Saturday, 18 August 2018

কেরল সরকার যদি পরিবেশবিদদের কথা শুনতো তাহলে আজ এরকম বিপর্যয় ঘটতনা

ওয়েব ডেস্ক ১৮ই অগাস্ট ২০১৮: কেরল সরকারের উদাসীনতার জন্যই আজ ,কেরলে এই ভয়াবহ বিপর্যয় ।তথ্যে এরকমই উঠে আসছে ।অনেকদিন আগেই পরিবেশবিদরা জানিয়ে দিয়েছিলেন এরকম ঘটনা ঘটতে পারে , সেটা রোধ করার জন্য কি কি করা উচিত সেটাও বলা হয়েছিল , কিন্তু কেরল সরকারের ঠান্ডা ঘরেই সেই ফাইল চলে গিয়েছিলো তাই আজ এরকম ঘটনা ঘটল বলে মনে করছেন বিদ্যজনেরা ।
                           
এই বিপর্যয়ে কেরলের যে অঞ্চল সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, উত্তর ও মধ্য কেরলের সেই এলাকাগুলিকে ২০১১ সালেই পরিবেশগত ভাবে সংবেদনশীল এলাকা বলে চিহ্নিত করেছিল ‘ওয়েস্টার্ন ঘাট ইকোলজি এক্সপার্ট কমিটি’। এই কমিটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের গবেষক মাধব গ্যাডগিল। তাঁর করা সুপারিশগুলি মেনে নিলে আজ এই বিপর্যয়ের হাত থেকে পশ্চিমঘাট পর্বতমালা বা কেরলকে বাঁচানো সম্ভব হত বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।গ্যাডগিল কমিটির প্রস্তাব ছিল পশ্চিমঘাট পর্বতমালার এক লক্ষ চল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে তিনটি ভাগে ভেঙে দেওয়া। সংবেদনশীলতার মাত্রা অনুযায়ী কোনও অঞ্চলে খনি ও খাদান নিষিদ্ধ, কোথাও বা আবার বহুতল তৈরিতে বিধিনিষেধের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। কোথাও আবার জঙ্গল কেটে রিসর্ট বানাতে আপত্তির কথা জানানো হয় গ্যাডগিল কমিটির রিপোর্টে। পাহাড়ের যে অংশে ঢাল বেশি, সেখানে মানুষের বসতি থাকা বিপজ্জনক রিপোর্টে এই কথাও বলা ছিল। তাই এই বসতি বা গ্রামগুলিকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত বলে সুপারিশ ছিল কমিটির। শুধু তাই নয়, স্থানীয় পঞ্চায়েতের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে খুব কম খরচেই প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়িত করা সম্ভব বলে জানিয়েছিলেন মাধব গ্যাডগিল।এখন দেখা যাচ্ছে,গ্যাডগিল কমিটির চিহ্নিত করা সেই সংবেদনশীল এলাকা গুলিইসব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। যেখানে অবৈধ খনি ও খাদান এলাকা, সেখানেই ধসের প্রকোপ বেশি। আর অধিকাংশ মৃত্যুই হয়েছে ধসের কারণে। আর আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি বেশি নদী ও তার পাশে গড়ে গজিয়ে ওঠা নতুন নতুন শহর ও পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেই। বাঁধ থেকে নেমে আসা জল ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে সব কিছুই।
বিদ্যজনেদের একাংশের  মত তাহলে বাংলায় প্রকাশ ক্যারাট ,বৃন্দ ক্যারাটরা এতো কথা বলেন উন্নয়নের জন্য , তাহলে কেরালী লবির লোক হয়ে তারা কি করলেন ? কেরালাকেই এই বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাতে পারলেন না  ।মানুষের মনে সংশয় জাগতেই পারে কতটা গম্ভীরভাবে এদের কথা তারা নেবেন ।






তথ্যে কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আনন্দবাজার পত্রিকা "

No comments:

Post a Comment

loading...