Tuesday, 23 April 2019

ওয়েব ডেস্ক ২৩ শে এপ্রিল ২০১৯:সময়টা একেবারেই  ভালো যাচ্ছেনা বাবুল সুপ্রিয়র । কিছুদিন আগেই  নির্বাচন কমিশন  তাকে ভর্ৎসনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে কুরুচিকর গান বানানোতে । তখনই তার শুধরে যাওয়া উচিত ছিল , কিন্তু তার রনংদেহি মনোভাব তাকে ডোবাবে এটাই হয়তো ভেবে উঠতে পারেননি তিনি ।প্রসঙ্গত আগামী ২৯ এপ্রিল এই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। তার আগে কমিশনের সাঁড়াশি চাপে বিপাকে পড়লেন আসানসোলের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। একদিকে পুলিসকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রিপোর্ট চাইল কমিশন। অন্যদিকে পৃথক দু’টি ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে নির্বাচনের ৬দিন আগেই অস্বস্তিতে পড়ে গেলেন বাবুল–সহ গেরুয়া শিবির।
বাবুলের নির্বাচনী প্রচার গান নিষিদ্ধ করার কথা ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। শোকজ করা হয়েছিল গায়ক সাংসদকে। তাঁর জবাবে সন্তুষ্ট নয় বলে সাফ জানিয়েছে কমিশন। এছাড়াও বাবুল সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ হয়েছে। তা হল, পদযাত্রায় নির্বাচন কমিশনের ক্যামেরাম্যানকে ছবি তুলতে বাধা দিয়েছিলেন তিনি। পৃথক এই দু’টি ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে।
অন্যদিকে গত শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় কিছু মহিলা ও বিজেপি কর্মীর সঙ্গে বরাকর ফাঁড়িতে যান বাবুল। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বাবুল এক কর্তব্যরত পুলিস আধিকারিককে বলছেন, ‘‌তুমি যে প্রশ্নটা করেছ, ওটা তোমার মাকে গিয়ে করব, চলো।’‌ পুলিসকে তুইতোকারি করে সম্বোধন করতেও শোনা যায় ওই ফুটেজে। এই ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসে কমিশন। এই ব্যাপারে পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন। কথায় আছে ভাবিয়া কোরীয় কাজ কোরিয়া ভাবিওনা ।
ওয়েব ডেস্ক ২৩ শে এপ্রিল ২০১৯:পাতাটা বড় করেই বিছিয়ে ছিল বিজেপি , কিন্তু ওপর ওয়ালার দেওয়ার আন্দাজ আছে । কি আশাতেই না নরেন্দ্র মোদির বায়োপিক বানানো হয়েছিল, কিন্তু প্রাথমিক ভাবে আদালত সেই আশাতে জল ঢেলে দিল ।
প্রসঙ্গত এখনই মুক্তি পাচ্ছেনা প্রধানমন্ত্রীর বায়োপিক। সোমবার শীর্ষ আদালতে ছবিটির বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল ৷ এরপরই ১৯ মে পর্যন্ত ছবিটির মুক্তিতে নিষেধাজ্ঞা জারি রাখল আদালত। এর আগে দিল্লি এবং বম্বে হাইকোর্ট ছবিটি মুক্তির অনুমতি দিয়েছিল। বম্বে হাইকোর্টের রায়কে  চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ১৯ মে লোকসভা ভোটের শেষ পর্বের ভোটদান পর্যন্ত ছবি মুক্তিতে স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হন রিপাব্লিকান পার্টি অফ ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট সতীশ গায়কোয়াড।প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিল ছবিটি মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু বিরোধীরা অভিযোগ তোলার পর ছবিটি প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে কমিশন। কমিশনের যুক্তি ছিল, মোদী ভোটপ্রার্থী হওয়ায় নির্বাচনের আগে ভোটারদের প্রভাবিত করতে ছবিটি ব্যবহার করা হতে পারে। যদিও ছবির প্রযোজক সংস্থা সেকথা স্বীকার করতে নারাজ। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল গড়িয়েছে বহুদূর। অবশেষে ১৯ মে পর্যন্ত ছবিতে নিষেধাজ্ঞা জারি রাখল শীর্ষ আদালত। 
