Friday, 19 April 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই এপ্রিল ২০১৯: যার সঙ্গে খারাপ কিছু ঘটে , একমাত্র সেই এই যন্ত্রনাটা উপলব্ধি করতে পারে ।সেই ব্যক্তিই একমাত্র বুঝতে পারে তার সাথে কি ঘটেছে । ইচ্ছা করলে কেন্দ্র সরকার জেট এয়ারওয়েজের সমস্যাটা আগে থেকেই সমাধান করতে পারতো, কিন্তু লোকসভা ভোট দেখেয়েও তারা সমস্যাটা তৈরী হতে দিল ।আগে থেকে সমাধান করল না , যদি মোদী সরকার করতো তাহলে এই হাল হতোনা জেট কর্মীদের । প্রসঙ্গত কেউ কাজ করছেন সংস্থা শুরুর দিন থেকে। এখন নতুন চাকরি খুঁজবেন কী করে, তা–ই ভাবছেন। কেউ বিশ্বাসই করতে পারছেন না, ২০ বছরেরও বেশি চাকরির পরে বৃহস্পতিবার থেকে কাজ নেই। কেউ আবার এখনও আশা করছেন, ঘুরে দাঁড়াবে সংস্থা। এদের কেউ বিমানবন্দরে মাল ওঠানো–নামানোর কাজে যুক্ত। কেউ বা পাইলট। কেউ বিমানসেবিকা। দু–তিন মাস বেতন না পেলেও কাজে আসছিলেন যাঁরা। আজ তাঁদের সকলেরই পরিচয় ঝাঁপ বন্ধ করা জেট এয়ারওয়েজের কর্মী। সংখ্যাটা প্রায় ২০,০০০।
বুধবার সন্ধেয় বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, পুঁজির অভাবে আপাতত পরিষেবা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে তারা। তারপর থেকেই নানা জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কর্মীরা। হাতের প্ল্যাকার্ডে লেখা, ‘‌জেট বাঁচান। আমাদের পরিবার বাঁচান।’‌ অভিযোগ উঠেছে, সরকার কিছুই করেনি। এই অবস্থায় কেন্দ্রের প্রতি জেটের কর্মী সংগঠনের আর্জি, ‘‌অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করুন। পাশাপাশি, কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তার তদন্ত হোক।’‌ সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জেটের নিজস্ব কর্মী ছাড়াও ট্রাভেল এজেন্ট থেকে শুরু করে বিমানবন্দরে কাজ করা ঠিকা কর্মীদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত।৫৩ বছরের জেট কর্মীর হাতে প্ল্যাকার্ড, চোখে জল। অফিসের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে হাউ হাউ করে কাঁদছিলেন তিনি। শুধু পূজারী নন, হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে হাহাকার করতে দেখা গেল জেটের হাজার হাজার কর্মীকে। দিল্লি, মুম্বই নানা জায়গায় ধর্ণায় বসলেন পাইলট, ইঞ্জিনিয়াররা। বুধবার রাতে জেটের শেষ উড়ান ছিল দিল্লি থেকে অমৃতসর। এমনকি মঙ্গলবার এমনও শোনা গিয়েছিল, পুঁজির অভাবে নাকি পুরোপুরি ঝাঁপ বন্ধ করে দিতে পারে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বিমান সংস্থা। জেটের কাঁধে এই মুহূর্তে ৮,৫০০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক ঋণের বোঝা। সেই সঙ্গে কর্মীদের অন্তত তিন মাসের বকেয়া বেতন। যাত্রীদের ফেরত দিতে হবে বাতিল যাওয়া উড়ানগুলির টিকিটের দামও। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো রয়েছে জ্বালানি সংকট। এই বোঝা মাথায় নিয়ে সংস্থা আপাতত তাকিয়ে নিলাম প্রক্রিয়ার দিকে। যার ফলাফল বুঝতে এখনও অন্তত দু’তিন সপ্তাহ বাকি।