Monday, 30 April 2018

মোদী সরকারের নতুন ফরমান, এটিএম থেকে টাকা তুলতেও লাগবে কর ??

ওয়েব ডেস্ক ৩০শে এপ্রিল ২০১৮ : গত পাঁচ বছর ধরে এটিএম থেকে টাকা তোলার জন্য  দেওয়া পরিষেবায় ওপর কর জমা পড়েনি কেন ? কারণ দেখতে বলে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ,এচ.ডি.এফ.সি ,আই.সি.আই.সি.আই ,কোটাক মাহিন্দ্রা এবং এক্সিস ব্যাঙ্ক এর কাছে নোটিশ পাঠালো পণ্য পরিষেবা কর দফতরের ডিরেক্টর জেনারেল অফিস ৷







বাকিরাও ব্যাড পড়বে না , একে একে সমস্ত ব্যাংকের কাছেই এই নোটিশ যাবে এবং আদায় করতে পারলে এই করে পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে ৷ ফলে ভবিষ্যতে তো বটেই , অতীতে এটিএম থেকে তোলা টাকাটা ওপর সমস্ত ব্যাঙ্ক-গ্রাহককে টাকা গুনতে হতে পারে ৷ ব্যাংকে রাখা গ্রাহকের টাকা দিয়েই ব্যাংকের লোকসান মেটানোর পরিকল্পনা এফআরডিআই বিল বানচাল হয়ে যাওয়ার পর মোদী জেটলি জামানায় এই নতুন শক্তিশেলটি সবে ছাড়া হয়েছে পাঁচটি ব্যাংকের কাছে ৷তাতে যুক্তি সাজানো হয়েছে ভারি অদ্ভুত ৷
প্রথমে বলা হয়েছে ,ব্যাঙ্ক একাউন্টে বাধ্যতামূলক নূন্যতম না রেখেই যদি কেউ এটিএম থেকে টাকা তোলেন ,সেক্ষেত্রে তার কাছ থেকে ব্যাঙ্ক যে চার্জ আদায় করে , তার ওপর পরিষেবার কর সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়নি কেন? একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে ,নূন্যতম টাকা রেখে যারা এটিএম থেকে টাকা তোলেন , তাদের ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক এই পরিষেবা বিনামূল্যে দিয়ে থাকলেও , সেই পরিষেবার ওপর করই বা দেওয়া হবেনা কেন ? নূন্যতম টাকা জমা না রাখলে ব্যাঙ্ক যে জরিমানা আদায় করে ,সেটাকেই এটিএম থেকে টাকা তোলার পরিষেবা মূল্য ধরে নিয়ে দাবি করা হয়েছে , তার ওপর ধার্য্য কর বাদ যাবে কেন ?
সুতরাং , গত পাঁচ বছর ধরে এটিএম থেকে তোলা প্রতিটির টাকার ওপর হিসেবে করে ব্যাঙ্কগুলিকে কর জমা দিতে হবে সরকারের কাছে ৷ কারণ , পাঁচ বছরের পুরোনো পরিষেবা কর আর দাবি করা যায়না ৷ পণ্য পরিষেবার দফতর থেকে এই শোকজ নোটিশ পাওয়ার কথা স্বীকার করে ব্যাঙ্ক কর্তাদের অভিমত গ্রাহকদের পুরোনো এটিএমের লেনদেন ওপর কর সংগ্রহ করা সোজা কাজ নয় ৷ একাউন্টে নূন্যতম টাকা না রাখার জন্য জরিমানাকে পরিষেবা দেওয়ার খরচ হিসেবে দেখেই যুক্তি সাজিয়েছে পণ্য পরিষেবা করে দফতর ৷ কিন্তুই কোনও বছরের কর প্রস্তাবেই এ কথা স্পষ্টকরে বলা ছিলনা যে এটিএম থেকে টাকা তোলা পণ্য পরিষেবার আওতায় পড়বে ৷সে ক্ষেত্রে ব্যাংকে এসে টাকা তোলাই বা পরিষেবা হবেনা কেন ?ব্যাঙ্ক তরফথেকে জানা গেছে ,এই কর আরোপের বিরোধিতা করে সমস্ত ব্যাঙ্কই সরকারের কাছে আবেদন করবে ,এবং যথা যোথ ব্যাখ্যাও করবে  ৷তবে কর শেষ প্রজন্ত বসুক আবার নাই বসুক ,কর দফতরের এই উদ্যোগে ব্যাঙ্ক পরিষেবার ওপর সাধারণ মানুষের যে আস্থা  যে আরো কমে যাবে এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই  ৷

সৌজন্যে আজ কাল


No comments:

Post a Comment

loading...