Sunday, 19 August 2018

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: তৃণমূলের রাজনীতি ,রাজনৈতিক ফায়দা  তোলার জন্য নয় , সত্যের পথে চলার জন্য । এই কথাটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতিতে বারং  বার উঠে এসেছে , এবং এর জন্যই আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশের তাবড় তাবড় ব্যক্তিত্ব প্রধান মন্ত্রিত্বের পদে দেখতে চাইছেন   । তবে কিছু মানুষ যারা নিজেদের তৃণমূলী বলে নিজেদের দাবি করেন তারা প্রয়াত অটল বেহারী বাজপেয়ী সমন্ধে  কুরুচিকর মন্তব্য করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়  ।


বিষয়টি একেবারে অভিপ্রেত ছিলোনা  শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে , তাই তৃণমূলের রাজ্য যুব সম্পাদক সায়নদেব চট্টোপাধ্যায় সোজাসুজি বলেন, ‘‘অটলজি একজন মহান নেতা ছিলেন৷ আমাদের নেত্রীর সঙ্গে তাঁর ভালো সম্পর্ক ছিল৷ তৃণমূলের নামে তাঁকে নিয়ে কোনও নোরাংমো হলে তা বরদাস্ত করা হবে না৷’’শুক্রবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় বাজপেয়ীজির৷ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শেষ যাত্রায় নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও দলীয় এবং বিরোধী দলের নেতারাও পা মেলান৷ স্মৃতিস্থলে অটলজিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন দেশ বিদেশের রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বরা৷ স্মৃতিস্থলে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধিরাও৷ফেসবুকে নিজেদের তৃণমূলে বলে দাবি করা বেশ কয়েকজন অটলজিকে নিয়ে নানা রকমের কুরুচিকর মন্তব্য করেন, যাদের নিয়ে অসন্তুষ্ট ক্ষোদ তৃণমূল শিবির৷তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক সায়নদেবকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলছেন সেটাই আমাদের পার্টির শেষ কথা৷ আমাদের সর্বোচ্চ নেত্রী পরিষ্কার বলেছেন অটলজির সরকার এই সরকারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহ আমাদের দলের প্রত্যেকে অটলজির প্রয়ানে শোকাহত৷ এরপর যদি কেউ নিজেকে তৃণমূল বলে কুরুচিকর মন্তব্য করে এবং সে যদি পার্টির স্বীকৃত সদস্য হয় তাহলে দল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে৷’তিনি আরো বলেন  ‘‘ এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই অটলজি একজন লেজেন্ড৷ ভারতীয় রাজনীতির একজন মহীরূহ৷ উনি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন গুজরাট দাঙ্গার প্রসঙ্গে বলেছিলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের রাজধর্ম পালন করা উচিৎ ৷ তাঁর মৃত্যুতে গোটা দেশের মতই তৃণমূল কংগ্রেসও শোকাহত৷’’ বিদ্যজনেদের একাংশের মত তৃণমূল কোনো মতেই পূর্বের বামফ্রন্ট সরকার নয় ,যারা শুধু মাত্র নিজেদের ফায়দার কথা ভেবে কোনো একটা ভালো জিনিস করেও মিথ্যে যুক্তি সাজিয়ে খারাপ বলে প্রমাণিত করতো  ।তাদের কাছে কাজ বা সত্যের পথে চলার থেকেও মানুষকে ভুল বোঝানোটা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হতো ।এবং বিজ্ঞানসম্মত ভাবে সেটাই করে গেছে, যার জন্য চিরকালের মতো চলেও যেতে হল ।



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "কলকাতা ২৪*৭ "

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: আর বি আই এর সদ্য নিযুক্ত ডিরেক্টর , যার আরও  একটা পরিচয় তিনি আরএসএস এর অত্যন্ত ঘনিষ্ট ,সেই এস গুরুমূর্তি কেরলের বন্যা নিয়ে তার নিজেস্ব বিতর্কিত মত রেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন ।


