Friday, 12 January 2018

ভারতের মুম্বাইয়ের জি.ডি.পি সমগ্র পাকিস্তানের জিডিপি-র থেকেও বেশি ! জানুন আরো অবাক করা তথ্য !

ওয়েব ডেস্ক, ১২ই জানুয়ারি :- স্বপ্নের শহর মুম্বাই,আশার শহর মুম্বাই, মারাঠী অস্মিতার জনক মুম্বাই। এছাড়াও বলিউড, ফ্যাশন, সোনা ও হীরের গয়না এবং ব্যবসা বাণিজ্য সহ বিভিন্ন কারণে খবরের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে মুম্বাই। একদিকে বিভিন্ন উপভোগ্য অনুষ্ঠান, তার সাথে সেলিব্রিটিদের উপস্থিতি;সব মিলিয়ে সাধারণের কাছে মুম্বাই একটি স্বপ্ন। সেই মুম্বাইয়ের সাফল্যের পালকে যুক্ত হল আরো একটি পালক।

সমগ্র মুম্বাইয়ের বাৎসরিক জি.ডি.পি (গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট) হল ৩৬৮ বিলিয়ান আমেরিকান ডলার। আর আমাদের প্রতিবেশী পাকিস্তানের জি.ডি.পি হল ২৮৩.৬৬ বিলিয়ান আমেরিকান ডলার। যা পাকিস্তানের থেকে প্রায় ৮৫ বিলিয়ান ডলার বেশী।


ভারতের ব্যবসায়িক রাজধানী মুম্বাই ভারতের সর্বমোট জিডিপি-র প্রায় ১০% উৎপন্ন করে। আকারের হিসাবে একটি 'দেশ' পাকিস্তানের থেকে 'শহর' মুম্বাই অনেক ছোট হলেও জনঘনত্বর বিচারে পাকিস্তানের থেকে অনেক এগিয়ে। আর, তাছাড়া আকারের দিকে বিশ্বের শহরগুলোর তালিকায় পাকিস্তান ২৯ নম্বরে রয়েছে। তবে জনঘনত্ব বেশী হওয়ায় মুম্বাইয়ের অর্থনৈতিক মূল্য অনেক বেশী,যদিও সেটিও এখানে প্রতিফলিত হচ্ছে না।



এক সময় দুটি দেশই একসাথে স্বাধীনতা পেয়েছিল,কিন্তু পাকিস্তান আজও কাশ্মীরে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে আর ভারত পৌঁছে গেছে মঙ্গল গ্রহে তাও সবচেয়ে কম খরচায় এবং একবারের প্রচেষ্টায়। স্বাধীনতা অর্জনের প্রথম দিকে দুটি দেশই বহু কষ্টের সম্মুখীন হয়, তা রাজনৈতিক, ধর্মীয় বিভেদ, জাতীবাদ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অভাব ইত্যাদি। কিন্তু পাকিস্তান তাদের সব অসুবিধার জন্য দায়ী করতে থাকে ভারত কে,একের পর এক স্বাধীন জায়গা দখল করতে থাকে (যেমন : কালাত, বালোচিস্তান); অন্যদিকে কাশ্মীরে মুক্তির নামে হাত মেলায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে। ডেমোক্রেসির কথা মুখে বললেও ঝুকে পড়তে থাকে র‍্যাডিকাল ইসলামের দিকে এবং বারবার সেখানে স্থাপন হয় মিলিটারি শাসনের। অপরদিকে,সব ধরনের প্রতিকূলতাকে দৃড়তার সাথে মোকাবিলা করতে থাকে ভারত এবং এগিয়ে যায় ধর্মনিরপেক্ষতার দিকে; যেখানে পাকিস্তানে মাইনরিটিরা প্রায় মুছেই গেছে। পাকিস্তান প্রথমে হাত পাতে আমেরিকার কাছে,সন্ত্রাসের মোকাবিলার নামে সাহায্য চেয়ে। এভাবেই কম জিডিপির দেশ হয়েও তারা জিহাদের নামে সন্ত্রাস চালাতে থাকে। যখন তাদের উপর থেকে আমেরিকা সাহায্যের হাত গুটিয়ে নেয়, তখন তারা চীনের কাছে বিক্রী করতে থাকে তাদের দেশ,যে পরম্পরা এখনো অব্যাহত। কিন্তু এতে তাদের অর্থ্নৈতিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে থাকে এবং এখন এমন একটি অবস্থা যে তাদের দেশ বন্ধক দিতে হয়েছে চীনের কাছে এবং কিছু দিনের মধ্যেই সেখানে শুরু হতে পারে গৃহযুদ্ধ।





No comments:

Post a Comment

loading...