সিপিএম, বিজেপি আর এবিপির বিরুদ্ধেও লড়তে হয়। দিল্লির এজেন্সি, দিল্লির সরকার তো আছেই। হাজরা মোড়ে কলকাতা পুলিশের সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে এভাবেই রাজ্যের রাজনৈতিক বিরোধীদের পাশাপাশি সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক সংবাদপত্র আনন্দবাজার পত্রিকাকে নিশানা করলেন মমতা ব্যানার্জি। বললেন, নির্দিষ্ট অ্যাজেন্ডা থেকে ধারাবাহিকভাবে বাংলা বিরোধিতা চালিয়ে যাচ্ছে আনন্দবাজার।
আমপান পরবর্তী বাংলায় সরকারি অনুদান বিলি নিয়ে স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল নেতাদের একাংশের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। দল থেকে তাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে। কিছু জায়গায় অভিযুক্ত হয়ে পড়েছেন বিজেপি নেতারাও। মুখ্যমন্ত্রী কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন, কাউকে বঞ্চিত করা যাবে না। এবার এই প্রসঙ্গেই আনন্দবাজারকে তীব্র আক্রমণ করলেন মমতা। বললেন, এত বড় রাজ্যে ৩ টি ঘটনা হাইলাইট করে সিরিজ করছে আনন্দবাজার। যেন এটাই বাংলা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কিন্তু বাস্তব এ কথা বলে না। পার্টির কেউ জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমি স্বীকার করি ৭-৮ শতাংশ এমন এলিমেন্ট আছে। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ অ্যাকশন নিচ্ছে। মমতা ব্যানার্জির অভিযোগ, সিপিএমের কুকাজের মেকানিজম এখনও কিছু জায়গায় রয়ে গিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে। বাইরের রাজ্যগুলোতে শাসক দলের নেতারা আরও বেশি দুর্নীতি করেন বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।
এদিন আমপান পরবর্তী কলকাতায় আলো-পাখার দাবিতে পাড়ায় পাড়ায় বিক্ষোভের প্রসঙ্গও তুলে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমপানের পর দু’দিন আলো ছিল না বলে কী অসভ্যতাটাই না করলেন কিছু মানুষ। এত গালিগালাজ! প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলে দিল্লি, চেন্নাই, মুম্বইয়ে কী অবস্থা হয়? তারপরই ফের টানেন আনন্দবাজার প্রসঙ্গ। মমতার অভিযোগ, আনন্দবাজার পত্রিকা থেকে বহু মানুষকে ছাঁটাই করা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, যখন তুমি ছাঁটাই করো তখন এসব মনে থাকে না? আমি এমন অনেক সাংবাদিক, ক্যামেরাম্যানকে চিনি যাঁদের চাকরি চলে গেছে, বলেন মমতা। কিছু সাংবাদিকের গতিবিধি নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, কয়েকজন সাংবাদিক বিজেপির কাছ থেকে পকেটমানি পাচ্ছেন। তারপরই মমতার ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য, ২০২১ সালে যখন ওরা পালিয়ে যাবে, তখন ওই টাকা দিয়ে কারা কারা কত বড়লোক হয়েছেন, তা দেখতে হবে।
ওয়েব ডেস্ক ৮ই  জুলাই   ২০২০:৯ জুলাই, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টা থেকে কলকাতা সহ রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় ফের শুরু হচ্ছে লকডাউন। আনলক পর্বে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়াতেই এই পদক্ষেপ নবান্নের। তবে নয়া লকডাউন পর্বের জন্য নিয়মের কিছু অদলবদল করা হয়েছে। বদলে গিয়েছে কনটেইনমেন্টের সংজ্ঞাও। এক নজরে দেখে নিন, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে চলা নব পর্যায়ের লকডাউনে কীসের উপর থাকছে বিধিনিষেধ।
শহরের মধ্যে কোনও ছোট এলাকা থেকে একাধিক সংক্রমণের ঘটনা ঘটলে সেখানে নতুন করে লকডাউন জারি হবে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছিল। কনটেইনমেন্টের বহরও কমিয়ে আনা হয়েছিল।
