Saturday, 19 January 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জানুয়ারি ২০১৯:বাংলায় নিজের সরকার গঠন করার সময় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন , বাংলা যা আজ ভাববে ভারত সেটা কাল ভাববে ।সেই কথাটি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে বিজেপি বিরোধী সব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের এক মঞ্চে নিয়ে আসলেন ।উদ্দেশ্য একটাই , বিজেপিকে উৎখাত করতে হবে ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে ।সেখানে তিনি বলেন স্বাধীনতা আন্দোলনে পথ দেখিয়েছিল বাংলা। যখনই কোনও বড় বিপদ এসেছে বাংলা পথ দেখিয়েছে। এবারও বাংলাই নেতৃত্ব দেবে। বিজেপিকে উৎখাত করতেই হবে।


 মমতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ২০১৯ এ একটাই স্লোগান বদলে দাও। মোদি সরকারকে বদলে দাও। মোদি, অমিত শাহ নিজের দলের নেতাদেরও সম্মান করেন না। প্রয়োজনে তাঁদের ব্যবহার করেন। প্রয়োজন মিটে গেলে তাঁদের ছুড়ে ফেলে দেন। এখন বিপাকে পড়ে দলের সব নেতাদের একজোট হয়ে লড়াইয়ের কথা বলছেন তিনি। অথচ কয়েকদিন আগেও শুধু নিজেদের কথাই ভাবছিলেন তাঁরা। সবকিছুর যেমন একটা এক্সপায়ারি ডেট থাকে। মোদি সরকারেরও এক্সপায়ারি ডেট শেষ হয়ে গিয়েছে। এবার আর মানুষ তাঁদের ক্ষমতায় ফিরতে দেবেন না বলে ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে রীতিমত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। মমতা বলেছেন, যাঁদের তিনি ছাড়েননি, তাঁরা কেন মোদিকে ছাড়বেন। বদল করতেই হবে। এখনও মানুষ যদি বিজেপিকে ভোট দেন তাহলে ব্যাঙ্কে আর একটি টাকাও থাকবে না তাঁদের। সব টাকা তাঁরা লুঠ করে নিয়ে যাবেন। বিজেপির রথযাত্রাকে আক্রমণ করে মমতা বলেছেন, এতদিন জানতাম জগন্নাথের রথ হয়। এই প্রথম জানলাম বিজেপির রথ। সেটা আসলে পাঁচতারা হোটেল। রথযাত্রার নামে হিংসা ছড়ানো কিছুতেই তিনি বরদাস্ত করবেন না বলে জানিয়েছেন। লুঠের টাকায় ভোট করছে বিজেপি। একের পর এক সরকারি প্রকল্পের নামে দুর্নীতি চলছে। যে প্রকল্পগুলিতে রাজ্য সরকার টাকা দিচ্ছে সেগুলি নিজেদের ছবি দিয়ে প্রচার করছে কেন্দ্র। এরকম রাজনীতি আগে কখনও হয়নি বলে অভিযোগ তৃণমূল নেত্রীর। যে মোদির বিরুদ্ধে কথা বলছে তাঁকেই চোর বলা হচ্ছে। আজকের ঐতিহাসিক জনসভা নিঃসন্দেহে অমিত শাহ্দের রক্ত চাপ বাড়াবে ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জানুয়ারি ২০১৯:মমতার এক ডাকে দিল্লির থেকে ছুটে চলে এসেছিলেন শ্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল , কেন তিনি জানেন বিজেপির সাথে সমানে সমানে টক্কর একমাত্র দিদিই নিতে পারেন আর এই মমতা দিদিই তাকে বাঁচাতে পারেন ।

 দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর  কিন্তু এই বাংলার সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক তার ছাত্রজীবন থেকে , যখন তিনি আই .আই . টি খড়গপুড়ে ইঞ্জিনীরিং পড়তেন ।আজ সেই বাংলার বুকে দাঁড়িরে কেজরিওয়াল বলেন ‘আজ দলিত মুসলিমদের খুন করা হয়েছে। মবলিংচিং হচ্ছে।’সংবিধান বদল করে হিটলার যা করতে চেয়েছিলেন তাই করেছেন নরেন্দ্র মোদি।ঊনিশে মোদি ও অমিত শাহকে তাড়ানোর ডাক দেন কেজরিওয়াল। তিনি বলেন, ‘মোদি আর অমিত শাহ কে সরানোর মধ্য দিয়ে ভারতের সুদিন আসবে।’ তিনি এও  বলেন হিন্দু মুসলিমদের  মধ্যে গোলমাল লাগানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিজেপি , যা খুবই নিন্দনীয় ঘটনা বলে বর্ণনা করেন তিনি ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জানুয়ারি ২০১৯:যেই কথাটা অজানা নয় কারোর , কিন্তু কেউ বলতে সাহস পাননি , আজ সেই কাজের কাজটি করে দেখালেন স্টালিন ।তিনি সোজাসুজি বলে দিলেন , একমাত্র মমতাকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভয় পান ।ব্যাপারটা কারুর অজানা নয় কিন্তু কেউ সাহস  পাননি এই কথাটা জনসমক্ষে বলতে , কিন্তু এই কথাটা তিনি বলার সাহস দেখালেন ।

শুধু তাই নয় ,আসন্ন লোকসভা ভোটকে দেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা সংগ্রাম বলে বর্ণনা করলেন ডিএমকে প্রধান এম কে স্ট্যালিন। একইসঙ্গে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললেন লৌহমানবী। তিনি বলেন, লৌহমানবী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে আমরা সবাই মিলিত হয়েছি। বিপুল জন সমাবেশ থেকে তিনি স্লোগান তোলেন- বিজেপি হটাও, মোদীকে বাড়ি পাঠাও, দেশ বাঁচাও।স্ট্যালিন বলেন, মোদী দেশের সর্বনাশ করছেন। তাই দেশে আজ পরিবর্তনের আওয়াজ উঠেছে। বিরোধীরা একজোট হয়েছে। তাই দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। মোদীর সঙ্গে বিরোধীদের ব্যক্তিগত সংগ্রাম নেই। কিন্তু কেন্দ্রের সরকার যেভাবে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হয়ে উঠেছে। আর আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে সেই কোম্পানির ডিরেক্টর হয়ে উঠেছেন, তা থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। বাংলার মানুষ শ্রীযুক্ত এম কে স্ট্যালিনের বাংলায় আসার জন্য অভিভূত , তারা আরো অভিভূত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের বোন বলে সম্মোধন করায়।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জানুয়ারি ২০১৯:এরকম ব্রিগেড সভা কলকাতার বুকে বিগত সভাকেও যে ছাপিয়ে যাবে তা বিলক্ষণ টের পাওয়া গিয়েছিল কয়েক দিন  আগে থেকেই , কিন্তু আজ জনজোয়ারে প্লাবিত হল  । শুক্রবার থেকেই দেশ তথা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্রিগেডে যোগদানকারীরা শহরে প্রবেশ করতে  শুরু করেছেন । শনিবার সকালে সেই চিত্রই দেখা গেল ।আজ সকাল থেকে মূলত মিছিল ঢুকছে হাওড়া স্ট্র্যান্ড রোড, শিয়ালদহ এস এন ব্যানার্জি রোড, মৌলালি, খিদিরপুর হেস্টিংসও পার্ক সার্কাসের এ জে সি বোস রোড, হাজরা, ব্রেবোর্ন রোড ধরে।


