Thursday, 6 September 2018

এবার তৃণমূলের পথেই পা মেলাতে বাধ্য হলো অসম বিজেপি , সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

ওয়েব ডেস্ক ৬ই  সেপ্টেম্বর ২০১৮: নাগরিক পঞ্জী নিয়ে যখন তৃণমূলের মতো বিরোধীরা সরব ছিলেন ,যে আসামের নাগরিক পঞ্জী যে ভাবে এগোচ্ছে সেটা অনৈতিক এবং ভুলে ভরা , তখন বিজেপি শাসিত অসম বা কেন্দ্র সরকার কোনো পাত্তাই দেয়নি তাদের । এবার অসমের বিজেপি সংগঠন দাবি করতে বাধ্য হল , নাগরিক পঞ্জিতে বিস্তর গোলযোগ আছে ।

এবার তারাই যে বেকায়দায় পড়েছে বলাই বাহুল্য ।  রাজ্য বিজেপির নেতাদের অভিযোগ, এনআরসি–‌র কারণে স্থানীয়রাই বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। তাই কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য এনআরসি সমন্বয়কের কাছে স্মারকপত্র দেবে বিজেপি। এনআরসি নিয়ে এমনিতে বিস্তর উৎসাহ দেখিয়ে আসছিল বিজেপি। কিন্তু মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে সাংবাদিক–সম্মেলন ডেকে দল ক্ষোভ জানাল। এনআরসি–‌র কাছে অভিযোগ জানাল, মহিলা ও শিশুদের নামই বেশি বাদ গিয়েছে নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত খসড়ায়। পেশ করেছে নথিপত্রও। বুধবার প্রদেশ বিজেপি–‌র অন্যতম সাধারণ সম্পাদক দিলীপ শইকিয়া আজকাল-কে বলেন, ‘‌এনআরসি দেশের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় দলিল। তাই শুদ্ধ এনআরসি জরুরি। কিন্তু বহু ভারতীয়ের নাম বাদ পড়েছে। একজনও ভারতীয় যাতে বাদ না যান, সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।’‌ এই দাবিতেই তাঁরা স্মারকপত্র পাঠাচ্ছে কেন্দ্রের কাছে। দিলীপ আরও জানান, নথিপত্র যাচাই প্রক্রিয়ার জটিলতায় বহু মহিলা, শিশুর নাম বাদ পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ প্রভৃতি রাজ্য থেকে আসা বহু ভারতীয়ের নাম নেই। বিজেপির দাবি, পরিবারের দুজন ও প্রতিবেশী একজন বৈধ নাগরিক সাক্ষী দিলেই দিতে হবে নাগরিকত্ব।
সামনেই অসমের পঞ্চায়েত নির্বাচন। তারপরে লোকসভার ভোট। তাই এনআরসি নিয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছেন বিরোধীরা। সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেস সভানেত্রী সুস্মিতা দেবের অভিযোগ, প্রথম থেকেই এনআরসি-কে ওরা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এখন খিলঞ্জিয়া (ভূমিপুত্র)-দের স্বার্থে ঘা লাগায় অন্য কথা বলছে। বিদ্যজনেদের একাংশের বক্তব্য , তৃণমূল যাতে কোনো ভাবেই অসমে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে না পারে তাই জন্যই প্রথমে তৃণমূলকে আটকানো হয়েছিল , কিন্তু যখন বিজেপি দেখলো , তৃণমূলই ঠিক কথা বলছে তখন তৃণমূলের পথটাই তারা বেছে নিল।



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "

No comments:

Post a Comment

loading...