Sunday, 16 December 2018

ওয়েব ডেস্ক ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ :বিজেপি আসার পরই সারা দেশে নারী নির্যাতন যে বেড়েছে , সেটা আন্তর্জাতিক রিপোর্টে আগেই বেরিয়েছিল । নাবালিকাদের সহ্যের বাঁধ  ভাঙতে শুরু করেছে এই ঘটনায় তার উদাহরণ ।স্কুলের দেওয়ালে মেসেজ লিখে পাঁচ স্কুল পড়ুয়াকে প্রেম নিবেদন ‌করা হয়েছিল। আর তাতেই অপমানে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে ওই পাঁচ স্কুলছাত্রী।

 ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুতে। জানা গিয়েছে, ওই পাঁচজন বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করে।ভিল্লুপুরম জেলার আদিবাসী বোর্ডিং স্কুলের ছাত্রী ওই পাঁচজন। তারা কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্কুলের দেওয়ালে তাদের প্রতি প্রেম নিবেদন করার মেসেজ দেখে অত্যন্ত অপমান লাগে তাদের। সপ্তম শ্রেণীর ওই ছাত্রীদের কাছে এটা খুব লজ্জাজনক ঘটনা বলে মনে হয়। আরলি ফুলের বীজের সঙ্গে কীটনাশক মিশিয়ে ওই পাঁচছাত্রী একসঙ্গে খায়। স্কুলের মধ্যেই এই ঘটনা ঘটায় তারা বলে জানা গিয়েছে। পাঁচছাত্রীকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  এরকম ঘটনা যাতে আবার না ঘটে সেটা সবারই আশা । 
ওয়েব ডেস্ক ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ : মনে আছে এক সময় তৃণমূল , কংগ্রেস ,এবং সিপিম পৃথক পৃথক ভাবে ভোটে লড়ত বামফ্রন্টের জমানায় ? ফলটা কি হতো ? সিপিএম বিরোধী ভোটটা কংরেস আর তৃণমূলের মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে যেত আর মাঝখান দিয়ে সিপিএম জয়ী হয়ে বেরিয়ে যেত ।ঠিক সেরকমই অবস্থা আসামে , আসামের লোক বিজেপিকে আর চাইছেনা কিন্তু বিরোধী অনৈক্য হওয়ার দরুন সুবিধে পাচ্ছে বিজেপি । শুধু তা–ই নয়, সদ্য শেষ হওয়া পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফলে স্পষ্ট, অসমের নেতাদের বেশির ভাগেরই নিজ নিজ এলাকায় জনপ্রিয়তা তলনিতে এসে ঠেকেছে।বিজেপি এই ভোটে কংগ্রেসের থেকে কিছুটা এগিয়ে। অগপ বা এআইইউডিএফ অনেকটাই পিছিয়ে। কংগ্রেস এবং এআইইউডিএফরে ভোট–কাটাকুটির এবারও ফায়দা পাচ্ছে গেরুয়া শিবির।



প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে অগপ ও বিপিএফের সঙ্গে জোট করে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। সেবারও কংগ্রেস ও এআইইউডিএফের ভোট–কাটাকুটি সুবিধে করে দেয় বিজেপি–কে। বিধানসভা ভোটের পর এবারই প্রথম শক্তিপরীক্ষা দিতে হল বিজেপি–কে। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ভোট করতে চায়নি বিজেপি। কিন্তু হাইকোর্ট তাদের লোকসভার আগেই পঞ্চায়েত ভোটে যেতে বাধ্য করে। সরকারের জোটশরিক অগপ পর্যন্ত বিজেপি–বিরোধী ক্ষোভের আঁচ পেয়ে পঞ্চায়েত ভোটে আলাদাভাবে লড়াই করে। পঞ্চায়েত ভোটে এগিয়ে যেতেই বিজেপি বাড়িয়ে দিয়েছে মুসলিম–‌বিরোধী সুর। কংগ্রেসকে মুসলিম লিগ বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে। অসম নাকি ভারতের আফগানিস্তান হয়ে উঠছিল। তার থেকে বিজেপি রক্ষা করছে ভারতকে। এমনই দাবি বিজেপির সংখ্যালঘু নেতা মমিনুল আওয়ালের। তোলা হচ্ছে ‘‌বাংলাদেশি মুসলিম’‌ বিতাড়নের আওয়াজও।