Monday, 10 September 2018

রেকর্ড পরিমানে টাকার দাম পড়ল ডলারের অনুপাতে , এটাই কি "আচ্ছে দিন " ?

ওয়েব ডেস্ক ১০ই সেপ্টেম্বর ২০১৮ :স্লোগানটা মনে হয় ভুল ছিল , "আচ্ছে দিন আনেওয়ালে হ্যায় " না "বুড়ে দিন আনেওয়ালে হ্যায় " হওয়া উচিত ছিল । এখন এমনটাই বলছেন বিদ্যজনেদের একাংশ , কারণ প্রতিদিনই তেলের দাম বাড়ছে আর পাল্লা দিয়ে ডলারের অনুপাতে টাকার দাম পড়ছে  ।এরকম একটা দিন যে আসবে বিজেপির বদান্যতায় সেটা অতি সক্রিয় বিজেপি সমর্থকও বোধয় ভাবতে পারেননি , কিন্তু সেটাই ঘটেছে ।সোমবার আবার রেকর্ড পরিমাণ কমে গেল টাকার দাম।

 ১ টাকা ৪ পয়সা কমে গিয়ে এক ডলারের নিরিখে ভারতীয় মুদ্রার বর্তমান মূল্য ৭২.৫০ টাকা। এই খবর জানিয়েছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স। মার্কিন মুদ্রার গুরুত্ব আমদানিকারকদের কাছে ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে। আর তার ফলে অন্যান্য বিদেশি মুদ্রার থেকে ডলারের অবস্থা যথেষ্ট ভাল অবস্থায় রয়েছে বিশ্ববাজারে। এদিন স্থানীয় বাজার খোলার সময় এক ডলারের নিরিখে ভারতীয় মুদ্রার মূল্য ছিল ৭২.১৫ টাকা। এর আগে বাজার বন্ধ হওয়ার সময় এক ডলারের নিরিখে ভারতীয় মুদ্রার মোট মূল্য ছিল ৭১.৭৩ টাকা। তার আগে চলতি মাসের ৬ তারিখ এক ডলারের নিরিখে ভারতীয় মুদ্রার মূল্য ছিল ৭২.১১ টাকা।
কি কারণে পড়তে শুরু করেছে টাকার দাম?‌ অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনকারীদের মতে বিশ্ববাজারে মার্কিন মুদ্রার ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠা ছাড়াও অপরিশোধিত তেলের দাম ক্রমশ বেড়ে যাওয়ার ফলেই স্থানীয় মুদ্রার ওপর ভয়াবহ চাপ বাড়ছে। তাছাড়া বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রাকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ডলার। বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে এর আগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেনি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। যা তারা শুক্রবারে করল। এমনকী বাজারে লেনদেনের মূল্যও অত্যন্ত বেড়ে গিয়েছে ডলার শক্তিশালী হয়ে যাওয়ায়। যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই কমে যাচ্ছে টাকার দাম। এমনই কথা বলেন ডেলয়েট ইন্ডিয়া সংস্থার মুখ্য অর্থনীতিবিদ অনীশ চক্রবর্তী।জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের শেষের দিকের পর দশ বছরের অংশীদারিত্ব ছুঁয়েছে সর্বোচ্চ উচ্চতা। শুক্রবার ২৬ পয়েন্ট বেড়ে এক ডলারের নিরিখে ভারতীয় মুদ্রার মূল্য হল ৭১.৭৬ টাকা। শুক্রবার বৈদেশিক লেনদেনের বাজারে হস্তক্ষেপ করে তুমুল ছানবিন করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। সপ্তাহের শুরুতেই সোমবার দিন বাজার শুরু হওয়ার পরেই এশিয়ার মুদ্রাগুলি সম্মুখীন হয় ইতিবাচক পরিস্থিতির। সকালে বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক ১৭১.৭৯ অথবা ০.৪৫ শতাংশ কমে গিয়ে পৌঁছে যায় ৩৮,২১৮.০৩ পয়েন্টে। তাই এশিয়ার শেয়ার বাজারগুলির কাছেও আজ লাল কালির দিন। এই নিয়ে টানা আটদিন এই বিপদের সম্মুখীন হল তারা। বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির নেপথ্যেও রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বৈরিতা বলে মনে করছেন অনেকে । তাই যদি হয় তাহলে এরকম ঘটনা যে ঘটতে পারে সেটা আগে থেকেই আঁচ করা উচিত ছিল কেন্দ্রের , কিন্তু তারা সেটা করেনি । তাহলে এই দিক  থেকে দেখতে গেলে কেন্দ্র সরকার পুরো ব্যর্থ । আজ তো আবার মেহুল চশ দাবি করলেন তিনি রাজনৈতিক নিপীড়ণের শিকার ।



তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "





No comments:

Post a Comment

loading...