Friday, 23 August 2019

ওয়েব ডেস্ক ২৩ই অগাস্ট  ২০১৯ :কুরুচিকর মন্তব্য করাটা বিজেপির নেতা মন্ত্রীদের অভস্যে পরিণত হয়েছে । মুখে যা আসে তাই এরা বলে যায় । দিলীপ বাবু , বিপ্লব কুমার দেব , থেকে সায়ন্তন বসু । তাদের যা মনে হয়েছে তারা তাই বলে গিয়েছে । এবার সায়ন্তন বসু একধাপ এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ বাতলে দিলেন ।
প্রসঙ্গত দিঘা সফরে গিয়ে তিনি সবাইকে চা বানিয়ে খেতেও দেন নিজের হাতে করেই। এরপর সেই ভিডিও তিনি নিজেই স‍্যোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। সেই বিষয়কে নিয়ে মুখ‍্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ করেন সায়ন্তন বসু । তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে বলেন  মুখ্যমন্ত্রিত্বের চেয়ে চা বানাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেশি পারদর্শী। তিনি চা বানান। তাতে অসুবিধা নেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চাওয়ালা থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থেকে চাওয়ালা হবেন।সায়ন্তন বসু এর আগেও বেফাঁস মন্তব্য অনেক করেছেন এবারও করলেন । বাংলার মানুষ এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আশীর্বাদ করে এসেছেন , তৃণমূলীরা আত্মবিশ্বাসী ২০২১ শে আবার আশীর্বাদ করবেন ।
ওয়েব ডেস্ক ২৩ই অগাস্ট  ২০১৯ :উন্নয়ন কে না চায় , কিন্তু উন্নয়নের পথে হাটতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনোই তার মানবিকতার মুখটা ফিরিয়ে নেননি । বিগত দিনে বিরোধী আসনে যখন ছিলেন , তখন যেমন মানবিক ছিলেন , আজ মুখ্যমন্ত্রী হয়েও একই রকম আছেন । প্রতিবছর কচুয়া ও চাকলায় জন্মাষ্টমীর সময় একাধিক লোকের সমাগম হয় , আর এবারও হয়েছিল । আর সেই সমাগমেই পদপৃষ্ট হয়ে ৬ জনের প্রাণ গেলো । খবর পাওয়া মাত্র শুক্রবার সকালেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আহতদের দেখতে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ উপস্থিত হন ।

সেখানে মৃতদের পরিবর্জনদের  আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেন । সেখানে তিনি বলেন,'‘খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। ‌সব মৃত্যুই কষ্টের। সাহায্য করে হয়ত সেই কষ্ট দূর করা সম্ভব নয়। তবে সরকারের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা, গুরুতর আহতদের এক লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’‌ তিনি আরও বলেন, ‘‌এবারে প্রচুর দর্শনার্থী কচুয়ায় গিয়েছিলেন। আর দুর্ঘটনার সময় প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হয়। আর সেসময় আশেপাশের অস্থায়ী দোকানে অনেকে আশ্রয় নেয়। তখনই কয়েকটি দোকান ভেঙে পড়ে। উল্টোদিকে পুকুর, তারমধ্যে জায়গাটি ছোট হওয়ায় ওই জায়গা থেকে অনেকেই বেরোতে পারেনি। ফলে দুর্ঘটনা ঘটে। খুবই দুর্ভাগ্যজনক এবং দুঃখজনক ঘটনা। ইতিমধ্যে ওই এলাকায় স্থানীয় নেতাদের যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’‌‌ খুব জানতে ইচ্ছে হয় জ্যোতিবসু কোনোদিন কোনো আহতদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন ?
