Tuesday, 18 September 2018

বিজেপি শাসিত মণিপুরে প্রকাশ্যে গণ পিটুনি , পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করল

ওয়েব ডেস্ক ১৮ ই সেপ্টেম্বর ২০১৮: সুপ্রিম কোর্ট যেখানে মব লিনচিং বা গণ পিটুনি বিরুদ্ধে প্রতিটা রাজ্যকে কড়া অবস্থান নিতে বলেছে  সেখানে বিজেপি শাসিত রাজ্য কার্যত দর্শকের ভূমিকা নীল গত বৃহস্পতিবার  ।যার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠেছে , সঙ্গে প্রশ্নও ছুড়েছেন কেউ কেউ , তাহলে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি কি নিজেদের সুপ্রিম কোর্টের উর্ধে মনে করে ?প্রসঙ্গত গত বৃহস্পতিবার  চারজন পুলিসকর্মী সেদিন দাঁড়িয়ে নীরব দর্শক হয়ে দেখেছিলেন এক যুবককে গণপিটুনি দিচ্ছে বেশ কয়েকজন।


প্রতিরোধ করার পরিবর্তে চুপচাপ প্রত্যক্ষ করেছিলেন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের। ২৬ বছর বয়সের যুবকের এভাবে মৃত্যুর ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। সেই ভিডিওতে দেখা যায় পুলিসকর্মীরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন। তাই এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এক সাব ইনস্পেক্টর সহ–চার পুলিসকর্মীকে সাসপেন্ড করা হল সোমবার। এই ঘটনায় মুখ পোড়ে মণিপুর পুলিসের। চূড়ান্ত সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে সাসপেন্ড করতে হয় এই পুলিসকর্মীদের। এই বিষয়ে ইম্ফল পশ্চিম জেলার শীর্ষ পুলিস কর্তা যজ্ঞেশ্বর হাওবিজাম বলেন, ‘‌চারজন পুলিসকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কারণ ঘটনার সময় তারা উপস্থিত থেকে কোনও পদক্ষেপ করেনি। এমনকী যখন যুবকটি বেঁচে ছিল তখন তারা কোনও উদ্যোগ নেয়নি।’‌ গত বৃহস্পতিবার একটি মোটরবাইক চুরির সন্দেহে যুবক ফারুক খানকে গণপিটুনি দেওয়া হয়। ফারুকের সঙ্গে থাকা দু’‌জন পালাতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু ফারুক পালাতে না পেরে গণপিটুনির শিকার হয় বলে খবর। মণিপুরের মানবাধিকার কমিশন ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুলিসের ডিজি’‌র কাছে তদন্ত রিপোর্ট তলব করেছে। রাস্তায় নেমে ধিক্কার জানিয়েছে সমাজকর্মীরা। বাধ্য হয়ে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং ফাস্ট ট্র‌্যাক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ‌‌বিদ্যজনেদের একাংশের দাবি অবিলম্বে আরো কড়া শাস্তি দেওয়া উচিত ওই পুলিশ কর্মীদের ।তাদের আরো দাবি , কেন ? এবং কি কারণে ওই পুলিশ কর্মীরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছিলো , তার ব্যাখ্যা চাওয়া উচিত এবং তা জনসমক্ষে আসা উচিত ।



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল " 

No comments:

Post a Comment

loading...