শনিবার সকালে এই রকম একটি টুইটই রিটুইট করে গুরুমূর্তি লেখেন, ‘‘কেরলে অতিবর্ষণের সঙ্গে শবরীমালা মামলার যোগ রয়েছে কি না, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা ভেবে দেখতে পারেন। বন্যার দশ লক্ষ সম্ভাব্য কারণের মধ্যে একটা কারণও যদি এটা হয়, মানুষ কিন্তু চাইবে না শবরীমালা মামলার রায় আয়াপ্পার বিরুদ্ধে যাক।’’প্রসঙ্গত কেরলের শবরীমালা মন্দিরে  দশ থেকে পঞ্চাশ বছর বয়সী মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। সেই নিষেধাজ্ঞা তোলার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে। এ দিকে কেরলের বন্যায় বিস্তৃত এলাকার মতো শবরীমালা মন্দির চত্বরও জলমগ্ন। শুক্রবার রাত থেকেই কেউ কেউ বলতে শুরু করেন, শবরীমালার প্রাচীন রীতিনীতি বদলানোর কথা উঠতেই আয়াপ্পা ক্ষুব্ধ হয়েছেন! শবরীমালায় সকলের প্রবেশাধিকারের প্রশ্ন ওঠা মাত্র আয়াপ্পা সকলেরই প্রবেশের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন! তার এহেন টুইটে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠে , তাকে পমর্শ দেওয়া হয় মুখ বন্ধ রাখার ,অনেকে ক এমন লেখেন মুখ বন্ধ রাখলেই প্রশংসা কুড়োবেন ।


তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আনন্দবাজার পত্রিকা "
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: বিজেপি ক্ষমতায় আসবার আগেই রাম মন্দির নির্মাণটা যে তাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে ছিল , সেটা অনেকবার প্রমান পাওয়া গেছে বিজেপির শীর্ষ স্থানীয় কিছু নেতা মন্ত্রীর কথায়,সে কথাতেই আরও একবার সিলমোহর পড়ল এক বিজেপি মন্ত্রীর  বিবৃতিতে ।


উত্তর প্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য সোমবার বলেছেন সংসদের দুই কক্ষে বিজেপি পূর্ণ সংখ্যা গরিষ্ঠকা পেলেই রামমন্দির তৈরির সব বাঁধা দূর হয়ে যাবে। তখন সংসদের দুই কক্ষে রামমন্দির তৈরির জন্য বিল আনবে বিজেপি। তিনি আরও বলেছেন এই মুহূর্তে সংসদের দুই কক্ষে বিজেপি এখনও পূর্ণশক্তি লাভ করতে পারেনি। রাজ্যসভায় এখনও কিছু শক্তি সঞ্চয় করতে হবে বিজেপিকে। সেটায় জয় পেলেই কেল্লা ফতে। রামের সব ভক্তরাই সেকথা জানেন। আদালতও তাঁদের পক্ষেই রায় দেবে। যেদিন রাজ্যসভায় শক্তি সঞ্চয় করতে পারবে বিজেপি সেদিন আর কোনও বাধা থাকবে না। প্রসঙ্গত বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ নাকি একবার ঘোষণা করেছিলেন ২০১৯–এর লোকসভা নির্বাচনের আগে রামমন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়ে যাবে অযোধ্যায়। যদিও সেকথা পরে অস্বীকার করেছিলেন তিনি। বিদ্যজনেদের একাংশের বক্তব্য , বিজেপি রাম মন্দির কে সামনে রেখেই গত বারের লোকসভা নির্বাচনে জিতেছিল , এবার সে রকম কিছু একটা করার মতলবে আছে ।তবে আগামী লোকসভা নির্বাচনের কথা চিনতে করে বিজেপিও যে ঘুটি সাজাচ্ছেন সেটা বলাই বাহুল্য ।


তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: যুদ্ধ বিমান রাফায়েলকে হাতিয়ার করেই  কংগ্রেস তাদের আক্রমন শানাবে বলে ঠিক করেছে আগামী লোকসভা নির্বাচনে ৷ এর জন্য রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের কিছু দুদে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দিয়ে গঠন করেছেন টাস্ক ফোর্স যারা দায়িত্বে থাকবেন রূপরেখা তৈরী করার ক্ষেত্রে ৷ এ বিষয়ে রাহুল গান্ধী সারা দেশের কংগ্রেস নেতা তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ৷জানা গিয়েছে, টাস্কফোর্সের মাথায় রয়েছে কংগ্রেস মুখপাত্র রনদীপ সুরজেওয়ালা ও জয়পাল রেড্ডি৷


এছাড়া ফোর্সের সদস্য করা হয়েছে, অর্জুন মোধওয়াদিয়া, শক্তি সিং গোহিল, প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদি, জয়বীর শেরগিল ও পাওয়ান খেরকে৷ আগামী ২৫ আগস্ট থেকে কাজ শুরু করবে এই টাস্ক ফোর্স৷ দলের মুখপাত্র রনদীপ সুরজেওয়ালা সাংবাদিকদের জানান, বিশেষভাবে রাফাল ইস্যু-সহ মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন দুর্নীতি এবং কেলেঙ্কারিগুলি সারা দেশের জনতার সামনে তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিন কংগ্রেস কর্মীরা জেলা ও রাজ্যস্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন। এই ব্যাপারে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অবিলম্বে যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠনের দাবি তুলবে। তিনি আরও বলেন, রাফাল ইস্যু কংগ্রেসের অন্দরে বিশদে আলোচনা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, এই চুক্তির ফলে সরকারি কোষাগারে ৪১ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এই কংগ্রেস মুখপাত্রের অভিযোগ, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেড (হ্যাল)-এর থেকে বরাদ ছিনিয়ে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রর মোদির বন্ধুর সংস্থার সঙ্গে ৩০ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করা হয়েছে৷ শুরু থেকেই রাফাল ইস্যুতে কেন্দ্রের মোদি সরকারকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। এর আগেও দলের নেতাদের তিনি রাফাল ইস্যু জিইয়ে রাখার জন্য একাধিকবার নির্দেশ দিয়েছেন। সম্প্রতি নির্বাচনমুখী রাজস্থানের জয়পুরে একটি দলীয় সভাতেও তিনি এই নিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ইউপিএ সরকার রাফাল যুদ্ধ বিমান নিয়ে যে চুক্তি করে তা ছিল মাত্র ৫৪০ কোটি টাকার। আর মোদি সরকার আসার পরেই সেই যুদ্ধ বিমান ১৬০০ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হচ্ছে। প্রতিরক্ষায় এর চেয়ে বড় দুর্নীতি কখনও হয়নি বলে অভিযোগ করেন রাহুল৷রাহুল গান্ধী সংসদের বাদল অধিবেশনেও রাফাল ইস্যুতে সরব হয়েছেন। কংগ্রেস ২০০৮ সালে ইউপিএ-র আমলের রাফাল চুক্তির প্রতিলিপি প্রকাশ করেছে। কংগ্রেসের দাবি, বিমানের দাম নিয়ে গোপনীয়তার শর্ত ছিল না সেই চুক্তিতে। কংগ্রেসের তরফে বলা হচ্ছে, ইউপিএ আমলে প্রতি রাফালের দাম পড়ছিল ৫২৬.১০ কোটি টাকা। এখনকার চুক্তিতে দর ১৬৭০.৭০ কোটি টাকা। বিদ্যজনেদের একাংশের প্রশ্ন রাফেন কিনতে কেন এতো গোপনীয়তা বজায় রাখছেন মোদীজি ।কি এমন প্রযুক্তি থাকবে যেটা ভারতকে উপমহাদেশীয় দেশ গুলির থেকে এগিয়ে রাখবে ? মোদী সরকারের উচিত জনগণের সামনে এর সম্বন্ধ্যে খোলসা করে বলা ।