ওয়েব ডেস্ক ২৩ই অগাস্ট  ২০১৯ :  ভারতীয় অর্থনীতিকে একহাত নিয়েছেন নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমার । এবার সেই কথাই যেন প্রতিধ্বনিত হল অ্যাপোলো হসপিটালসের এগজিকিউটিভ ভাইস-চেয়ারম্যান শোভানা কামিনেনির মুখে । তিনি বলেন “ভারতের অর্থনীতি উচ্চ রক্তচাপের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে”।অ্যাপোলো মতো সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট যদি এরকম কথা বলে তা নিঃসন্দেহে আলোড়ন ফেলবে বৈকি । আর সেটাই হয়েছে । বিগত পাঁচ বছর সময়কালে ভারতের অর্থনীতি সংকটজনক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে প্রকাশ পেয়েছে। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। স্বাভাবিক ভাবেই শোভানার এই ধরনের মন্তব্য সেই বিতর্কে নতুন ইন্ধন জুগিয়েছে।

শোভানা ওই সাক্ষাৎকারে দেশের সমসাময়িক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলেন, “প্রতিটা দেশের অর্থনীতিই একটা চাপের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করে। কিন্তু আমাদের দেশে সেই ধরনের চাপ রয়েছে একাধিক। বিশ্বব্যাপী চাপ, এর পরিবেশের চাপ,কর্মসংস্থানের চাপ- যে দিকেই তাকানো হচ্ছে, সর্বত্রই কোনো না কোনো চাপ কাজ করছে। যে কারণে আমি বলছি, দেশের অর্থনীতিতে এখন উচ্চ রক্তচাপের সৃষ্টি হয়েছে”।কথাটা কি খুব ভুল বলেছেন শোভানা? ব্যাখ্যা করার জন্য অরুন জেটলিকে প্রশ্ন করা যেতেই পারে , সরি তিনি তো এখন অসুস্থ ।
ওয়েব ডেস্ক ২৩ই অগাস্ট  ২০১৯ :কেঁচো খুঁড়তে গেলে কেউটের খোঁজই মেলে । এবার মুকুল রায়ের ঘনিষ্ট বাবান ঘোষকে জেরা করে মুকুল রায়ের আর এক ঘনিষ্ঠের নাম পাওয়া গেল যিনি ৭০ লক্ষ টাকা জালিয়াতের সাথে সরাসরি যুক্ত । গত মঙ্গলবার বাবান ঘোষকে জেরা করার পর সাদ্দামের নাম উঠে আসে , আর তার পর টোরি ঘড়ি তাকে বাবুঘাটের থেকে গ্রেফতার করা হয় ।
উল্লেখ্য, রেলের স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ পাইয়ে দেওয়ার জন্য দফায় দফায় ৭০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তাঁর হয়ে এই টাকা তুলেছেন দক্ষিণ কলকাতার প্রভাবশালী বিজেপি নেতা বাবান ঘোষ। স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছিল বাবানকে।পুলিশ দাবি করেছে , বাবান ঘোষ যেমন সাদ্দামের কথা পুলিশকে জানিয়েছেন তেমনি ৭০ লক্ষ টাকার জালিয়াতি মেনে নিয়েছেন।   এই বাবান ঘোষই হলেন মজদুর ট্রেড ইউনিয়নের রাজ্য সভাপতি, আর বলি পারে চালু হওয়া বিজেপি সংগঠনেরও সভাপতি। অমিত শাহেরা মনে করতেই পারেন মুকুল কাদের বিজেপিতে ঢোকাচ্ছে ।
ওয়েব ডেস্ক ২৩ই অগাস্ট  ২০১৯ :ভারতের আর্থিক অবস্থা যে সংকট জনক এতো দিন বিরোধীরা বলে আসছিল , এবার সেই কথাটাই নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমারের মুখে শোনা গেল । ৭০ বছরেও ভারতের এতো খারাপ অবস্থা যে কোনোদিন হয়নি সেটাও মেনে নিলেন তিনি । তিনি বলেন , ‘‌তীব্র আর্থিক সমস্যার সামনে ভারতীয় অর্থনীতি। গত ৭০ বছরে এরকম ভয়াবহ আর্থিক সংকটে পড়েনি সরকার।
বাজার এমনই আন্দোলিত হয়ে রয়েছে যে কেউ কাউকে বিশ্বাসই করছে না। আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এমন নয় এটা শুধু সরকার ও বেসরকারি ক্ষেত্রের মধ্যে হয়েছে। প্রাইভেট সেক্টরেও কেউ কাউকে কোনও রকম আর্থিক সাহায্য করতে চাইছে না।’‌ রাজীব কুমার আরও বলেন, এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে নোট বাতিল, জিএসটি এবং আইবিসির পরেই। এগুলোর আগে বাজারে ১০, ২০, ৩০, ৩৫ শতাংশ নগদ অর্থ থাকত, যা কিনা আর্থিক সংকটকে দূরে সরাতে সাহায্য করত। কিন্তু নোট বাতিল বা জিএসটির পর তার পরিমাণ অনেকটাই কমে গিয়েছে। এদিকে, নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যানের এই স্বীকারোক্তির পরেই বিরোধীদের অভিযোগ সত্যি বলে মনে অর্থনৈতিক মহল। ফলে আবারও যে মুখ পুড়ল মোদি সরকারের, সেকথাও বলাই যায়। এই মুখ পড়াটা আদেও কি গম্ভীর ভাবে নেবে অমিত শাহেরা ? প্রশ্ন এটাই ।
