Friday, 22 June 2018

যেই ব্যাঙ্কের ডিরেক্টর অমিত শাহ , সেই ব্যাঙ্কেই ৭৪৫.৫৯ কোটি টাকা জমা পড়েছিল নোটবন্দির সময়

ওয়েব ডেস্ক ২১ই জুন ২০১৮ :আবার একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসল , যা বিজেপিকে  নিঃসন্দেহে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাল ।  ঘটনাটি নোটবন্দির , একজন মুম্বাইয়ের ব্যক্তির আর.টি.আই করার প্রদত্তরে , যে  তথ্য পাওয়া গেল তা রীতিমতো গা হিম করে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট ।
দেখা যাচ্ছে একটি জেলার কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্ক যেখানে অমিত শাহ ছিলেন ডিরেক্টর , সেই ব্যাঙ্কে সবথেকে বেশি , অকেজো নোট জমা পড়েছে , নোটবন্দির সময় , তাও আবার ৭ দিনে  ।



কেন ৭ দিনে ? ,কারণ, ৮ই ২০১৬ ,নভেম্বর থেকে অকেজো নোট ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল সরকারের তরফ থেকে , কিন্তু রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া নির্দেশ দেয় ,১৪ই নভেম্বর ২০১৬   পর থেকে কোনো কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্ক অকেজো নোট জমা নিতে পারবেনা  । তার কারণ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক মনে করেছিল , যত কর ফাঁকি দেওয়া টাকা আছে , সে গুলো এই রাস্তা দিয়েই ব্যাঙ্কে জমা পর্বে যেটা , দেশের অর্থ নৈতিকের ক্ষেত্রে ক্ষতিকারক । আহমেদাবাদ ডিস্ট্রিক্ট কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক , যেই ব্যাঙ্কের সভাপতি ছিলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় প্রেসিডেন্ট অমিত শাহ , সেই ব্যাঙ্ক ৭৪৫.৫৯ কোটি টাকা জমা পড়েছে  ওই নোট বন্দির সময় ।  যদি ১৪ই নভেম্বর ২০১৬ পরে কোনো অকেজো ৫০০ ,১০০০ টাকা জমা না হয়ে থাকে ওই ব্যাঙ্কে  তাহলে কি করে এই কয়েক দিনে এতো বিপুল পরিমানে টাকা জমা পড়ল। বিদ্যজনেদের একাংশের মত এটা কি আদেও সম্ভব ? প্রশ্ন উঠছে না মহলে । কংগ্রেসের মুখপাত্র রনদীপ সুরজেওয়ালা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটা এখন জলের মত স্বচ্ছ যে গোটা ঘটনাটাই বড়সড় দুর্নীতি করার জন্যই করা হয়েছিল। কেন্দ্রের কালো টাকাকে সাদা করার এই প্রয়াস শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থেই করা হয়।’‌ 

No comments:

Post a Comment

loading...