Tuesday, 31 July 2018

২০১৯ থেকেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়ার ইঙ্গিত

ওয়েব ডেস্ক ৩১শে :সুখবর আস্তে চলেছে রাজ্য সরকারের কর্মীদের জন্য ।শুধু অপেক্ষা করতে হবে মাত্র একটা বছর , এরকমই ইঙ্গিত পাওয়া গেল রাজ্য সরকারের, সদ্য রাজ্যে আসা পঞ্চদশ অর্থ কমিশনে জমা দেওয়া দাবিপত্রে। সেই দাবিপত্রের ৮০-৮১ পাতায় ৩.৪(৬) নম্বর অনুচ্ছেদে ২০১৯-’২০ থেকেই সরকারি কর্মীদের বর্ধিত বেতনের হিসেব পেশ করা হয়েছে। প্রথম বছরে তা বাড়তে পারে ২২%। যদিও বেতন ও পেনশন একসঙ্গে ধরে রাজ্যের অর্থ দফতর প্রথম বছরে ১৬.৬% বাড়ানোর পরিসংখ্যান অর্থ কমিশনে জমা দিয়েছে।রাজ্য সরকার এ বার অর্থ কমিশনকে জানিয়েছে, রাজস্ব-ঘাটতি কমাতে তারা বদ্ধপরিকর।

Image result for pics of currency in hands



কিন্তু ২০১৯-’২০ সালে রাজস্ব-ব্যয়ের ২০% শুধু ঋণের সুদ মেটাতেই চলে যাবে। এর উপরে চাপবে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ রূপায়ণের চাপ। যা রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতিকে আরও দুর্বল করে দেবে। ২০১৯-’২০ থেকে ২০২০-’২৫ পর্যন্ত বেতন-পেনশন খাতেই অতিরিক্ত ৮৫ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকার বাড়তি বোঝা চাপবে রাজ্যের ঘাড়ে। এ কথা জানিয়ে নবান্ন অর্থ কমিশনকে বলেছে, ‘রাজস্ব-ঘাটতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কমিশন যেন ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ রূপায়ণের চাপের বিষয়টি খেয়াল রাখে।’পঞ্চদশ অর্থ কমিশনে পেশ করা তথ্যে নবান্ন জানিয়েছে, যদি বেতন কমিশনের সুপারিশ রূপায়ণ করা না-হয়, তা হলে ২০১৯-’২০ থেকে ২০২৪-’২৫ পর্যন্ত বেতন বাবদ খরচ হবে দু’লক্ষ ৫৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা। আর সুপারিশ কার্যকর হলে ছ’বছরে সেই খরচ বেড়ে হবে তিন লক্ষ ৩৯ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। একই ভাবে পেনশন খাতেও খরচের ফারাক হবে। সব মিলিয়ে ছ’বছরে অতিরিক্ত ৮৫ হাজার ৪৫৭ কোটির বোঝার হিসেব করা হয়েছে। অর্থ দফতরের কর্তারা অবশ্য জানান, পেনশন খাতে খরচ কমানোর জন্যও বিশেষ কিছু ভাবনাচিন্তা রয়েছে। তবে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে ষষ্ঠ বেতন কমিশনে বেতন ও পেনশন একই হারে না-ও বাড়তে পারে বলে অর্থ দফতর থেকে ইঙ্গিত মিলেছে। অর্থ কমিশনে পেশ করা হিসেবে একই কথা জানিয়েছে নবান্ন।
যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার চতুর্দশ অর্থ কমিশনের কাছেও ষষ্ঠ বেতন কমিশনের বর্ধিত টাকা অনুদান হিসেবে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল কিন্তু  অর্থ কমিশন তা মানেনি।তবে প্রাক্তন কিছু অর্থ সচিবের অভিমত অনুসারে রাজ্যের বেতন রাজ্যকেই জোগাড় করতে হবে ।তাদের কথা অনুসারে অর্থ কমিশনের কাছে রাজ্যের কিছু আশা না করে ভালো ।তাহলে বিগত সরকারের আমলে যা ঋণ নেওয়া হয়েছিল ,তার সুদ মেটাতে মেটাতেই বর্তমান সরকারকে যথেষ্ট বিপাকে পড়তে হচ্ছে , সেখান থেকে বেরোবার কোনো রাস্তায় কি নেই বলতে চান কেন্দ্রীয় সরকারের আমলারা ?






তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আনন্দবাজার পত্রিকা " 

No comments:

Post a Comment

loading...