ওয়েব ডেস্ক ২৩ শে এপ্রিল ২০১৯: বাম আর কংগ্রেস যতই ওপরে ওপরে তারা পৃথক দল হিসেবে আচরণ করুক না কেন , ভেতরে ভেতরে তারা যে এককাট্টা হয়েই লড়ছে এবং সেটা মোদীজির জন্যই সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিলেন ।এদের দুজনেরই একই উদেশ্য কি ভাবে মোদিকে আবার ফিরিয়ে আনা যায় ।লোকসভা ভোটটা কাটিয়ে এদের পাখির চোখ  আগামী বিধান সভার ভোট যাতে মমতাকে বেকায়দায় ফেলা যায়  ।তবে কংগ্রেসের মনে রাখা উচিত বিগত ৩৪ বছরের বাম জমানায় তাদের কত কর্মীকে হত্যা করেছে এই সিপিএম ।সুশান্ত ঘোষ কত কংগ্রেস কর্মীর দেহ সমুদ্রে ভাসিয়ে দিয়েছেন , তার কোনো ইয়ত্তা নেই । তপন -শুকুর কি তান্ডপ চালিয়েছিল কংগ্রেস সব  ভুলে গেছে ।রাহুলের বয়স অল্প , সবটুকু না জানলে একবার বর্ষীয়ান কোনো কংগ্রেস কর্মীর কাছে জেনে নিতে পারেন ।প্রসঙ্গত এদিন মমতা বলেন ।



‘এ রাজ্যে বাম-বিজেপি-কংগ্রেস এক হয়ে লড়ছে মোদীকে ফের প্রধানমন্ত্রী বানাতে। কিন্তু আমরা মানুষকে নিয়ে এক হয়েছি মোদী সরকারকে হঠাতে।’ সোমবার ঠিক এই সুরেই একইসঙ্গে রাম-বাম-কংগ্রেসকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল বর্ধমান পূর্বে ভোটপ্রচারে এসে রাজ্যে তৃণমূল সরকারের উন্নয়নমূলক ও সামাজিক কর্মসূচি তুলে ধরার পাশাপাশি কেন্দ্র তথা বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরোধীতা ও বিজেপির কাছে বাম-কংগ্রেসের বিকিয়ে যাওয়ার তীব্র নিন্দা করলেন মমতা।
গতকাল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর, দেওয়ানদিঘি এবং রায়না। পর পর তিনটি নির্বাচনী জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিস্তীর্ণ এলাকা মূলত গ্রামীন এবং কৃষিপ্রধান এলাকা। তাই কৃষক স্বার্থে গত ৮ বছরে রাজ্য সরকার কী করেছে, প্রতিটি সভাতেই তার খতিয়ান দেন মমতা। মুখ খোলেন বিগত ৫ বছর ধরে মোদী সরকারের নানা জনবিরোধী পদক্ষেপ নিয়েও। তিনি স্পষ্ট বলে দেন, ‘বিজেপির ধর্ম মানুষ খুনের ধর্ম। তা প্রচার করেই দেশব্যাপী অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে ওরা। আমি বিজেপির এই ধর্ম মানি না।’শুধু তাই নয়, এক সময়ের লাল দুর্গে দাঁড়িয়ে তিন তিনটি সভায় বামেদের বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী। কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেও বুঝিয়ে দেন, প্রতিপক্ষ হিসেবে কাউকেই ছোট করে দেখতে রাজি নন মমতা। তিন বিরোধী দলকে এক সারিতে বসিয়ে তাঁর তোপ, এ রাজ্যে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি এক হয়ে লড়াই করছে মোদীকে ফের প্রধানমন্ত্রী বানাতে। আর তিনি লড়ছেন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে। মোদীকে গদিচ্যুত করতে।
ফসল বিমা, কৃষক বন্ধু, ৬০ বছর বয়সের আগে কৃষকের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ-সহ রাজ্য সরকারের প্রকল্পগুলির কথা তুলে ধরে রায়নার সভায় মমতা বলেন, ‘প্রতিবছরই ঝড়বৃষ্টিতে এই এলাকায় চাষের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। বন্যায় ফসল ডুবে যাওয়া, কিংবা খরায় পুড়ে যাওয়া, সবেতেই আমরা ক্ষতিপূরণ দিই। আগেও দিয়েছি, ভবিষ্যতেই সেই আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে।’ এছাড়া দামোদর অববাহিকায় সেচের ব্যবস্থা, চাষের উন্নতি এবং ক্ষয়ক্ষতি হলে সাহায্য করতে একটি নতুন প্রকল্পের কাজ চলছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
