Sunday, 19 August 2018

বাঙালিদের ঘর বাড়ি কেড়ে নেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে অসমে

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: ইচ্ছাকৃত ভাবে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া  তো আগেই চলছিল , এবার প্রত্যাশামতোই বাড়ি ঘর কেড়ে নেওয়ার কাজও শুরু হল অসমে বাংলাভাষী মানুষদের ।অসমে বিজেপি আসার পরই স্থানীয় বাসিন্দাদের  (ইন্ডিজেনাস পিপলস) জম ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য  ব্রক্ষ্ম কমিটি গড়ে , যেটা আদতে বাঙালি তাড়াবার প্রথম পদক্ষেপ বলে মনে করেন বিদ্যজনেদের একাংশ ।সেই ব্রক্ষ্ম কমিটির রিপোর্ট হাতে পেয়েই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হুঙ্কার ছেড়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের অধিকার সুনিশ্চিন্ত করবে তার সরকার , কিন্তু আদতে তার উদ্দেশ্যই ছিল বাঙালি খেদানো  ।

এনআরসি নিয়ে এমনিতেই ত্রস্ত বাঙালি হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়। সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষককেও ‘‌বাংলাদেশি’‌ তকমা দিয়ে পোরা হচ্ছে ডিটেনশন ক্যাম্পে। এই অবস্থায় জমির অধিকার আইন আনতে চলেছে অসম সরকার। নাগরিক অধিকার সুরক্ষা সমন্বয় সমিতি (সিআরপিসিসি)-র চেয়ারম্যান তপোধীর ভট্টাচার্যের সাফ কথা, ‘‌বাঙালিকে তার বাসস্থান থেকেও উৎখাত করার লক্ষ্যেই আনা হচ্ছে নতুন আইন।’‌ মানবাধিকার কর্মী সাধন পুরকায়স্থ ‘‌আদি বাসিন্দা’‌ শব্দটি নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, ঐতিহাসিক ভাবেই বাঙালিরা অসমে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন। তাঁর মতে, ‘‌ভারতীয় সংবিধানে আদি বাসিন্দা বা খিলঞ্জিয়া (ভূমিপুত্র) বলে কোনও শব্দই নেই।’‌অসমের বাঙালিদের দুরবস্থার নির্মম দৃষ্টান্ত মহঃ খইরুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি স্কুলে চাকরি করার পরও জুটল বিদেশি তকমা। মরিগাঁওতে থোঙ্গাসালি খণ্ডপুকুরি নিম্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষককে সমস্ত কাগজপত্র পরীক্ষা করেই নিযুক্তিপত্র দেওয়া হয়েছিল। এমনকী এনআরসি–র প্রথম তালিকা তৈরির কাজেও নিযুক্ত ছিলেন তিনি। তবু মরিগাঁও জেলা বিদেশি ট্রাইব্যুনাল তাঁকে ‘‌বিদেশি’‌ বলে ঘোষণা করে। শুধু বাঙালিরাই নন, বিজেপি জমানায় এই রাজ্যের হিন্দিভাষীরাও নিরাপদ নন। তাঁদেরও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এমনই আশঙ্কা থেকে হিন্দিভাষী বিকাশ পরিষদ এদিন বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে স্মারকপত্র প্রদান করেন। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, তাদের নির্দেশেই প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত তালিকা। এমনকী, সংশোধন, সংযোজন বা আপত্তি প্রক্রিয়ার নির্ঘণ্টও শীর্ষ আদালত তৈরি করবে।বিদ্যজনেদের একাংশের মত, বিজেপির কি মূল উদেশ্য বাঙালিদের উৎখাত করা অসম থেকে ? বাঙালিদের উৎখাত করলে বিজেপির লাভটাই বাকি ?ভোট ব্যাঙ্ক একটা উদেশ্য ,আর অন্যটি ?





তথ্য ক্রতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "

No comments:

Post a Comment

loading...