পাশাপাশি জলপথেও প্রচুর মানুষ আসছেন ব্রিগেডে যোগদান করতে । তাই সকাল থেকেই বাংলার  ভিড় করেছে ফেরিঘাটগুলোতেও ।কার্যত সকাল থেকেই শহরের বেশ কিছু জায়গায় যানযট তৈরি হয়েছে । বেলা যত বেড়েছে মিছিলের চাপ তত বাড়ছে । এদিকে যানযট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ তৎপর কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ । আপাতত শহরের কোনও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ করা হয়নি । তবে যেখানে যখন মিছিলের চাপ বেড়েছে সেখানে কিছুক্ষনের জন্য গাড়ি থামানো হচ্ছে । বা কোনও জায়গায় গাড়িগুলি অন্য রুটে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে । যাতে মিছিলের কারণে কোনও সমস্যা না হয় সেদিকেও বিশেষ নজর রাখছে ট্রাফিক পুলিশ সেই সূত্র ধরে সভায় বক্তিতা দিতে ওঠেন জীগনেশ মেবানি । তৃণমূলের ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে রীতি মতো হুঙ্কার দিলেন জীগনেশ মেবানি। তিনি বলেন, ” মানুষ বিচার চায়, মোদির বিদায় চায়”। তিনি আরও বলেন,’সংবিধানের উপর বারবার আক্রমণ করা হয়েছে। কৃষক শ্রমিকরা অধিকার থেকে বঞ্চিত।’এদিন সকাল থেকেই ব্রিগেড মঞ্চে দেশের বড় বড় নেতারা উপস্থিত হতে থাকেন। পতিদার নেতা হার্দিক প্যাটেল থেকে শুরু করে কংগ্রেস নেতা ওমর আব্দুল্লা
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জানুয়ারি ২০১৯: এ যেন চাঁদের হাট , এচ ডি দেভগওরা, শত্রুগ্ন সিনহা , সবাই একে একে এসে পৌঁছিয়েছেন ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন যারা বাইরে থেকে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন তারা আগে বক্তিতা দেবে তারপর সবার শেষে তিনি বক্তিতা দেবেন ।
সেই সূত্র ধরে সভায় বক্তিতা দিতে ওঠেন জীগনেশ মেবানি । তৃণমূলের ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে রীতি মতো হুঙ্কার দিলেন জীগনেশ মেবানি। তিনি বলেন, ” মানুষ বিচার চায়, মোদির বিদায় চায়”। তিনি আরও বলেন,’সংবিধানের উপর বারবার আক্রমণ করা হয়েছে। কৃষক শ্রমিকরা অধিকার থেকে বঞ্চিত।’এদিন সকাল থেকেই ব্রিগেড মঞ্চে দেশের বড় বড় নেতারা উপস্থিত হতে থাকেন। পতিদার নেতা হার্দিক প্যাটেল থেকে শুরু করে কংগ্রেস নেতা ওমর আব্দুল্লা
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জানুয়ারি ২০১৯: হাই-টেক মুখ্যমন্ত্রী বলে খ্যাত চন্দ্রবাবু নাইডু এবার সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধী আক্রমণ শানালেন।তিনি স্পটতই বললেন দেশে এখন দুটি ফ্রন্ট ,একটা বিজেপির অন্যটি অবিজেপি ফ্রন্ট ।তার মানে লড়াই হবে বিজেপি সাথে বাকি সবাইয়ের , যেটা উনি মুখে বলেননি , কিন্তু যেকোনো শিক্ষিত মানুষই বোঝার ক্ষমতা রাখে।তাঁর মতে, মোদি–‌বিরোধী দলগুলি  শনিবার সকালে  কলকাতায় মমতা ব্যানার্জির ডাকা সমাবেশে যোগ দিতে চলেছে। আর যারা যোগ দিচ্ছে না, তারা মোদি–‌পন্থী।


টিডিপি প্রধানের এই শ্রেণিবিভাগের একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য আছে। তাঁর নিজের রাজ্য ও পাশের রাজ্যে টিডিপির শত্রুদল জগন্মোহনের ওয়াইএসআর কংগ্রেস এবং চন্দ্রশেখর রাওয়ের টিআরএস আদতে  বিজেপির দোসর, এটাই তাঁর বক্তব্য। চন্দ্রবাবুর ভাষায়, ‘‌কলকাতার সমাবেশে ওরা যোগ দিচ্ছে না, তাতেই স্পষ্ট, ওদের অবস্থানটা কী।’‌ তেলুগু দেশমের প্রতিষ্ঠাতা এন টি রামরাওয়ের ২৩‌তম মৃত্যুদিবস উপলক্ষে দলের কর্মীদের নিয়ে টেলি–কনফারেন্স করা হয় শুক্রবার। সেখানে বিজেপির স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন চন্দ্রবাবু। তাঁর ভাষণে বলেন, দেশে আজ বিজেপির স্বৈরাচার চলছে, চলছে নরেন্দ্র মোদির একনায়কতন্ত্র। এনটিআর শিখিয়ে গেছেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কী করে লড়তে হয়। তেলুগু দেশম একটা ‘‌ন্যায়যুদ্ধ’‌ চালাচ্ছে। লোকসভা ও অন্ধ্র বিধানসভার নির্বাচন আর মাত্র ‘‌১০০ দিন’‌ দূরে। নির্বাচনে দলের ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাক দেন চন্দ্রবাবু। মনে করিয়ে দেন, অন্ধ্রে টিডিপির জয় এবার জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।‌ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সবাই যে এক বাক্যে সমর্থন করছেন এটা তারই বহিঃপ্রকাশ  । 