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "সংবাদ প্রতিদিন "
ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: ইচ্ছাকৃত ভাবে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া  তো আগেই চলছিল , এবার প্রত্যাশামতোই বাড়ি ঘর কেড়ে নেওয়ার কাজও শুরু হল অসমে বাংলাভাষী মানুষদের ।অসমে বিজেপি আসার পরই স্থানীয় বাসিন্দাদের  (ইন্ডিজেনাস পিপলস) জম ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য  ব্রক্ষ্ম কমিটি গড়ে , যেটা আদতে বাঙালি তাড়াবার প্রথম পদক্ষেপ বলে মনে করেন বিদ্যজনেদের একাংশ ।সেই ব্রক্ষ্ম কমিটির রিপোর্ট হাতে পেয়েই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হুঙ্কার ছেড়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের অধিকার সুনিশ্চিন্ত করবে তার সরকার , কিন্তু আদতে তার উদ্দেশ্যই ছিল বাঙালি খেদানো  ।

এনআরসি নিয়ে এমনিতেই ত্রস্ত বাঙালি হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়। সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষককেও ‘‌বাংলাদেশি’‌ তকমা দিয়ে পোরা হচ্ছে ডিটেনশন ক্যাম্পে। এই অবস্থায় জমির অধিকার আইন আনতে চলেছে অসম সরকার। নাগরিক অধিকার সুরক্ষা সমন্বয় সমিতি (সিআরপিসিসি)-র চেয়ারম্যান তপোধীর ভট্টাচার্যের সাফ কথা, ‘‌বাঙালিকে তার বাসস্থান থেকেও উৎখাত করার লক্ষ্যেই আনা হচ্ছে নতুন আইন।’‌ মানবাধিকার কর্মী সাধন পুরকায়স্থ ‘‌আদি বাসিন্দা’‌ শব্দটি নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, ঐতিহাসিক ভাবেই বাঙালিরা অসমে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন। তাঁর মতে, ‘‌ভারতীয় সংবিধানে আদি বাসিন্দা বা খিলঞ্জিয়া (ভূমিপুত্র) বলে কোনও শব্দই নেই।’‌অসমের বাঙালিদের দুরবস্থার নির্মম দৃষ্টান্ত মহঃ খইরুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি স্কুলে চাকরি করার পরও জুটল বিদেশি তকমা। মরিগাঁওতে থোঙ্গাসালি খণ্ডপুকুরি নিম্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষককে সমস্ত কাগজপত্র পরীক্ষা করেই নিযুক্তিপত্র দেওয়া হয়েছিল। এমনকী এনআরসি–র প্রথম তালিকা তৈরির কাজেও নিযুক্ত ছিলেন তিনি। তবু মরিগাঁও জেলা বিদেশি ট্রাইব্যুনাল তাঁকে ‘‌বিদেশি’‌ বলে ঘোষণা করে। শুধু বাঙালিরাই নন, বিজেপি জমানায় এই রাজ্যের হিন্দিভাষীরাও নিরাপদ নন। তাঁদেরও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এমনই আশঙ্কা থেকে হিন্দিভাষী বিকাশ পরিষদ এদিন বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে স্মারকপত্র প্রদান করেন। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, তাদের নির্দেশেই প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত তালিকা। এমনকী, সংশোধন, সংযোজন বা আপত্তি প্রক্রিয়ার নির্ঘণ্টও শীর্ষ আদালত তৈরি করবে।বিদ্যজনেদের একাংশের মত, বিজেপির কি মূল উদেশ্য বাঙালিদের উৎখাত করা অসম থেকে ? বাঙালিদের উৎখাত করলে বিজেপির লাভটাই বাকি ?ভোট ব্যাঙ্ক একটা উদেশ্য ,আর অন্যটি ?





