Monday, 27 January 2020

ওয়েব ডেস্ক ২৭ শে  জানুয়ারী  ২০২০ :বিজেপির নেতা মন্ত্রীদের স্ট্রাটেজিই হলো উস্কানি মূলক মন্তব্য করে বাজার গরম করা । আর তারা তাই করে যাচ্ছে কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করেই । বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে বীরভূমের জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল । শ্যামা পদ বাবু যে ভাষায় শাসক দলের লোকজনকে আক্রম করলেন তা এক কথায় নিন্দনীয় । তিনি কয়েকজন তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন করার নিদান শোনালেন । যা নিয়ে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে ।
তিনি দলীয় কর্মীদের বলেন প্রথমে ঘুমপাড়ানি গুলি, তাতে কাজ না হলে একেবারে চিরতরে ঘুম পাড়িয়ে দেবেন।’‌সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)–এর সমর্থনে এদিন সাঁইথিয়ায় বিজেপি একটি মিছিল বের করে। মিছিল শেষে অভেদানন্দ কলেজের কাছে একটি পথসভায় ভাষণ দেন জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল। বলেন, ‘‌কোনও বুনো হাতি যখন খেপে গিয়ে তাণ্ডব করে, ঘরবাড়ি ভাঙে, মানুষকে খুন করে, তখন মানুষ বনবিভাগে খবর দেন। বনবিভাগের কর্মীরা এসে প্রথমে ঘুমপাড়ানি গুলি করেন, যাতে হাতিটা ঘুমিয়ে পড়ে। আর যদি ঘুম না আসে তো হাতিটাকে তঁারা গুলি করে মেরে ফেলেন। সাঁইথিয়ায় তৃণমূলের এরকম ৩–৪ জন নেতা আছেন, আমি নাম করে করে বলে যাব, তঁারা যদি গুন্ডামি করেন, ঘরবাড়ি ভাঙেন, আমাদের কার্যকর্তাদের গায়ে হাত দেন, তাহলে আমি আমার কর্মী ভাইদের বলব, ঘুমপাড়ানি ওষুধটা প্রথমে দেবেন। আর সেই ওষুধে যদি কাজ না হয় তাহলে চিরতরে ঘুম পাড়িয়ে দেবেন।’‌যদিও এ খবর শোনার পর তৃণমূলের কর্মীরা ধিক্কার জানায় , কিন্তু জেলা  নেতৃত্বের মুন্সিয়ানায় কোনো রকম অশান্তি সৃষ্টি যাতে না হয় সে বিষয়ে নিশ্চিন্ত করা হয় । 
ওয়েব ডেস্ক ২৭ শে  জানুয়ারী  ২০২০ :যত আজগুবি কান্ড সবই বিজেপি শাসিত উত্তর প্রদেশে ।মানুষ এখনো যে কতটা গোড়ামির সাথে জীবন যাপন করে তার প্রমান আবার পাওয়া গেল ।আর যোগী আদিত্য নাথের কি কোনো কিছুই করার নেই এই সব বিষয়ে ? প্রশ্ন উঠছে ।অর্ধেক বিয়ে ইতোমধ্যেই শেষ। কেবল সাত পাকে বাধা বাকি৷ মঞ্চের একপাশে বসে কনে, তারই পাশে বোন৷ শ্বশুরবাড়ির লোকজন এসে নববধূকে আশির্বাদ করে যাচ্ছেন৷ একইভাবে হবু শ্বশুরও সেখানে আসলেন৷ আশির্বাদ করার পরেই হবু পুত্রবধূর কপালে উষ্ণ চুম্বন দিয়ে বসলেন৷ পাশাপাশি তার বোনকেও একটি চুমু দিলেন৷ আর বিপত্তি বাধে সেখানেই।
রাগে বিয়ের আসর থেকে উঠে গেলেন কনে। জানিয়ে দিলেন এ বিয়ে তিনি করবেন না৷ এমনই একটি ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরের ফাররুখাবাদের ঘটনা৷ সূত্রের খবর অনুসারে নাগলা খাইরবান্দা গ্রামের বাসিন্দা পরমেশ্বরী দয়ালের মেয়ে রুচির সঙ্গে ইতাহের বাসিন্দা বাবুরামের ছেলে রাজেশের বিয়ে ঠিক হয়৷ বিয়ের প্রায় শেষ মুহূর্তে অতিরিক্ত উচ্ছ্বাসে নববধূ রুচি ও তার বোন অনিতাকে চুমু খান বাবুরাম৷ এই কারণে বিয়েতে অস্বীকার করেন রুচি৷ এমনকি বরযাত্রীদেরও ফিরে যেতে বলেন তিনি৷ বাবুরাম তার কাছে ক্ষমতা চাইলেও মন গলেনি তার৷ ঘটনা যায় পুলিশের কানেও৷এ বিষয়ে কনে রুচির ভাই ব্রিজেশ জানিয়েছেন, বিয়ে বাবদ প্রায় ২৭ হাজার টাকা ফেরৎ দেওয়ার আশ্বাস দিলে বরযাত্রীরা ফিরে যেতে রাজি হয়৷   