এর আগে প্রশাসন শুধুমাত্র পজিটিভ কেসের ঠিকানা (ফ্ল্যাট বা বাড়ি) সিল করে দিচ্ছিল। কিন্তু আশেপাশের মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিকই ছিল। কিন্তু ৭ জুলাই, মঙ্গলবারের নবান্নের নির্দেশিকা বলছে বৃহত্তর কনটেইনমেন্ট জোনের কথা।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, বর্তমান কনটেইনমেন্ট জোনের সঙ্গে মিলে যাবে বর্তমান বাফার জোন। দুইয়ে মিলে তৈরি হবে বৃহত্তর কনটেইনমেন্ট জোন। এই বৃহত্তর কনটেইনমেন্ট জোনে কঠোর লকডাউন চলবে।
স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন ব্যানার্জির সাক্ষর করা সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা আছে, কনটেইনমেন্ট জোনের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি সমস্ত অফিস, জরুরি পরিষেবা নয় এমন কাজ, জমায়েত, গণপরিবহণ, সমস্ত মার্কেটিং, শিল্প সংস্থা বা বাণিজ্যিক সংস্থার কাজকর্ম বন্ধ থাকবে।
কলকাতা পুরসভা জানাচ্ছে, বাফার এরিয়া বিভিন্ন এলাকা ভেদে বদলে যেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, কোনও হাউজিং কমপ্লেক্সের একটি ফ্ল্যাট থেকে সংক্রমণের খবর পাওয়া গেলে বাফার এলাকা হবে গোটা হাউজিং কমপ্লেক্সটি। আর যদি সংক্রমিত একটি স্ট্যান্ড অ্যালোন বিল্ডিংয়ের বাসিন্দা হন, সেক্ষেত্রে চারপাশের ১০ টি বাড়ি বাফার এলাকার মধ্যে পড়বে। যদি কোনও ঘিঞ্জি বা বস্তি এলাকায় কোনও সংক্রমিতের সন্ধান পাওয়া যায় তাহলে? পুরসভা জানাচ্ছে সেক্ষেত্রে পুরো বস্তিটিকেই বাফার এরিয়া হিসেবে ধরা হবে।
মঙ্গলবার নবান্নের নির্দেশিকা বলছে, এবার থেকে বাফার জোন আলাদা করে হবে না। তার বদলে তা বৃহত্তর কনটেইনমেন্ট জোনের অন্তর্গত হবে। ফলে কনটেইনমেন্টে লকডাউনের যে নির্দেশিকা তা বৃহত্তর কনটেইনমেন্ট জোনেও কঠোরভাবে পালিত হবে।
মঙ্গলবার জারি করা সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি জেলার বৃহত্তর কনটেইনমেন্ট জোনের তালিকা সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এছাড়াও এগিয়ে বাংলা ওয়েবসাইটে তথ্য পাওয়া যাবে এই ঠিকানায়, https://www.wb.gov.in/index.aspx
এগিয়ে বাংলা ওয়েবসাইটের হোমপেজে গিয়ে কনটেইনমেন্ট জোনের জেলাওয়াড়ি তালিকায় ক্লিক করুন। সেখানে নিজের জেলা বেছে নিয়ে দেখুন আপনার বাড়ি বা অফিস কনটেইনমেন্ট জোনের মধ্যে পড়ছে কিনা।
কলকাতা পুর এলাকার কনটেইনমেন্ট জোনের তালিকা কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (KMC) এর ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। https://www.kmcgov.in/KMCPortal/jsp/KMCPortalHome1.jsp
হোম পেজের ডান দিকে ফিরহাদ হাকিমের ছবির ঠিক নীচে ক্যুইক লিঙ্কের মেনু দেওয়া আছে। সেখানে প্রথম বিষয় কলকাতা কনটেইনমেন্ট এরিয়া। সেখানেই শহরের সমস্ত কনটেইনমেন্ট জোনের তালিকা মিলবে।
ওয়েব ডেস্ক ৮ই  জুলাই   ২০২০:যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ট্যাবলয়েড ডেইলি মিরর, ডেইলি এক্সপ্রেস ও ডেইলি স্টার (ইউকে) পত্রিকা থেকে সাড়ে পাঁচশ কর্মী ছাঁটাই করছে কর্তৃপক্ষ। সাম্প্রতিক করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) পরিস্থিতিতে পত্রিকার বিক্রি কমে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ডেইলি মিরর ও ডেইলি এক্সপ্রেস ছাড়াও একই মালিকের ডেইলি স্টার (ইউকে), ওকে! ম্যাগাজিন রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানাচ্ছে গত প্রান্তিকে তাদের বিক্রি মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় আয় প্রায় ৩০ শতাংশ কমে গেছে। এ কারণে প্রায় ১২ শতাংশ জনবল ছাঁটাই করতে হচ্ছে তাদের।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকপক্ষের দাবি বিক্রি ও বিজ্ঞাপন থেকে আয় মারাত্মকভাবে কমে গেছে। প্রতিষ্ঠানটির সিইও জিম মুলেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শুধু করোনাভাইরাসের কারণেই নয়, গত বছরও প্রতিষ্ঠানটির আয় ১৩ শতাংশ কমেছিল। তবে ব্যয় সংকোচন করে গত বছর সে ধাক্কা সামলে নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