প্রতিটি নির্বাচনী জনসভাতেই বিজেপির সাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন মমতা। গতকালও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, কোনও একটি সম্প্রদায়কে তোষণ এবং তা নিয়ে মাতামাতি নয়, বরং বাংলার সংস্কৃতি মেনে সব ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান পালন করাই তাঁর এবং তাঁর সরকারের নীতি। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় দুর্গোৎসব, ইদ, বড়দিন— সব ধর্মের অনুষ্ঠান সমান ভাবে এবং সাড়ম্বড়ে পালিত হয়। কিন্তু সেই সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। বাংলার মানুষ এটা মেনে নেবেন না— দাবি মমতার।  

Monday, 22 April 2019

ওয়েব ডেস্ক ২২শে এপ্রিল ২০১৯: নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা । এখন এই কথাটাই প্রযোজ্য হবে যোগী আদিত্যনাথের জন্য পশ্চিমবাংলার ক্ষেত্রে । উত্তরপ্রদেশে তার "ক্রেজ " থাকতেই পারে , থাকতে পারে সেই ক্রেজ বিজেপি শাসিত গুজরাটে কিন্তু বাংলায় সেই টেম্পোটা কিছুতেই ধরে রাখতে পারলেননা যোগী আদিত্যনাথ । প্রসঙ্গত রাজ্যে গেরুয়া শিবিরে ঝড় তুলতে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে নিয়ে এসেও মাঠ ভরাতে পারলো না বিজেপি। যদিও লোক ভরাট না হওয়ায় রাজ্যের শাসক দল ও প্রশাসনের দিকে অসহযোগিতার আঙুল উঠিয়েছে বিজেপি।
উল্লেখ্য, আজ সোমবার রাজ্যের তিনটি জায়গায় জনসভায় যোগ দেন যোগী আদিত্যনাথ। বহরমপুর, পূর্ব বর্ধমান ও হুগলিতে যোগীর তিনটি জনসভায় ভিড় করানো নিয়ে গতকাল থেকেই দুশ্চিন্তায় ঘুম উড়েছিল বঙ্গ-বিজেপির। সেই দুশ্চিন্তা সত্যি হয়ে আজ যোগী আদিত্যনাথ এর মাঠ ভরাতে ব্যর্থ হলো বিজেপি। বহরমপুরের এফ ইউ সি ময়দানও পুরোপুরি পড়েনি। 
ওয়েব ডেস্ক ২২শে এপ্রিল ২০১৯: লোকসভা ভোটের বৈতরণী পার করার জন্য কি না করছেন নরেন্দ্র মোদী ।মুখে যা আসছে তাই বলে যাচ্ছেন তিনি । তবে মানুষকে এতটা বোকা ভাবা বোধয় কারুরই উচিত হবেনা ।তিনি ভোটে লড়ে জিতে আসবেন এটাই স্বভাবিক , সেটা যেকোনো নেতার কাছেই স্বাভাবিক ব্যাপার  তার মানে এই নয় মেকি যুদ্ধ তৈরী করে প্রধানমন্ত্রিত্বের পদে বসবেন ।প্রসঙ্গত রাজস্থানের নির্বাচনী প্রচারে আরও একবার পাকিস্তানকে হুঙ্কার দিলেন নরেন্দ্র মোদী। বিগত সরকারের সঙ্গে তাঁর জমানার ফারাক বোঝাতে গিয়ে মোদী বলেন, ওদের কাছে পরমাণু বোমা রয়েছে। কিন্তু আমাদের বোমাগুলি দীপাবলিতে ফাটানোর জন্য রাখিনি।

মনমোহন সিং জমানায় সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে জামাই আদর করা হতো বলে প্রচার চালাচ্ছে বিজেপি। তারা দাবি করছে, নরেন্দ্র মোদীর সরকারই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দিতে পারে। বিগত সরকারের সঙ্গে তাঁর ফারাক বোঝাতে রাজস্থানের বারমেঢ়ের জনসভায় মোদী বলেন, পাকিস্তানকে হুমকিতে আর ভয় পায় না। আগে খালি বলত, আমাদের কাছে পরমাণু বোমা আছে। সংবাদমাধ্যমও ফলাও করে দেখাত। আমাদের কাছে কী আছে রে! দীপাবলির জন্য রেখেছি নাকি?