তথ্য ক্রতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কত বড় মনের মানুষ তা আরও একবার প্রমান পাওয়া গেল ৷ কয়েকদিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে বলেছিলেন ,কেরলের বন্যা দুর্গত মানুষদের পাশে তিনি আছেন ,তাদের কথাও তিনি ভাবছেন ৷ সেটা শুধুমাত্র মুখের কথা যে ছিলোনা সেটা আজ প্রমান হয়ে গেল ৷


রবিবার তিনি টুইটে কেরলের  বন্যা দুর্গত মানুষদের ১০ কোটি টাকা সাহায্যের কথা ঘোষণা করেন ৷ তিনি লেখেন ‘‘কেরলে বন্যায় বহু মানুষ জীবনযুদ্ধ চালাচ্ছেন৷ বিপদের সময়ে কেরলবাসীর পাশে আছি আমরা৷ এই পরিস্থিতিতে কেরলের বন্যাত্রাণে মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে দশ কোটি টাকা সাহায্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছি৷’’ মুখ্যমন্ত্রী টুইটে আরও জানান, ‘‘প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে আমরা কেরলবাসীকে সমস্ত সহযোগিতা করতে প্রস্তুত৷ আমরা চাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন কেরলবাসী৷’’সপ্তাহখানেকের বৃষ্টিতে জলের তলায় চলে গিয়েছে কেরল৷ নাছোড়বান্দা বৃষ্টি থেকে এখনও মুক্তি পায়নি দক্ষিণের এই রাজ্য৷ আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী ভারী বৃষ্টি আর না হলেও, আগামী ২৪ঘণ্টায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত চলবে রাজ্যের জেলাগুলিতে৷ বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমায় কেরলের ১১টি জেলা উপর থেকে লাল সতর্কতা শিথিল করেছে আবহাওয়া দপ্তর৷ বন্যায় ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়ে সাড়ে তিনশোরও বেশি মানুষ৷ জলের তলায় তলিয়ে গিয়েছে কৃষিজমি৷ সতর্কতা জারি থাকায় সমুদ্রে যেতে পারছেন না মৎস্যজীবীরা৷ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কেরলে চলছে উদ্ধারকাজ৷ উদ্ধারে নামে সেনা, ২৮ কোম্পানি উপকূলরক্ষী বাহিনী ও নৌবাহিনী হেলিকপ্টারের সাহায্যে দুর্গতদের উদ্ধার করে ত্রাণশিবিরে নিয়ে যাচ্ছেন৷
 কিন্তু কেরলে এরকম ভয়াবহ পরিস্তিতি যে আসতে পারে ‘ওয়েস্টার্ন ঘাট ইকোলজি এক্সপার্ট কমিটি’এই কমিটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের গবেষক মাধব গ্যাডগিল। তাঁর করা সুপারিশগুলি মেনে নিলে আজ এই বিপর্যয়ের হাত থেকে পশ্চিমঘাট পর্বতমালা বা কেরলকে বাঁচানো সম্ভব হত বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।গ্যাডগিল কমিটির প্রস্তাব ছিল পশ্চিমঘাট পর্বতমালার এক লক্ষ চল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে তিনটি ভাগে ভেঙে দেওয়া। সংবেদনশীলতার মাত্রা অনুযায়ী কোনও অঞ্চলে খনি ও খাদান নিষিদ্ধ, কোথাও বা আবার বহুতল তৈরিতে বিধিনিষেধের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি।, কিন্তু কেরল সরকার এই রিপোর্টে কোনোরকম কর্ণপাতই করেনি





তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "সংবাদ প্রতিদিন"

Saturday, 18 August 2018

ওয়েব ডেস্ক ১৮ই অগাস্ট ২০১৮: কেরল সরকারের উদাসীনতার জন্যই আজ ,কেরলে এই ভয়াবহ বিপর্যয় ।তথ্যে এরকমই উঠে আসছে ।অনেকদিন আগেই পরিবেশবিদরা জানিয়ে দিয়েছিলেন এরকম ঘটনা ঘটতে পারে , সেটা রোধ করার জন্য কি কি করা উচিত সেটাও বলা হয়েছিল , কিন্তু কেরল সরকারের ঠান্ডা ঘরেই সেই ফাইল চলে গিয়েছিলো তাই আজ এরকম ঘটনা ঘটল বলে মনে করছেন বিদ্যজনেরা ।
                           
