Sunday, 19 August 2018

মোদিকে জব্দ করতে রাফায়েল নিয়ে কোমর বেঁধে নামছে কংগ্রেস

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই অগাস্ট ২০১৮: যুদ্ধ বিমান রাফায়েলকে হাতিয়ার করেই  কংগ্রেস তাদের আক্রমন শানাবে বলে ঠিক করেছে আগামী লোকসভা নির্বাচনে ৷ এর জন্য রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের কিছু দুদে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দিয়ে গঠন করেছেন টাস্ক ফোর্স যারা দায়িত্বে থাকবেন রূপরেখা তৈরী করার ক্ষেত্রে ৷ এ বিষয়ে রাহুল গান্ধী সারা দেশের কংগ্রেস নেতা তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ৷জানা গিয়েছে, টাস্কফোর্সের মাথায় রয়েছে কংগ্রেস মুখপাত্র রনদীপ সুরজেওয়ালা ও জয়পাল রেড্ডি৷


এছাড়া ফোর্সের সদস্য করা হয়েছে, অর্জুন মোধওয়াদিয়া, শক্তি সিং গোহিল, প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদি, জয়বীর শেরগিল ও পাওয়ান খেরকে৷ আগামী ২৫ আগস্ট থেকে কাজ শুরু করবে এই টাস্ক ফোর্স৷ দলের মুখপাত্র রনদীপ সুরজেওয়ালা সাংবাদিকদের জানান, বিশেষভাবে রাফাল ইস্যু-সহ মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন দুর্নীতি এবং কেলেঙ্কারিগুলি সারা দেশের জনতার সামনে তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিন কংগ্রেস কর্মীরা জেলা ও রাজ্যস্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন। এই ব্যাপারে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অবিলম্বে যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠনের দাবি তুলবে। তিনি আরও বলেন, রাফাল ইস্যু কংগ্রেসের অন্দরে বিশদে আলোচনা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, এই চুক্তির ফলে সরকারি কোষাগারে ৪১ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এই কংগ্রেস মুখপাত্রের অভিযোগ, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেড (হ্যাল)-এর থেকে বরাদ ছিনিয়ে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রর মোদির বন্ধুর সংস্থার সঙ্গে ৩০ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করা হয়েছে৷ শুরু থেকেই রাফাল ইস্যুতে কেন্দ্রের মোদি সরকারকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। এর আগেও দলের নেতাদের তিনি রাফাল ইস্যু জিইয়ে রাখার জন্য একাধিকবার নির্দেশ দিয়েছেন। সম্প্রতি নির্বাচনমুখী রাজস্থানের জয়পুরে একটি দলীয় সভাতেও তিনি এই নিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ইউপিএ সরকার রাফাল যুদ্ধ বিমান নিয়ে যে চুক্তি করে তা ছিল মাত্র ৫৪০ কোটি টাকার। আর মোদি সরকার আসার পরেই সেই যুদ্ধ বিমান ১৬০০ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হচ্ছে। প্রতিরক্ষায় এর চেয়ে বড় দুর্নীতি কখনও হয়নি বলে অভিযোগ করেন রাহুল৷রাহুল গান্ধী সংসদের বাদল অধিবেশনেও রাফাল ইস্যুতে সরব হয়েছেন। কংগ্রেস ২০০৮ সালে ইউপিএ-র আমলের রাফাল চুক্তির প্রতিলিপি প্রকাশ করেছে। কংগ্রেসের দাবি, বিমানের দাম নিয়ে গোপনীয়তার শর্ত ছিল না সেই চুক্তিতে। কংগ্রেসের তরফে বলা হচ্ছে, ইউপিএ আমলে প্রতি রাফালের দাম পড়ছিল ৫২৬.১০ কোটি টাকা। এখনকার চুক্তিতে দর ১৬৭০.৭০ কোটি টাকা। বিদ্যজনেদের একাংশের প্রশ্ন রাফেন কিনতে কেন এতো গোপনীয়তা বজায় রাখছেন মোদীজি ।কি এমন প্রযুক্তি থাকবে যেটা ভারতকে উপমহাদেশীয় দেশ গুলির থেকে এগিয়ে রাখবে ? মোদী সরকারের উচিত জনগণের সামনে এর সম্বন্ধ্যে খোলসা করে বলা ।



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "সংবাদ প্রতিদিন "

No comments:

Post a Comment

loading...