Monday, 16 July 2018

কেন্দ্রের নীতিতে স্কুলের গুরুত্ব কমতে বাধ্য : শিক্ষাবিদরা

ওয়েব ডেস্ক ১৬ই জুলাই ২০১৮ :ডাক্তারি ও ইঞ্জিনিয়ারিং এ ,  কেন্দ্র সরকারের বছরে দুবার পরীক্ষার নীতি যে আসলে স্কুলের প্রাসঙ্গিকতাই হারাবে সে বিষয়ে শিক্ষক মহল উদ্বেগ প্রকাশ করল ।ডাক্তারির জন্য এনইইটি পরীক্ষা কেন্দ্রের মানব  সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক অনুসারে হবে ফেব্রুয়ারী ও মে মাসে , ও ইঞ্জিনীরিংয়ের জন্য আই আই টি -জিইই  হবে জানুয়ারী ও এপ্রিল মাসে । এতে আদতে বেসরকারি করণ যে আরও বাড়বে সে কথাই বার বার বলছেন শিক্ষকদের একটা বৃহত্তম অংশ ।

Image result for pics of education minister of india

ন্যাশনাল ডিফেন্স ও নাভাল অ্যাকাডেমি মতো কয়েকটি সর্বভারতীয় পরীক্ষায় এখন থেকেই এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছে । কিন্তু মেডিকাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ক্ষেত্রে এই নীতি যে খাটবেনা সেটা মনে রোরিয়ে দিয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের একটা অংশ বলেন , ডাক্তারি ও ইঞ্জিনিয়ারিং এ মোট আসনের তুলনায় এত বেশি ছাত্র ছাত্রী  এই পরীক্ষা দেয়, যে  সমস্যাটা ওখানেই লুকিয়ে আছে ।
মানবসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের নিজস্ব রিপোর্টেই তিনটি বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথমত, এতে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যটাই ব্যর্থ হতে পারে। শিক্ষার উদ্দেশ্য শিক্ষিত মনন গড়া, প্রবেশিকা পরীক্ষা পাস করা নয়। দ্বিতীয়ত, এরফলে ছাত্রছাত্রীদের পড়ার চাপ আরও বাড়বে বই কমবে না। তাতে তারা শুধু পড়াশোনাটাই শিখবে, সমাজের অন্যান্য বিষয়ে তাদের পরিণতি ঘটবে না। তৃতীয়ত, আরও ভাল ফলের আকাঙ্খায় খামোখা ছাত্রছাত্রীদের অনেকটা সময় নষ্ট হতে পারে।
এছাড়া শিক্ষাবিদদের আশঙ্কা এতে স্কুল শিক্ষার গুরুত্ব কমতে বাধ্য। এমনিতেই বর্তমানে বিভিন্ন স্কুলেই এইসব প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য আলাদা করে কোচিং দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেই সেই কোচিং চলে। এই প্রবণতা ইদানিংকালে এত বেশি দেখা যাচ্ছে যে তামিলনাড়ুতে সরকার থেকে স্কুলে স্কুলে এই ধরণের কোচিং ক্লাস বন্ধ করার বিষয়ে সার্কুলার পাঠাতে বাধ্য হয়েছে। অন্যান্য রাজ্যেও অবস্থাটা ঊনিশ-বিশ।
মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক যতই বলুক বছরে দুবারের মধ্যে যে কোনও একবার এই প্রবেশিকা পরীক্ষা দিলেই হবে, সংশ্লিষ্ট সকলেই বলছেন কোনও ছাত্র বা ছাত্রীই সেই ঝুঁকি নিতে চাইবেন না। কিন্তু সমস্যা হল এই প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রথম পর্যায় যে সময়ে হওয়ার কথা সেই একই সময়ে বিদ্যালয়ে প্র্যাকটিকাল বা মডেল পরীক্ষা নেওয়া হয়। সেগুলি ব্যহত হবেই।
এহেন পরিস্তিথিতে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক তাদের জায়গায় অনড় 

No comments:

Post a Comment

loading...