এই বিপর্যয়ে কেরলের যে অঞ্চল সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, উত্তর ও মধ্য কেরলের সেই এলাকাগুলিকে ২০১১ সালেই পরিবেশগত ভাবে সংবেদনশীল এলাকা বলে চিহ্নিত করেছিল ‘ওয়েস্টার্ন ঘাট ইকোলজি এক্সপার্ট কমিটি’। এই কমিটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের গবেষক মাধব গ্যাডগিল। তাঁর করা সুপারিশগুলি মেনে নিলে আজ এই বিপর্যয়ের হাত থেকে পশ্চিমঘাট পর্বতমালা বা কেরলকে বাঁচানো সম্ভব হত বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।গ্যাডগিল কমিটির প্রস্তাব ছিল পশ্চিমঘাট পর্বতমালার এক লক্ষ চল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে তিনটি ভাগে ভেঙে দেওয়া। সংবেদনশীলতার মাত্রা অনুযায়ী কোনও অঞ্চলে খনি ও খাদান নিষিদ্ধ, কোথাও বা আবার বহুতল তৈরিতে বিধিনিষেধের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। কোথাও আবার জঙ্গল কেটে রিসর্ট বানাতে আপত্তির কথা জানানো হয় গ্যাডগিল কমিটির রিপোর্টে। পাহাড়ের যে অংশে ঢাল বেশি, সেখানে মানুষের বসতি থাকা বিপজ্জনক রিপোর্টে এই কথাও বলা ছিল। তাই এই বসতি বা গ্রামগুলিকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত বলে সুপারিশ ছিল কমিটির। শুধু তাই নয়, স্থানীয় পঞ্চায়েতের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে খুব কম খরচেই প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়িত করা সম্ভব বলে জানিয়েছিলেন মাধব গ্যাডগিল।এখন দেখা যাচ্ছে,গ্যাডগিল কমিটির চিহ্নিত করা সেই সংবেদনশীল এলাকা গুলিইসব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। যেখানে অবৈধ খনি ও খাদান এলাকা, সেখানেই ধসের প্রকোপ বেশি। আর অধিকাংশ মৃত্যুই হয়েছে ধসের কারণে। আর আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি বেশি নদী ও তার পাশে গড়ে গজিয়ে ওঠা নতুন নতুন শহর ও পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেই। বাঁধ থেকে নেমে আসা জল ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে সব কিছুই।
বিদ্যজনেদের একাংশের  মত তাহলে বাংলায় প্রকাশ ক্যারাট ,বৃন্দ ক্যারাটরা এতো কথা বলেন উন্নয়নের জন্য , তাহলে কেরালী লবির লোক হয়ে তারা কি করলেন ? কেরালাকেই এই বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাতে পারলেন না  ।মানুষের মনে সংশয় জাগতেই পারে কতটা গম্ভীরভাবে এদের কথা তারা নেবেন ।






তথ্যে কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আনন্দবাজার পত্রিকা "
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই অগাস্ট ২০১৮: বেশ কয়েকদিন ধরে সংবাদ মাধ্যমে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় গণ প্রহারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন দেশের মানুষ ,কিন্তু মোদী জমানায় ব্যাপারটা প্রায় প্রতিদিনই সাধারণ ঘটনায় রূপান্তরিত হচ্ছে।অটল বিহারি বাজপেয়ী নিঃসন্দেহে সব স্তরের মানুষের কাছে গ্রহণ যোগ্য ছিলেন , তাই বলে কারুর  অধিকার আছে কি  আইন  নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ? যদি কেউ অটলজির সমন্ধে অন্য ধারণাপোষণ করেন।বাজপেয়ীর বিরুদ্ধে সমালোচনা মূলক মন্তব্য করেছিলেন বিহারের মোতিহারি এলাকার মহাত্মা গান্ধী সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।