গত বছর প্রতিষ্ঠানটির সার্কুলেশন কমলেও অনলাইনে পাঠক বাড়ায় সে যাত্রা সামলে নেয়। এবার অবশ্য করোনাভাইরাসের কারণে বেশ অসুবিধায় পড়েছে। কর্মী ছাঁটাই ও বিভিন্নভাবে ব্যয় সংকোচন করে প্রতিষ্ঠানটি ৩৫ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় সংকোচন করতে পারবে বলে আশা করছে।

শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ডেইলি মিরর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০৩ সালে
ওয়েব ডেস্ক ৮ই  জুলাই   ২০২০:করোনাভাইরাসের কারণে দম ফেলার সুযোগ‌ ছিল না মুম্বাইয়ের সিওন হাসপাতালের দুই জুনিয়র ডাক্তারের। প্রেমের বন্ধনকে বিবাহের রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাকে তাই দূরেই সরিয়ে রাখতে হয়েছিল। অবশেষে তাঁরা ঠিক করলেন বিয়েটা করবেন। তবে বিবাহবাসর হবে তাঁদেরই কর্মস্থল। তাঁদের বিয়ের মেহেদি ও গায়ে হলুদ উপলক্ষে ফুলের সাজে সেজে উঠল হাসপাতালের হোস্টেলের অষ্টম তলা। করোনার আবহে যখন হাসপাতালে শুধুই কান্নার সুর, তখন আনন্দের এক টুকরো বাতাস বয়ে আনল এই বিয়ের অনুষ্ঠান।
ডা. রিম্পি নাহারিয়া (২৯) ও ডা. সারজেরাও সোনুনে (৩০)। দুজনেই অ্যানাসথেসিওলজিস্ট। তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে ৩০ জুন তাঁদের সহপাঠী বন্ধু ডাক্তাররা ফুল-আলোয় সাজিয়ে তুলল হাসপাতাল। অর্ডার দেওয়া বিশেষ ভুড়িভোজের। হরিয়ানার কনে এই বিশেষ বিয়ে নিয়ে বললেন, 'আমরা কখনও বিরাট ধূমধাম করে বিয়ে করতে চাইনি। কিন্তু বিয়েতে বিশেষ একটা কিছু করতে চেয়েছিলাম। এই ভাবেই আমাদের বন্ধুরা আমাদের বিয়েটাকে স্পেশ্য়াল করে তুলল।'
দুজনেই তিন বছরের কোর্স শেষ করে এমডি পড়ছেন। রিম্পি ও সারজেরাও ভেবেছিলেন, মে মাসে ফাইনাল পরীক্ষার পরই বিয়েটা সেরে ফেলবেন। তবে ঠিক সেই সময়েই দেশজুড়ে থাবা বসায় করোনাভাইরাস। বিয়েটা বাতিল করে দিতে হয় তাঁদের। ডাক্তার বরের কথায়, 'যে মহামারীতে সারা পৃথিবী আক্রান্ত, তা যে কবে শেষ হবে, কবে এর থেকে নিস্তার পাওয়া যাবে, তার কিছুই এখনও বুঝে ওঠা যাচ্ছে না।'