তবে এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে স্পষ্ট, রাজ্যের চার রাজনৈতিক দলেরই শীর্ষ নেতৃত্বের নিজ নিজ এলাকাতেই জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। বিজেপি সভাপতি রঞ্জিত দাসের নিজের কেন্দ্র সরভোগের গ্রামগুলিতে দাগ কাটতে পারেনি পদ্ম-প্রার্থীরা। গোটা অসমেই বিজেপি–র সঙ্গে সম্পর্ক রাখার মূল্য দিতে হচ্ছে অগপ–‌কে। এটা বুঝেই এখন অগপ বিজেপি–সঙ্গ ত্যাগে ব্যস্ত।বিদ্যজনেদের একাংশের বক্তব্য , এ তো বাংলার কমিউনিস্টদের মত অবস্থা বিজেপির , আসামে ।তবে এটা দেখার এই অবস্থা থেকে বেকার সমস্যা সমাধান করে বিজেপি জনপ্রিয় লাভ করে না কমিউনিস্টদের মতো অস্তিত্ব সংকটে পরে ।
ওয়েব ডেস্ক ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ : সাম্প্রতিক কালের বিধান সভা নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবি আর হিন্দুত্ব সমৃদ্ধ তিনটি রাজ্য কংগ্রেসের হাতে চলে আশায় বিজেপির রাতের ঘুম কি চলে গেল ? না হলে এই ভাবে হুল ঢোকানো কথাবার্তা কখনই বলতেননা বিজেপির শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্ব । যার মধ্যে নরেন্দ্র মোদীও বাদ পড়েননা । সেই একই পথে হেঁটে কৈলাশ বর্গীয় টুইট করলেন রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে।  তিনি লেখেন ‘‌বিদেশি মায়ের যিনি সন্তান তিনি কী করে দেশপ্রেমিক হবেন এবং তাঁর মনের মধ্যে দেশের জন্য ভালো কিছু করার অভিপ্রায়ও আসতে পারে না।’ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর মা তথা কংগ্রেস সুপ্রিমো সোনিয়া গান্ধী ইটালিয়ান হলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতে রয়েছেন এবং এই দেশকেই তিনি তাঁর নিজের দেশ বলে মনে করেন। বিজেপি নেতা তাঁর এই টুইটের জন্য এখনও পর্যন্ত ক্ষমা চাননি বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মন্তব্যের পরেই সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় কংগ্রেসের তরফে।

কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রিয়াঙ্কা চর্তুবেদী অবিলম্বে কৈলাসকে মানসিক চিকিত্‍সা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন। কটাক্ষের সুরেই প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, ‘‌সম্প্রতি পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। মধ্যপ্রদেশে ১৫ বছর পরে কংগ্রেসের কাছে গদি হারাতে হয়েছে। আর এই ধাক্কা সহ্য করতে পারেননি বিজয়বর্গীয়। তাই তিনি এই ধরণের মন্তব্য করেছেন। আসলে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের কাছে হার বিজেপির কাছে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। তাই কৈলাস বিজয়বর্গীয়র উচিত মানসিক চিকিত্‍সা করানোর।’