Tuesday, 12 February 2019

ওয়েব ডেস্ক ১২ ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯:বিজেপি আমলে সিবিআই এর কর্তারা 'ধরা কে সরা' জ্ঞান করে যাচ্ছেন বলে কানাঘুঁষো অনেকদিন ধরেই ছিল , এবার সর্বোচ্চ আদালতের শাস্তিতে সেটা সামনে এলো ।  তাও আবার আদালত অবমাননার দায়ে ।প্রসঙ্গত  আদালত অবমাননার দায়ে সিবিআইয়ের প্রাক্তন অন্তর্ভর্তীকালীন অধিকর্তা নাগেশ্বর রাও ও সিবিআই-এর আইনি উপদেষ্টাকে দোষী সাব্যস্ত করল সুপ্রিম কোর্ট। মুজফ্ফপুর হোমে শিশু নিগ্রহ মামলায় আদালেতর নির্দেশ অমান্য় করার জন্য তাঁদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। যতক্ষণ আদালতের কাজ চলবে, ততক্ষণ প্রধান বিচারপতির এজলাসের এক কোণায় তাঁদের বসে থাকার শাস্তিও দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
নাগেশ্বর রাও আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেও তা খারিজ করে দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, মুজফ্ফপুরের ঘটনায় প্রাক্তন যুগ্ম অধিকর্তা অরুণ কুমার শর্মাকে না সরানোর নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শর্মাকে সরিয়ে দেন নাগেশ্বর রাও। তিনি যে আদালত অবমাননা করেছেন, তা গত সপ্তাহে শুনানিতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, আদালত অবমাননা হয়েছে। সুতরাং নাগেশ্বর রাওয়ের কেরিয়ারে কালো দাগ পড়বে। রাওয়ের হয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেনুগোপাল বলেন, নাগেশ্বর রাওয়ের ৩২ বছরের ট্র্যাক রেকর্ড ভালো। তাঁর নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থণার দিকে নজর রেখে বিচার করা হোক। কিন্তু শেষপর্যন্ত আদালত তাঁকে সাজাই দেয়।কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠছে সরকারের মন তুষ্ট করতে গিয়েই নাগেশ্বর রাওয়ের মতো লোকেদের ওপর খাড়া নেমে আসছে না তো ? প্রশ্ন কিন্তু একটা থেকেই গেল ।
ওয়েব ডেস্ক ১২ ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯: তৃণমূলের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের খুনের সাথে আর এস এস এর কোনো যোগ আছে ? ঘটনা যে ভাবে মোড় নিচ্ছে । আর যা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে সেটা না মনে হওয়ার কোনো কারণ দেখা যাচ্ছেনা । প্রসঙ্গত ধৃত সুজিত মন্ডলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি ও আরএসএস-এর কাগজ।মঙ্গলবার সকালে সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের অভিযোগে ধৃত সুজিত মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাশি করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উদ্ধার হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি, বিজেপি ও আরএসএস-এর বেশ কিছু কাগজপত্র এবং একটি ধারালো অস্ত্র। এর পরেই এলাকার বাসিন্দারা ভাঙচুর চালান সুজিত মণ্ডলের বাড়িতে।
পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে হাঁসখালি থানার পুলিশ। উদ্ধার হওয়া সমস্ত কিছুই পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা। প্রসঙ্গত, বিধায়ক খুনে আরএসএস যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেই অভিযুক্তের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময়ে বিজেপি ও আরএসএস-এর কাগজ উদ্ধার করেন এলাকার বাসিনন্দারা।পরিস্তিতি অনুযায়ী যা পাওয়া গেছে ধৃতের বাড়ি থেকে তাতে এলাকাবাসীর যদি মনে হয় আর এস এস এবং বিজেপির লোকেরা এর সাথে যুক্ত তাহলে খুব ভুল বলছে বলা যাবে কি ?