সেই কারণেই তাঁরা বিয়েটা সেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন। হোস্টেলে মেহেন্দি অনুষ্ঠানের পর ১ জুলাই ভিরারে রিম্পির বাড়ির অ্যাপার্টমেন্টেই খুব ছোট করে শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়। ঔরঙ্গাবাদ থেকে এসেছিলেন সারজেরাওয়ের বাবা ও বউদি। তবে অ্যাস্থমার রোগী হওয়ায় কোভিড পরিস্থিতিতে আর আসার ঝুঁকি নেননি বরের মা। বিয়ের সময় ভিডিয়ো কলেই গোটা অনুষ্ঠান উপভোগ করেন তিনি। দু দিনের বিয়ের পর্ব মিটিয়ে ফের কর্তব্যে অবিচল দুই ডাক্তার। কাজে যোগ দেন সিওন হাসপাতালে।



ওয়েব ডেস্ক ৮ই  জুলাই   ২০২০:লাদাখের গালওয়ান থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে চীনা বাহিনী। তবে সকলের দৃষ্টিতে ১৯৬২ সালের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা।
অনেকরে মনে প্রশ্ন উঠেছে চীনা বাহিনীর এই পিছিয়ে যাওয়া ‘সাময়িক’ নয়তো? তবে ১৯৬২ সালের যুদ্ধের অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখেই সতর্ক ভারত।
তাহলে ১৯৬২ সালের যুদ্ধে কী ঘটেছিলো। গালওয়ান উপত্যকায় সে সময় ঘাঁটি গেড়েছিল ভারতীয় গোর্খা রেজিমেন্ট। ৬ জুলাই চীনা প্ল্যাটুন গোর্খা বাহিনীকে দেখতে পায়। তারা হেডকোয়ার্টারে গিয়ে খবর দেয়। ৪ দিন পর ৩০০ জনের বাহিনী গালওয়ান উপত্যকায় জড়ো করে চীন। তারা গোর্খা রেজিমেন্টকে ঘিরে ফেলে। দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয় ।

১৫ জুলাই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, গালওয়ান পোস্ট থেকে ২০০ মিটার দূরে সরে গিয়েছে চীনা বাহিনী। কিন্তু তা ছিল নেহাতই ‘সাময়িক’। ফের ফিরে আসে চীনা বাহিনী। এর পর তিন মাস ধরে নয়াদিল্লি এবং বেজিংয়ের মধ্যে দীর্ঘ চিঠি আদান প্রদান চলে। এর মধ্যেই গ্রীষ্ম গড়িয়ে শীত চলে আসতে শুরু করে। গালওয়ানের তাপমাত্রাও দ্রুত নামতে থাকে। সেই সুযোগ নিয়ে ওই বছরের ২০ অক্টোবর গালওয়ান পোস্টে আচমকা হামলা চালায় চীনা বাহিনী। নিহত হন ৩৬ জন ভারতীয় সেনা। শুরু হয়ে যায় ভারত চীন যুদ্ধ। গালওয়ানসহ ভারত-চীন সীমান্তের একাধিক এলাকায় চলে যুদ্ধ।

প্রায় ৬ দশক পর এ বারও সঙ্ঘাতের কেন্দ্রবিন্দু সেই গালওয়ান। আগের ঘটনাক্রমের সঙ্গে মিলও পাওয়া যাচ্ছে কিছুটা। রোববার রাত থেকে গালওয়ানের সঙ্ঘর্ষস্থল বা পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪ থেকে পিছিয়ে যেতে শুরু করেছে চীনা সেনা। পাশাপাশি, গোগরা হট স্প্রিং ও প্যাংগং হ্রদের উত্তর দিকের অধিকৃত এলাকাতেও চীনা সাজোয়া গাড়িগুলি অনেকটাই পিছিয়েছে। কিন্তু ইতিহাস মনে রেখেই সতর্ক রয়েছে ভারতীয় বাহিনী।