‌ তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও রাহুল গান্ধীর বংশ নিয়ে বিজেপি নেতাদের কটাক্ষ করতে দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে সোনিয়া গান্ধীর বিদেশি পরিচয় সামনে এনে বারবার এই অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এটা ঠিক ভারতীয় সংস্কৃতি , বা রাজনীতি, কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করতে শেখায় না , কেউ যদি করে থাকে তাহলে সেটা তার কু অভিরুচির নিদর্শন ছাড়া কিছুই নয়  ।
ওয়েব ডেস্ক ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ : ছত্তিশগড়ে  মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে কংগ্রেস কে বেশ ভালোই বেগ পেতে হল ।কংগ্রেসের নেতারা, হাই কমান্ডের কথা সহজে যে মেনে  নেবেননা সেটা ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনেই ভালো মতো টের পাওয়া গেল ।যাইহোক অবশেষে ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন ভূপেশ বাঘেল।টানা পাঁচ দিন দর কষাকষির পর এহেন ফল পাওয়া গেল কংগ্রেসের তরফ থেকে । শনিবারই ৪ মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীর সঙ্গে কথা বলেন রাহুল। এরা হলেন, টি এস সিংদেও, তাম্রধ্বজ সাহু, ভূপেশ বাঘেল ও চরণ দাস মহন্ত। রাহুলের বাসভবনে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সোনিয়া ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও।

খবর ছিল দ্বিতীয় দফার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন দুর্গ-এর বিধায়ক তাম্রধ্বজ সাহু। তবে ওই সাহুর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার বিরোধিতা করছেন দলের একাংশ। তারা রাহুলের কাছে এনিয়ে দরবার করেন। অবশেষে শিকে ছিঁড়ল ভূপেশের ভাগ্যেই।শানিবার ছত্তিসগড়ের চার মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীর সঙ্গে নিজের ছবি টুইট করেন রাহুল গান্ধী। ফলে এনিয়ে জল্পনা থেকেই যায়। রবিবার সকালেও সংবাদমাধ্যমে একটা জল্পনা ছিল মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন তাম্রধ্বজ সাহু। ফলে অঙ্ক অনেকটাই জটিল আকার নেয়। তবে কংগ্রেসের বৈঠকে তা শেষ পর্যন্ত অবসান হল। সূত্রের খবর অনুসারে কংগ্রেস এমন কাউকে এই তিন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী চাইছিল যারা মানুষের কাছে গ্রহণ যোগ্য , সেটা হয়েছে কি না সময়ই বলবে। 
ওয়েব ডেস্ক ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ : বিজেপি শাসন কালে বজরং দলের মতো সংগঠনের আস্ফালন দেখার মতো , ভ্যালেনটাইন'স ডে তে যুগল পিটিয়ে ভারতীয় ঐতিহ্য বজায় রাখার দায় নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছে  , ২৫শে ডিসেম্বরকে  বিদেশিদের উৎসব বলে ডান্ডা হাতেও ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে , পাচ্ছে যদি কোনো কপত কপোতী   পাওয়া যায় ।আর এসবে বিজেপি সরকার নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে ।করবেনাই বা কেন ?


