Saturday, 8 September 2018

২০১৯ কে পাখির চোখ করে আরো এক কদম এগোলেন মমতা , খুলছেন তৃণমূলের হিন্দি সেল

ওয়েব ডেস্ক ৮ই সেপ্টেম্বর ২০১৮: ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এখন থেকেই ঘর গোছাতে শুরু করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।অতীতেও দেখা গেছে তার দূরদর্শিতার কোনো অভাব নেই , এবার নিজের "পোটেনশিয়াল "কে কাজে লাগিয়ে তৃণমূলের হিন্দি সেল গড়ার কথা বললেন তিনি । শুক্রবার ইনডোরে রাষ্ট্রীয় বিহারি সমাজের অনুষ্ঠানে এসে মুখ্যমন্ত্রী এ কথা জানান । এই সেলের সভাপতি অর্জুন সিং ও সাধারণ সম্পাদক রাজেশ সিনহাকে করা হল।
অর্জুন অন্যদের সঙ্গে মঞ্চেই উপস্থিত ছিলেন, রাজেশ অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করছিলেন। এই ঘোষণার পর হল ভর্তি শ্রোতারা মমতাকে করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রীয় বিহারি সমাজের পক্ষ থেকে মমতাকে গামছা পরিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। মঞ্চে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সাধন পান্ডে, মলয় ঘটক, অরূপ রায়, শশী পাঁজা, বৈশালী ডালমিয়া, সুব্রত বক্সি, অপরূপা পোদ্দার ও রাষ্ট্রীয় বিহারি সমাজের সভাপতি মণিপ্রতাপ সিং প্রমুখ। যাঁরাই মঞ্চে ছিলেন, তাঁদেরই সংবর্ধনা জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মমতা বলেন, ‘‌নাগরিকপঞ্জির নামে অসম থেকে বাংলার সঙ্গে বিহারের লোকজনদেরও নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বাংলা–বিহারের মধ্যে ভাগাভাগি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনারা এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। কলকাতায় বহু বিহারের লোকজন থাকেন। আমরা একসঙ্গে থাকি। আমি ছটপুজোয় প্রতিবার যাই। দুর্গাপুজোর সঙ্গে ছটপুজোর কোনও পার্থক্য আছে বলে আমি মনে করি না। নালন্দা, বুদ্ধগয়া ও পলাশির মধ্যে কোনও তফাত নেই। আপনারা আমাদের ভাইবোনের মতো।’‌ বিজেপি–‌র বিরুদ্ধে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌দেশটাকে বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। অন্ধকারে নিয়ে গেছে। আলোয় আমাদের আসতে হবে। আমরা হিন্দুস্তানকে টুকরো হতে দেব না।’‌ নাগরিক পঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ মমতা দেখতে চান। তিনি বলেন, ‘‌আমরা বিহারি–বাঙালি করি না। নির্বাচনের সময় আপনাদের সামনে অন্য রাজনৈতিক দল ভোট চাইতে আসে। আমরা জানি, আপনারা তো আমাদের আশীর্বাদ করেই এসেছেন। তাই, ভোট দিতে বলি না। এখানে হিন্দি স্কুল, কলেজ রয়েছে। ভবিষ্যতে হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়ও তৈরি করার ইচ্ছে আছে।’‌ প্রতিবারই রাষ্ট্রীয় বিহারি সমাজ বার্ষিক অনুষ্ঠান করে। গতবার এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। মমতা বলেন, ‘‌উৎসব সকলের। ‌বিহারি–বাঙালি ঐক্য জিন্দাবাদ।’‌‌‌ বিদ্যজনেদের একাংশের মন্তব্য , নাগরিক পঞ্জির ব্যাপারে মমতা কেন্দ্রকে এক চুল জমিও যে ছাড়বেনা সেটা আবার প্রমাণিত ।কেন্দ্র যেভাবে নাগরিক পঞ্জী নিয়ে অসমে অরাজগতার  সৃষ্টি করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যের পক্ষে মেনে নেওয়া একেবারেই সম্ভব নয় বলে বলে করেন বিদ্যজনেদের একাংশ ।তারা আরো মনে করছেন অসম বিজেপির নাগরিক পঞ্জির বিরোধিতা করায় , মমতার পরোক্ষে ভালোই হল  ।

তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল "

No comments:

Post a Comment

loading...