Monday, 6 August 2018

রাজ্যে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি সিপিএমের জন্যই , কার্যত স্বীকার বাম নেতৃত্বের

ওয়েব ডেস্ক ৬ই অগাস্ট ২০১৮ : তৃণমূল নেতৃত্ব অনেক দিন ধরেই অভিযোগ করে আসছিল সিপিএমের কর্মীরাই বিজেপিতে যোগ দিয়ে বিজেপি হাত শক্ত করছে । যদিও আলিমুদ্দিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলো এনিয়ে,  কিন্তু মুজফফর আহমদের ১৩০ তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বাম নেতৃত্ব কার্যত স্বীকার করে নিল সিপিএমের জন্যই রাজ্যে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত। সূর্য্য কান্ত মিশ্র বলেন এটা বাস্তব যে পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাস হয়েছে। কিন্তু সেই সন্ত্রাসকেও ছাপিয়ে যাচ্ছে দেশে ধর্মীয় মেরুকরণ ও বিভাজন। ফলে জন্ম নিচ্ছে পারস্পরিক অবিশ্বাস। এটাই এই সময়ের জ্বলন্ত সমস্যা। এই সমস্যার সমাধানের জন্যই এখন এগিয়ে আসতে হবে রাজ্যের বামপন্থীদের।’  সিপিএম রাজ্য সম্পাদকের সংয়োজন, ‘বিজেপি ও সঙ্ঘ পরিবার এই বহুমাত্রিক বিভাজন নির্মাণ করছে।’

বিদ্যজনেদের একাংশের প্রশ্ন তাহলে কেন সিপিএম তাদের কর্মীদের বিজেপিতে যেতে দিয়েছিল ? তার কোনো উত্তর অবশ্য পাওয়া যায়নি । তবে এটাই বাস্তব সিপিএম এর প্রচ্ছন্ন  মদতেই সিপিএমের কর্মীরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছে ।
 বিমান বসু বলেন, ‘একদিকে রাজনৈতিক ও অপরদিকে ধর্মীয় জোড়া সন্ত্রাস চেপে বসেছে। এই  সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আন্দোলনই একমাত্র পথ।’  পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘নিজেদের ইচ্ছেমতো দেশ চালাচ্ছে কেন্দ্র। মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া তুলে দিতে চাইছিল।  চাপের মুখে অবস্থান বদলেছে। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে সেলিম আরও বলেন,  ‘রাজ্যে সন্ত্রাস করে অসমে মোমবাতি জ্বালাতে চাইছে তৃণমূল। এই উদ্দেশ্য সফল হবে না।’ সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রর আরও অভিযোগ,  ‘ এবছর পঞ্চায়েত ভোটের সন্ত্রাস সাতের দশকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। কিন্তু কোনও কোনও জায়গায় সেই সন্ত্রাসের মোকাবিলা করা গিয়েছে। কিন্তু বিজেপি ধর্মকে বাহন করে বহুমাত্রিক বিভাজন তৈরি করছে। এটাই এখন জ্বলন্ত সমস্যা।  মেরুকরণের চেষ্টা চলছে । এই সমস্যা মোকাবিলা করাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।’ 
তবে যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেডারেল ফ্রন তৈরী করার জন্য দিন রাত এক করে ফেলছেন , সেটা যদি তৈরী হয়ে  যায়
 তাহলে সিপিএম ফেডারেল ফ্রন্টকে সমর্থন করবে কি না এবিষয়ে খোলসা করে কিছুই বলেনি ।চিড়া চরিত ভাবে মুখে কুলুপ আটাটাই হয়তো শ্রেয় মনে করেছে ।

No comments:

Post a Comment

loading...