Wednesday, 26 September 2018

পুজোর মুখে ব্যর্থ বনধ ; উত্তর থেকে দক্ষিণে সচল বাংলাই প্রমান দিলো -জনবিচ্ছিন্ন বিজেপি

ওয়েব ডেস্ক, ২৬-০৯-১৮ :-  পুজোর মুখে , বাংলার বর্ণপরিচয় জনক বিদ্যাসারের জন্মদিনে বন্ধ ডেকে বাংলাকে কালিমালিপ্ত করলো বিজেপি । জোরপূর্বক সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করলেও , পুজোর মুখে রাজ্যকে সচল রাখতে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর আওহানে সাড়া দিয়ে ,কর্মনাশা বন্ধ কে ব্যর্থ করেদিল বাংলার মানুষ। বাংলা বনধকে কে ব্যর্থ করে পুজোর পূর্বে সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দিতে তৎপর রাজ্য সরকার । জেলায় জেলায় ঢালাও পুলিশ নিয়োগ করে বাংলাকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন । এই বনধে সাড়া না দিয়ে  বাংলার মানুষ আরো একবার বুঝিয়ে দিলো তারা বিজেপির সাথে নেই , মমতা ব্যানার্জীর উপরেই সম্পূর্ণ আস্থাশীল ।



মমতা ব্যানার্জীর বাংলাকে সোনার বাংলা গড়ার পথকে সুগম করতে কর্মনাশা বনধকে উপেক্ষা করে সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলিতে কর্মীদের উপস্থিতির হাজিরা ছিল যথেচ্ছ নজর করার মতো। অন্যদিকে কলকাতা সহ উত্তর থেকে দক্ষিণ বাংলার প্রায় সমস্ত দোকান-বাজারেই পুজোর মরসুমে কেনাকাটার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো । কয়েকজন সরকারির বক্তব্য - সামনেই পুজোর ছুটিতে এমনিতেই বন্ধ থাকবে অফিসের কাজকর্ম ,জনগনের নামে বনধের ছুতো দিয়ে জনগনের পরিষেবার কাজ বন্ধ করবো কেন ? ব্যবসায়ীদের একাংশ ক্ষোভের সাথে জানালেন - ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকার বারবার বন্ধ ডেকে লাভটা কি করেছে ? এই পুজোর মুখে বনধে দোকান-পাঠ বন্ধ করে আমাদের লাভটা কি হবে ? আর একদিনের ট্যাক্স ক্ষতি করে সরকারেরও তো বাংলা গঠনের কাজে ব্যাঘাত ঘটবে ।টাইটেল; এক গ্রামের শিক্ষক মহাশয় স্কুল আসার পথে বললেন- অরে মশাই বিদ্যাসাগরের জন্মদিনে ইস্কুলে বন্ধ করলে ছাত্ররা আজ দিনের মাহাত্ম বুঝবে কি করে ? তাছাড়া বন্ধের নামে শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণের একটা দিন সারাজীবনের জন্য নষ্ট হয়ে যাবে সেটা সকলের বোঝা উচিত ।

 বন্ধের দিনে ছুটি বাতিলের নির্দেশ আগেই দিয়েছিলো নবান্ন । শিক্ষামন্ত্রী কড়া ভাবে জানিয়ে দিয়েছিলো বন্ধের আমি শিক্ষার্থীদর শিক্ষায় কোনো আপস তিনি মেনেবেননা । তাই জনগণকে যাতে বন্ধের দিনে কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয় ,তার জন্য আগে ভাগেই প্রশাসনিক পারিকাঠামো সাজিয়ে রেখেছিলো রাজ্যসরকার।  যার কারণে কর্মজীবী বাংলার মানুষকে বন্ধের দিনে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি । বন্ধের দিন জনগণকে যাতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়- সেইদিকে নজর রাখতে এলাকায় এলাকায় তৃণমূলের দলীয় নেতা কর্মীদের নজরদারি ও পরিষেবা দিতে দেখাযায় । মমতা ব্যানার্জির সোনার বাংলা গড়ার প্রয়াসকে সমর্থন করতে শুধু শুধু কর্মনাশা অর্থনাশ বনধ-কে ব্যর্থ করলো জনগণই  আসলে জনগনের নামে বিজেপির ডাকা বন্ধের দিনে , জনগনই যে বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করেছে -তা আরো একবার প্রকাশ্যে আসলো বাংলার বুকে ।       

No comments:

Post a Comment

loading...