ওয়েব ডেস্ক ১২ ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯: রাফায়েল নিয়ে রাহুল গান্ধী আবার একহাত নিলেন নরেন্দ্র মোদিকে ।উনি যেই অভিযোগ করলেন তা রীতি মতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে রাজনৈতিক মহলে । তিনি বলেন, রাফালে চুক্তি ঘোষণার আগেই অনিল আম্বানি জানতেন বরাত পাবেন। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ, নরেন্দ্র মোদী ৩৬টি রাফালে ফাইটার বিমান কেনার আগেই তৎকালীন ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর উপদেষ্টারা।
এদিকে এদিনই সংসদে রাফালে নিয়ে ক্যাগ রিপোর্ট পেশের কথা।  আবারও মিডিয়া রিপোর্ট হাতিয়ার করে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, অনিল আম্বানি নতুন চুক্তি নিয়ে কিছু জানতেন না। কিন্তু আম্বানি স্বয়ং ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মৌ- সইয়ের বিষয়টি জানান। এটা সরকারি গোপনীয় আইন ভাঙার শামিল। প্রধানমন্ত্রীর আগে অনিল আম্বানি কী করে ফ্রান্সের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাহুল। আজ রাহুল গান্ধী যেই আগুনটা জ্বালালেন অতি সহজে এটা মেটার নয় বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল ।তিনি যা অভিযোগ করছেন তা সিকি ভাগও যদি সত্যি হয় তাহলে বিজেপির অস্বস্তি আরো বাড়বে বলেই মনে হয় ।
ওয়েব ডেস্ক ১২ ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯: নাগরিক পঞ্জী নিয়ে ভারতের প্রতিটা কোনো থেকে যখন ধিক্কার আসছিল তাহলে সুদূর আমেরিকাতেও এর আঁচ পড়বেনা কেন ?পড়ল, এবং এমন একজন মানুষ তার বিরোধিতা এমন কায়দায় করলেন যা বর্তমান বিজেপি সরকারকে আরো অস্বস্তির মধ্যে ফেলে দিল ।প্রসঙ্গত ভারতের সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চল জুড়ে নাগরিক পঞ্জির বিরুদ্ধে চলতে থাকা বিক্ষোভের মাঝে প্রদত্ত ভারত রত্ন সম্মান ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন প্রয়াত কিংবদন্তী অসমিয়া সঙ্গীতশিল্পী ভূপেন হাজারিকার পরিবার।
হাজারিকাকে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান মরণোত্তর প্রদান করে মোদী সরকার। এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে রয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল, যা আপাতত রাজ্য সভায় বিচারাধীন আছে, কিন্তু চলতি বাজেট অধিবেশনেই যা পাস হওয়ার সম্ভাবনা।ভূপেন হাজারিকার আমেরিকা-প্রবাসী পুত্র তেজ হাজারিকা জানিয়েছেন, তিনি তাঁর প্রয়াত পিতার তরফে এই মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ করবেন না। সোমবার আসামের এক স্থানীয় টিভি চ্যানেলকে তিনি জানান, যে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রেক্ষাপটে আসামের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে তিনি ভারত রত্ন প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ওয়েব ডেস্ক ১২ ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯: আগের থেকে যোগী আদিত্যনাথ যদি এই তৎপরতা দেখাতেন যেটা তিনি এখন দেখাচ্ছেন তাহলে অনেক নিরীহ প্রাণ বাঁচানো যেত।এখন নিজের মুখ লোকবার জন্যই কি এতো তৎপরতা দেখাচ্ছেন ? না সামনে উত্তরপ্রদেশের ভোট আছে বলেই এই তৎপরতা ?প্রসঙ্গত বিষমদ পান করে গত তিন দিনে উত্তরপ্রদেশে মারা গিয়েছেন ৪৪ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর জেলায়। অপর আটজনের মৃত্যু হয়েছে পূর্ব উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরে। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন প্রায় দু’ডজন মানুষ। তাঁদের অনেকের অবস্থা গুরুতর। ডাক্তাররা বলেছেন, মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