জেটের পাইলটরা জানিয়েছেন, দিনে যেখানে ৬০০ বিমান উড়ত, সেখানে গত কয়েকদিনে সংখ্যাটা ছিল ৪ থেকে ৫। গতকাল থেকে সেটাও বন্ধ হয়ে গেছে। সংস্থার দৈনন্দিন খরচ চালাতে এসবিআইয়ের নেতৃত্বাধীন ঋণদাতা গোষ্ঠীদের কাছে ফের ৪০০ কোটি টাকা ঋণ চায় জেট। কিন্তু ব্যাঙ্কগুলি তা দিতে অস্বীকার করে। ফলে আপাতত আর কোনও রাস্তা খোলা থাকল না বলেই মনে করছেন তাঁরা। প্রতিষ্ঠাতা নরেশ গয়াল ও তাঁর স্ত্রীও জেটের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। অতএব সংস্থার হাল কী হতে চলেছে, তা দুইয়ে দুইয়ে চার করে নিয়েছেন অনেকেই। কেন্দ্র সরকার চাইলে এই পরিস্তিতিই আসতোনা ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই এপ্রিল ২০১৯: কথায় আছে  পাপ কোনোদিন বাপকে ছাড়েনা , সে তুমি যত বড়ই নেতা , মন্ত্রী হউন কেন । আই যে চলে তার নিজের পথেই সেটা হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক  অশোক চান্ডেল। যদি মনে রাখতেন যে আইন নিজের পথেই চলে তাহলে হয়তো এতো বড় গর্হিত কাজ করার সাহস পেতেননা ।প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা তথা বিধায়ক অশোক চান্ডেলকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করলো এলাহাবাদ হাইকোর্ট। শুক্রবার এলাহাবাদ হাইকোর্টের পক্ষ থেকে এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ২২ বছরের পুরোনো এক হত্যাকান্ড তাঁকে এই সাজা শুনিয়েছে আদালত।

১৯৯৭ সালের ২৬ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের  হামিরপুরের বাসস্ট্যান্ডে পাঁচ ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকান্ডে মূল অভিযুক্ত ছিলেন বিজেপি নেতা অশোক চান্ডেল সহ আরও নয় ব্যক্তি। অশোক চান্ডেল বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের হামিরপুর থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তিনি এদিন রায় ঘোষণার আগেই আদালত চত্বর থেকে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।দীর্ঘ বিচারের পর শুক্রবার আদালতে বিজেপি নেতা অশোক চান্ডেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এরপর এলাহাবাদ হাইকোর্ট ওই বিজেপি নেতাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেয়। বিচারপতি রমেশ সিনহা এবং বিচারপতি ডী কে সিং-এর ডিভিশন বেঞ্চ এদিন এই সাজা ঘোষণা করেন।বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত , যতই অশোক চান্ডেল পালিয়ে পালিয়ে বেড়াননা কেন , সত্যের মুখ মুখী তাকে দাঁড়াতেই হবে । 
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই এপ্রিল ২০১৯: এটা যে সিপিএম জমানা নয় আবার নিজের কাজের মাধ্যমে  মনে করিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । সিপিএম জমানায় কোনো কাজের ব্যাপারে কোনো নেতা মন্ত্রীদের কাছে গেলে তারা বলতো সবার মতামত নিয়ে এসো, আসলে কাজটি না করার ধান্দা ছাড়া আর কিছুই ছিলনা ।
এবার মুর্শিদাবাদে মমতা বলেন  “আপনারা জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় চেয়েছিলেন আমরা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিয়েছি” মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এভাবেই উন্ময়নের খতিয়ান তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আজ বলেন, জেলাবাসী আমাদের মোট চারটি আসন দিলেও আমরা উন্নয়নে ঘাটতি রাখিনি।জেলার সাগড়দিঘী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, কান্দি মাস্টার প্লান, তিনটে মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল করেছি।আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় আমরাই করেছি। আপনারা জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় চেয়েছিলেন আমরা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিয়েছি”শুক্রবার জেলা তৃণমূল পর্যবেক্ষক সহ অন্যান্য নেতাদের সাথে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প এর খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়েও কথা বলেন মমতা।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই এপ্রিল ২০১৯: একের পর এক ভিত্তিহীন বিস্ফোরক কথা বলেই যাচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর।সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই উক্তি করেছেন , যদি এতই সস্তায় প্রচার পাওয়ার ইচ্ছে , তাহলে রাজনীতিতে এলেন কেন ,সাধ্বী প্রজ্ঞা, কোনো নাটক কোম্পানিতে নাম লেখাতে পারতেন ।প্রসঙ্গত তিনি দাবি করেন  মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় তাঁকে মিথ্যা ফাঁসানোর অপরাধেই বেঘোরে মরতে হয়েছে মুম্বইয়ের এটিএস প্রধান হেমন্ত কারকারেকে।তিনি দাবি করেন যে তাঁরই অভিশাপের কারণে এমন পরিণতি হয়েছিল এটিএস প্রধানের।

ভোপালের লোকসভা প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা জানান, তাঁকে মালেগাঁও মামলায় মিথ্যাভাবে জড়ানোর জন্য তিনি হেমন্ত কাররারেকে অভিশাপ দিয়েছিলেন যে সর্বনাশ হবে এটিএস প্রধানের। এরপরই হেমন্ত কারকারের অকাল মৃত্যু হয়। ২০০৮ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডে মোট ৭ অভিযুক্তের মধ্যে প্রজ্ঞার নামও যুক্ত হয়। সাধ্বীর অভিযোগ, মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ এলেও তাঁকে ছাড়তে রাজি হননি তদন্তের নেতৃত্বে থাকা কারকারে। তাঁর দাবি, যেনতেন প্রকারে তাঁকে সন্ত্রাসবাদী সাজানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। প্রজ্ঞা বলেন, ‘‌হেমন্ত কারকেরেকে আমি বলি যে আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ না পেলে আমায় ছেড়ে দেওয়া হোক। কিন্তু হেমন্ত জানান যে তিনি প্রমাণ জোগাড় করে নিয়ে আসবেন কিন্তু আমায় ছাড়বেন না। আমি তাঁকে তখন বলি তোর সর্বনাশ হবে।’‌ এর কয়েক দিন পরেই মুম্বইয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় গুলি লেগে নিহত হন হেমন্ত কারকারে।
বিজেপিতে সদ্য যোগ দেওয়া সাধ্বী প্রজ্ঞা জানান, হেমন্ত কারকারে তাঁকে বেশ কিছু অশ্লীল ভাষায় অপমানও করেছিলেন। ২০০৮ সালের নভেম্বরে মুম্বই হামলার সময় অন্য দুই পুলিস অফিসারের সঙ্গে নিহত হন হেমন্ত কারকারে। বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রজ্ঞা লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন ভোপাল থেকে। নির্বাচনী ময়দানে তাঁকে লড়তে হবে ঝানু কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংয়ের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারে ক্রমাগত মালেগাঁও কাণ্ডে অভিযুক্ত হওয়ার পরে নিজের হেনস্থার কথা তুলে ধরছেন প্রজ্ঞা। যদি এসব করে লোকসভার বৈতরণী পার করা যায় ভোপালের লোকসভা প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা জানান, তাঁকে মালেগাঁও মামলায় মিথ্যাভাবে জড়ানোর জন্য তিনি হেমন্ত কাররারেকে অভিশাপ দিয়েছিলেন যে সর্বনাশ হবে এটিএস প্রধানের। এরপরই হেমন্ত কারকারের অকাল মৃত্যু হয়। ২০০৮ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডে মোট ৭ অভিযুক্তের মধ্যে প্রজ্ঞার নামও যুক্ত হয়। সাধ্বীর অভিযোগ, মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ এলেও তাঁকে ছাড়তে রাজি হননি তদন্তের নেতৃত্বে থাকা কারকারে। তাঁর দাবি, যেনতেন প্রকারে তাঁকে সন্ত্রাসবাদী সাজানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। প্রজ্ঞা বলেন, ‘‌হেমন্ত কারকেরেকে আমি বলি যে আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ না পেলে আমায় ছেড়ে দেওয়া হোক। কিন্তু হেমন্ত জানান যে তিনি প্রমাণ জোগাড় করে নিয়ে আসবেন কিন্তু আমায় ছাড়বেন না। আমি তাঁকে তখন বলি তোর সর্বনাশ হবে।’‌ এর কয়েক দিন পরেই মুম্বইয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় গুলি লেগে নিহত হন হেমন্ত কারকারে।
বিজেপিতে সদ্য যোগ দেওয়া সাধ্বী প্রজ্ঞা জানান, হেমন্ত কারকারে তাঁকে বেশ কিছু অশ্লীল ভাষায় অপমানও করেছিলেন। ২০০৮ সালের নভেম্বরে মুম্বই হামলার সময় অন্য দুই পুলিস অফিসারের সঙ্গে নিহত হন হেমন্ত কারকারে। বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রজ্ঞা লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন ভোপাল থেকে। নির্বাচনী ময়দানে তাঁকে লড়তে হবে ঝানু কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংয়ের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারে ক্রমাগত মালেগাঁও কাণ্ডে অভিযুক্ত হওয়ার পরে নিজের হেনস্থার কথা তুলে ধরছেন প্রজ্ঞা। বৃহস্পতিবার এক জনসভায় তিনি জেলে পুলিশের অত্যাচারের কথা বলতে বলতে কেঁদে ফেলেছিলেন।যদি এসব করে লোকসভার বৈতরণী পার করা যায় ।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই এপ্রিল ২০১৯: নীরব মোদী , লালিত মোদীকে  জনগণ চেনে  কারণ  সর্বভারতীয় চ্যানেলগুলি এদের নিয়ে খবর করেছে । কিন্তু এমন অনেক মেহুল চোকসি , নীরব মোদী আছেন যারা দেশ থেকে মানুষের টাকা লুঠ করে বিদেশে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছেন । আর এই সংখ্যাটা দু চার পাঁচ জন নয় হাজার হাজার । প্রসঙ্গত পৃথিবীর  চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার দৌড়ে এখন ভারত। ২০২৮ সালের মধ্যেই জার্মানি এবং ব্রিটেনকে টপকে  যাওয়ার পথে। আগামী দশ বছরের মধ্যে ভারতের জাতীয় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা  ৮,১৪৮ বিলিয়ন ডলার বা ৫ কোটি ৬৭ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২২,৮১৪ বিলিয়ন ডলার বা ১৫ কোটি ৮৮ লক্ষ কোটি টাকা হবে। গত এক বছরে মোট উৎপাদন কমলেও এই মুহূর্তে পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি ভারত। খবর যুগশঙ্খের।

ভারতের মোট উৎপাদন বাড়তে থাকলেও একই সঙ্গে বাড়ছে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য। অর্থাৎ বিত্তশালীদের সংখ্যা বাড়লেও আরও গরিব হচ্ছেন অর্থনীতির নিচের তলায় থাকা মানুষজন। সদ্যপ্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে যে ভারতের ৪৮ শতাংশ সম্পত্তিই সাড়ে তিন লক্ষ মানুষের হাতে। বাকি ৫২ শতাংশ সম্পত্তি আছে প্রায় ১৩০ কোটি মানুষের হাতে।