গান্ধী পরিবারকে নিশানা করে মোদীর মন্তব্য, শুধুমাত্র একটি পরিবারের প্রতিই সম্মান দেখায় কংগ্রেস। আর কাউকে নিয়ে ওরা ভাবিত নয়। ১০ দিনে কৃষকদের ঋণ মকুবের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। হয়েছে? যুবকদের ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। মিলেছে? ৫৫ বছর ধরে এমন মিথ্যা বলে চলেছে ওরা।
ওয়েব ডেস্ক ২২শে এপ্রিল ২০১৯: যেই রাজ্য গতবার লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রিত্বের পদে বসানোর জন্য নব্বই শতাংশ ভূমিকা নিয়েছিল সেই উত্তরপ্রদেশ এবার বিজেপিকে আশীর্বাদ করবে তো ? যোগী আদিত্যনাথের মুখ্যমন্ত্রী পদে উপস্থিতিতে , বিগত পাঁচ বছরে ধর্ষণের ঘটনা যেমন বেড়েছে উত্তর প্রদেশে , তেমনি গরু বাঁচানোর নাম করে মোবলিংচিঙের ঘটনাও কম ঘটেনি , তাই এবার উত্তরপ্রদেশের মানুষের আশীর্বাদ বিজেপি পাবে কি না সন্দেহ আছে ।
দুদে রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত মায়াবতীর চোখ যে এই সব ব্যাপারগুলো এরোবেনা সেটা সবারই জানা । আর সেই জন্য চলতি নির্বাচনে মোদীকে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি থেকে সরাতে তৈরি উত্তর প্রদেশ। এমনটাই মনে করেন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতী। রাজনৈতিক দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাজ্য। মোদী নিজেও সেকথা মানেন। তাই বারবার তাঁকে বলতে শোনা গেছে, উত্তরপ্রদেশের ২২ কোটি মানুষ তাঁকে প্রধানমন্ত্রী করেছেন। বহুজন সমাজ পার্টি এক বিবৃতিতে বলছে, সেই মানুষগুলোই এখন তাঁকে প্রশ্ন করছেন, কেন তিনি তাঁদের সঙ্গে প্রবঞ্চনা করেছেন?