সাহারানপুর পুলিশের বক্তব্য, তাদের জেলার মানুষ উত্তরাখণ্ডে এক ব্যক্তির শেষকৃত্যে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁরা বিষমদ পান করেন। পরে উত্তরাখণ্ড থেকে গোপনে বিষ মদ সাহারানপুরে আনেন আর এক ব্যক্তি। তিনি অন্যদের বিক্রি করেন। অন্যদিকে কুশীনগরে বিষমদ এসেছিল সম্ভবত বিহার থেকে। বিহারে মদের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা আছে। কিন্তু তার পরেও সেখানে গোপনে চোলাই মদ তৈরি হয়।সাহারানপুরের জেলাশাসক এ কে পাণ্ডে বলেন, আরও আগে চিকিৎসা শুরু হলে এত লোক মরত না। পিন্টু নামে এক ব্যক্তি উত্তরাখণ্ড থেকে চোলাইয়ের ৩০ টি পাউচ এনেছিল। সেগুলি স্থানীয় মানুষের মধ্যে বিক্রি করে। একটা-দু’টো পাউচ পুলিশ উদ্ধার করেছে। বাকি পাউচগুলির মদ পান করে অনেকে মারা গিয়েছেন। বাকিরা আছেন হাসপাতালে।

অতজনের মৃত্যুর খবর পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, অবিলম্বে চোলাই মদের কারবারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। সেইমতো পুলিশ শুরু করেছে চোলাই বিরোধী অভিযান। রাজ্যের নানা জায়গায় চোলাইয়ের সন্ধানে চলছে তল্লাশি। বিপুল পরিমাণে মদ আটক করা হয়েছে।সাহারানপুরের পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার বলেন, বিষমদ কাণ্ডে জড়িত সকলকেই আমরা গ্রেফতার করব। তারা উত্তরাখণ্ডে থাকুক কিংবা উত্তরপ্রদেশে, শেষ অবধি ধরা পড়বেই। বিষমদে এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আমরা উত্তরাখণ্ডের সীমান্তে তল্লাশি চালাচ্ছি। কোথায় বেআইনিভাবে মদ তৈরি হয়, তার খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটা ঘটে যাওয়ার আগে, উত্তপ্রদেশের প্রশাসন কি করছিল ?এই প্রশ্ন কিন্তু উঠছে ।ধর্ষণ রাজ্য হিসেবে উত্তরপ্রদেশ আগেই চিহ্নিত হয়েছে মানুষের কাছে , এবার নতুন সংযোজন 'বিষ মদের রাজ্য  ।'

Sunday, 10 February 2019

ওয়েব ডেস্ক ১০ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯: এক দিকে যখন তৃণমূলের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের খুন বাংলার রাজনীতিকে নাড়িয়ে দিচ্ছে ,ঠিক সেই সময় আরো একটা ঘটনা সামনে এলো যা গায়ের লোম খাড়া করার পক্ষে যথেষ্ট  ।বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের সভার পর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেলেন এলাকার দাপুটে নেতা।
পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ নেতার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। তিনদিন অতিক্রান্ত, কোনও খোঁজ নেই তৃণমূল নেতা রীতেশ রায়ের। ৭ ফেব্রুয়ারি একিট ফোন আসার পরই তিনি বেরিয়ে গিয়েছিলেন। তারপর তিনি ফিরে আসেননি।গত ২৯ জানুয়ারি কাঁথির পদ্মপুথুরিয়াতে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের সভাকে কেন্দ্র করে তুমুল সংঘর্ষ বাধে। তৃণমূল নেতা রীতেশ রায়ের বাড়ির পাশেই সভা ছিল অমিত শাহের। অমিত শাহের সভা শেষে ফেরার পথে বিজেপি কর্মীরা তৃণমূল পার্টি অফিসে ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ।এরপরই রহস্যজনকভাবে ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নিখোঁজ হয়ে যান কাঁথির দুরমুঠ অঞ্চল সভাপতি রীতেশ রায়। ওইদিন সন্ধ্যায় রীতেশ রায়ের মোবাইলে একটি ফোন আসে। তারপরই তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। বাড়িতে বলে যান, শৌভিক চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে তিনি কোলাঘাটে যাচ্ছেন।কিন্তু তারপর রাত গড়িয়ে গেলেও তিনি বাড়ি ফিরে আসেননি। ওই রাতেই একবার স্ত্রী মহুয়ার সঙ্গে একবারই ফোনে কথা হয় তাঁর। তিনি জানান, এক পরিচিত খুব অসুস্থ, তাই তিনি মালদহে যাচ্ছেন তাঁকে দেখতে। তারপর থেকেই রীতেশের ফোন সুইচড অফ। রীতেশের পরিবারের দিন কাটছে আতঙ্কের মধ্যে। তাঁরা ইতিমধ্যেই মারিশদা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন।
ওয়েব ডেস্ক ১০ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯: সুযোগ খুঁজছিলেন , এবং হটাৎ করে চলে আসা সুযোগ কিভাবে সদ্ব্যবহার করতে হয় সেটাও দেখিয়ে দিলেন মোদীজি । ১৯ জানুয়ারী কলকাতা ব্রিগেডে চন্দ্রবাবু নাইডুকে দেখে তার যে একেবারে ভালো লাগেনি সেটা তার একহাত নেওয়াতেই পরিষ্কার ।অন্ধ্রপ্রদেশে গিয়ে তিনি বলেন  পিছন থেকে ছুরি বসাতে ও শিবির বদল করতে তিনি দক্ষ। এভাবেই অন্ধ্রপ্রদেশে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডুকে একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে তিনি আরো বলেন, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের পরিকাঠোমো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন তিনি নিজের উন্নয়নে ব্যস্ত। এদিন অন্ধ্রপ্রদেশে তিনি ওএনজিসির স্ট্র্যাটিজিক পোট্রোলিয়াম রিজার্ভ ফেসিলিটির উদ্বোধন করেন।