Friday, 18 January 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৮ই  জানুয়ারি ২০১৯:  মমতাকে আগামী দিনে  সবাই প্রধানমন্ত্রীর হিসেবে দেখতে চাইছেন এই কথাটাই কি পরোক্ষে বুঝিয়ে দিলেন অখিলেশ ? প্রসঙ্গত তিনি বলেন , “দেশের মানুষ নতুন প্রধানমন্ত্রী চাইছেন, নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করছেন”

আগামীকালের  ব্রিগেড সমাবেশে যোগদান করতে এসেই কলকাতায় সাংবাদিককের একথা বলেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। মায়াবতীর সাথে জোট করেও কেন মমতার সমাবেশে যোগ দিতে এলেন? সাংবাদিক দের এমন প্রশ্নের উত্তরে অখিলেশ যাদব বলেন, উত্তরপ্রদেশে অখিলেশ যাদব ও মায়াবতীর জোট দেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলোর মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে।জোট হওয়ায়  বিজেপির ঘুম ছুটেছে। বিজেপি তার সহযোগী আরএসএস উত্তরপ্রদেশে একটি সিট বাঁচানোর জন্য বারবার নিজেরা বৈঠক করেছেন। আগামী দিনে মানুষ নতুন প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রয়েছেন।
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই  জানুয়ারি ২০১৯:  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যেভাবে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা আসছেন তা এক কথায় অভূতপূর্ব । ভারতের রাজনীতিতে এমন একটা জায়গা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করে নিচ্ছেন যেখানে তিনি কাউকে আমন্ত্রণ জানানোর আগেই সেই ব্যক্তি তার সম্মতি দিয়ে দিচ্ছেন ।প্রসঙ্গত আগামীকাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপি বিরোধী ব্রিগেড সমাবেশে আসছেন আসামের সাংসদ তথা এআইইউডিএফ এর প্ৰধান মাওলানা বদরুদ্দীন আজমল। পশ্চিমবঙ্গ বা দেশীয় রাজনীতিতে তেমন মুখ পরিচিত না হলেও আসামে ব্যাপক প্রভাব রয়েছে আজমলের। শুধু বড় রাজনৈতিক দল নয় ছোট ছোট দল গুলোকে নিয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে যে বড়সড় লড়াই করতে চলেছেন তিনি, আজমল কে ডেকে সেটাই প্রমান করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
   
উল্লেখ্য, মাওলানা বদরুদ্দীন আজমল আসামের রাজনীতি তে বেশ পরিচিত মুখ। তার দল এআইইউডিএফ থেকে একাধিক বার  সাংসদ হয়েছেন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসায়ী হিসাবে বেশ খ্যাতি রয়েছে তার। এই মহূর্তে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার অঙ্গীকার নিয়েছে দেশের সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দল। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেডারেল ফ্রন্ট গঠন করতে তৎপর হয়েছে। আগামী লোকসভা নির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলোই মূল ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করবে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই শনিবার ব্রিগেড জনসভায় ভারতবর্ষের সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলোতে এক মঞ্চে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তিনি। বিজেপি বিরোধী সেই ব্রিগেড আসছেন কেজরিওয়াল, কুমারস্বামী, মুলায়ম, ফারুক আব্দুল্লাহ, ওমর ফারুক, মল্লিকার্জুন খার্গে সহ দেশের প্রায় সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। এবার সেই মঞ্চে যোগ হচ্ছেন বদরুদ্দীন আজমল।বাংলার মানুষের একটাই আশা একজন বাঙালি প্রধানমন্ত্রী ভারতের মসনদে । 
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই  জানুয়ারি ২০১৯: আগামী কাল মহা ব্রিগেড ,এটি এমনই একটি ব্রিগেড যে এরকম অভূতপূর্ব ব্রিগেড এর আগে কখন দেখা যায়নি   স্বাভাবিক ভাবে যানজটের আশংকা থাকবেই । রাজধানী কলকাতা সপ্তাহের আর পাঁচটা দিনের মতো চেনা ছন্দে দেখা যাবেনা সেটা বলাই বাহুল্য । শহরের বহু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়তে পারে। শনিবার সকাল থেকেই শহর ও শহরতলির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মিছিল শুরু হবে। সঙ্গে সঙ্গে প্রচুর গাড়ি ঢুকবে কলকাতা শহরে।