                                                                                         প্রতীকী চিত্র

সেই অপরাধেই তাঁকে নির্মমভাবে মারধর করা হল। প্রায় ২০-২৫ জন দুষ্কৃতী মিলে বেদম প্রহার করে অধ্যাপককে। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে তাঁকে। ভাইরাল হয়েছে ঘটনার ভিডিও।নিগৃহীত অধ্যাপকের নাম সঞ্জয় কুমার। বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিদ্যা পড়ান তিনি। বিতর্কিত পোস্টটি ১৭ তারিখ ফেসবুকে শেয়ার করেন সঞ্জয়। পোস্টের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর আজাদনগরের বাড়িতে চড়াও হয় প্রায় ২০-২৫ জন। মারতে মারতে তাঁকে ঘর থেকে বের করে আনা হয়। পরনের পোশাক ছিঁড়ে দেওয়া হয়। রাস্তা দিয়ে নিয়ে যেতে যেতে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দুষ্কৃতীরা অধ্যাপককে প্রশ্ন করছে, কানাইয়া কুমার হতে চান কি?হুল কুমার পাণ্ডে, সানি বাজপেয়ী, অমন বিহারী বাজপেয়ী, পুরুষোত্তম মিশ্র, রবিকেশ মিশ্র, জ্ঞানেশ্বর গৌতম নামের একাধিক অভিযুক্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন সঞ্জয় কুমার। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন বহুল প্রচারিত হিন্দি সংবাদপত্রের  স্থানীয় ব্যুরো চিফ ডা. পবন কুমার সিং এবং কর্মী সঞ্জয় কুমার সিং। অধ্যাপকের অভিযোগ, সঞ্জয় কুমার সিং তাঁকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলেও কটাক্ষ করে এবং দুষ্কৃতীরা তাঁর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করে। ঘটনার পর পাটনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয় সঞ্জয়বাবুকে।সূত্রের খবর অনুসারে ,সদ্য প্রয়াত অটল বিহারিবাজপেয়ী প্রয়াত হওয়ার পরে তার সমন্ধে এরকম বিরোধী মন্তব্য শোনার পর ,বাজপেয়ীজিকে যারা প্রচন্ড ভালোবাসেন তারা ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেননি , তাই নিজেদের হাতেই তারা আইন তুলে নেয়।




তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "সংবাদ প্রতিদিন "
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই অগাস্ট ২০১৮: এখন আর লোডশেডিডিং হয় ? এখন টিভি দেখতে দেখতে হটাৎ করে কারেন্ট চলে যায় ? উত্তরটা কি হবে সবারই জানা এর জন্য পুরস্কার কিহু নেই । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ,রাজ্যভার গ্রহণ করার পর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে যে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে সেটা একেবারেই অন্যস্বীকার্য্য ।তাই একধাপ রাজ্যকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে আগামী ৫ বছরে আরও ২ হাজার মেগাওয়াটের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে রাজ্য। এর মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ থেকে আসবে। শুক্রবার কলকাতায় এই লক্ষ্যমাত্রার কথা জানান রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চ্যাটার্জি।
তিনি আরও জানান, ‌বণ্টন এবং পরিবহণের সময় বিদ্যুৎ অপচয় রুখতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে রাজ্য।‌ এদিন বণিকসভা সিআইআই বিদ্যুৎশক্তি নিয়ে আলোচনাসভার আয়োজন করেছিল। অনুষ্ঠানে ছিলেন কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পঙ্কজ বাত্রা, রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের সিএমডি রাজেশ পান্ডে, ডিভিসি–র চেয়ারম্যান প্রবীরকুমার মুখার্জি, সিআইআই–এর রবি চৌধুরি, অভিজিৎ মুখার্জি, ইন্ডিয়া পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেডের এমডি রাঘব কানোরিয়া প্রমুখ।
পুর্নব্যবহারযোগ্য শক্তি উৎসে আরও জোর দিচ্ছে রাজ্য। এ ব্যাপারে শোভনদেব চ্যাটার্জি বলেন, ‘‌শাসনক্ষমতায় আসার সময় রাজ্যে ১ মেগাওয়াটের কাছাকাছি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদিত হত। এখন তা বেড়ে হয়েছে ২০০ মেগাওয়াট। আগামী ৫ বছরে আরও ৩০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানো হবে। আগামী ৩ বছরে ১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১০টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করা হবে। সকলের কাছে বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছে দিতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’‌‌ বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত ,অনেক নিন্দুকেরা বলে থাকেন শিল্প নেই বলেই এতো বিদ্যুতের বাড়বাড়ন্ত তাদের উদেশ্যে একটা কথা বলা যাক , গঙ্গার পারে সারি  সারি কলকারখানা ছিল , যারা নিন্দা করছেন আজ , সেই সময় অনৈতিক জঙ্গি আন্দোলন করে তারাই সেই  সব কারখানা গুলো বন্ধ করেছিল , সব ভুলে গেলে চলবে কমরেড?

তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "
ওয়েব ডেস্ক ১৮ই অগাস্ট ২০১৮:মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো এই রকম  মন ,প্রাণ সম্পন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আর দুটো আছে  কিনা সন্দেহ । তার আচার আচরণ সবার থেকেই আলাদা , আর সেই জন্য পাঁচ বার মাথায় রডের আঘাত পেয়েও তিনি বাংলার মসনদে , কিন্তু ভোলেননি সাধারণ মানুষের ব্যাথা  , তাদের তাদের কষ্ট , সে তার নিজের রাজ্যেরই  হোক কি অন্য রাজ্যের  ।


কেরলের বন্যায় মানুষের দুর্দশার সমন্ধে টুইট করে তিনি লেখেন  "‘‌শুধু শব্দ যথেষ্ট নয়। তবুও এই মুহূর্তে কেরলে বসবাসকারী আমার সকল ভাইবোনকে বলতে চাই, তোমাদের জন্য আমরাও ভাবছি। তোমাদের জন্য আমরা সবসময় প্রার্থনা করছি। যে সমস্ত পরিবার তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছে, তাঁদের প্রতি আমার সমবেদনা। কেরলে বন্যার সঙ্গে যাঁরা লড়াই করছে, তাঁরা যেন নিজেদের শক্ত করে।" প্রসঙ্গত কেরলে ভয়াবহ বন্যা। হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ১৪টি জেলার মধ্যে ১৩টিতে জারি হয়েছে রেড অ্যালার্ট। বন্যায় আটকে পড়েছেন বহু মানু্ষ। উদ্ধারকার্যে নেমেছে সেনা এবং বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দল। এদিকে, কেরলে প্রবল বন্যায় আটকে পড়েছেন ‌এ রাজ্যের বহু শ্রমিক। তাঁদের ফেরানো নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্য প্রশাসন। ইতিমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে কেরল প্রশাসনের সঙ্গে।  রাজ্যের মুখ্যসচিব ময়ল দে কেরলের প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন বলেও খবর। এ রাজ্যের মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া থেকে কয়েক হাজার মানুষ জীবিকার তাগিদে কেরলে রয়েছেন। প্রবল বন্যায় সেখানে আটকে পড়েছেন তাঁরা। তাঁদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার জন্য আটকে পড়া শ্রমিকদের পরিবারের তরফ থেকে রাজ্য সরকারের কাছে আর্জি জানানো হয়েছিল। তারপরই তৎপর হয়েছে নবান্ন। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, প্রয়োজনে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকেও কেরলে পাঠানো হতে পারে। সেজন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তৈরি থাকতে বলা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে। কেরল সম্বন্ধ্যে মুখ্যমন্ত্রী যে ভীষণ ভাবে চিন্তিত ,সেটা তার টুইটেই স্পষ্ট , স্বাভাবিক ভাবে বিদ্যজনেদের একাংশের প্রশ্ন ,এরকম মুখ্যমন্ত্রী আর আছে এই ভারতে ?




তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "
loading...