প্রচ্ছন্ন মদত ছিল যে !এখন তারা, নিজেদের শাসিত রাজ্য ঝাড়খণ্ডের দিকে একবার তাকিয়ে দেখছেন ? যেখানে আদিবাসীদের জনসমক্ষে চুম্বন প্রতিযোগিতা চলছে ।প্রসঙ্গত ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী অধ্যুষিত পাকুর জেলার লিট্টিপাড়ায় প্রত্যেক বছর মহা ধুমধাম করে আয়োজিত হয় সিধো-কানহো মেলা৷ গত বছরের ওই মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল এই চুম্বন প্রতিযোগিতা৷ খেলার নিয়ম ছিল, খোলা মাঠের মধ্যে একে অপরের সঙ্গে চুম্বনে লিপ্ত থাকতে হবে আদিবাসী পুরুষ ও মহিলাকে৷ প্রতিযোগিতার শুরু হতেই ওই অবস্থায় দৌড়াতে হবে তাঁদের৷ এরপর সম্পূর্ণ মাঠ একবার চক্কর কেটে চুম্বনরত অবস্থাতেই আবারও শুরুর স্থানেই ফিরে আসতে হবে যুগলকে৷ যাঁরা প্রথম আসবেন, তাঁরাই প্রতিযোগিতার বিজয়ী হবেন৷ আদিবাসী অধ্যুষিত পাকুর জেলার লিট্টিপাড়ায় গতবছর এই অভিনব প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলেন সেখানকার বিধায়ক সিমন মারান্ডি৷ তাঁর যুক্তি ছিল, এই ধরনের প্রতিযোগিতা স্বামী-স্ত্রী ও প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে ভালবাসা বাড়ায়৷ তবে নিজেদের শাসিত রাজ্য বলে কি না , সেটা বলা কঠিন এই মুহূর্তে, বিজেপির তরফ থেকে কোনো পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি এই ব্যাপারে  ৷ আর বজরং দল ? তাদের দূরবীন দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা ৷  
ওয়েব ডেস্ক ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ : একদিকে যখন সিপিএমের প্রাক্তন সাংসদ এপি আবদুল্লাকুট্টি সরাসরি প্রকাশ ক্যারাট এবং তার লবির ওপর বিজেপি থেকে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ  নেওয়ার  অভিযোগ তুলেছেন , অন্য দিকে মোদীজির বিলাসিতার খরচ সংবাদ মাধ্যমের কাছে ধরা পড়ল  ।বিলাসিতা এই জন্য , কারণ এখনও পর্যন্ত সাধারণ  মানুষের কোনো উন্নতি হয়নি তার বিদেশ যাত্রায় , উল্টে পেট্রোপণ্য থেকে শুরু করে সব জিনিসেরই দাম বেড়েছে ।মে ২০১৪ তে প্রধানমন্ত্রী হবার সময় থেকে এপর্যন্ত ৮৪ বার বিদেশ সফর করেছেন নরেন্দ্র মোদী এবং এই বিদেশ ভ্রমণে সরকারের খরচ হয়েছে ২০১০ কোটি টাকারও বেশী। কেন্দ্রীয় সরকারের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ভি কে সিং রাজ্যসভায় সি পি আই সাংসদ বিনয় বিশ্বমের এক প্রশ্নের উত্তরে একথা জানিয়েছেন।


কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুসারে – বিগত সাড়ে চার বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমেরিকা, চীন, জাপান গেছেন একাধিকবার। এছাড়াও ভারতবর্ষের প্রভাব বাড়াতে  বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তিনি সফর করেছেন।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ সফরের এই খরচের ক্ষেত্রে হিসেব ধরা হয়েছে ১৫ জুন ২০১৪ থেকে ৩ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত।বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর হিসেব অনুসারে – এই খরচের মধ্যে ১,৫৮৩.১৮ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণে, ৪২৯.২৮ কোটি টাকা খরচ হয়েছে চাটারড বিমানের জন্য এবং ৯.১২ কোটি টাকা খরচ হয়েছে হটলাইনের জন্য। যদিও মে ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত হটলাইনের খরচ জানানো হয়নি। বলা হয়েছে এই সময়কালে হটলাইনের জন্য বিল এখনো পাওয়া যায়নি ।এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে যেই বিলাসবহুল খরচ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ওষ্ঠাগত করে তোলে সেরকম খরচ করার থেকে না করাই কি ভালো নয় ?

