Monday, 24 February 2020

ওয়েব ডেস্ক ২৪ শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ : ধারা ৩৭০ অপসারণের পর কিভাবে কাশ্মীরের পরিবর্তন হচ্ছে তা চোখে পড়ার মতো।বিগত কয়েক দশক ধরে যেখানে উপদ্রবীদের কারণে হিন্দু সংস্কৃতি কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। তা এখন পুনরায় জেগে উঠতে শুরু হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরে  ডাল লেকের তীরে অবস্থিত শঙ্করাচার্য শিব মন্দিরে  অনেক বছর পর মহা শিবরাত্রিক উপলক্ষে বেশ জাঁক-জমক দেখা গেল। সন্ত্রাসীদের ভয়ে যেখানে আগে ভক্তরা যথাযথভাবে যেতে পারত না, সেখানে প্রচুর সংখ্যক ভক্ত একসাথে জড়ো হয়ে মহাদেবের দর্শন করে।
 শুক্রবার (২১ শে ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পরে এমন দৃশ্য দেখা গেল, যা গত কয়েক দশকে খুব কম বা দেখা যায়নি বললেই চলে। পুরো মন্দিরটি আলোক দিয়ে আলোকিত করা হয়েছিল এবং ফুল দিয়ে সজ্জিত ছিল। উৎসব উপলক্ষে মহা অভিষেক সহ আরও অনেক ধরণের পূজা অর্চনার আয়োজন করা হয়েছিল।জম্মু ও কাশ্মীর ভ্রমণকারী পর্যটকরাও এই উপলক্ষে ভগবান শিবের দর্শন করেছিলেন। পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে পোস্টে থাকা সশস্ত্র বাহিনীর জোয়ানরাও দেবাদিদেব ভগবান শিবের মন্দিরে গিয়ে তাঁর আশীর্বাদ নিয়েছিলেন। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত রাকেশ ভান শাস্ত্রী বলেছিলেন; “শিবরাত্রি উপলক্ষে ভোর থেকেই পূজা শুরু হয়। আমরা একটি বিশেষ পূজাও আয়োজন করেছি, যাতে স্থানীয় ভক্ত ও সুরক্ষা বাহিনীর কর্মীরা অংশ নিয়েছিল। এই মহাশিরাত্রি উৎসব উপলক্ষে আমরা জম্মু ও কাশ্মীরে শান্তি পুনরুদ্ধারের জন্য প্রার্থনা করেছি। ”
ওয়েব ডেস্ক ২৪ শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ : একবার স্বামী বিবেকানন্দ বিদেশ সফরে ছিলেন সেখানে উনাকে দেখার জন্য প্রচুর লোকজন জড়ো হয়েছিল। সকলে বিবেকানন্দকে হাই, হেলো, ইত্যাদি বলে ডাক দিচ্ছিলেন। স্বামীজী কোনো উত্তর না দিয়ে চুপ করে ছিলেন। সকলে ভেবেছিল স্বামীজি হয়তো ইংরাজি জানেন না। এরপর ভিড়ের মধ্যে থেকে একজন বলে উঠেছিল, আপ ক্যাইসে হে? এটা শোনার পরেই স্বামীজী বলেন- I am fine, How are you? সকলেই অবাক হয়েছিলেন যে এতক্ষন পর কেন স্বামীজী উত্তর দিলেন। এরপর স্বামীজি বলেছিলেন তুমি আমার মাকে (ভাষাকে) সন্মান দিলে তাই আমিও তোমার মাকে সন্মান দিলাম।আসলে পরাধীন ভারতে ভারতীয় ভাষাকে নীচু চোখে দেখা হতো। যা স্বামীজির মনকে কষ্ট দিত। তবে এখন সময়ের পরিবর্তন হতে দেখা মিলছে।

 ভারতের আর্থিক ও সামরিক শক্তির বৃদ্ধির সাথে সাথে ভারতের বিশ্বগুরু হওয়ার পথ প্রশস্ত হচ্ছে। যা আমেরিকার মতো দেশ এখন থেকেই আন্দাজ করতে পারছে। মাত্র কিছুদিন আগেই ভারত দেশ অর্থনীতি পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে এবং PPP যে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। যা পুরো বিশ্বের নজর ভারতের দিকে টেনেছে। আর এখন ট্রাম্প ভারতের প্রতি যে ইঙ্গিত দিচ্ছেন তা বেশ লক্ষণীয়। ট্রাম্পের ভারত সফর যে ভারতের শত্রু দেশগুলির ঘুম কাড়বে তা নিয়েও কোনো সন্দেহ নেই।বিশ্বে ভারতের মর্যাদা কিভাবে বৃদ্বি হচ্ছে তা দেখার মতো। বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী দেশ আমেরিকা এখন ভারতকে সম্মান জানাতে পিছু হটছে না। ট্রাম্প  ভারতে আসার আগে হিন্দিতে টুইট করে লিখেছিলেন-” হাম রাসতে মে হ্যায়, কুছহি ঘনটে মে হাম সাবসে মিলেঙ্গে।” ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী সেটাকে রিটুইট করে লিখেছেন- অথিতি দেব ভব।এক সময় ছিল যখন ভারত ও ভারতীয় ভাষার প্রতি বিশ্বের কোনো দেশ সন্মান জানতো না। আর এখন বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব ডোনাল্ড ট্রাম পর্যন্ত ভারতীয় ভাষায় টুইট করে সন্মান জ্ঞাপন করেছেন।