এদিনও অন্ধ্রপ্রদেশে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন মোদী। গুন্টুরে টিডিপি কর্মীরা কালো পোশাক পরে মোদীর সফরের প্রতিবাদ করেন। পরে সেই ছবি ট্যুইট করা হয়।  এদিন মোদী নায়ডুকে নিশানা করে আরো বলেন, সব রকম বাজে শব্দে তিনি মোদীকে আক্রমণ করেছেন। এটাই কি রাজ্যের সংস্কৃতি? প্রশ্ন মোদীর। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, রাজ্যের জন্য কেন্দ্রের বরাদ্দ অর্থ খরচ করেনি নায়ডু সরকার।গতকাল অসমে গিয়েও প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন মোদী। স্বাভাবিক। কারণ, সেই রাজ্যে এনআরসি ও নাগরিক অধিকার বিল নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আছে। অন্ধ্রপ্রদেশে বিশেষ মর্যাদার দাবিতে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের বিরোধের সূত্রপাত। যার জেরে এনডিএ ছেড়ে বেড়িয়ে আসেন নায়ডু। ফলে মোদী যে এই রাজ্য সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চড়াবেন তা বলাই যায়।
ওয়েব ডেস্ক ১০ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯: এবার বিজেপির সহযোগী দলের সুপ্রিমো, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে ব্যাট ধরলেন ।  নাম উত্তর প্রদেশের মন্ত্রী ওমপ্রকাশ রাজভর।এর আগেও তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করে বিজেপিকে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন এবার আবার তাই করলেন ।

২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অন্যতম উপযুক্ত কে, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির জোটশরিক সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি বা এসবিএসবি–র সুপ্রিমো রাজভর সাফ বলেন, সবাই উপযুক্ত, তবে সবার মধ্যে অন্যতম উপযুক্ত মমতা ব্যানার্জি বলেই তাঁর মনে হয়। শরিক দলনেতার এহেন মন্তব্যে স্বভাবতই অস্বস্তিতে পড়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। প্রায়ই রাজভরের বেঁফাস মন্তব্যে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বিজেপিকে। সম্প্রতি বিষমদে রাজ্যে মৃত্যুমিছিল প্রসঙ্গে রাজভর অভিযোগ করেন, গত ১৬ বছর ধরে তিনি প্রশাসনকে আবেদন করেছিলেন, গরিব মানুষরা বিষমদের শিকার হচ্ছে। কিন্তু কোনও সরকারই কর্ণপাত করেনি। রাজ্যে মদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ না হলে এই ঘটনা চলতেই থাকবে বলেও কটাক্ষ করেছেন রাজভর। ৪০৩ আসনের উত্তর প্রদেশ বিধানসভায় বিজেপির রয়েছে ৩১২ জন এবং এসবিএসপি–র চারজন বিধায়ক।   
ওয়েব ডেস্ক ১০ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯: এরকম ঘটনা যে ঘটতে পারে তা বিশ্বাস করাই কঠিন ।তবে এটাই  সত্য  তৃণমূলের নামি বিধায়ক যিনি মানুষের পাশে দাঁড়ানোতে খ্যাত ছিলেন সেই সত্যজিৎ বিশ্বাস আর নেই ।আততায়ীরা খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করে হত্যা করে ।খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের টানা জেরা করছে পুলিস। আটক একজনের নাম অভিজিৎ পুন্ডারি। শনিবার রাতে তার বাড়ি ভাঙচুর করে এলাকার মানুষজন। খুনের ধরণ এবং কিছু ঘটনা দেখে এটিকে পরিকল্পনামাফিক খুন বলে মনে করা হচ্ছে।

ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরেই পাওয়া গিয়েছে একটি ওয়ান শাটার বন্দুক। সেটিকে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে খবর।আততায়ীদের এখন হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিস। এই খুনের ঘটনায় বেশকিছু বিষয় উঠে আসছে। তার মধ্যে একটি হল কয়েকদিন ছুটিতে ছিলেন সত্যজিতের দেহরক্ষী। মনে করা হচ্ছে, সেই সুযোগই নিয়েছিল আততায়ীরা। পাশাপাশি শনিবার পুজোর অনুষ্ঠানে থাকা লোকজনদের দাবি, এদিন অনুষ্ঠান চলাকালীন আধ ঘণ্টার মধ্যে ৫–৭ মিনিট অন্তর বারবার লোডশেডিং হচ্ছিল। ফলে খুনের সুযোগ নেওয়ার জন্যই ওই বারবার বিদ্যুৎ সরবারহ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছিল কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যাচ্ছে।অন্যদিকে এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও তুঙ্গে উঠেছে। বিজেপিকে এই ঘটনায় তৃণমূল দায়ী করলে পাল্টা তৃণমূলকে দায়ী করেছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই মুকুল রায় সহ–মোট ৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে সিআইডিও। ঘটনার জেরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে হাঁসখালি থানার ওসি অনিন্দ্য বসুকে। এই ঘটনার পর এলাকার মানুষ স্তম্ভিত ।তারা ভাবতেই পারছেননা সত্যজিৎ বাবু আর নেই ।

Saturday, 9 February 2019

ওয়েব ডেস্ক ৯ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯: প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে বিয়ে করাটাই কি রবার্ট বঢরার পাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ? কেননা যেভাবে মোদী সরকারের অঙ্গুলীহেলনে এনফোরফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তাকে ঘন্টার পর ঘন্টা জেরা করছে ,তাতে ইটা না মনে হওয়ার কিছুই নেই । বুধবার ও বৃহস্পতিবার দফায় দফায় তাঁকে মোট ১১ ঘন্টা ধরে জেরা করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থাটি।
 যদিও, রবার্ট বঢরা সাফ জানিয়েছিলেন, স্রেফ রাজনৈতিকভাবে ‘বেকায়দা' ফেলার জন্যই তাঁকে ‘লক্ষ্য' বানানো হয়েছে। লন্ডনে তাঁর ১২ মিলিয়ন পাউন্ডের ‘অবৈধ' সম্পত্তির জন্যই তাঁকে জেরার মুখে পড়তে হয়েছে ইডি-র। তাঁর এক আত্মীয় এবং অস্ত্রব্যবসায়ী সঞ্জয় ভান্ডারি ছাড়াও এই মামলায় আরও দুজন জড়িত আছে বলে জানিয়েছে ইডি। শনিবার সকাল ১০'টা ৪৫ মিনিট নাগাদ দিল্লির জামনগর হাউজের ইডি-র অফিসে আসেন রবার্ট।বুধবার ও বৃহস্পতিবার তাঁকে ইডি-র অফিসে গাড়ি করে নামিয়ে দিয়েছিলেন স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা। আজ তাঁর দলীয় একটি কর্মসূচীতে থাকার কথা আছে। তাই তিনি আসতে পারেননি।বৃহস্পতিবার তদন্তকারী অফিসাররা সুমিত চাড্ডা এবং রবার্ট বঢরার মধ্যে মেল চালাচালির প্রসঙ্গ তুলে তাঁকে একের পর এক প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেন। প্রসঙ্গত, সুমিত চাড্ডা হলেন রবার্ট বঢরার লন্ডনবাসী পরিচিত সঞ্জয় ভান্ডারির আত্মীয়।
loading...