Saturday, 15 December 2018

ওয়েব ডেস্ক ১৫ই ডিসেম্বর ২০১৮ : বিজেপি  শাসিত ঝাড়খণ্ডে , অহরহ ধর্ষণ জনসাধারণ আগেই দেখেছে । ধর্ষণ করে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া , নাবালিকাকে বিয়ের মণ্ডপ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া , পরিত্যক্ত মাঠে নাবালিকাকে ধর্ষণ করা এসবই  অভিজ্ঞতা মানুষের আছে ঝাড়খন্ড  সমন্ধে । এবার নবতম সংযোজন বধূ নির্যাতন ।
ঝাড়খণ্ডের  ধানবাদে পণের বলি বধূ। পণের দাবি পূরণ করতে না পারায় নব্যবিবাহিত বধূকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করল শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। ধানবাদের মধুগোড়া গ্রামের ঘটনা। পণ হিসেবে নতুন বাড়ি দাবি করেছিল শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। সেটি পূরণ করার জন্য নববধূর উপর চাপ সৃষ্টি করছিল তারা। এমনকী মানসিক এবং শারিরীক নির্যাতনও শুরু হয়। বধূর বাড়ির লোকেরা জানিয়েছে শুক্রবার বিবাদ চরমে ওঠে বধূর গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে জ্বালিয়ে দেয় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি। কয়েকঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের লোকেরা স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক তারা।বিজেপি শাসিত রাজ্যেই যে উগ্র জাতিবাদ জন্ম নিচ্ছে সেটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার ।স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও এই উগ্রতাকে পছন্দ করেন বলে মনে হয়না । জনসাধারণ ৫৬" ছাতি দেখতে চায় এ সবের বিরুদ্ধে ।দেখতে পারবে কি ?  
ওয়েব ডেস্ক ১৫ই ডিসেম্বর ২০১৮ : কম্যুনিস্টরা ধোয়া তুলসীপাতা নয়, এই  কথাটিই যেন প্রতিধ্বনিত হল প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ এপি আবদুল্লাকুট্টির মুখে ।এতদিন ধরে এরা যেখানেই রাজত্ব করেছে মানুষকে ভুল  বুঝিয়ে কঠিন পরিস্তিতির মধ্যে ফেলে দিয়েছে , আর বলেছে এই ভাবেই তো চলছে ।আজ নিজেরা যখন কঠিন পরিস্তিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তখন মেরুদন্ডটা সোজা রাখতে পারলেন না ।প্রসঙ্গত এপি আবদুল্লাকুট্টির অভিযোগ ‘ধর্মনিরপেক্ষ ভোট ভাগ করতে বিজেপির থেকে ১০০ কোটি টাকা নিয়েছে দলের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট গোষ্ঠী। বিনিময়ে ধর্মনিরপেক্ষ ভোট ভাগ করার খেলায় নেমেছেন তাঁর অনুগামীরা।’সদ্যসমাপ্ত রাজস্থান বিধানসভার ভোটে সিপিএমের ভোট বিজেপির বাক্সে ঢুকেছে বলেও নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দাবি করেছেন বর্তমানে কংগ্রেসের নেতা আবদুল্লাকুট্টি। একটি ফেসবুক পোস্টে এই প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ দাবি করেছেন, ধর্মনিরপেক্ষ ভোট ভাগাভাগির জন্য বিজেপির কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা নিয়েছে কারাট লবি। লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সঙ্গে সিপিএমের একাংশের এই ‘গোপন আঁতাঁত’ নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছে রাজনৈতিক মহলে।
