Monday, 6 August 2018

জনধন গ্রাহকদের ৩০.৮ কোটি টাকা কেটে নেওয়া হল

ওয়েব ডেস্ক ৬ই অগাস্ট ২০১৮ : নিয়মটা চালু হয়েছিল গত বছরের এপ্রিল মাস থেকেই ,যে একাউন্টএ নূন্যতম ব্যালেন্স না থাকলে ব্যাঙ্ক জরিমানা হিসেবে একটা টাকা কাটবে, উদ্দেশ্য ছিল ব্যাঙ্ক গুলোকে লোকসানের হাত থেকে বাঁচানো । কিন্তু সেটা চালু করার পর দেখা যায় ব্যাঙ্ক যে বিপুল পরিমান অর্থ উপার্জন করেছে সেটা রীতিমত স্তম্ভিত করার মতো ।


২৪টা ব্যাঙ্ক মিলিয়ে ৫ হাজার কোটি টাকা গ্রাহকদের কাছে আদায় করেছে ।এর মধ্যে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া একাই জরিমানা বাবদ  আদায় করেছে ২ হাজার ৪৩৩ কোটি টাকা । ২০১৮ সালে , মাত্র সাত মাসে আদায় করেছে ১৭০০ কোটি টাকা ।এখানেই শেষ নয় , সরকারের তরফ থেকে জনধন যোজনা প্রকল্পে খোলা একাউন্ট থেকে ৩০.৮ কোটি টাকা জরিমানা বাবদ টাকা আদায় করা হয়েছে , তার মানে এক সময় কেন্দ্রীয় সরকার বিনা পয়সায় যে সব গ্রাহকদের একাউন্ট খুলে দিয়েছিল আজ তাদের একোয়ান্ট থেকেই টাকা কাটা হচ্ছে ।অজুহাত দেওয়া হচ্ছে জরিমানার , কিন্তু ভুলে গেলে চলবেনা ২০১৬ নোটবন্দির সময় মানুষ ব্যাঙ্কে গিয়ে তাদের অগুনতি টাকা বিনিয়োগ করে এসেছিল বেসরকারি ব্যাংকে , সেই সময় প্রায় কোনো বেসরকারি ব্যাঙ্কের "রিলেশনশিপ ম্যানেজারকে কাস্টমার ভিসিট" করতে হয়নি ।   তা সত্ত্বেও কেন্দ্রের কথা অনুসারে ব্যাঙ্ক গুলো লোকসানে চলছিল  ।
উল্লেখ্য এচ.ডি.এফ.সি  ব্যাঙ্ক জরিমানা স্বরূপ গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করেছে ৫৯০ কোটি টাকা , সেখানে এক্সিস ব্যাঙ্কের ঝুলিতে গেছে ৫৩০.১২ কোটি টাকা । আই.সি.আই.সি.আই ব্যাঙ্ক জরিমানায় আদায় করেছে ৩১৭.৬ কোটি টাকা আর পাঞ্জাব ন্যাশনাল  ব্যাঙ্ক মেহুল চোকসি আর নীরব চোকসির ১৩৫০০ কোটি টাকা জালিয়াতের পর ,গ্রাহকদের জরিমানা কেটে পেয়েছে ২১১ কোটি টাকা । 

No comments:

Post a Comment

loading...