১৯৬২ সালের ১৫ জুলাই সংবাদপত্রের শিরোনাম ছিল ‘গালওয়ান থেকে সরে গেল চিনা সেনা’। প্রায় ছ’দশক আগের সংবাদপত্রের সেই শিরোনামই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে উঠেছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সতর্কবার্তাও। কারণ, ১৯৬২ সালের ওই সময়ের ঠিক ৯৬ দিন পর, ২০ অক্টোবর শুরু হয়ে গিয়েছিল ভারত-চিন যুদ্ধ। আর তার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছিলো গালওয়ান।
ওয়েব ডেস্ক ৮ই  জুলাই   ২০২০: পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিন অধ্যুষিত অঞ্চল ও জর্ডান ভ্যালি দখলের ইসরায়েলি পরিকল্পনায় অধিকাংশ আরব নেতার সমর্থন আছে। এমনটি দাবি করছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম হায়োম।মিডেল ইস্ট মনিটরের বরাতে জানা যায়, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে হায়োমের সম্পাদকদের। যার কারণে প্রায়ই এই গণমাধ্যম নেতানিয়াহুর বিভিন্ন প্রোপ্যাগান্ডা ছড়াতে সাহায্য করে। নতুন এক প্রতিবেদনে ইসরায়েলের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বরাত দিয়ে তারা জানায়, বিভিন্ন আরব রাষ্ট্র ও নেতারা তাদের সমর্থনে আছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমটি দাবি করছে, মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ গালফ অঞ্চলের বেশ কিছু আরব রাষ্ট্র দখল পরিকল্পনার সঙ্গে একমত। তারা মূলত একটি লোক দেখানো প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা পশ্চিম তীর দখলের পর করা হবে। ইসরায়েলি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পর তারা নামেমাত্র এই পদক্ষেপের নিন্দা ও সমালোচনা করবে। মূলত ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের মতের কোনো অমিল নেই।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, যদি এই পদক্ষেপের কারণে পশ্চিম তীরে অশান্তি শুরু হয় তখন আরব রাষ্ট্রগুলো তাদের পরিকল্পনা পরিবর্তন করে অশান্তি দমন করবে। তারা সে সময় ইসরায়েলি পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা ও বিপক্ষে অবস্থান করার নাটক করবে।

আরব অঞ্চলের মধ্যে জর্ডান ইসরায়েলের বিরোধিতা করছে উল্লেখ করে বলা হয়, দখল পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে শুধু জর্ডান ও দেশটির বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ।

নেতানিয়াহুর পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১ জুলাই পশ্চিম তীর দখলের পরিকল্পনা হলেও তা কার্যকর হয়নি। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী সেদিন জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা প্রক্রিয়াধীন থাকায় তারা এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে পারেননি। মার্কিনিরা সবুজ সংকেত দিলেই তারা কাজে নেমে যাবেন।



Monday, 6 July 2020

ওয়েব ডেস্ক ৬ই  জুলাই   ২০২০: করোনা ভাইরাসের প্রকোপ কমাতে নাগরিগদের মধ্যে নতুন ব্লুটুথ যন্ত্র সরবরাহ শুরু করেছে সিঙ্গাপুর। মোবাইল এ্যাপের বিকল্প হিসেবে  নতুন করে যন্ত্রের মাধ্যমে নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করছে সরকার। যদের মোবাইল ফোন নেই তাদের জন্যে এ যন্ত্র ব্যবহারের চিন্তা করছে সরকার। তবে প্রাইভেসির ক্ষেত্রে কিছু প্রশ্ন রয়েছে।
প্রথম দফায় বয়স্কদের মাঝে এ যন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। যাদের পক্ষে মোবাইল চালানো সম্ভব না কিংবা চলাচলে যাদের সহায়তা করার লোকজন নেই তাদের জন্যে। এ যন্ত্রে চার্জও দিতে হবে না কারণ এতে নয় মাসের জন্য চার্জ দেয়া আছে। আশেপাশের মোবাইলের এ্যাপ দ্বারা ব্লুটুতের মাধ্যমে এ এ্যাপ কাজ করবে। কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে স্বাস্থ্য কর্মবর্তাকে নোটিশ পাঠাবে এ্যাপটি। তাছাড়া রোগীর সকল তথ্য ডাউনলোড হয়ে যাবে।