আশঙ্কা হল এই যে দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতে দলে দলে পা রাখছেন ভারতীয় বিত্তশালীরা। বিত্তশালীরা দেশ ছাড়লে সেই সম্পত্তিও দেশ ছাড়ার আশঙ্কা থেকে যায়। দেশের অর্থনীতি ও সমাজকেনিরাপদ করার মাধ্যমেই বিত্তশালীদের দেশ ছাড়ার সংখ্যা কমানো যেতে পারে বলে বলা হয়েছে গবেষণাপত্রটিতে। সেখানেই মিলছে দলে দলে ভারতীয় ধনকুবেরদের দেশ ছাড়ার পরিসংখ্যান। শুধু ২০১৮ সালেই ভারত ছেড়েছেন অন্তত ৫,০০০ জন ভারতীয় ধনকুবের। অ্যাফ্রো এশিয়া ব্যাঙ্ক এবং নিউ ওয়ার্ল্ড ওয়েল্‌থ -র যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি  গ্লোবাল ওয়েল্‌থ মাইগ্রেশন রিভিউ রিপোর্ট ২০১৯ নামের একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।

বিত্তশালী বলতে এখানে বলা হয়েছে ধনীদের কথাই। অর্থনীতির ভাষায় তার নাম ‘এইচএনডাব্লিউআই বা হাই নেটওয়ার্দ ইন্ডিভিজুয়াল’। যাঁদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির পরিমাণ এক মিলিয়ন ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় ৭ কোটি টাকা। বিত্তশালী বা ধনকুবেরদের তালিকায় তাঁদেরকেই রাখা হয়েছে। সারা পৃথিবীতে এই ধরনের বিত্তশালীদের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। তার মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই হল তিন লক্ষ ২৭ হাজার। বিত্তশালীদের সংখ্যার নিরিখে এখন নয় নম্বরে আছে ভারত।

রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতীয় বিত্তশালীরা দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতে যে পা রাখছেন তার প্রধান কারণই নিরাপত্তা।নিরাপত্তাহীনতার জন্যই তাঁরা দেশে থাকা ঠিক মনে করছেন না। এই নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রাখা হয়েছে— মহিলা ও শিশুদের নিরাপত্তা, জলবায়ু, পরিবেশ, সন্তানের শিক্ষার পরিকাঠামো, কাজের পরিবেশ, আর্থিক দুশ্চিন্তা, স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, জীবনযাত্রার মান  এবং ধর্মীয় উত্তেজনা। সারা পৃথিবীতে দেশত্যাগী ধনকুবেরদের তালিকায় এখন চিন আর রাশিয়ার পরেই ভারত।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই এপ্রিল ২০১৯: ক্ষোভটা ছিল অনেক দিনের , এবার দল ছেড়ে তা প্রকাশ করলেন   কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী। তার অভিযোগ যারা  অপমান করেছেন  তাদেরকেই কংগ্রেস মাথায় করে রাখছে  ।তাই তিনি কংগ্রেস ছাড়তে বাধ্য হলেন বলে খবর ।  এই প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীই  সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির নমিনেশন ফাইলে এফিডেভিটে শিক্ষাগত যোগ্যতার বারবার ভুল তথ্য প্রদান নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন । গতকাল রাতে পদত্যাগপত্র পেশ করেন  প্রিয়াঙ্কা।যদিও এখন পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি , কিন্তু কংগ্রেস সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে শ্রীমতি চতুর্বেদী দল থেকে পদত্যাগ করেছেন।
তিনি তাঁর ট্যুইটার বায়ো থেকে কংগ্রেসের সঙ্গে সমস্ত সংযোগ ছিন্ন সংযোগ করেছেন। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে উদ্দেশ্য করে ট্যুইটারে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। কে সি বেণুগোপাল ও রণদীপ সুরজেয়ালাকেও কপি পাঠিয়েছেন তিনি। পদত্যাগপত্রে লিখেছেন — ‘ আমার এটাই খারাপ লাগছে যে দল নারীর নিরাপত্তা , সম্মান ও ক্ষমাতয়নের পক্ষে যেভাবে ফলে কার্যক্ষেত্রে কিন্তু তার প্রতিফলন ঘটে না। ‘সম্প্রতি মথুরায় সাংবাদিক সম্মেলনে কিছু কংগ্রেসকর্মী প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ জানান প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু গত ১৫ এপ্রিল উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস সেইসব পার্টি কর্মীদের দলভুক্ত করেই রেখে দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হন প্রিয়াঙ্কা। এছাড়া মুম্বই উত্তর কেন্দ্রে অভিনেত্রী উর্মিলা মাতন্ডকরের টিকিট পাওয়া নিয়েও যথেষ্ট মর্মাহত হয়েছিলেন তিনি। 
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই এপ্রিল ২০১৯: মোদী সরকারের জনপ্রিয় স্লোগান বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও। কিন্তু মোদী সরকারের যে রিপোর্ট সামনে এসেছে, তাতে মুখ পুড়ছে বিজেপির। কারণ নারী নির্যাতনের ঘটনায় শীর্ষে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি। গোটা দেশে দিনে প্রায় ৯২৬ টি নারী হেনস্থার ঘটনা ঘটে আর অভিযোগ জমা পড়ে পুলিশের খাতায়।
আর এর মধ্যে ১০৬টি অভিযোগেই দেখা যায়, আক্রান্তের উপর নির্দয় হামলা চালিয়েছে অভিযুক্তরা। ২০১৫ থেকে ২০১৯ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে নারী হেনস্থার পরিমাণ। দেশ জুড়ে বেড়ে চলেছে এই পাশবিক প্রবণতা। ভোটের মুখে বিজেপি বলতে পারে, এসব হল বিরোধীদের চক্রান্ত। কিন্তু না, এই তথ্য দিয়েছে স্বয়ং কেন্দ্রের মোদী সরকার।
শুধু দেশ জোড়া এই ঘটনার পরিসংখ্যান নয়। কেন্দ্রের তরফে রাজ্যভিত্তিক পরিসংখ্যানও দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, নারী হেনস্থার ঘটনায় সবচেয়ে উপরে আছে মধ্যপ্রদেশ। যে রাজ্যে ২০১৬ সালে ধর্ষণের অভিযোগ জমা পড়েছে প্রায় পাঁচ হাজারের কাছাকাছি। যা কয়েক মাস আগেও বিজেপি শাসনাধীন ছিল।তারপরেই আছে যোগী আদিত্যনাথের রাজ্য উত্তরপ্রদেশ। তারপর আছে মহারাষ্ট্র, রাজস্থান ও ওড়িশা। উল্লেখ্য, প্রথম দশ রাজ্যের তালিকায় নেই পশ্চিমবঙ্গ। বাম শাসিত কেরালা আছে তালিকার দশম স্থানে।
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই এপ্রিল ২০১৯: সিপিএমের লোক বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর নিঃসন্দেহে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত হয়েছে পশ্চিম বাংলায় । আর সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কলুষিত হচ্ছে বাঙালির রাজনীতি । বাংলার রাজনীতি শালীনতার  সীমা কখনোই ছাড়াইনি পূর্বে , তবে দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসুর আর সব শেষে যোগেশ ভার্সনের মতো পাবলিকের জন্য বিজেপির বর্ষীয়ান নেতারাই কোথায় মুখ লুকোবেন বুঝে উঠতে পারছেননা ।
প্রসঙ্গত , ২০১৭-য় হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে বীরভূমে অস্ত্র হাতে নিয়ে মিছিল বের করে গেরুয়া বাহিনী। সেই অস্ত্র মিছিলের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ায় তাঁর মাথা কেটে নেওয়ার ফতোয়া জারি করেন  যোগেশ ভার্সনে। বৃহস্পতিবার তাঁর একাধিক আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।আলিগড়ের বিজেপি যুব মোর্চা নেতা যোগেশ ভার্সনে। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে বীরভূমের অস্ত্র মিছিল নিয়ে মমতা কড়া হুঁশিয়ারিকে চ্যালেঞ্জ জানান যোগেশ। দাবি করেন, মমতার মাথা কেটে আনতে পারলে ১১ লক্ষ টাকা তিনি পুরস্কার দেবেন। এর পরই তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় একাধিক এফআরআই দায়ের হয়।