এক সময় সৌদি আরবের মতো ছোট দেশগুলি ভারতেকে লাল চোখ দেখিয়ে দাপট দেখাতো। তবে মোদী আমলে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের ছবি যে পরিবর্তন হয়েছে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
ওয়েব ডেস্ক ২৪ শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ : ভারতীয় জনতা পার্টির ইতিহাসের তথ্য দেওয়া একটি বই ইন্দোনেশিয়ার ইসলামিক ইউনিভার্সিটির পাঠ্যক্রমের অংশ হতে চলেছে। ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির লাগাতার দুইবার ঐতিহাসিক জয়ের জন্য শিক্ষাবিদরা বিজেপিকে নিয়ে রুচি দেখিয়েছে। শান্তনু গুপ্তার লেখা বই ‘ ভারতীয় জনতা পার্টি- অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সবথেকে বড় রাজনৈতিক দলের কাহিনী।” আন্তর্জাতিক সম্বন্ধ বিভাগে দক্ষিণ এশিয়ার অধ্যয়নের স্নাতক ছাত্রদের পাঠ্যক্রমের অংশ হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্বন্ধ বিভাগের সদস্য হযোজ মিন ফদলী সংবাদসংস্থা পিটিআই কে জানান, ভারতের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপির পরপর দুবার ঐতিহাসিক জয়ের জন্য শিক্ষাবিদরা এই বিষয়ে রুচি দেখিয়েছেন।উনি বলেন, ভারতের সাম্প্রতিক সফরের সময় উনি এই বইয়ের ব্যাপারে জানতে পারেন। তিনি ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন দ্বারা আয়োজিত কৌটিল্য ফেলোশিপ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারতে এসেছিলেন। উনি বলেন, ইন্দোনিশিয়ার মানুষ ভারতের সাথে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে চান। আর এরজন্য ভারতের ক্ষমতায় থাকা দল বিজেপিকে বোঝা খুব দরকার। আমাদের আশা হল, বিজেপিও এরকমই চায়।
যখন লেখক শান্তনু গুপ্তার কাছে ইন্দোনেশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ওনার লেখা বই পাঠ্যক্রমের অংশ হওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করা হয়, তখন তিনি বলেন, আমার কাজ আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পাচ্ছে এর থেকে খুশির কথা আমার কাছে আর কি হতে পারে? একজন লেখক হিসেবে এটা আমার কাছে বড় পাওনা। শান্তনু গুপ্তা উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের জীবনী এবং ফুটবল নিয়ে একটি বই সমেত মোট পাঁচটি বই লিখেছেন।
ওয়েব ডেস্ক ২৪ শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ : প্রথম সরকারি সফরে সোমবার ভারতে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নভেম্বরে মার্কিন ভোট, তার আগে দুই দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এলেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আলিঙ্গন করে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান তিনি।ডোনাল্ড ট্রাম্প হলেন ভারত সফরে আসা অষ্টম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। 