ট্রেন , জলপথ ও মেট্রো — সাধারণের ব্যবহার্য দরকারি সব পরিবহন ব্যবস্থায় মানুষের অস্বাভাবিক ভিড় চোখে পড়বেই।মেট্রো রেলে নেওয়া হচ্ছে আলাদা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। প্রতি স্টেশনে বাড়ানো হচ্ছে রক্ষী , দমদম , এসপ্ল্যানেড ও ময়দানে থাকবে কমান্ডো। থাকবে ডগ স্কোয়াডও। শাসক দলের বিধায়ক – সাংসদ – মন্ত্রীদের সকাল ৯ টার  মধ্যে ব্রিগেডে পৌঁছে যেতে অনুরোধ করেছে লালবাজারের   পুলিশ কর্তৃপক্ষ ।লালবাজারের একটি সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে আজ রাত ১০ টা থেকেই শহরে নামছে  ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ ৬ টি দল।ময়দান চত্বরে পরিবেশ রক্ষার জন্য আজ রাতে  পুলিশের ১৫ টি দল নজরদারি চালাবে।   শনিবার সকাল থেকেই তৃণমূল সমর্থকদের ১১টি মিছিল বের হবে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ সমাবেশে উপস্থিত ভি ভি আই পিদের নিরাপত্তার রক্ষায় ১২টি জোনে ভাগ করা হয়েছে ব্রিগেড চত্বর। প্রতি জোনের  নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছেন একজন করে ডি  সি। ৬টি ওয়াচটাওয়ার থেকে দূরবীনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে।কলকাতা পুলিশ যেমন আমাদের সাথে আছে সাধারণ জনগণের কর্তব্য কলকাতা পুলিশকে সাহায্য করা ।
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই  জানুয়ারি ২০১৯: একমুহূর্তও অবিজেপি রাজনৈতিক দলগুলি বিজেপিকে আর ভারতের মসনদে চাইছেনা,কিন্তু এই গণতান্ত্রিক দেশে ২০১৯ নির্বাচন অবধি অপেক্ষা  করতেই হবে আর এরই মধ্যে ১৯ জানুয়ারী ব্রিগেডকে সামনে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন ওই দিনই বিজেপির মৃত্যু ঘন্টা বাজবে   
তাঁর মতে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ১২৫ টির বেশি আসন পাবেন বি জে পি।ব্রিগেডে বিশাল জনসভার ৪৮ ঘন্টা আগে সভাস্থলের নিরাপত্তা ,ব্যবস্থাপনা ,মঞ্চ তৈরিএই সবকিছুই ঘুরে ঘুরে দেখেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সাংবাদিকদের বলেন — ‘ কংগ্রেস কটি আসন পাবে জানিনা , তবে বি জে পি কোনওভাবেই ১২৫টির বেশি আসন পাবে না. সেটা পেলেই বলব অনেক।তৃণমূল নেত্রীর দৃঢ় বিশ্বাস এবারের লোকসভা নির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলিই হবে নির্ণায়ক শক্তি।উল্লেখ্য কালকের জনসভায় বি এস পি নেত্রী মায়াবতী না এলেও দলের সর্বভারতীয় সম্পাদক সতীশ মিশ্র আসছেন। এটি খুব তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হিসাবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।রাজনৈতিক নক্ষত্রদের মধ্যে অবশ্যই থাকবেন রাম যেত মালানি যিনি প্রথমবার বলেছিলেন ভারতের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো সৎ প্রধানমন্ত্রী দরকার   
loading...