যোগেশ মামলা-মোকদ্দমার মুখে পড়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে শাস্তি রদের আর্জি জানিয়েছিলেন। সেই আর্জিই এ দিন খারিজ করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত। এ দিনের শুনানিতে তাঁর আইনজীবীকে তিরস্কার করে বিচারপতি দীপক গুপ্ত বলেন, “মাথা কাটার হুমকি দেওয়ার সাহস যখন রয়েছে, আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখিও হতে হবে”।এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় দায়ের হওয়া একাধিক এফআরআইগুলিকেও একত্রিত করার আবেদন জানিয়েছিলেন যোগেশ। সেই আর্জিও  খারিজ করে দেন বিচারপতিরা।বিচারপতি গুপ্ত আরও বলেন, “একজন সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তিকে হুমকি দিয়েছেন আপনি। তাঁর মাথার দাম ঘোষণা করেছেন। এর পরেও আমাদের কাছে সাহায্য চাইতে এসেছেন। এই ধরনের মানুষের আবেদনের শুনানি করি না আমরা”। এই অবস্থায় , বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে বেকায়দায় ।

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই এপ্রিল ২০১৯: ভোটের রাজনীতিতে কে কাকে বোকা বানাচ্ছে বলা মুশকিল । তবে সাধারণ মানুষকে যে বোকা ভেবেছে সে মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন বলেই দেওয়া যায়। এক দিকে রাহুল গান্ধী যখন আম্বানি ভাইদের তুলোধোনা করছেন তখন মুকেশ অম্বানিকে আবার দেখা গেল কংগ্রেস প্রার্থী মিলিন্দের হয়ে প্রচার করতে । তাহলে কংগ্রেসের সাথে আম্বানি ভাইদের "গট আপ গেম" চলছে ? প্রশ্ন ওঠাটা  স্বাভাবিক ।মানুষের বুঝতেও অসুবিধে হচ্ছেনা ।
বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র রাষ্ট্রে কি তাহলে উচ্চমানের নাটক চলছে ? প্রসঙ্গত মুম্বই দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ আগামী ২৯ এপ্রিল। তার আগেই ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থীর প্রকাশিত ভিডিও ঘিরে তুমুল আলোড়ন। কারণ, ওই ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ অম্বানি জোর সওয়াল করছেন কংগ্রেস প্রার্থীর হয়ে। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী যখন উঠতে-বসতে ভাই অনিলকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বিঁধছেন, তখন দাদার এহেন কার্যকলাপে চর্চা তো বাড়বেই!
ভিডিওর শুরুতেই মুকেশ অম্বানি বলছেন, দক্ষিণ মুম্বইয়ের জন্য যোগ্য ব্যক্তি মিলিন্দ। আমার মতে দক্ষিণ মুম্বই আসনের সামাজিক, আর্থিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তুতন্ত্র সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রয়েছে মিলিন্দের। ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে বৃহৎ ব্যবসা, প্রতিভাবান যুবকদের নতুন কর্মসংস্থানের পক্ষেও সওয়াল করেছেন মুকেশ আম্বানি। শুধু মুকেশ আম্বানি নন, ভিডিওতে এই কংগ্রেস প্রার্থীর হয়ে সওয়াল করতে শোনা গিয়েছে ব্যাঙ্ককর্তা উদয় কোটাককেও। কিন্তু দেশের ধনীতম মানুষ মুকেশ আম্বানির প্রশংসা নিশ্চিতভাবেই তাৎপর্যপূর্ণ।রাফায়েল ইসু নিয়ে পরিস্তিতি উত্তপ্ত বলেই কি মুখেশ আম্বানির মাঠে নামা ? না শ্যাম কূল দুটো জায়গাতে ভারসাম্য রাখতে এই পদক্ষেপ ?কোনটা ?

