Monday, 10 September 2018

সাড়া ভারতে বনধের ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেলেও বাংলায় আংশিক সাড়া পাওয়া গেল

ওয়েব ডেস্ক ১০ই সেপ্টেম্বর ২০১৮ :  পেট্রল ,ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বিরোধীদের ডাকা বনধে  সারা ভারতে যে ব্যাপক সারা পাওয়া গেছে  সে তুলনায়  আংশিক সাড়া পাওয়া গেল পশ্চিম বাংলায় । অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বনধের বিরুদ্ধ মনোভাব এটাকে স্তিমিত করেছে ।তবে ইসুটিকে তিনি সমর্থন করেছেন আগাগোড়া , সেই মতো তৃণমূল কলকাতায় এবং শহরতলিতে মিছিল ও করেছে ।


প্রসঙ্গত কংগ্রেসের বন্‌ধ এবং বামেদের হরতাল, সোমবার সকাল থেকেই এই জোড়া ফলার কিছুটা প্রভাব পড়েছে রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায়। পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদেই কেন্দ্রীয় সরকার বিরোধী ওই কর্মসূচিতে রাজ্যজুড়ে বিক্ষিপ্ত গোলমালের ছবি ধরা পড়ল। ওভারহেড তারে কলাপাতা ফেলে ট্রেন দাঁড় করিয়ে দেওয়া, লাইনের উপর শুয়ে পড়ে রেল অবরোধের মতো ঘটনা ঘটল রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায়। এছাড়া হাওড়ার দাশনগর ও পঞ্চাননতলা, পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদা, কলকতারা হাজরা, মানিকতলায় বন্‌ধের সমর্থনে বেশ কিছুক্ষণ পথ আটকে বিক্ষোভ দেখান বাম বা কংগ্রেস সমর্থকেরা। তবে কোনও ক্ষেত্রেই গোলমাল খুবল একটা বড় চেহারা নেয়নি।এ দিন সকালে হাওড়ায় অল্পবিস্তর ঝামেলার খবর পাওয়া গিয়েছে। দাসপুরে হাওড়া-আমতা রাস্তা অবরোধ করেন বাম সমর্থকেরা। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে তাদের সঙ্গে বন‌্ধ সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র‌্যাফ নামাতে হয় রাস্তায়। যদিও ওই অবরোধ খুব বেশিক্ষণ ছিল না।
এর মধ্যেই যাদবপুর রেল স্টেশনে শিয়ালদহগামী ট্রেন অবরোধ করা হয়। যাত্রীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে অবরোধকারীরা পিছু হঠেন। পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার রাজ্যে পথে নামে তৃণমূল, কংগ্রেস এবং বাম দল। তবে বন‌্‌ধে সমর্থন কখনই  করেনি  তৃণমূল। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে রাজ্য সরকার নির্দেশ দিয়েছিলো । সব মিলিয়ে শুধুমাত্র কলকাতায় ৪ হাজার পুলিশ রাস্তায় থেকেছে । অতিরিক্ত ৮০০টি সরকারি বাস নামানো হয়েছে এখনো অবধি রাস্তায় । মোদির বিরুদ্ধে এক সুরে তৃণমূল , কংগ্রেস এবং বাম ,সুর মেলালেও , তৃণমূল কখনো বনধের সমর্থন করেনা এবং আজও করেনি । কারণ সিপিএমের মতো একটা কর্মনাশা দিন কখনই তৃণমূল দিতে চাইনি বর্তমান প্রজন্মকে । এটা তাদের আদর্শ বিরোধী ।



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আনন্দবাজার পত্রিকা "

No comments:

Post a Comment

loading...