ওয়েব ডেস্ক ২৪ শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ : বিজেপির নেতা কপিল মিশ্র নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসা ধরনা তোলার জন্য দিল্লী পুলিশকে তিনদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে। শাহীনবাগের পর জাফরবাদ আর চাঁদ বাগে রাস্তা বন্ধ করার বিরুদ্ধে রাস্তায় নাম কপিল মিশ্র দিল্লী পুলিশকে তিনদিনের মধ্যে রাস্তা খালি করানোর আল্টিমেটাম দিয়েছেন। আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত সফর পর্যন্ত আমরা এখানে শান্তিপূর্ণ ভাবে আছি। কিন্তু যদি তিনদিনে রাস্তা খালি না হয়, তাহলে আমরা আবারও রাস্তায় নামব। তখন আমরা দিল্লী পুলিশের কথাও শুনব না।
কপিল মিশ্র সমর্থকেরা ওনার এই কথা শুনে ভারত মাতার জয়ধ্বনি এবং বন্দেমাতরম স্লোগান দেন। বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র এও বলেন, যারা নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রদর্শন করছেন, তাঁরা চায় দিল্লীতে আগুন লাগুক। আর সেইজন্য তাঁরা এমন করছে। তাঁরা দিল্লীতে দাঙ্গার পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। উনি বলেন, জাফরবাদকে শাহীনবাগ হতে দেবনা।উল্লেখ্য, একদিন আগে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে শাহীনবাগের আদলে মহিলারা জাফরবাদ আর চাঁদ বাগে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এরপর রবিবার দুপুরে নাগরিকত্ব আইনের বিরোধী এবং কপিল মিশ্রর সমর্থকদের মধ্যে দিল্লীর মৌজপুরে সংঘর্ষ বাধে।
যখন রবিবার দুপুরে কপিল মিশ্রর সমর্থক আর সিএএ এর সমর্থকরা প্রদর্শন করছিলেন, তখন মৌজপুর চৌরাস্তার পাশের গলি থেকে একদল মানুষ এসে তাঁদের উপর আক্রমণ করে। তাঁদের নিশানায় ছিল বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র আর সিএএ সমর্থকেরা। এরপর দুই পক্ষের সংঘর্ষে গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।



Sunday, 23 February 2020

ওয়েব ডেস্ক ২৩ শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ :দু'দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সোমবার ভারতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ দিন অহমদাবাদের মোতেরায় নবনির্মিত ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‌‘নমস্তে ট্রাম্প’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে নরেন্দ্র মোদি এবং ট্রাম্পের। কিন্তু ট্রাম্পের এই সফরের আগেই বিপত্তি ঘটল অহমদাবাদে।রোববার নবনির্মিত এই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রবেশের অস্থায়ী ভিভিআইপি প্রবেশদ্বার ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এই গেট দিয়েই স্টেডিয়ামে প্রবেশ করার কথা ছিল ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদির।এই সময়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এক পথচারীর ক্যামেরায় গেট ভেঙে পড়ার দৃশ্য ধরা পড়েছে। সেই ভিডিও এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সকালে এই গেটটি ভেঙে পড়ার কিছুক্ষণ পরেই প্রবল হাওয়ার কারণে স্টেডিয়ামে ঢোকার অস্থায়ী প্রধান দ্বারের কিছুটি অংশও ভেঙে পড়ে।
অহমদাবাদের স্পেশ্যাল পুলিশ কমিশনার অজয় তোমর জানান, ‘কাজ চলাকালীনই ভিভিআইপি এনট্রি গেট ভেঙে পড়ে। এতে কেউ হতাহত হননি। এটা কোনও বড় ঘটনা নয়। গেট দুটি পুনরায় স্থাপন করার কাজ চলছে।’সোমবার দুদিনের জন্য ভারত সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ট্রাম্পের পথে যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেই কারণে গত সপ্তাহেই গুজরাতের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে কুকুর আর নীলগাইদের। কম যান না ট্রাম্পও। মোদির সঙ্গে দেখা করতে আসছেন বলে যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন। স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে ৮১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি। যেখানে নিজেকে বাহুবলী বলে দাবি করেছেন। তার সঙ্গে ঘোড়ায় চেপেছেন স্ত্রী মেলানিয়াও। ট্রাম্পের দুই কাঁধে ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প। আর রাস্তার দুদিকে জড়ো হওয়া দেশবাসী তাদের অভিবাদন জানাচ্ছেন।

