Thursday, 14 June 2018

বিরোধীদের সমীহ করতে বাধ্য হলেন অমিত শাহ , এখন উল্টো সুর গাইছেন

ওয়েব ডেস্ক ১৪ই জুন ,২০১৮ : মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাস্টার স্ট্রোকে বিজেপি , যারা প্রায় সব রাজ্যেই আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল তারা কর্নাটকে কুপোকাত ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে সব বিরোধী দলকে এক জোট হবার আহ্বান অনেকদিন ধরেই জানিয়ে আসছিলেন , কর্নাটকে ত্রিশংকু হবার পর তিনিই প্রথম বলেছিলেন জনতা দল (সেক্যুলার) এবং কংগ্রেসের গাঁটছড়া হওয়াটা আবশ্যক , সেই কথা বিরোধহীরা যে শুনেছেন ,আজ সেটা ইতিহাসে পরিণত হয়েছে । তার এই বুদ্ধিমত্তার কাছে , বিজেপি সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহকেও ঢোক গিলতে বাধ্য করিয়েছে । তার রেশ যে এখনও আছে সেটা কয়েকদিন আগেই টের পাওয়া গেল ।

সোমবার ছত্তিশগড়ের সরগুজা জেলার অম্বিকাপুর শহরে সাংবাদিক বৈঠক করে অমিত শাহ বলেন, ‘‌গণতন্ত্রে বিরোধীদের মুখ্য ভূমিকা রয়েছে। কংগ্রেস মুক্ত ভারত বলার অর্থ দলতন্ত্র মুক্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি। তবে বিরোধিদের ছাড়া গণতন্ত্র কখনও সম্ভব নয়। কিন্তু এটা অন্য বিষয় যে গোটা দেশে কংগ্রেস ক্ষীণ হয়ে আসছে। কংগ্রেসকে বাঁচিয়ে রাখাটা রাহুল গান্ধীর দায়িত্ব, আমার নয়।’‌ বিদ্যজনেদের একাংশের মত বিরোধী হিসেবে কংগ্রেস যদি এক থাকে তাহলে তার মাথা ব্যাথার কারণ নেই , কিন্তু ঐক্য বদ্ধ বিরোধী জোটকে যে অমিত শাহেরা যে ভয় পাচ্ছেন , এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ।নরেন্দ্র মোদির বিলক্ষণ জানেন , কর্নাটকে বিরোধীরা একজোট হতে পেরেছিলো দেখে তারা কর্নাটকে দখল করতে পারেনি ।
তিনি আরও বলেন ‘‌বিজেপি ভাল কাজ করেছে বলেই মানুষের সমর্থন পেয়েছে। এই ভাল কাজ করে গেলে ফের মানুষ আমাদের সমর্থন করবেন। কংগ্রেস সভাপতি হিসাবে রাহুল গান্ধীকেই বলতে হবে কংগ্রেসের ঐতিহ্য নিয়ে। আর বিজেপির সভাপতি হিসাবে আমি বলব বিজেপির ঐতিহ্য নিয়ে। সেখানে কোনও ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে না। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং যখন বিদেশ সফরে যেতেন তখন কেউ কিছু জানতে পারতেন না। কিন্তু এখন প্রধানমন্ত্রী যখন বিদেশ সফরে যান তখন অন্যান্য দেশের মানুষ তাঁকে স্বাগত জানান।’‌ আসন্ন লোকসভা ভোটে বিরোধীরা একজোট হলে বিজেপির পক্ষে লড়াইটা যে কঠিন হয়ে যাবে , সেটা অমিত শাহ ভালই জানেন , তার এতো মধুর শব্ধ ব্যবহার এরই অঙ্গ বলে মনে করছেন অনেকে ‘‌।


তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজ কাল "

No comments:

Post a Comment

loading...