Sunday, 2 September 2018

অনলাইনে কেনাবেচার পথে হেঁটে ব্যাপক সাফল্য কোচবিহার সমবায়িকারও , বিরোধীদের মুখে কুলুপ

ওয়েব ডেস্ক ২রা  সেপ্টেম্বর ,২০১৮ : একটা সময় ছিল মানুষ দশটা দোকান ঘুরে তারপর নিজের পছন্দের জিনিস কিনতো, সেই কেনাকাটার  জন্য একটা দিন সম্পূর্ণ বরাদ্য রাখতো । এখন খুদে থেকে প্রবীণ নাগরিক পর্যন্ত একটা স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে অনলাইনে যে কোনো জিনিস বুক করতে পাচ্ছে , এবং পেয়ে যাচ্ছে হাতের নাগালের মধ্যেও । প্রথমত দশটা দোকান আর ঘুরতে হচ্ছেনা , তাতে বাঁচছে যেমন সময় ঠিক তেমনি পরিশ্রান্তও আর হতে হচ্ছেনা ।মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই পেয়ে যান মানুষ। অনলাইনে কেনাবেচার বাজার ধরতে কোচবিহার সমবায়িকাও হেঁটেছে সেই পথেই। আপাতত কোচবিহারের কুড়িটি ওয়ার্ডে এই পরিষেবা মিলছে।


কোচবিহার শহরের সুনীতি রোডে সমবায়িকার ভবন রয়েছে। মুদি বা রান্নার সামগ্রী, প্রতিদিনের ব্যবহারের জিনিস ন্যায্য দামে এখান থেকে কিনতে পারেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সমবায়িকায় গিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ভিড় জমে ভালই। কিন্তু বাড়ি বসেই যদি পাওয়া যায় সমবায়িকার সামগ্রী? তাহলে বাসিন্দাদের সময় ও পরিশ্রম দু’ই-ই বাঁচে। এখন সমস্ত জিনিসই যেখানে অনলাইনে পাওয়া যায়, সেখানে কোচবিহার সমবায়িকাই বা পিছিয়ে থাকবে কেন? বাসিন্দাদের সুবিধা দিতে ও অনলাইন কেনাবেচার বাজার ধরতে তাই সমবায়িকাও নতুন রাস্তায় হাঁটা শুরু করেছে। সমবায়িকায় অনলাইন কেনাকাটা এই পরিষেবা কোচবিহারের ২০টি ওয়ার্ডে শুরু হয়েছে। গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘BENGKART’ অ্যাপ ডাউনলোড করা যাবে এটি। এই অ্যাপের মাধ্যমে অর্ডার দিতে হবে। ক্রেতাদের বাড়িতে সামগ্রী পৌঁছতে ২০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ। সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পরিষেবা পাওয়া যাবে। এই পরিষেবা চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই  কোচবিহার শহরের লক্ষাধিক বাসিন্দার বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে সমবায়িকার সামগ্রী। কোচবিহারে অনলাইন সমবায়িকা পরিষেবা শুরু হওয়ায় স্থানীয়রাও খুশি। সময় বাঁচায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন তাঁরা। বিদ্যজনেদের একাংশের দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন কি ভাবে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয় , আর যেই অভাবনীয় সাফল্লহ তিনি পেয়েছেন এই উন্নতির প্রযুক্তির সাহায্যে ,আগামী দিনেও পাবেন বলে সবার বিশ্বাস  ।আলিমুদ্দিন বা কেন্দ্র জন্মেও যা ভাবতে পারেননা তা দরে দেখালেন সেই মমতা ।

No comments:

Post a Comment

loading...