এক্ষেত্রে প্রাইভেসি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সরকার বলছে তারা অবস্থান শনাক্ত করতে এ এ্যাপ ব্যবহার করছে না। তাছাড়া ২৫ দিন পর এসব তথ্য মুছে যাবে ভরেও জানায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
ওয়েব ডেস্ক ৬ই  জুলাই   ২০২০: গত দু’সপ্তাহের সামান্য বেশি সময় ধরে আনন্দবাজার পত্রিকা গোষ্ঠী যেভাবে রাজ্য তো বটেই, একাধিক জাতীয় সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এসেছে তা রীতিমতো বেনজির। এবং এই গোটা এপিসোডে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রর ভূমিকা একটা জিনিসই স্পষ্ট  করে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বামেরা লড়াইয়ে আছে না নেই বড় কথা নয়, আসল কথা হল, জ্যোতি বসু নয়, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ঐতিহ্যই বহন করছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ের প্রাক্তন বিধায়ক। শ্রমিক-কর্মচারী নয়, মালিক-সম্পাদককে নিয়েই বেশি চিন্তিত তিনি।
২০১৯ লোকসভা ভোটের রেজাল্টের পর একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, সিপিএমের সমালোচনা করে কোনও খবর আর প্রকাশ করব না। তার কারণ যাঁরা বোঝার নিশ্চই বুঝবেন। আর সেই কারণটা বোঝানোর জন্য অনেকেই সাধারণত যে প্রবাদটি ব্যবহার করেন, তা হরেকৃষ্ণ কোঙারের পার্টির জন্য প্রয়োগ করতে ভালো লাগে না। কিন্তু ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়া যেখানে স্রেফ করোনার জন্য আটকে রয়েছে, সেখানে দাঁড়িয়ে একটা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়ে আজ এই লেখা।
 মনে হল, আমাদের পোর্টাল যতই ক্ষুদ্র হোক না কেন, ইতিহাসের দলিলে এই ঘটনাটার উল্লেখ থাকা দরকার।
মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেও জ্যোতি বসু শ্রমিক, কর্মচারীদের উদ্দেশে বারবারই বলতেন, আন্দোলনের অধিকার আপনারা ছাড়বেন না। এমনকী তাঁর পুত্র চন্দন বসুর ব্যবসা করা বা শিল্পপতি হয়ে ওঠাতেও রাজ্যের শ্রমিক-কর্মচারীর একটা বড় অংশ জ্যোতি বসুকে নিজের লোক বলেই মনে করেতেন। কিন্তু এই শ্রমিক-কর্মচারীর মধ্যে সিপিএমের ভিতটাই নড়বড়ে হয়ে পড়ল একুশ শতকের শুরু থেকে। নির্দিষ্টভাবে বললে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর। ২০০১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কর্মচারীদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন, ‘ডু ইট নাউ’। মুখ্যমন্ত্রীর এই কথা নিয়ে সিপিএমের ভাষায় তখনও পর্যন্ত ‘বুর্জোয়া’ সংবাদপত্র ঢাকঢোল নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়লেও, রাজ্যের শ্রমিক-কর্মচারী এর আসল মানে বুঝলেন আরও কিছুদিন বাদে। যখন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বললেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমি এমন একটা দল করি, যারা বনধ ডাকে’। সিপিএমের শ্রেণি চরিত্রের বদলের একটা ষোল কলা পূর্ণ হল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের এই মন্তব্যে। যদিও এই মন্তব্যের জন্য সিপিএমের তৎকালীন রাজ্য সম্পাদক অনিল বিশ্বাস পার্টির গঠনতন্ত্র মেনে বুদ্ধদেববাবুকে সেন্সর করেন, কিন্তু ততদিনে রাজ্যের হাজার-লক্ষ বাম-অতি বাম-বাম মনোভাবাপন্ন শ্রমিক, কর্মচারী বুঝে গিয়েছেন, জামবনি থেকে তালডাংরার সমবায় নির্বাচনে তাদের জয়ের খবর দলীয় মুখপত্র গণশক্তি পত্রিকার ভেতরের পাতায় ঠাঁই পাবে। আর প্রথম পাতায় উঠে আসবে প্রেসিডেন্সি কলেজের (তখনও বিশ্ববিদ্যালয় হয়নি) ছাত্র সংসদের ভোটে এসএফআইয়ের জেতার খবর। শ্রমিক-কৃষক নয়, ছাত্র-যুবই অগ্রাধিকার! সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম তো এরও পরের ব্যাপার।