Wednesday, 17 April 2019

ওয়েব ডেস্ক ১৭ই এপ্রিল ২০১৯: বিজেপির  জোট সঙ্গীরাই কি বিজেপি কে সব থেকে ভালো চেনে ? প্রশ্নটা লাখ টাকার । দ্বিমত নানা ভাবে আসতেই পারে , তবে সব যে মিথ্যে এটা তো হতে পারেনা । প্রসঙ্গত পশ্চিমবঙ্গ শিবসেনার সাধারণ সম্পাদক অশোক সরকার দাবি করেছেন বিজেপি হল বাঙালি বিরোধী, হিন্দু বিরোধী পার্টি।ভোট প্রচারের মাঝেই  তিনি স্বীকার করেন  মূলত হিন্দুত্ব নিয়ে প্রচার করছেন বলে । "বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই এখানে শিবসেনা করছি। বিজেপি হল বাঙালি বিরোধী, হিন্দু বিরোধী পার্টি। ওরা মেকি হিন্দু। আমরা বাংলা ভাষা বাংলা ঐতিহ্য বাঁচানোর জন্য কাজ করছি। বিজেপি উত্তর ভারতের সংস্কৃতি এখানে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।" অশোক বাবুর বিস্ফোরক সংযোজন ।
মহারাষ্ট্রতে বিজেপি শিবসেনা জোট হলেও বাংলায় হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে ১৫টি আসনে দিয়েছে হিন্দুত্ববাদী এই রাজনৈতিক দলটি। অশোক সরকার নিজে বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ভোটে লড়ছেন।কিন্তু কেন বিজেপি বিরুদ্ধে লড়াই?
শিবসেনা নেতার জবাব,’বিজেপির নকল হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেই । তাঁর অভিযোগ, বিজেপি এখন হিন্দুত্ব নিয়ে মানুষকে বোকা বানায়। তারপর বিজেপি এখন তৃণমূল ও সিপিএমের বাতিলদের নিয়ে প্রার্থী করছে। তাই তাঁদের সঙ্গে থাকবে না শিবসেনা।’
বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে কোথাও কি কোন আফসোস হচ্ছে?
শিবসেনার সম্পাদকের জবাব,’হ্যাঁ, আফসোস হচ্ছে বই কী। যে দলটা এতদিন করছি সেই দলের মধ্যে অনেক কিছু ঢুকে পড়েছে। শুধু তৃণমূল,সিপিএম নয়, কংগ্রেস,ফরওয়ার্ড ব্লক সহ যে যেখান থেকে পাচ্ছে উচ্ছিষ্ট নিয়ে বিজেপিতে ভরাট হচ্ছে।’
অশোক সরকার বলেন,’ বিজেপি এখন একটা ব্যবসায়িক সংস্থায় পরিণত হয়েছে। তারপর এ রাজ্যে ওদের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। তৃণমূলের বাতিলদের নিয়ে নয়া সংস্করণ হল বিজেপি।’
জেতার ব্যাপারে কতটা আশাবাদী?
শিবসেনা নেতা বলছেন,’জনগণ ভোট দিলে জিতব ভোট না দিলে জিতব না।’
কিন্তু আপনি ভোটে দাঁড়িয়ে কি বিজেপির ভোট কাটবে না?
হিন্দুত্ববাদী ওই নেতার জবাব,’আমি যখন বিজেপি করতাম, ডানপন্থীরা তাই বলতেন,বামপন্থীদের জেতানোর জন্য বিজেপি ভোটে লড়ছে।’ বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত ভোটের বাজারে সস্তার প্রচার পাওয়ার জন্য ছোট ছোট দল গুলো নিজের ইচ্ছা  মতো  নিজেদের কথা বলে যাচ্ছে । 
loading...