Friday, 18 May 2018

গোয়া, মনিপুর, মেঘালয়ে এক নিয়ম আর কর্ণাটকের বেলাতেই অন্য নিয়ম ? সারা দেশে ধিক্কার

ওয়েব ডেস্ক ১৮ মে ২০১৮ : গোয়া ,মনিপুর ,মেঘালয়ের জন্য এক নিয়ম আর কর্ণাটকের বেলায় অন্য নিয়ম ? এই কথাটাই এখন মানুষের মনে উঁকি দিচ্ছে । যদি "ফ্ল্যাশ বাকে " যাই ব্যাপারটা হাস্যকর মনে হবে । গোয়ায় মোট বিধানসভার আসন সংখ্যা ছিল ৪০ ,যেখানে কংগ্রেস দখল করে ১৭টি ,বিজেপি ১২টি  এবং বাদবাকিটা এমজিপি আর জিএফপির  ।কিন্তু কংগ্রেসের বেশি আসন থাকা সত্ত্বেও  গোয়া রাজ্যপাল বিজেপি জোটকে সরকার গঠন করতে বলে। তবে এটা আমাদের মনে রাখা দরকার বিজেপি ,এমজিপি আর জিএফপির সাথে জোট করেছিল গোয়া বিধানসভার নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পর ।
মনিপুরের বিধানসভার নির্বাচনে (২০১৭) বেলায় কংগ্রেস ২৮টি  আসন দখল করে সংখ্যাগরিষ্টতার সংখ্যা পার না করতে পারলেও ,প্রথম  স্থানাধিকারী দল হিসেবে উঠে এসেছিল । জনগণ আশা করেছিল রাজ্যপাল কংগ্রেসকেই ডাকবে সংখ্যাগরিষ্টতা প্রমান করে সরকার গঠন করার জন্য , কিন্তু সবাই কে অবাক করে দিয়ে উনি বিজেপি যে ২১টা আসন নিয়ে দ্বিতীয় আসনে ছিল তাকেই সংখ্যাগরিষ্টতা প্রমান করতে বলে । আর "হর্স ট্রেডিংয়ের " ব্যাপারটা উত্তরপূর্ব  লোকেদের কাছে অজানা নয় । 
মেঘালয় বিধানসভা (২০১৮ মার্চ) ঘটনাটা মানুষের কাছে আরো ভয়াভয় , যেখানে মোট আসন সংখ্যা ৬০ ,আর বিজেপি দাঁত ফোটাতে পেরেছিলো মাত্র দুটি আসনে ,আর কংগ্রেসের ঝুলিতে ছিল ২ ১ টি আসন ।তা সত্ত্বেও যে কারণে বিজেপি, জোট করে রেখেছিল এনপিইপি ,উডি,পি ,পিডিএফ ,এচএসডিপিডিপি সাথে সেই কারণে রাজ্যপাল বিজেপিকেই আহ্বান জানায় সংখ্যাগরিষ্টতা প্রমান দিয়ে সরকার গঠনের ।
   জোট ধর্ম্মের আসন যোগকরেই যদি সরকার গঠনের জন্য রাজ্যপাল গোয়া ,মনিপুর,এবং মেঘালয়ে বিজেপিকে সরকার গঠনের জন্য ডাকতে পারে ,তাহলে কোন উদ্দেশ্যে এবং কি কারণে কর্নাটকে রাজ্যপাল কংগ্রেস-জেডিএস জোটকে না ডেকে বিজেপিকে ডাকা হল এবং ১৫দিনের সময়ও দেওয়া হল সংখ্যাগরিষ্টতা দেখানোর জন্য ।এতে কালোটাকার ব্যবহারে "হর্স ট্রেডিং " যে হতে পারে কংগ্রেসের তরফ থেকে বারংবার অভিযোগ করা হয়েছে । সারা ভারতবাসীর চোখ এখন কর্ণাটকের দিকে , এবং কেন কর্ণাটকের বেলাতেই উলটপুরাণ ? মানুষের প্রশ্ন ।

No comments:

Post a Comment

loading...