ওয়েব ডেস্ক ২৩ই অগাস্ট  ২০১৯ :বিজেপি সরকারে আসার পর গোরক্ষ বাহিনীর দাপাদাপিতে মানুষের জীবন নাজেহাল । নাজেহাল এই কারণে , গোরক্ষ বাহিনী আইন নিজের হাতে নিয়ে নিচ্ছে বলে , যদিও কারুরই অধিকার নেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার । আর গরুর প্রতি ভালোবাসা এতো ভালো কথা , যেকোন মানুষই তা থাকতে পারে , তাই বলে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কখনোই ঠিক নয় । এবার একজন বিজেপির কর্মীর গোশালায় এক ডজন গরু মৃত্যুর খবর এলো ।
আর এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে । সূত্রের খবর অনুসারে  বরুন আগারওয়াল নামক এক প্রভাবশালী ব্যক্তির গোশালায় এরকম ঘটনা ঘটে । প্রসঙ্গত  অম্বা রাম নামে এক ব্যক্তি নিজের হারিয়ে যাওয়া গরুর সন্ধানে বরুন বাবুর গোশালায় যান ।সেখানে যদিও তিনি তার নিজের গরু খুঁজে পান ওই গোশালার থেকে কিন্তু বেশ কয়েকটা গরুকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান ।  এছাড়া কয়েকটি গরুর কঙ্কালেরও দেখা মেলে সেখানে। এরপরই ওই ব্যক্তি এলাকার মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে গোটা বিষয়টি জানান। ঘটনাস্থলে যান আধিকারিকরা। সেখানে বেশ কয়েকটি গরুকে তাঁরা উদ্ধারও করেন। সূত্রের খবর অনুসারে অনেকগুলো গরুকে এক সাথে রাখার ফলেই এই অবস্থা । তবে প্রশ্ন উঠছে এতো গুলো গরু মোর যাওয়াতে গোরক্ষ বাহিনী কি প্রতিক্রিয়া জানাবে ? যদিও এখন পর্যন্ত তারা মুখে কুলুপ এতে বসে আছেন ।

Wednesday, 21 August 2019

ওয়েব ডেস্ক ২১ই অগাস্ট  ২০১৯ :প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমের এই ভাবে পালিয়ে পালিয়ে বেরোনোটা একেবারেই ভালো ঠেঁকছেনা দেশবাসীর কাছে । এবার  এ নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা জিভিএল নরসিমহা রাও।তিনি কটাক্ষের সুরে নরসিমহা রাও বলেন বিজয় মালিয়া , নীরব মোদির মতো  প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ।
হাই কোর্টের তরফ থেকে তাকে একটা লম্বা সময় দেওয়া হয়েছিল নিজেকে নির্দোষ প্রমান করার জন্য । কিন্তু সেই সময়ের সদ্ব্যবহার না করে তিনি পালানোর পথটাই বেছে নিয়েছেন । তাই এতেই প্রমাণিত করে পি চিদাম্বরম দোষী । জিভিএল নরসিমহা রাও যেই উক্তি গুলো করেছে সেগুলো আইনের মধ্যে থেকেই , তাই এতে ভুল ধরার কোনো অবকাশ নেই , কিন্তু বিজেপির অন্দর মহলে যদি দুর্নীতি গ্রস্ত লোক থাকে তাহলে এই ভাবেই তাকে কাঠগোড়ায় তুলবেনতো অমিত শাহেরা।
ওয়েব ডেস্ক ২১ই অগাস্ট  ২০১৯ : পি চিদাম্বরম  এক জন নাম করা অর্থনীতিবিদ । দেশের অর্থমন্ত্রক তিনি সামলেছেন অতীতে যদিও ভারতের বিশেষ কোনো সুবিধে কোনো দিনও করতে পারেনি । উপরোন্ত কংগ্রেস আমলের পূর্বের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জীরও সমালোচনা করতে ভোলেননি । যাই হোক এবার চিদাম্বরম সাহেব নিজেই বিপদে ।প্রসঙ্গত ২০০৭ সালে আইএনএক্স মিডিয়ায় প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের অনুমোদনে বেনিয়ম ও অর্থ তছরুপের মামালায় গ্রেপ্তারি এড়াতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদন মঙ্গলবার খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।