লাল আবির মাখা ঝকঝকে ছেলে-মেয়েগুলোর ছবি গণশক্তির প্রথম পাতায় ছাপা হওয়ার মধ্যে কোনও অসুবিধে ছিল না। কিন্তু আস্তে-আস্তে কলকাতা এবং দুই ২৪ পরগনার নেতাদের দখলে চলে যাওয়া ৩১ আলিমুদ্দিন স্ট্রিট তখন খেয়াল করেও দেখেনি, ঘামে ভেজা জামা, ভাঙা চোয়াল, সরু কবজিতে ঢলঢল করতে থাকা এইচএমটি ঘড়ি পরা শ্রমিক-কর্মচারী কত দূরে সরে যাচ্ছেন প্রতিদিন। মুজফফর আহমেদ ভবন ফিরে দেখেনি, প্রেসিডেন্সির ছেলে-মেয়েদের গড় শ্রেণি চরিত্র এবং এই উদার অর্থনীতির যুগে কালচিনির চা বাগান থেকে খেজুরির ইঁটভাটার শ্রমিকের শ্রেণি চরিত্র এক নয়। বুদ্ধদেববাবু তখন মগ্ন এই ভাবনায়, প্রেসিডেন্সিকে উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তো এই প্রেসিডেন্সিরই প্রাক্তনী এবং আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদক অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যেদিন (৩০ মে) সূর্যকান্ত মিশ্র প্রথম ট্যুইট করলেন, তার ১০-১২ দিন আগেই করোনা এবং আমপানে বিধ্বস্ত বাংলায় এই সংবাদপত্র গোষ্ঠীতে কাজ হারান দুশোরও বেশি মানুষ। কাজ হারানো শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়ে একটা শব্দও উল্লেখ করলেন না সিপিএম রাজ্য সম্পাদক। আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকের ইস্তফার কারণ জানতে তিন দিনের ব্যবধানে তিনটি ট্যুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক। চুপ থাকলেন শ্রমিক ছাঁটাই নিয়ে।
অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায় কর্তৃপক্ষের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন বলে তাঁর স্ত্রী ফেসবুকে লেখার পরও, এই লেখা প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত আনন্দবাজার পত্রিকার ছাঁটাই হওয়া কর্মচারীদের নিয়ে এক বাক্যও ট্যুইট করলেন না সিপিএম রাজ্য সম্পাদক। এরই মধ্যে ৪ জুন আনন্দবাজার পত্রিকার এডিটোরিয়াল বিভাগে ১৭ জনকে ছাঁটাই করা হল। এই বিষয় নিয়ে কি কোনও ট্যুইট করবেন সূর্যকান্ত মিশ্র?
ওয়েব ডেস্ক ৬ই  জুলাই   ২০২০: একের পর এক পাহাড় কেটে রাস্তা, নদীর ওপরে কালভার্ট, অন্তত ১৬টি সেনা ছাউনির ছবি আগেই ধরা পড়েছিল উপগ্রহ চিত্রে। ভারত-চীন সেনা কমান্ডার পর্যায়ে তৃতীয় বৈঠকের পরেও গলওয়ান উপত্যকা থেকে তাদের পরিকাঠামো সরিয়ে নেওয়ার কোনো লক্ষণই দেখাচ্ছে না চীন। বরং ভারতীয় সেনা সূত্রের খবর, চীন নির্মাণকাজ বাড়িয়েই চলেছে। এখন গলওয়ান নদীর তীরে অন্তত ১৯টি শিবির তৈরি করেছে তারা। পিচের রাস্তাও তৈরি করা হয়েছে।
গালওয়ান উপত্যকার পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪-এর কাছে চীনা সেনার তাবু তৈরি নিয়েই সংঘর্ষ হয়েছিল ভারতের সেনাদের সঙ্গে। তাররেও ওই এলাকাসহ গলওয়ানে তাঁবু, রাস্তা তৈরির কাজ থামায়নি চীনা সেনারা।সেনা সূত্রের দাবি, গলওয়ান নদীর বাঁকে যে এলাকায় চীনা শিবিরগুলো তৈরি হয়েছে, তার কৌশলগত তাৎপর্য অনেক। কারণ তা থেকে গলওয়ান নদীর তীরে ভারতীয় সেনা শিবিরের ওপরে সরাসরি নজর রাখা যায়। ওই এলাকায়, বস্তুত পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪-এর কাছেই গলওয়ান নদী শাইয়োক নদীতে মিশেছে।
ভারতীয় সেনা সূত্রের মতে, ওই এলাকায় বরাবরই টহল দিত তারা। কিন্তু চীনা শিবিরের জন্য আর সেটা সম্ভব নয়। কারণ, এক সেনা কর্তার কথায়, চীনা সেনারা ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে ১৪৯ মিটার ঢুকে এসেছে।

