Monday, 27 August 2018

বিপ্লবের মন্তব্যের অস্বস্তি কাটতে না কাটতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী উপেন্দ্র কুশওয়াহার "ক্ষীর" উপস্থিত

 ওয়েব ডেস্ক ২৭শে অগাস্ট ২০১৮ : একদিকে যখন বিপ্লব দেবের  "রজত জয়ন্তীর" হাস্যকর মানে ,গোটা বিজেপিকে অস্বস্থিকর পরিবেশের মধ্যে নিয়ে ফেলেছে , ঠিক সেই সময় আরো একটা বিতর্ক দানা বাঁধলো কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ প্রতিমন্ত্রী উপেন্দ্র কুশওয়াহা মন্তব্যে । প্রসঙ্গত ২৫ অগস্ট মণ্ডল কমিশনের প্রধান তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বি পি মণ্ডলের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষেএক অনুষ্ঠানে উপেন্দ্র কুশওয়াহার এক মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক শিবিরে জল্পনা শুরু হয়।

বিহারে ‘ক্ষীর রাজনীতি’ শুরু করতে চাইছেন বলেও মনে করতে শুরু করেন রাজনৈতিক শিবিরের একাংশ। রাষ্ট্রীয় লোক সমতা পার্টির সভাপতি কুশওয়াহা ওই অনুষ্ঠানে বলেন, “যদুবংশের দুধ এবং কুশবংশের চাল মিলে গেলে ক্ষীর তৈরি হতে বেশি সময় লাগবে না।” এ কথা বলার পরই রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের সৃষ্টি হয় ,কুশওয়াহার ওই মন্তব্য ঘিরে অস্বস্তিতে পড়ে বিজেপি।বিষয়টি নিয়ে বিজেপি-র তরফে কোনও বক্তব্য পেশ না করা হলেও সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে আসরে নেমে পড়ে কংগ্রেস এবং আরজেডি-র মতো  বিহারের বিরোধী দলগুলি। দিল্লিতে কংগ্রেস মুখপাত্র অভিষেক মনু সিংভি বলেন, “ভোট কাছে এলে ক্ষীর আরও মিষ্টি হবে। কত বড় থালা হবে সেটাও বোঝা যাবে। এখনও তা বলার সময় আসেনি।”পটনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব টুইট করেন, “সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ক্ষীর শ্রমজীবী মানুষের আজ বড় প্রয়োজন। ‘পঞ্চমেওয়া’-র স্বাস্থ্যবর্ধক গুণ শুধু শরীর নয় সুস্থ সমাজ তৈরিতেও শক্তি দেবে।”বিহারে যাদব জনজাতির মানুষজন মূলত গো-পালন এবং কুশওয়াহারা কৃষিকাজ করেই নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করেন। কুশওয়াহার ওই মন্তব্যের পরই জল্পনা শুরু হয়, রাজ্যে কি এনডিএ শরিক রাষ্ট্রীয় লোক সমতা দলের সঙ্গে বিরোধী আরজেডি-র কোনও নয়া সমীকরণ শুরু হতে যাচ্ছে? এনডিএ-তে কি বিদ্রোহ শুরু হচ্ছে? তবে এ দিন সমস্ত জল্পনাই উড়িয়ে দিয়েছেন স্বয়ং কুশওয়াহা। তাঁর বক্তব্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে অধিক সংখ্যক আসন ভাগাভাগি নিয়ে তাঁর দীর্ঘ দিনের লড়াইয়ের সঙ্গে ওই মন্তব্যকে জুড়ে দেওয়া যেতে পারে। তবে ঠিক কত সংখ্যক আসন চান তিনি, তা নিয়েও মুখ খোলেননি কুশওয়াহা। তবে শেষমেশ কুশওয়াহা অনেজ কসদতো করে বিতর্কের ইতি টানার চেষ্টা করেছেন , তিনি সাফাই গান এই বলে যে “যদুবংশী বলতে আরজেডি বা ব্রহ্মর্শী অথবা অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের কথা বলতে চাইনি। আসলে সমস্ত সম্প্রদায়ের মধ্যেই বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে চেয়েছি, যা আমরা ইতিমধ্যেই করছি।” এর কারণটাও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “আমাদের দলের সামাজিক ভিত্তি বাড়ানোটা জরুরি।” বিদ্যজনেদের একাংশের মন্তব্য উপেন্দ্র কুশওয়াহা যে কথাটাই চিরকাল শুনে এসেছেন বা বিশ্বাস করে এসেছেন সেটাই তার মুখ ফস্কে বেরিয়ে গেছে । খুব একটা যে ভুল বলেছেন আড়ালে আবডালে কেউ মনে করেননা ।



তথ্য ও চিত্র  কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আনন্দবাজার পত্রিকা   "

No comments:

Post a Comment

loading...