Thursday, 2 August 2018

বাংলাভাষী মানুষদের গাড়ি থেকে নামিয়ে ভারতীয় হওয়ার প্রমান চাওয়া হচ্ছে , মনিপুর ও মেঘালয়ে

ওয়েব ডেস্ক ২রা অগাস্ট ২০১৮:  নাগরিক পঞ্জির (এনআরসি) চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশ হতেই বাংলাভাষী মানুষদের হয়রানি করা শুরু হয়ে গেল ।এরকম একটা স্পর্শ কাতর বিষয়কে এতটা অপেশাদারিত্বের সঙ্গে সামলানো হবে সেটা হয়তো কেউই আশা করেননি ।কিন্তু সেটা হয়েছে ।বাংলাভাষী মানুষদের প্রতি চূড়ান্ত চূড়ান্ত অমানবিক মনোভাব দেখিয়ে তালিকাছুটদের ঠেকাতে চেক গেট বসিয়ে দিল মেঘালয় ও মণিপুর।অসমের বরাক উপত্যকা ছাড়াও ত্রিপুরা, মিজোরামের বাঙালিদেরও মেঘালয় হয়েই দেশের অন্যত্র যেতে হয়। কাল সকালে অসম-মেঘালয় সীমা সংলগ্ন রাতাছড়ায় গেট বসিয়ে দেয় পুলিশ।



সঙ্গে রয়েছেন খাসি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের কর্মকর্তারা। এর ফলে বাঙালি হলেই মুশকিলে পড়তে হচ্ছে। নিজেদের ঠিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত করা গেলে তবু অন্যরা রেহাই পাচ্ছেন। কিন্তু যারা বরাকের বাঙালি তারা  রাতচ্ছড়া থেকে ফেরত আসতে বাধ্য হচ্ছেন কারণ তাদের কাছ থেকে প্রমান চাওয়া হচ্ছে যে তারা এন.আর সি খসড়ায় নথিভুক্ত ।যদি তারা দিতে না পারেন , তাহলে ১৯৭১ সালের আগের কাগজ পত্র দেখাতে বলা হচ্ছে । এখন প্রশ্ন মানুষের কাছে ১৯৭১ সালের কাগজ কি এখনো রয়েছে , আর যদি থেকেও তাহলে সে কি সেগুলো সঙ্গে নিয়ে ঘুড়বেন ?মেঘালয় তবু ১৯৭১ সালের আগেকার নথি খুঁজছে। মণিপুর সদ্য পাশ হওয়া ইনার লাইন পারমিট সংক্রান্ত বিলের দোহাই দিয়ে বাঙালিদের কাছে ১৯৫১ সালের আগেকার নথি দেখতে চায়। অসমের অনেকে তা দেখাতে না পেরে জিরিবাম থেকেই যাত্রায় ভঙ্গ দিচ্ছেন। এই নিয়ে ক্ষুব্ধ শিলচরের সাংসদ সুস্মিতা দেব। লোকসভায় তিনি আজ বলেন, ‘‘মেঘালয়ে অসমের বাঙালিদের শারীরিক নিগ্রহ করা হচ্ছে।’’ নাম বাদ পড়া ৪০ লক্ষ নাগরিকের নিরাপত্তার দাবি করেন তিনি।
শিলচরের  সাংসদ সুস্মিতা দেব জিরো আওয়ারে আজ এই বিষয়টি উত্থাপন করেন ।ইয়ুথ এগেনস্ট সোশ্যাল ইভিল (ইয়াসি) নামে বরাকভিত্তিক এক সংগঠন বরাকের বাংলাভাষী নাগরিকদের হেনস্তা অবিলম্বে বন্ধ করার আর্জি জানিয়েছে , তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পাঠিয়ে উচ্চতর তদন্ততের দাবি জানায় ।











তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আনন্দবাজার পত্রিকা "

No comments:

Post a Comment

loading...