Friday, 14 September 2018

একলা চলো রে নীতি নিয়ে লগ্নি টানতে মমতা যাচ্ছেন ইতালি , জার্মানি ।

ওয়েব ডেস্ক ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০১৮:কেন্দ্র থেকে যখন পর্যাপ্ত পরিমানে সাহায্যই বাংলাকে করা হয়না , তখন লগ্নি টানতে মমতা নিজেই বিদেশ পারি দেওয়ার সিদ্ধান্তই নিলেন । যা শুনে বিদ্যজনেদের একাংশ সাধুবাদ জানিয়েছেন । সঙ্গে তাদের উক্তি , উন্নতিকে পাখির চোখ করে কি ভাবে এগিয়ে যেতে হয় মমতার থেকে শেখা উচিত অন্যদের ।


 সূত্রের খবর অনুসারে তিনি জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট আর ইতালির মিলান এই দুই শহরে যাচ্ছেন। আগামী ১৬ সেপ্টম্বর দুবাই হয়ে তিনি ফ্রাঙ্কফুর্টে পৌঁছবেন। সেখানে ইন্দো–জার্মান বণিকসভার আমন্ত্রণে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। পাশাপাশি তিনি সে দেশের শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন। জার্মান এমনিতেই গাড়ি শিল্পের জন্য বিখ্যাত। এছাড়াও উৎপাদন শিল্প, ইস্পাত শিল্প, যন্ত্রাংশ উৎপাদন শিল্পে খ্যাতি বিশ্বজোড়া। তাই এ রাজ্যে শিল্পায়নের লক্ষ্যে নিঃসন্দেহে এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ইতালিও চর্মশিল্পের জন্য বিখ্যাত। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পেও সে দেশের সুনাম রয়েছে। এই দুই ক্ষেত্র থেকে এ রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে মিলানেও তাঁর বেশ কয়েকটি সূচি রয়েছে। জার্মানি এবং ইতালির মানুষের কাছে এ রাজ্যের পর্যটনক্ষেত্রকে আকর্ষণীয় করে তুলতে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে বেশ কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এমনিতেই দার্জিলিং, সান্দাকফু, সুন্দরবন, গঙ্গাসাগর, বাঁকুড়ার–‌বিষ্ণুপুর, নদীয়ার মায়াপুর বিদেশি পর্যটকদের কাছে এমনিতেই যথেষ্ট আকর্ষণীয়। বাঙালির শ্রেষ্ঠ শারদ উৎসবকেও বিদেশিদের কাছে তুলে ধরতে বেশ কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। টেমস উৎসবে শারোদৎসব নিয়ে এ রাজ্যের প্যাভিলিয়ন যথেষ্ট সাড়া ফেলেছিল। তাই মুখ্যমন্ত্রীর সফর ঘিরে মিলান এবং ফ্রাঙ্কফুর্ট দুই শহরেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মিলানে থাকছেন ২১ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর। তারপর দুবাই হয়ে ২৮ তারিখ কলকাতা ফিরছেন। দুবাইতেও তাঁর একদিন থাকার কথা।
এ রাজ্য থেকে তাঁর সফরসঙ্গী হচ্ছেন শিল্পপতিদের একটি প্রতিনিধি দল। এই দলে র‌য়েছেন আইটিসির এমডি সঞ্জীব পুরি, আরপি গ্রুপের সঞ্জীব গোয়েঙ্কা, কেভেন্টার্সের মায়াঙ্ক জালান, লক্ষ্মী গ্রুপের রুদ্র চ্যাটার্জি, প্যাটন গ্রুপের সঞ্জয় বুধিয়া এবং উমেশ চৌধুরি। সরকারি ভাবে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র, মুখ্যসচিব মলয় দে, মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান সচিব গৌতম সান্যাল, অর্থ দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী, পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমের এমডি বন্দনা যাদব।‌‌‌‌ ‌বিদ্যজনেদের একাংশের জিজ্ঞাসা বিগত বামফ্রন্ট সরকারের আমলে কতবার তখনকার মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছিলেন বিদেশে লগ্নি টানতে ? তারা মনে করিয়ে দেন মিথ্যে সরকারী চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে দিনের পর দিন ইনক্লাব জিন্দাবাদ  করে গেছেন আর বছরের পর বছর মানুষের ভোটে আয়েশি করে গেছেন । মনে পড়ছে পাতি কোমরেড ?



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "

No comments:

Post a Comment

loading...