Sunday, 12 August 2018

বিহারের পর মধ্যপ্রদেশ , মেয়েদের হোস্টেলে চলছিল দেদার ধর্ষণ ,গ্রেফতার আর এস এস নেতা

ওয়েব ডেস্ক ১২ই অগাস্ট ২০১৮ : বিহারের মুজাফ্ফরপুরের পর আরও একটি মেয়েদের হোস্টেলে ধর্ষণ কর্মকাণ্ডের ঘটনা সামনে এলো , এবং সেটাও বিজেপি শাসিত রাজ্য ,মধ্যপ্রদেশ । পরিস্থিতির ফাঁদে পরেই অনেক মেয়ে তাদের নিজেদের বাড়ি ঘর ছেড়ে অস্বীনি শর্মার হোস্টেলে থাকতে এসেছিলেন ,কিন্তু বুঝতে পারেনি কেউই যে তিনি রাবনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন ।তার বিরুদ্ধে দিনের পর দিন হোস্টেলের মেয়েদের ধর্ষণ করতেন  বলে অভিযোগ সামনে  এসেছে  । তারপরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে হোস্টেলের ডিরেক্টর অশ্মিনী শর্মাকে।

                     
 গত সপ্তাহেই আরএসএস নেতার ওই হস্টেল থেকে প্রথম পালিয়ে আসে এক মুক ও বধির যুবতী। তার পরই একে একে ফাঁস হতে থাকে তাঁর কাণ্ডকারখানা। গত এক সপ্তাহে অশ্বিনী শর্মার হস্টেল থেকে মোট চারজন মহিলা প্রাণ বাঁচাতে পালিয়েছেন। তাঁদের মধ্যেই একজন ভোপাল পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগে করে গতকাল। সেই মহিলা জানিয়েছেন, হস্টেলে মেয়েদের আটকে রেখে জোর করে পর্ন দেখানো হত। তাঁকে ৬ মাস ধরে লাগাতার ধর্ষণ করা হয়েছে। যে চারজনকে মালিকের পছন্দ হয়েছিল সেই চারজনকে আলাদা বাড়িতে রাখা হত। তাঁরা যাতে কোনওভাবেই পালিয়ে যেতে না পারেন তেমনই বন্দোবস্ত করেছিল অশ্বিনী শর্মা নামের ওই বিজেপি ঘনিষ্ঠ আরএসএস নেতা। নির্যাতিতার দাবি, অশ্বিনী ইচ্ছেমতো তাদের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত।ওই নির্যাতিতার অভিযোগ পেয়ে গতকালই অশ্বিনী শর্মা নামের ওই হস্টেল মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।সূত্রের খবর অনুসারে অবধপুরীর একটি বাড়িতে আটকে রাখা হত হোস্টেলের একাধিক মেয়েকে। সেখানেই চলত এই যৌন নির্যাতন। সেখানে থেকে উদ্ধার হওয়া ২৩ বছরের তরুণীকে উদ্ধার করার পরেই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ধৃত অশ্মিনী শর্মা ১৯ বছরের তরুণীকে ধর্ষণের কথা পুলিসের কাছে স্বীকার করেছেন। কিন্তু হোস্টেলের একাধিক মেয়েকে তিনি যৌননির্যাতন করেছেন তা মানতে রাজি হননি। ডিআইজি হরিনারায়ণআরাচি মিশ্র জানিয়েছেন, ধৃতের বিরুদ্ধে ৩৭৬(‌ধর্ষণ)‌, ৩৭৭(‌ অপ্রকৃতস্থ নির্যাতন এবং অপরাধ)‌, ৩৫৪(‌ শ্লীলতাহানি)‌ সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।অশ্বিনীর গ্রেপ্তারির পর মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস একটি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করে অশ্বিনী শুধু আরএসএস প্রচারকই নন, রীতিমতো স্থানীয় বিজেপি হেভিওয়েটদের ঘনিষ্ঠ। স্থানীয় বিজেপি নেতারা অবশ্য বলছেন, হস্টেলকাণ্ডের মতো একটা মানবিক ইস্যুতে অকারণে রাজনীতি টেনে আনছে কংগ্রেস।বিদ্যজনেদের একাংশের মত রাজনীতি টেনে আনা তো অন্য কথা , তবে এরকম নক্কার জনক ঘটনা যে ঘটতো ,সেটা অস্বীকার করার কোনো জায়গা আছে কি ?







No comments:

Post a Comment

loading...