ওই প্রাক্তন সিপিএম নেতার আরও দাবি, বিষয়টি দলের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির নজরে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দলের অন্দরে ইয়েচুরি আলোচনা করতে চান বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। ১৯৯৯ থেকে ২০০৯, দুই পর্বে কান্নুর থেকে সিপিএমের টিকিটে সাংসদ হয়েছিলেন আবদুল্লাকুট্টি। রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে ২০০৯-তে সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি। তাঁর দাবি, দিল্লির পুরনো ‘কমরেড’দের থেকেই তিনি এমন ভয়ংকর তথ্য পেয়েছেন। আবদুল্লাকুট্টি লিখেছেন, ‘২৮টি কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়ে সিপিএম অন্তত চার লক্ষ ধর্মনিরপেক্ষ ভোট ভাগ করে দিয়েছে। সিপিএম প্রার্থীর উপস্থিতির জেরে তিনটি কেন্দ্রে জয়ের মুখ দেখেছে গেরুয়া শিবির। পিলিবাঙ্গা কেন্দ্রে ২৭৮ ভোটে কংগ্রেস প্রার্থীকে হারিয়েছেন বিজেপির ধর্মেন্দ্র কুমার। এই কেন্দ্রে ভোট ভাগাভাগি হয়েছে। সিপিএম প্রার্থী পেয়েছেন ২,৬৫৯ ধর্মনিরপেক্ষ ভোট। অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের জমানত বাজেয়াপ্ত হলেও দলের একাংশের ঘরে কোটি কোটি টাকা ঢুকেছে।’ সিপিএম যতই মুখে আদর্শবাদী পার্টি বলুক নিজেদের আসলে সেটা মানুষজকে ভুল বোঝানো ছাড়া অন্য কিছুই নয়  ।তবে এই ভাবেই তারা ত্রিপুরায় দীর্ঘদিন আর বাংলায় ৩৪ বছর রাজত্ব করে গেছে , কিন্তু আজকের কাবিল টিভির যুগে সেটা আর সম্ভব নয় ।
ওয়েব ডেস্ক ১৫ই ডিসেম্বর ২০১৮ : জে এন ইউর মতো শিক্ষা প্রতিষ্টান যে কোনো ছাত্র  ছাত্রীকে শাস্তি দিতে পারে কিন্তু তার ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিতে পারেনা ।উদাহরণ স্বরূপ যেই ঘটনাটা আমাদের সামনে এসেছে তাতে যৌন হেনস্তায় পীড়িত  অভিযোগকারিনীকেই দায়ী কড়া হয়েছে ।প্রসঙ্গত যৌন নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্তকে মুক্ত করে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধেই মামলা শুরু করার অভিযোগ উঠল জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল কমপ্লেন্ট কমিটির  বিরুদ্ধে।
২০১৮ সালের বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল কমপ্লেন্ট কমিটিতে যৌন নির্যাতনের একটি মামলা নথিভুক্ত হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে।এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংঘের দাবি, জেন্ডর সেন্সিটাইজ়েশন কমিটি অ্যাগেনস্ট সেক্সচুয়াল হারাসমেন্ট -র নিয়মানুযায়ী, মামলা মিথ্যা হলে শাস্তি দেওয়ার নিয়ম নেই। সেক্ষেত্রে কেস ক্লোজ়় করে দেওয়া উচিত। না হলে ভয়ে কেউ অভিযোগও করবে না। কিন্তু, ইন্টারনাল কমপ্লেন্ট কমিটি অভিযুক্তকে বাঁচাতে চায়। শুরু থেকেই খাপ পঞ্চায়েতের মতো কাজ করছে। যিনি ক্ষমতায় আছেন তিনিও ভুলভাল সিদ্ধান্ত নেন। ইন্টারনাল কমপ্লেন্ট কমিটির তরফে অভিযোগকারীকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাকে ডিগ্রি না দেওয়ার এবং ভবিষ্যতে সে যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি না পায় সেই কথাও বলা হয়েছে তাদের রিপোর্টে। ইন্টারনাল কমপ্লেন্ট কমিটির তরফে আরও জানানো হয়েছে, তদন্ত চলাকালীন অভিযোগকারীর সঙ্গে সবসময় দু'জন মহিলা নিরাপত্তারক্ষী থাকবে। চিফ প্রোক্টর ও চিফ সিকিউরিটি অফিসারের অনুমতি ছাড়া সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভরতি হতেও পারবে না। এই বিষয়ে ছাত্র সংঘ জানায়, আই সি সির-র এই রিপোর্ট লিঙ্গ সাম্যতার বিরুদ্ধে। ছাত্র সংঘ আরও জানায়, ১৯৯৯ সালের পর জেন্ডর সেন্সিটাইজ়েশন কমিটি অ্যাগেনস্ট সেক্সচুয়াল হারাসমেন্ট  তৈরি হয়। দেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাছে এটি একটি আদর্শ সংস্থা ছিল। এই ব্যবস্থাকে জে  এন ইউ কর্তৃপক্ষ ধ্বংস করে দেয়। আই সি সি তদন্তের ক্ষেত্রে প্রাথমিক নিয়মগুলিই মানেনি। অভিযোগকারীর পরিচয় সামনে আনা উচিত নয়। কিন্তু দু'মাস ধরে আই সি সি নিজেই তার পরিচয়পত্র সামনে এনেছে। এরা কোনও নিয়ম মানে না। সব সিদ্ধান্ত উপাচার্য জগদীশকুমার বসু এবং  আই সি সি- চেয়ারপার্সন বিভা ট্যান্ডন নেন। আই সি সি-র অভিযোগকারীকে ধমকানো ছাড়া আর কিছু করে না। তারা আই সি সির -চেয়ারপার্সন বিভা ট্যান্ডনের পদত্যাগের দাবিও তোলে। জে এনইউ  ও  কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে কয়েকজনকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে।অবশেষে, ,জে.এন ইউর মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এরকম ঘটনা কখনোই কাম্য নয় ।
ওয়েব ডেস্ক ১৫ই ডিসেম্বর ২০১৮ : এবার আইআইটি মাদ্রাসের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও কি সাম্প্রয়িকের ছোঁয়া লাগল ।ঘটনাটা যেদিকে গেছে সেটা মনে না হওয়ার কোনো কারণ দেখছেন না বিদ্যজনেদের একাংশ ।প্রসঙ্গত আমিষ এবং নিরামিশাষি পড়ু্য়াদের জন্য হাত ধোওয়ার বেসিন থেকে শুরু করে ঢোকার এবং বাইরে বেরোনোর পথ আলাদা আলাদা। এমনই পোস্টার দেখা গিয়েছে আইআইটি মাদ্রাজের একটি মেসে। আর সেটি নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পড়ু্য়াদের একাংশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে সেই পোস্টারের ছবিও। যদিও কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই পোস্টারগুলি নিয়ে তদন্ত হবে, সত্যি প্রমাণিত হলে সেগুলি অবিলম্বে সরিয়ে ফেলা হবে।


জানা গিয়েছে, হিমালয়ান মেস কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় যেখানে উত্তর ভারতের পড়ুয়ারা থাকেন, সেখানেই ওই পোস্টারগুলি লাগানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, হাত ধোওয়া এবং মেসে ঢোকা বা বেরোনোর পথ আমিষ ও নিরামিশাষি পড়ুয়াদের জন্য আলাদা আলাদা। যদিও আইআইটি মাদ্রাজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এরকম পোস্টার লাগানোর ব্যাপারে তাঁরা কিছুই জানেন না। অপরদিকে, পড়ুয়াদের একাংশের দাবি, গত বছর মে মাসে ‘‌বিফ ফেস্টিভ্যাল’‌–এর পর এভাবেই পড়ুয়াদের একাংশ আমিষ এবং নিরামিশাষি পড়ুয়াদের জন্য পৃথক ব্যবস্থার জন্য দাবি করেছিল। এমনকি ওই ‘‌বিফ ফেস্টিভ্যাল’–এ অংশ নেওয়ার জন্য একজন ছাত্রকে পিটিয়েছিল সংঘ পরিবারের সমর্থক কয়েকজন পড়ুয়া। আর নয়া এই ঘটনায় ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আইআইটি মাদ্রাজের অন্দরে। ইতিমধ্যেই  সোশ্যাল মিডিয়ায় এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন  নেটিজেনরা , তাদের দাবি এধনের বেদাভেদি এখনই বন্ধ  হওয়া উচিত ।কে কোন গেট দিয়ে প্রবেশ করবে সেটা একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার এনিয়ে কথা বাড়ানো মানে মুর্খামির পরিচয় ।
loading...