সেনা সূত্রের মতে, ওই এলাকায় এখন তৈরি তাঁবু নিয়ে এসে বসাচ্ছে চীনা সেনারা। গোলাপি ত্রিপলের বদলে দেখা যাচ্ছে কালো ত্রিপল। ভারতীয় সেনাদের চলাচলে বাধা দেওয়ার জন্য তৈরি পাথরের বাধা সরিয়ে এলাকা পরিষ্কার করা হয়েছে।

বিশেষ ধরনের পোশাকও ব্যবহার করছে চীনারা। ওই পোশাকের নীচের অংশ বর্ষাতির কাপড়ে তৈরি। তাতে নদীতে নেমে কাজ করতে সুবিধা হচ্ছে। এক সেনা কর্তার কথায়, চীনারা ওই এলাকায় স্থায়ীভাবে থাকার প্রস্তুতি চালাচ্ছে, সন্দেহ নেই। পিছু হটার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না।

সামরিক সূত্রের খবর, শ্রীনগর, জম্মুর সুঞ্জওয়ান ও দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা থেকে ক্রমাগত সেনা ও রসদ লাদাখে নিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। মোদী সরকারও সীমান্তে পরিকাঠামো তৈরি থেকে পিছু হটবে না বলে ফের ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গডকড়ী।

তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মীর, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান ও হিমাচল প্রদেশের সীমান্ত এলাকায় একাধিক সড়ক তৈরির কাজ চলছে। প্রয়োজনে রানওয়ের কাজও করতে পারে এমন ১৭টি সড়ক তৈরির কাজ চলছে। তার মধ্যে তিনটির কাজ শেষ হয়েছে।
ওয়েব ডেস্ক ৬ই  জুলাই   ২০২০: যুক্তরাষ্ট্র এইচ-ওয়ান বি ভিসা বন্ধ করার পর এবার ভারতীয়দের কপাল পুড়ছে কুয়েতেও। কুয়েতের  ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেদেশে ভারতীয়দের সংখ্যা যেন মোট জনসংখ্যার ১৫ শতাংশ ছাড়িয়ে না যায়। এই মর্মে একটি বিলেও সম্মতি দিয়েছে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি। নতুন আইন পাশ হলে ৮ লাখ ভারতীয়কে কুয়েত ছাড়তে হবে।
কুয়েতে ১৪ লাখ ৫০ হাজার ভারতীয় বাস করেন। সেদেশের বাসিন্দা ৪৩ লক্ষ। তাদের মধ্যে বিদেশি আছেন ৩০ লাখ। বিশ্ব জুড়ে করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পরেই কুয়েতের প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয়, বিদেশির সংখ্যা কমানো হবে। জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী কুয়েতে ৪৯ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

সূত্রের খবর অনুসারে , 'গতমাসে কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবা অল খালিদ আল সাবা বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ এখন বিদেশি। তাদের সংখ্যা কমিয়ে ৩০ শতাংশ করা হবে।'

কুয়েত সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে কমপক্ষে ৮ লাখ ভারতীয়কে সেদেশ ছাড়তে হবে। করোনাকালে এটা মোদী সরকারের  জন্য বড় ধাক্কা হবে। বিশ্বে যে দেশগুলো করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার মধ্যে ভারত আছে তিন নম্বরে।
loading...