Monday, 10 September 2018

এবার ২৮ হাজার পুজো কমিটিকে ১০ হাজার টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার

ওয়েব ডেস্ক ১০ই সেপ্টেম্বর ২০১৮ :  সর্ব ধর্ম মানুষের সাথেই যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন সেটা আরো একবার প্রমান করলেন মুখ্যমন্ত্রী ।বিগত বছরে আমরা দেখেছি ক্লাব গুলোকে অনুদান দিতে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে , ঠিক যেমন অজিত পাঁজা মহাশয় ক্লাব গুলোর পাশে দাঁড়াতেন । এবার সব কিছু ছাপিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের ২৫ হাজার পুজো কমিটি পিছু সরকারের কাছ থেকে উপহার বাবদ ১০ হাজার টাকা পাবে। মমতা বলেন, ‘‌কলকাতায় বড় ছোট সব মিলিয়ে তিন হাজার বারোয়ারি পুজো হয়। জেলায় ২৫ হাজার বারোয়ারি পুজো হয়।


এই ২৮ হাজার পুজো কমিটির প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এর জন্য মোট ২৮ কোটি টাকা খরচ হবে। রাজ্যবাসীর জন্য এটাই আমাদের ক্ষুদ্র উপহার।’‌শুধু তাই নয়, এবছরের পুজো কমিটিগুলোকে দমকল ও বিদ্যুতের অনুমতি নিতে জন্য কোনও টাকা দিতে হবে না। এবারের বিজয়া দশমী ১৯ অক্টোবর। প্রতিমা বিসর্জন করতে হবে ২২ অক্টোবরের মধ্যে। ২৩ অক্টোবর বেলা চারটেয়। রেড রোডে গতবছরের মতো এবছরেও পূজা কার্নিভাল হবে। গতবার এই কার্নিভালে অংশগ্রহণ করেছিল ৫৫টি পুজো কমিটি। মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছা, এবার সংখ্যাটা বেড়ে হোক ৭৫টি। ২৪ অক্টোবর লক্ষ্মীপুজো। লক্ষ্মীপ্রতিমা বিসর্জন দিতে হবে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে। কলকাতার পুজোর ক্ষেত্রে সরকারের অনুরোধে আগের বার ১৮ থেকে ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছিল সিইএসই–র তরফে। এবার সেই ছাড় ২২ শতাংশ করার অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। জেলায় জেলায় সমস্ত ধর্মের সমস্ত নাগরিকদের নিয়ে মিটিং করে নেওয়ার নির্দেশ। শুধু দুর্গাপুজো নয়, মহরমের কথাও মাথায় রাখতে হবে বলে মমতার নির্দেশ, ‘‌ধর্ম যার যার। কিন্তু উৎসব সবার। সব ধর্মের সমস্ত মানুষকে নিয়ে উৎসবের মরসুমে শান্তিতে থাকতে হবে।’ নাম না করে বিজেপিকেও বিঁধতে ছাড়েননি মমতা। বলেন, ‘‌এখন একটা উদ্ভট রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছে। ধর্মের ইজারা যেন ওরা একাই নিয়ে বসে আছে। ওদের উস্কানিতে কান দেবেন না। ওরা মানু্ষে মানুষে ঝগড়া লাগাতে চায়। ধর্মকে হাতিয়ার করে দাঙ্গা লাগাতে চায়। কিন্তু আমরা সব ধর্মকেই ভালবাসি। সবাইকে চলার নামই ধর্ম। সেটা সকলে মাথায় রাখবেন।’‌‌‌‌‌ অনেক সময় মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে যে উনি নাকি হিন্দু বিরোধী , আজকের এই ঘটনা হওয়ার পর এবার বিজেপি কি বলবে? বিদ্যজনেদের একাংশের প্রশ্ন ।


তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আনন্দবাজার পত্রিকা "

No comments:

Post a Comment

loading...