তার পর তাঁর আইনজীবী কপিল সিবাল সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গেলেও এদিন শুনানির ব্যবস্থা করতে পারেননি। তার খানিক পরেই জোরবাগে চিদম্বরমের বাড়িতে পৌঁছোয় সিবিআই ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (‌ইডি)‌–এর আধিকারিকরা। সে সময় বাড়িতে ছিলেন না তিনি। এই দুই তদন্তকারী সংস্থাই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায়।চিবাম্বারামকে অনেকবার হাই কোর্ট উপস্থিত হাতে বলেছিল , আর প্রতিবারই চিদাম্বরম অনুপস্থিত থেকেছেন , তাই হাই কোর্ট এবার বেশ কড়া অবস্থান নেন চিদাম্বরানের বিরুদ্ধে । দিল্লি হাই কোর্ট তার আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়ার সাথে সাথে শোরগোল পরে যায় সাড়া দেশে ।বিচারপতি সুনীল গৌড় জানিয়ে দেন, তদন্তকারী সংস্থাগুলির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চিদম্বরমই এই মামলার ‘‌কিং পিন’‌ হতে পারেন। এখন যা অবস্থা পি চিবাম্বারাম পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে খবর । 
ওয়েব ডেস্ক ২১ই অগাস্ট  ২০১৯ : এনআইএ নিয়ে অমিত শাহ্দের গর্ব এবার দর্পচূর্ণতে পরিণত হলো । আমেরিকার যদি এফ বি আই থাকে তাহলে ভারতেরও এনআইএ আছে , আর এই অহং বোধটা কি থাকবে বিজেপি নেতাদের ? প্রসঙ্গত ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে এনআইয়ের তিনজন আধিকারিককে বদলি করা হল। মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদকে অর্থ জোগানো নিয়ে একটি মামলার তদন্ত করছে এনআইএ।
সেই মামলায় নাম জড়ানো হবে বলে হুমকি দিয়ে দিল্লির এক ব্যবসায়ীর থেকে দু’কোটি টাকা ঘুষ চেয়েছিলেন ওই তিন আধিকারিক। ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে একজন ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিকের অধীনে ওই তিন আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। অন্তর্বর্তী সময়ে এঁদের বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এনআইএ সূত্রে জানানো হয়েছে। বদলি হওয়া আধিকারিকদের মধ্যে রয়েছেন একজন পুলিস সুপার। তিনি সমঝোতা এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে যুক্ত ছিলেন। বাকি দু’জন অধস্তন পুলিস আধিকারিক। এঁরা জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তোইবা প্রধান হাফিজ সইদ পরিচালিত ফালা-ই-ইনসানিয়ত ফাউন্ডেশন নিয়ে তদন্ত করছিলেন। এখন প্রশ্ন উঠছে , রক্ষকই যদি ভক্ষক হয় তাহলে সাধারণ মানুষের মনে ভারতের বিচার ব্যবস্থার ওপর কোনো আস্থা থাকবে কি ?
ওয়েব ডেস্ক ২১ই অগাস্ট  ২০১৯ : যতটা সাড়া জাগিয়ে , বিজেপি কলকাতায় পদার্পন করেছিল , এখন তাদের দলীয় নেতাদের অনৈতিক কাজ কর্ম তাদের অনেকটাই পেছনে ঠেলে দিচ্ছে , যেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয় বলেই অনেকেই মনে করেন । বিজেপির রাজ্যে যে কটা নেতা রয়েছে তাদের মধ্যে দূরবীন দিয়ে সৎ মানুষ খুঁজে পাওয়াটা এই মুহূর্তে অসম্ভব । প্রসঙ্গত বাবান ঘোষ নামে বিজেপির এক উঠতি নেতা যিনি আবার মুকুল রায়ের খুব ঘনিষ্ট বলে পরিচিত , ৪৬ লক্ষ টাকা জালিয়াতির দায়ে গ্রেফতার হলেন ।
সূত্রের খবর অনুসারে ২০১৫ সালে বেহালারা সরশুনা থানায় বাবানের বিরুদ্ধে এফআরআই দায়ের করেন সনম্টু মণ্ডল নামে এক ব্যবসায়ী। তাঁর অভিযোগ, রেল মন্ত্রকের একটি কমিটির সদস্য করে দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে ৪৬ লক্ষ টাকা আদায় করেন বাবান । কিন্তু প্রতিশ্রুতি মতো ওই ব্যবসায়ীকে কমিটির সদস্য করতে পারেননি।
এফআরআই পাওয়ার পর থেকেই পুলিশের নজরে ছিলেন বর্তমানে বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের ওই নেতা। গত সোমবার রাতে তাঁর বাড়িতে গিয়ে রীতিমতো তাঁকে ঘুম থেকে তুলে গ্রেফতার করে পুলিশ। পাড়ার মানুষ বিশ্বাসী করতে পারছেননা বাবান ঘোষ এরকম কাজ করেছেন বলে , কিন্তু ব্যাপারটা সত্য । চিরাচরিত ভাবে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে , তাদের নেতাকে ফাঁসানো হয়েছে ।
loading...