ওয়েব ডেস্ক ২৭ শে  জানুয়ারী  ২০২০ :দেশের  বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) প্রত্যাহারের প্রস্তাব সোমবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিধানসভায় তোলা হচ্ছে। বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করবে ক্ষমতাসীন তৃণমূল। বিরোধী কংগ্রেস ও বাম শিবির থেকেও এই প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রতিবেশী তিন দেশ থেকে ধর্মীয় কারণে নির্যাতনের শিকার হয়ে যাওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, জৈন, পার্সি ধর্মাবলম্বীদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে আইন (সিএএ) সংশোধন করে ভারত। বৈষম্যমূলক এই আইনকে সংবিধানে বর্ণিত ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তির পরিপন্থি বলে মনে করছে দেশের  নাগরিক সমাজ ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। এই আইনের বিরুদ্ধে ভারতজুড়ে প্রতিবাদ চলছে। পরে কেরালা, পশ্চিমবঙ্গসহ আরও আটটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তারা রাজ্যে সিএএ চালু করবেন না। এরই মধ্যে দেশটির কেরালা, পাঞ্জাব ও রাজস্থানে সিএএ-বিরোধী প্রস্তাব পাস হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএএ প্রত্যাহার-সংক্রান্ত প্রস্তাব বিধানসভায় তোলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সিপিআইএম ও কংগ্রেস সম্মিলিতভাবে সিএএ-বিরোধী প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা করেছিল। সে সময় মুখ্যমন্ত্রী আপত্তি করলেও এখন তিনি প্রস্তাব আনার পক্ষেই মত দিয়েছেন। বাম ও কংগ্রেস 'নীতিগতভাবে' এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) নিয়ে সবার আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাই প্রস্তাব পাস করেছে। এদিকে, জনগণনা নিয়েও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ করেছেন মমতা।
ওয়েব ডেস্ক ২৭ শে  জানুয়ারী  ২০২০ :ইউরোপিয়ান পার্লিয়ামেন্টের ১৫৪ জন আইনপ্রণেতা অভিযোগ করেছেন, ‘সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে বিরোধীদের, সমালোচক সাংবাদিক ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোকে আইনি মামলায় জড়িয়ে দিচ্ছে ভারত সরকার। অযথা তাদের হয়রানি করছে। আর ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করছে।’ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে তাদের আবেদন, ‘ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের কোনও প্রকার বাণিজ্য চুক্তির আগে ওই খসড়ায় উল্লেখ করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ধারাগুলো উল্লেখ করা হোক। সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গ তোলা হোক।’
এনআরসি ও সিএএ বিরোধী আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে খসড়ায় আইনপ্রণেতারা বলেছেন, প্রতিবাদীদের মামলায় না ফাঁসিয়ে আলোচনায় বসুন।মোদি সরকারের কর্মকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করে খসড়ায় বলা হয়েছে, ‘আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে সংখ্যালঘুদের মৌলিক অধিকার হননের চেষ্টা করছে ভারত। ফলে সিএএ আর এনআরসি বাস্তবায়ন হলে সে দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেকেই রাষ্ট্রহীন হবেন।’ ইইউ-এর আইনপ্রণেতারা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার প্রদানে ভারতের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করে দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক স্তরে ভারত মানবাধিকার রক্ষার ১৫ ধারা অনুসরণ করে। এতে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক নাগরিকের স্বতন্ত্র অধিকার আছে। রাষ্ট্র দ্বারা চিহ্নিত কোনও নাগরিক তার সেই অধিকার হারাতে পারবেন না বা কেউ সেই অধিকার কেড়ে নিতে পারবে না। আর জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন জানিয়েছে, সিএএ মৌলিকভাবে বিভেদকামী।’
