Thursday, 1 February 2018

সু-চির বাসভবনে পেট্রোলবোমা হামলা,সন্দেহের তীর কি রোহিঙ্গাদের দিকে ?

 ওয়েব ডেস্ক , ১লা ফেব্রুয়ারি  :- মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা ও ডি ফ্যাক্টো সরকারের নেতা অং সান সু চির ইয়াঙ্গুনের বাড়িতে পেট্রোল বোমা ছোড়া হয়েছে।  মায়ানমার সরকারের মুখপাত্র জাউ এফপিকে বলেছেন, বৃহস্পতিবার চালানো ওই হামলার সময়ে বাড়িতে ছিলেন না সু চি। হামলায় তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলেও জানান তিনি। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

         

ইয়াঙ্গুনে একটি লেকের পাশেই  সু চির বসবাস। জান্তা সরকারের শাসনামলে সুদীর্ঘ গৃহবন্দিত্বের কালে এই বাড়িতেই ছিলেন তিনি। মিয়ানমারের সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষের কাছে তাই বাড়িটি গণতন্ত্রের প্রতীক হয়ে উঠেছে সু চির ইয়াঙ্গুনের বাড়িটি। মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্র জাও তাই বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ওই বাড়ি লক্ষ্য করে প্রেট্রোল বোমা ছুঁড়ে মারা হয়েছে। তবে তাতে বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।’



এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। অজ্ঞাত পরিচয় বেক্তিকে  পালিয়ে যেতে দেখা গেছে।পেট্রোলবোমায় বাড়িটির জলের পাইপগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সাম্প্রতিক কালে রাখাইন অঞ্চলের  বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে সু চি কে ।মায়ানমারের সাধারণ মানুষ এর অনুমান রোহিঙ্গারা এই হামলায় জড়িত থাকতে পারে।তবে এই সম্পর্কে কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।


এই বাড়িতেই দীর্ঘকাল গৃহবন্দি ছিলেন সু চি।গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে গিয়ে ১৫বছর ধরে  সুদীর্ঘকাল গৃহবন্দি থাকার পর  নির্বাচনে জয়ী হয় সু চির দল । সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে ‘দ্য লেডি’ হিসেবে পরিচিত ২০১৫ সালে এই নেত্রী  সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে একটি ডে ফ্যাক্টো সরকার গঠন করে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে নেন। বৃহস্পতিবার ইয়াঙ্গুনের ওই বাড়িতে পেট্রোল বোমা হামলার সময় রাজধানী নেপিদোতে ছিলেন তিনি। সেখানে এনএলডি সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সংসদে ভাষণ দেবেন এই নেত্রী।১৯৯৬ সালে তাঁকে হত্যার জন্য হামলা করা হয়। কোনো ক্রমে তিনি রেহাই পেলেও তার অনেক সমর্থকের মৃত্যু ঘটে। 

No comments:

Post a Comment

loading...