ওয়েব ডেস্ক ২৩ শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ :অতিথি আপ্যায়নে যেন কোনও ত্রুটি না থাকে, সেজন্য সবরকম প্রস্তুতি নিচ্ছে  মোদী সরকার। শুধু আগামী মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতি ভবনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজই নয়, ৩৫ ঘণ্টার ভারত সফরে ট্রাম্প পরিবারের রসনাবিলাসের সর্বোচ্চ বন্দোবস্ত করার চেষ্টাই চলছে। ইতোমধ্যে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জেনে নেওয়া হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রিয় খাদ্যতালিকা। সরকারিভাবে এখনও জানানো না হলেও সূত্রের খবর, আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে ও হায়দরাবাদ হাউজে মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে সেই পদগুলির কিছু কিছু রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। তার সঙ্গে অবশ্যই মিশে থাকবে ধ্রুপদী ভারতীয় খাবার।তবে ভিভিআইপি অতিথিকে যে শুধু নিরামিষ দিয়ে বরণ করা হবে না, তা স্পষ্ট। এর আগের মার্কিন প্রেসিডেন্টরা দিল্লি এসে তাদের প্রিয় সব আমিষ খাবারই পেয়েছেন। ২০০৬ সালে জর্জ বুশের সফরে পরিবেশন করা হয়েছিল, তার প্রিয় গলদা চিংড়ি, বিরিয়ানি আর ভারতীয় কারি। মহারাষ্ট্রের আলফন্সো আমও ছিল শেষ পাতে।
২০১০ সালে আসেন বারাক ওবামা। রাষ্ট্রপতি ভবনের মেনুতে ছিল তার বিশেষ আগ্রহের চিকেন শামি কাবাব, আচারি ফিশ টিক্কা, পিস্তা মুর্গ। নতুন আইটেম হিসাবে দেওয়া হয়েছিল, পালক পাপড়ি চাট আর আনারসের হালুয়া। চেটেপুটে খেয়েছিলেন বারাক।যেসব পদ ট্রাম্পের বিশেষ পছন্দের, তারমধ্যে রয়েছে ভেড়ার মাংসের মিটলোফ। প্রতিবছর তার জন্মদিনে ট্রাম্পের বোন নিজে হাতে বানিয়ে তাকে খাওয়ান। এছাড়া বিভিন্ন মাংসের স্টেক, কাঁকড়া, চিংড়ি, চেরি-ভ্যানিলা আইসক্রিম, চকোলেট কেকও ভালবাসেন তিনি। তবে প্রাতরাশে ডায়েট কোক, বার্গার ও মিটলোফ তার চাই-ই চাই! হোয়াইট হাউজ সূত্রে জানানো হয়েছে, উপরোক্ত পদগুলির সঙ্গে বেকন ও ডিমের পোচও দারুণ উপভোগ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ওয়েব ডেস্ক ২৩ শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ :পুরভোটের আগে আর কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদের ভোট হবে না। শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি জানান, সামনেই পুরভোট। এর মধ্যে পুলিশ প্রশাসনের সাহায্য পাওয়া যাবে না। তাই আপাতত আর কোনও বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কলেজে ছাত্র সংসদের ভোট হবে না। এর প্রতিবাদ জানিয়েছে এসএফআই। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, আসলে রাজ্য সরকার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভোটের ফলাফল দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছে। তাই তারা ভোট বন্ধ করে দিল।
এসএফআই নেতা বলেন, এই তো, যাদবপুরে ভোট হল। কোথাও কোনও গোলমাল হয়নি। ছাত্রভোটে পুলিশ আর প্রশাসনকে লাগবেই বা কেন? পার্থ বলেন, আমরা ভোটে ভয় পাই না। এখন অনেক পরীক্ষা আছে। তা ছাড়া এপ্রিল থেকে কলেজে কলেজে নতুন পড়ুয়ারা আসে। তাদের বাদ দিয়ে ভোট হবে কেন?
ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কলেজে কলেজে গোলমালের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার গত দু’তিন বছরে ভোট বন্ধ রেখেছিল। শিক্ষামন্ত্রী কয়েক মাস আগে ঘোষণা করেছিলেন, এ বার ছাত্র সংসদের ভোট হবে। তিনি তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোটের কথা জানিয়েছিলেন। সেইমতো প্রেসিডেন্সি, রবীন্দ্রভারতী, যাদবপুরে ভোট হয়ে গিয়েছে
ওয়েব ডেস্ক ২৩ শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ :পরিবেশ এবং সামাজিক পরিকাঠামোর দিক থেকে ভারতীর শিশুরা কতটা নিরাপদ এবং সুরক্ষিত? রাষ্ট্রপুঞ্জের সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, ১৮৩ টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান ১৩১।একটি দেশে সামাজিক ভাবে শিশুরা কেমন করে বেঁচে থাকে, জন্মের পর পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের মৃত্যুর হার কত, তাদের হিংসার বলি হতে হয় কি না, ভ্রূণ হত্যার হার কেমন, শিশুরা বেড়ে ওঠার সময় থেকে শিক্ষার সুযোগ কতটা পাচ্ছে, শিক্ষা ও খাদ্যের অধিকার তারা কতটা পাচ্ছে, দারিদ্র্যের হার কেমন, এই ধরনের একগুচ্ছ প্রশ্নের উপর সমীক্ষা চালানো হয়। সমীক্ষা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু), রাষ্ট্রপুঞ্জের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এবং ল্যানসেট পত্রিকা। তারই রিপোর্ট বুধবার প্রকাশিত হয়েছে।ওই সমীক্ষার ভিত্তিতে তৈরি হয় ফ্লারিশিং ইনডেক্স (সমৃদ্ধি সূচক)। তাতেই দেখা যাচ্ছে, ভারত অনেক নীচে, ১৩১ তম স্থানে।পাশাপাশি, সাসটেনেবিলিটি ইনডেক্স, জনপ্রতি বিভিন্ন দেশের কার্বন নিঃসরণের মাত্রাকে মাথায় রেখে যে সমীক্ষা করা হয়েছে, তাতে ভারতের স্থান ৭৭।
এই সমীক্ষায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় বিভিন্ন দেশের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, বিশ্বের কোনও দেশই বর্তমান শিশু ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্যকরভাবে বেঁচে থাকার জন্য উল্লেখযোগ্য কাজ করে উঠতে পারেনি। কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরবকে সবচেয়ে বেশি দায়ী করা হয়েছে। কার্বন নিঃসরণের হার তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম সোমালিয়া, বুরুন্ডিতে।রিপোর্টে আরও একটি বিশেষ দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। সেটা হল, বিপণন ও বিজ্ঞাপনে শিশুদের ব্যবহার। বিভিন্ন জাঙ্কফুড, নরম পানীয়ের বিজ্ঞাপনে শিশুদের দিয়ে প্রচার অন্যান্য শিশুকে অস্বাস্থ্যকর খাবার ও পানীয়র দিকে উৎসাহিত করে। যার ফলে শিশুদের ওবেসিটি, বেশি ওজন সহ বিভিন্ন অসুখের দিকে ঠেলে দেয় বলে রিপোর্টে প্রকাশ।
শিশু স্বাস্থ্যের জন্য প্রতিটি দেশকেই নতুন নীতি তৈরি ও বিপুল বিনিয়োগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের সমীক্ষা রিপোর্টে। শিশুদের স্বাস্থ্য ও অধিকার রক্ষা, পরিবেশের উপর নজর দেওয়া, শিশুদের প্রয়োজনের দিকে নজরা রাখা, ক্ষতিকর বাণিজ্যিক প্রচার বন্ধ করার মতো বিষয়ে জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ওয়েব ডেস্ক ২৩ শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ :নাগরিকতা সংশোধন আইন আর এনআরসি এর বিরুদ্ধে দিল্লীর জাফরাবাদের প্রধান সড়কে চলা বিক্ষোভ নিয়ে বিজেপির  নেতা কপিল মিশ্র ট্যুইট  করেন। উনি ট্যুইটে লেখেন, এবার জাফরাবাদে স্টেজ তৈরি হচ্ছে। আরও একটি এলাকা, যেখানে এবার ভারতের আইন আর লাগু হবে না।” কপিল মিশ্র আরও লেখেন, মোদীজি ঠিক বলেছিলেন, শাহিনবাগ সত্যিই একটি প্রয়োগ ছিল। উনি লেখেন, এবার এক-এক করে রাস্তা, গলি, বাজার, মহল্লা খুইয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। আপনি চুপ করে বসে থাকুন, যতদিন না ওঁরা আপনার ঘরে ঢুকে যায়।এর আগেও কপিল মিশ্র জাফরাবাদ প্রসঙ্গ নিয়ে ট্যুইট করে লিখেছিলেন, এখন রাতের বেলায় জাফরাবাদের মেন রোডের উপরেও কবজা করে নেওয়া হয়েছে। উনি শাহিনবাগ আন্দোলনকে কটাক্ষ করে লেখেন, আরেকটি রাস্তা বন্ধ হল … এবার বিরিয়ানি বিলি করো।
আপনাদের জানিয়ে দিই, বিগত দেড় মাস ধরে জাফরাবাদ রোডে ধরনায় বসা মহিলারা রাতের বেলায় জাফরাবাদের প্রধান সড়কে চলে আসেন। আর সেই সময় ওনারা স্লোগান দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেন। আন্দোলনরত মহিলারা জাফরাবাদ মেট্রো স্টেশনের বাইরেও বিক্ষোভ দেখায়। আর এই বিক্ষোভের কারণে জাফরাবাদ মেট্রো স্টেশন বন্ধ করতে বাধ্য হল মেট্রো প্রশাসন।
loading...