বিজেপি বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদীর বোঝা উচিত, উত্তর প্রদেশের আম জনতা তাঁকে সরাতে পারেন। সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। মোদী নির্বাচন ও রাজনীতিতে ফায়দা তুলতেই পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের তালিকায় নিজের জাত পরিচয় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। দাবি মায়াবতীর।
বিএসপি নেত্রী বলেন, বহুজন সমাজ পার্টি, সমাজবাদী পার্টি ও আরএলডি রাজ্যে ২২ কোটি মানুষের মন কি বাত জেনেই জোট গড়েছে। এরফলে দেশব্যাপী মানুষ খুশি হয়েছেন। বিজেপির মধ্যে ক্ষমতা হারানোর আতঙ্ক স্পষ্ট। সবাই সেই হারের সম্ভাবনা এখনই বুঝতে পারছেন বলেও দাবি তাঁর।
ওয়েব ডেস্ক ২২শে এপ্রিল ২০১৯: বীরভূমের নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের কাঁটাগড়িয়া মোড়ে দলীয় প্রার্থী শতাব্দী রায়ের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পূর্ত ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এক হাত নিলেন । হয়তো আসল কথাটাই তিনি বলেছেন । কি বলেছেন ফিরহাদ হাকিম? ।
তিনি বলেন  “ভেবে দেখুন, আমরা নিকৃষ্টতম প্রধান মন্ত্রী পেয়েছি। উনি প্রধানমন্ত্রীত্ব করতে আসেন নি। উনি দেশ ভাগ করতে এসেছেন। আমরা নেহেরুকে মনে রাখব সেল, ভেলের মত কোম্পানির জন্য ভারতের রূপকার হিসেবে। ইন্দিরাগান্ধীকে মনে রাখব সবুজ বিপ্লবের জন্য, আজকে যে মোবাইল ব্যবহার করছেন সেই টেলিকমের জন্য রাজীব গান্ধীকে, উন্মুক্ত অর্থনীতির জন্য মনমোহন সিংহকে, জাতীয় সড়কের জন্য অটল বিহারী বাজপেয়ীকে। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিকে মানুষ মনে রাখাবে জিএসটি, নোটবন্দী, মানুষের কষ্ট ও দাঙ্গার জন্য।” বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত , খুব একটা ভুল কি বলেছেন ফিরহাদ হাকিম 
ওয়েব ডেস্ক ২২শে এপ্রিল ২০১৯:উত্তরসূরি হিসেবে কংগ্রেসে বড় পদ পেলেও প্রধানমন্ত্রিত্বের জন্য রাহুলগান্ধীযে একেবারেই উপযোগী নয় সেটা আবার প্রমান পাওয়া গেল ।তার শিশু সুলভ কথা বার্তা , এতদিন রাজনীতিতে থেকেও কি বলতে হবে সেটাই বুঝতে না পারা একটাই প্রমান করে এখনো ক্ষতি পাথর হতে দেরি আছে রাহুল গান্ধীর ।প্রসঙ্গত রাফাল বিতর্কে নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন রাহুল গান্ধী। নিজের মন্তব্যের জন্য তিনি অনুতপ্ত, এমনই জানিয়ে আদালতে নিজের জবাব দিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি।
তাঁর জবাবে রাহুল জানিয়েছেন, “নির্বাচনী সভা করার সময়ে উত্তেজনার বশে ওই মন্তব্য করেছিলাম। বিরোধীরা আমার ওই মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করেছে। কখনওই এ কথা বলতে চাইনি যে সুপ্রিম কোর্টে বলেছে ‘চৌকিদার চোর।’ গোটা বিষয়টির জন্য আমি দুঃখিত।”
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে রাফালের ‘চুরি যাওয়া’ নথিকে প্রামাণ্য বলে স্বীকৃতি দেয় আদালত। তার পরই বিজেপিকে এক হাত নেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, এত দিন দেশ বলছিল চৌকিদার চোর। সুপ্রিম কোর্টও এখন সেই কথাই বলছে। প্রমাণ হয়ে গেল চৌকিদারই চোর।এর পরেই কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেন বিজেপি নেত্রী মীনাক্ষী লেখি। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১২ এপ্রিল শীর্ষ আদালতে যান তিনি। তিনি বলেন, আদালতকে জড়িয়ে রাহুলের মন্তব্য ফৌজদারি অপরাধের শামিল।সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই গত সোমবার রাহুলের সমালোচনা করে তাঁর জবাব তলব করে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ। এ দিন সেই জবাবই নিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন রাহুল। 