ওয়েব ডেস্ক ২৭ শে  জানুয়ারী  ২০২০ : ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের ১৫৪ জন আইনপ্রণেতা অভিযোগ করেছেন, ‘সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে বিরোধীদের, সমালোচক সাংবাদিক ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোকে আইনি মামলায় জড়িয়ে দিচ্ছে বিজেপি  সরকার। অযথা তাদের হয়রানি করছে। আর ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করছে।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে তাদের আবেদন, ‘ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের কোনও প্রকার বাণিজ্য চুক্তির আগে ওই খসড়ায় উল্লেখ করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ধারাগুলো উল্লেখ করা হোক। সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গ তোলা হোক।’

এনআরসি ও সিএএ বিরোধী আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে খসড়ায় আইনপ্রণেতারা বলেছেন, প্রতিবাদীদের মামলায় না ফাঁসিয়ে আলোচনায় বসুন।

মোদি সরকারের কর্মকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করে খসড়ায় বলা হয়েছে, ‘আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে সংখ্যালঘুদের মৌলিক অধিকার হননের চেষ্টা করছে ভারত। ফলে সিএএ আর এনআরসি বাস্তবায়ন হলে সে দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেকেই রাষ্ট্রহীন হবেন।’

ইইউ-এর আইনপ্রণেতারা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার প্রদানে ভারতের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করে দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক স্তরে ভারত মানবাধিকার রক্ষার ১৫ ধারা অনুসরণ করে। এতে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক নাগরিকের স্বতন্ত্র অধিকার আছে। রাষ্ট্র দ্বারা চিহ্নিত কোনও নাগরিক তার সেই অধিকার হারাতে পারবেন না বা কেউ সেই অধিকার কেড়ে নিতে পারবে না। আর জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন জানিয়েছে, সিএএ মৌলিকভাবে বিভেদকামী।’
ওয়েব ডেস্ক ২৭ শে  জানুয়ারী  ২০২০ : দেশের  প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন সকালে দফায় দফায় বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসাম। রবিবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে পরপর তিনটি বিস্ফোরণ ঘটে রাজ্যের চরাইদিউ, ডিব্রুগড় এবং ধুলিয়াযান জেলায়। সূত্রের খবর অনুসারে  ৩০ মিনিটের ব্যবধানে ঘটা বিস্ফোরণগুলোতে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে আসামে। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল।আসাম পুলিশের দাবি, রবিবার সকালে প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে ডিব্রুগড় জেলার গ্রাহামবাজার এলাকার ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন একটি দোকানে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে যান পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ কুকুরও সেখানে পাঠানো হয়েছে। যদিও এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রথম বিস্ফোরণটির মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই আরও দুটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। ধুলিয়াযান এবং চরাইদিউ জেলা থেকে যে বিস্ফোরণের খাবর পাওয়া গেছে, তার তীব্রতাও খুব একটা ছিল না বলে দাবি পুলিশ কর্মকর্তাদের। কেননা সেখানেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এর আগে শনিবার (২৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতেও রাজ্যের শিবসাগর জেলার একটি স্থানে স্বল্পমাত্রায় বিস্ফোরণ ঘটেছিল।
স্থানীয় প্রশাসনের মতে, কয়েক দফায় চালানো বিস্ফোরণগুলোর পেছনে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন উলফার হাত থাকতে পারে। কেননা এই সংগঠনটি আগেই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রজাতন্ত্র দিবস বয়কটের ডাক দিয়েছিল। যার অংশ হিসেবে রবিবার সকাল থেকে গোটা রাজ্যে হরতালের ডাক দেয় উলফা।

ওয়েব ডেস্ক ২৭ শে  জানুয়ারী  ২০২০ : বাজার গরম করার বিজেপি নেতারা যা  খুশি বলে বেড়াচ্ছেন , শুধু টি আর পি বাড়ানোর জন্য ।এখন এরকমই মনে হচ্ছে আমি জনতা থেকে প্রতিটা ভারতীয়র ।যদি গরম গরম কথা বলে অমিত শাহেদের নেক নজরে আসা যায় ।ঠিক তেমনটাই কি মনে করেছিলেন বাংলার বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহা ? হ্যায় তেমনটাই মনে করেছিলেন বলে তিনি এ কথা বলতে পেরেছেন ।কি কথা ? তিনি বলেন ‘পার্কসার্কাসে যে বাচ্চা আন্দোলনে সামিল হয়েছে, তারা বিদেশি বাচ্চা, ওখানে সব বাংলাদেশি মুসলমান।
ওদের ভারত ছাড়তেই হবে’, প্রজাতন্ত্র দিবসে পতাকা উত্তলনের পর  এমনটাই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা।দিল্লির শাহিনবাগের আঁচ গোটা ভারতেই ছড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গেও কলকাতায় পার্কসার্কাসে মুসলিম মহিলাদের বিক্ষোভ-আন্দোলনকে কলকাতার ‘শহিনবাগ’ আখ্যা দিয়েছেন বিজেপি-র এই নেতা। এনআরসি-র প্রতিবাদে পার্কসার্কাসের মুসলিম মহিলারা রাস্তায় নেমেছে, এমন কি এখানকার বাচ্চারাও সামিল হয়েছে আন্দোলনে।খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শাহিনবাগের আন্দোলনের বিরোধিতা করে মন্তব্য করেছেন এর আগে, এবার রাজ্যেও বিজেপি নেতার মুখে সেই নিয়েই মন্তব্য শোনা গেল। রাহুল সিনহার এহেন মন্তব্য বেশ তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করছে গোটা রাজনৈতিক মহল।    
ওয়েব ডেস্ক ২৭ শে  জানুয়ারী  ২০২০ : সুপ্রিম কোর্টের রায় আসার পর কিছুদিন চুপ ছিলেন যোগী  আদিত্যনাথ এবার আবার তিনি স্বমহিমায় আবির্ভাব করলেন ।তার অতি পরিচিত আক্রমণাত্মক মনোভাব আবার বেরিয়ে পড়ল রাম মন্দির গঠনের ক্ষেত্রে ।তিনি বলেন
 অযোধ্যা রাম মন্দির  নির্মাণের জন্য নয় ফেব্রুয়ারির মধ্যে ট্রাস্ট গঠন হবে আর তিন মাসের মধ্যে মন্দির নির্মাণ শুরু হয়ে যাবে। বিরোধীদের উপর আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ভোট ব্যাংকের রাজনীতির দোকান বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় মানুষকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে সিএএ  এর বিরোধিতা করা হচ্ছে। সরকার প্রদর্শনের চাপে আসবেনা। যারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে সরকারি সম্পত্তি ক্ষতি করেছে, তাঁদের কাছ থেকে যে করেই হোক ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ শনিবার লখনউয়ের একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন, সেখানে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় তিনি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর উপর আক্রমণ করে বলেন, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর আধ্যাত্মিকতা কোন অনুভব আর জ্ঞান নেই। উনি বলেন, ইতালি আর ভারতের সংস্কৃতি আলদা। উনি বলেন, বিরোধীরা যাতে ‘গেরুয়া” শব্দের মানে বুঝতে পারে সেই জন্য রাজ্যে তানহাজী সিনেমা ট্যাক্স ফ্রি করে দিয়েছি। যোগী আদিত্যনাথ দাবি করে বলেন, ২০২২ সালে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সরকার গঠন করবে আবার।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, বিজেপি সরকারের সিদ্ধান্ত সংবিধানের উল্লেখ করা হয়েছে তাঁরাই বলছে, যারা দেশ ভাগের জন্য দায়ী। যারা পরিকল্পনা লাগু করা থেকে শুরু করে যেকোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য শুধু ধর্মের রঙ খুঁজেছে তাঁরাই বিজেপির উপর দোষ চাপাচ্ছে। আমদের সরকার গরিবদের জন্য কাজ করেছে।মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, যারা হিংসা আর উপদ্রব করে সিদ্ধান্তকে বদল করার স্বপ্ন দেখছে, তাঁরা গভীর নিদ্রায় আছে। শান্তিপূর্ণ বিরোধ স্বীকার করা হবে, কিন্তু হিংসা আর আগুন জ্বালানো কখনো বরদাস্ত হবেনা। উপদ্রবিরা এটা যেন না ভাবে যে, মুখ্যমন্ত্রী আবাসে ডেকে তাঁদের মালাদান করা হবে। এই সরকার দোষীদের উপযুক্ত শিক্ষা দেবে।  

Saturday, 25 January 2020

ওয়েব ডেস্ক ২৫ শে  জানুয়ারী  ২০২০ : দিল্লি বিধানসভার ভোট ৮ ফেব্রুয়ারি। গণনা ১১ ফেব্রুয়ারি। রাজ্যের শাসক দল আম আদমি পার্টির মোকাবিলায় বিজেপির শীর্ষ নেতারা প্রচারের তীব্রতা বাড়াচ্ছেন। পুরোদমে আসরে নেমে পড়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একের পর এক রোড শো ও জনসভায় তাঁর গলায় একটাই সুর। তিনি বলছেন, রাজধানীর মানুষকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাঁরা পাকিস্তানের মদদদার হবেন না ভারতের হাত শক্ত করবেন।
তাঁর কথার এই সুর টেনে বিজেপির প্রার্থীরা সরাসরি বলতে শুরু করেছেন, ৮ ফেব্রুয়ারির লড়াইটা হতে চলেছে ভারত বনাম পাকিস্তানের যুদ্ধ।পাকিস্তানকে সরাসরি টেনে আনার কাজটা শুরু করেছেন অমিত শাহই। বৃহস্পতি ও শুক্রবার রাজধানীতে একাধিক জনসভা ও রোড শোয়ে তিনি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে। শাহ তাঁর ভাষণে বলছেন, ‘আমরা যাই করি না কেন ওঁরা তার বিরোধিতা করেন। ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল, রাম মন্দির তৈরির উদ্যোগ, তিন তালাক অবৈধ করা, নাগরিকত্ব আইনের সংশোধন—যাই আমরা করছি, ওঁরা বিরোধিতা করছেন।’ শাহর কথায়, ‘রাহুল গান্ধী আজ যা বলছেন পরক্ষণেই তা আওড়াচ্ছেন কেজরিওয়াল এবং পরের দিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে সেই এক কথা।’ অমিত শাহর কথায়, ‘এঁদের হাতে দিল্লি কখনো সুরক্ষিত থাকতে পারে না।’
ওয়েব ডেস্ক ২৫ শে  জানুয়ারী  ২০২০ :  ২৩ শে জানুয়ারী , ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট-এর এক নিবন্ধে বলা হয়েছে মোদির আমলে মুসলমানরা শঙ্কিত, তারা মনে করে ভারতকে একটা হিন্দু রাষ্ট্রের দিকে নিয়ে যাচ্ছে মোদী সরকার ।এই তুলোধোনায় , তেলে বেগুনে ফুটছেন বিজেপির নেতা বিজয় চৌথাইওয়াল। তিনি প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে লিখেছেন , ‘আমরা ভেবেছিলাম যে ১৯৪৭ সালেই ব্রিটিশরা চলে গেছে। তবে ইকোনমিস্টের সম্পাদকরা এখনও ঔপনিবেশিক যুগে বসবাস করছেন। ৬০ কোটি ভারতীয় তাদের নির্দেশ না মেনে মোদিকে ভোট দেওয়ার পর থেকে তারা ক্ষিপ্ত।’
