Saturday, 18 August 2018

সুপ্রিম কোর্টের ভৎসনার পরেও গণ প্রহার চলছেই বিজেপি শাসিত রাজ্যে

ওয়েব ডেস্ক ১৮ই অগাস্ট ২০১৮: বেশ কয়েকদিন ধরে সংবাদ মাধ্যমে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় গণ প্রহারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন দেশের মানুষ ,কিন্তু মোদী জমানায় ব্যাপারটা প্রায় প্রতিদিনই সাধারণ ঘটনায় রূপান্তরিত হচ্ছে।অটল বিহারি বাজপেয়ী নিঃসন্দেহে সব স্তরের মানুষের কাছে গ্রহণ যোগ্য ছিলেন , তাই বলে কারুর  অধিকার আছে কি  আইন  নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ? যদি কেউ অটলজির সমন্ধে অন্য ধারণাপোষণ করেন।বাজপেয়ীর বিরুদ্ধে সমালোচনা মূলক মন্তব্য করেছিলেন বিহারের মোতিহারি এলাকার মহাত্মা গান্ধী সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।



                                                                                         প্রতীকী চিত্র

সেই অপরাধেই তাঁকে নির্মমভাবে মারধর করা হল। প্রায় ২০-২৫ জন দুষ্কৃতী মিলে বেদম প্রহার করে অধ্যাপককে। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে তাঁকে। ভাইরাল হয়েছে ঘটনার ভিডিও।নিগৃহীত অধ্যাপকের নাম সঞ্জয় কুমার। বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিদ্যা পড়ান তিনি। বিতর্কিত পোস্টটি ১৭ তারিখ ফেসবুকে শেয়ার করেন সঞ্জয়। পোস্টের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর আজাদনগরের বাড়িতে চড়াও হয় প্রায় ২০-২৫ জন। মারতে মারতে তাঁকে ঘর থেকে বের করে আনা হয়। পরনের পোশাক ছিঁড়ে দেওয়া হয়। রাস্তা দিয়ে নিয়ে যেতে যেতে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দুষ্কৃতীরা অধ্যাপককে প্রশ্ন করছে, কানাইয়া কুমার হতে চান কি?হুল কুমার পাণ্ডে, সানি বাজপেয়ী, অমন বিহারী বাজপেয়ী, পুরুষোত্তম মিশ্র, রবিকেশ মিশ্র, জ্ঞানেশ্বর গৌতম নামের একাধিক অভিযুক্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন সঞ্জয় কুমার। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন বহুল প্রচারিত হিন্দি সংবাদপত্রের  স্থানীয় ব্যুরো চিফ ডা. পবন কুমার সিং এবং কর্মী সঞ্জয় কুমার সিং। অধ্যাপকের অভিযোগ, সঞ্জয় কুমার সিং তাঁকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলেও কটাক্ষ করে এবং দুষ্কৃতীরা তাঁর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করে। ঘটনার পর পাটনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয় সঞ্জয়বাবুকে।সূত্রের খবর অনুসারে ,সদ্য প্রয়াত অটল বিহারিবাজপেয়ী প্রয়াত হওয়ার পরে তার সমন্ধে এরকম বিরোধী মন্তব্য শোনার পর ,বাজপেয়ীজিকে যারা প্রচন্ড ভালোবাসেন তারা ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেননি , তাই নিজেদের হাতেই তারা আইন তুলে নেয়।




তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "সংবাদ প্রতিদিন "

No comments:

Post a Comment

loading...