ওয়েব ডেস্ক ২২শে এপ্রিল ২০১৯:যতই সময় যাচ্ছে বিজেপি নেতা মন্ত্রীরা মুখের ভাষা খারাপের থেকেও খারাপ করে চলেছেন , যেটা অত্যন্ত নিন্দা দায়ক ,এবং অতি খারাপ।ভারতীয় রাজনীতি এরকম কালো সময় এসেছিল বলে মনে হয়না ।
তবুও তাদের লাগাম ছাড়া মনোভাব কিছুতেই আটকানো যাচ্ছেনা ।এই তালিকায় নাম লেখালেন গুজরাটের আদিবাসী উন্নয়ন মন্ত্রী গণপত ভসাভা। এইবার তিনি কুকুরের সঙ্গে তুলনা করলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর। গনপত বলেন, ‘রাহুল কুকুরের মতো, রুটি ছুড়ে দিলে নিয়ে আসে। আর মোদি সিংহের মত। তিনি যখন দাঁড়ান তখন মনে হয় সিংহ দাঁড়িয়ে আছে। আর রাহুলকে দেখে মনে হয় লেজ নাড়ানো কুকুরের মত। যাকে পাকিস্তান রুটি দিলে ছুটে যায় আবার চীন রুটি দিলে ছুটে যায়।’বিজেপি মন্ত্রীর এই মন্তব্যে আবার বিতর্কের ঝড় উঠেছে দেশজুড়ে। এই প্রথম নয়। এর আগেও গণপত ভসাভার মন্তব্যে বিতর্কের জেরে তৈরি হয়েছিল ঝট। গত মার্চেই গণপত মন্তব্য করেছিলেন যে ৫০০ গ্রাম বিষ পান করে দেখান রাহুল তবেই বুঝব তিনি শিবের অবতার। তার এই মন্তব্য ঘিরেও শুরু হয়েছিল বিতর্ক। আর তা নিয়ে কম জল ঘোলা হয় নি।  
ওয়েব ডেস্ক ২২শে এপ্রিল ২০১৯: ‘হাসপাতালে বিষ প্রয়োগ করে লালুজিকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার!’ ভোট মরশুমে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে এবার এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন লালু-পত্নী রাবড়ি দেবী। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি।
সদ্যই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে বিরসা মুণ্ডা সেন্ট্রাল জেলে সাক্ষাৎপ্রার্থীদের ওপর। এর পরেই ক্ষুব্ধ রাবড়ি দেবী বলেন, লালুপ্রসাদ যাদবকে বিষ খাইয়ে খুন করার ষড়যন্ত্র করেছে বিজেপি। জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মুর জ্ঞাতার্থে আনতে সোমবার রাজভবনেও যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের এক প্রতিনিধিদল।
উল্লেখ্য, শনিবার জেলের হাসপাতাল ওয়ার্ডের দেওয়ালে নোটিশ সেঁটে আরজেডি প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎপ্রার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। ওই নোটিশে বলা হয়েছে, চিকিৎসাধীন নেতার স্বাস্থ্যের কারণে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। খবর, লালুর বেশ কয়েকজন সাক্ষাৎপ্রার্থীকে ওই দিন ফিরে আসতে হয়েছে নেতার দেখা না পেয়েই। এমনকি লালুর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না পরিবারের সদস্যদেরও।
রবিবার তার প্রেক্ষিতেই নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করেন রাবড়ি দেবী। ওই ভিডিওয় তিনি মন্তব্য করেন, ‘হাসপাতালে বিষ প্রয়োগ করে লালুজিকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে বিজেপি সরকার। তারা পাগল হয়ে গেছে। এই একনায়কতন্ত্র কেউ মেনে নেবে না।’ তাঁর হুঁশিয়ারি, লালুপ্রসাদের কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে বিহার ও ঝাড়খণ্ডের মানুষ রাস্তায় নেমে আসবেন। গতকাল এক সাংবাদিক সম্মেলনে আরজেডির ঝাড়খণ্ড শাখার সভাপতি গৌতম সাগর রানা অভিযোগ করেন, জেল কর্তৃপক্ষের এই নোটিশ আসলে লালুপ্রসাদের মনোবল নষ্ট করার প্রয়াস।
loading...