আরেকটি টুইটবার্তায় ওই নেতা লিখছেন, ‘ঔদ্ধত্য এতোটাই যে, এখন তারা ভারতের সুপ্রিম কোর্টকেও উপদেশ বা হুমকি দিচ্ছেন। অনুপ্রবেশকারীদের নাকি ভারতে ধাওয়া করে ধরা হচ্ছে! আর ব্রিটেনে কী হয়?।।। দক্ষতার সঙ্গে তারা সিএএ-র লক্ষ্যটাকে গুলিয়ে দিচ্ছেন। কিছু মানুষের ঔপনিবেশিক মনোবৃত্তি কখনও কখনও যায় না।’  
ওয়েব ডেস্ক ২৫ শে  জানুয়ারী  ২০২০ :  দ্য ইকোনমিস্ট-এর এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) মাধ্যমে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে পরিচিত ভারতের অনুপ্রেরণাদায়ী ধারণাকে বিপন্ন করে তুলছে। ‘বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে বিভাজন উসকে দিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি’ শিরোনামের ওই নিবন্ধে বলা হয়েছে, দেশের  ২০ কোটিরও বেশি মুসলমানের আশঙ্কা, প্রধানমন্ত্রী একটি হিন্দু রাষ্ট্র বানাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) এক টুইটে তারা ভারতকে ‘অসহিষ্ণু দেশ’ উল্লেখ করে তাদের প্রচ্ছদটি শেয়ার করে লিখেছে, ‘যেভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও তার দল বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রকে বিপন্ন করছে।’
ইকোনমিস্টের নিবন্ধের সূত্রে ভারতীয় সম্প্রচারমাধ্যমে  বলা হয়েছে, গত শতকের ৮০-র দশক থেকে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের আন্দোলন থেকে উত্থান হওয়া বিজেপি ভারতে ধর্মীয় এবং জাতীয় পরিচয় নিয়ে বিভাজন সৃষ্টির মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টায় মত্ত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বলছে, ‘বিদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে ভারতীয়দের নাগরিকপঞ্জি বানানোর ওই পরিকল্পনা দেশটির ১৩০ কোটি মানুষকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তালিকায় নাম সংশোধন, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা এবং সংশোধনী বছরের পর বছর ধরে উত্তেজনা জিইয়ে রাখতে পারে।’

ইকোনমিস্ট দাবি করেছে, এ ধরনের ইস্যু জনগণকে বিভ্রান্ত করে অর্থনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দিতে ভূমিকা রাখবে। গত বছরের নির্বাচনে বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর থেকে ‘ভারতের অর্থনীতি ভয়াবহ মাত্রায় নিম্নমুখী’ উল্লেখ করে এ নিয়ে উদ্বেগের কথাও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। 

ইকোনমিস্টের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইন্টিলিজেন্স ইউনিটের গত সপ্তাহে প্রকাশিত ২০১৯ সালের ‘গণতন্ত্র সূচকে’ও ভারতের বড় ধরনের অবনমন হয়েছে। সূচকে মোট ১০ পয়েন্টের মধ্যে ভারতের স্কোর ৬ দশমিক ৯। সব মিলিয়ে ১৬৫টি রাষ্ট্র ও দুইটি অঞ্চলের মধ্যে দেশটির অবস্থান ৫১। এতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভারতের এই পতনের পেছনে ক্ষয়িষ্ণু নাগরিক স্বাধীনতাকে প্রাথমিক কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দিল্লির জন্য আরও অস্বস্তির বিষয় হচ্ছে, ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট জানিয়েছে, ২০২০ সালে গণতন্ত্রের সূচকে ভারত আরও নামবে। কারণ গত ডিসেম্বরে দেশটির পার্লামেন্টে মুসলিমবিদ্বেষী নাগরিকত্ব সংশোধন বিল পাস হয়েছে। এখন তা আইনে পরিণত হয়েছে। এই আইন বিভেদকামী বলে মনে করছে সংগঠনটি।
loading...