Thursday, 4 October 2018

সিপিএমের কাগজকে বেআইনি আখ্যা দিয়ে ,ত্রিপুরায় প্রকাশনা বন্ধ করা হল

ওয়েব ডেস্ক ৪ঠা অক্টোবর  ২০১৮: বিপ্লব দেব কি ভুলে গেছেন তিনি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী, যেটি বিশ্বের বৃহৎ তম গণতন্ত্র রাষ্ট্রের একটি অঙ্গ রাজ্য ?যদি ভুলে গিয়ে থাকেন তাহলে তার মনে রাখা উচিত যে তিনি ভারতবর্ষে বাস করছেন পাকিস্তানে নয় যেখানে কথায় কথায় সংবাদমাধ্যমের অপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেওয়া হয় ।



গাঁধী জয়ন্তীর সকালে আর দিনের আলোর মুখ দেখল না ত্রিপুরা সিপিএমের দৈনিক মুখপত্র। সংবাদপত্র-পত্রিকা প্রকাশের জন্য যে আরএনআই-এর অনুমোদন লাগে, সোমবার বিকালে নতুন করে দিয়েও সেই সম্মতি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে রাতে! কারণ— জেলাশাসক তাঁর দেওয়া পুরনো ছাড়পত্র ফিরিয়ে নিয়েছেন। রাজ্যের শাসক দল বিজেপিই স্থানীয় প্রশাসনের উপরে চাপসৃষ্টি করে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ত্রিপুরা সিপিএমের অভিযোগ। এই কাণ্ডকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপরে ‘নির্লজ্জ আক্রমণ’ হিসেবেই দেখছে সিপিএমের পলিটব্যুরো। অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিজেপি অবশ্য সিপিএমের মুখপত্র বন্ধে উচ্ছ্বাস গোপন করছে না!সিপিএম ভুল নামে অবৈধ ভাবে কাগজ চালাচ্ছে, এই মর্মে জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জমা হয়েছিল সম্প্রতি। তার প্রেক্ষিতেই সোমবার বিকালে ফের ডাকা হয় শুনানি। সিপিএম নেতারা গিয়ে আরএনআই-এর সদ্যপ্রাপ্ত শংসাপত্র পেশ করেন। তখনই দ্রুত বদলায় ঘটনাপ্রবাহ। সিপিএম নেতাদের অভিযোগ, তাঁরা যখন বাইরে বসে, জেলাশাসকের দফতরে রাত ৯টা ২০ মিনিটে ঢোকেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাজীব ভট্টাচার্য। সদর মহকুমার যে এসডিএম সিপিএমের আবেদনপত্র ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেই রাজীব দত্তকে ডেকে পাঠানো হয়। ওই দফতর থেকেই ই-মেল পাঠিয়ে আরএনআই-কে বলা হয়, জেলাশাসকের তরফে আগেকার ছাড়পত্র প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ আরএনআই-ও নোটিস দিয়ে ওই একই কারণ দেখিয়ে প্রকাশনার অনুমোদন ফিরিয়ে নেয়।বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাজীববাবু মঙ্গলবার বলেন, ‘‘এতে আমাদের কোনও হাত নেই। তবে সিপিএম দীর্ঘ দিন ধরে বেআইনি ভাবে কাগজ চালিয়ে, ভুল খবর দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছিল। সেই যন্ত্রণাটা ছিল। তাই অভিযোগ হয়েছিল।’’ বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত জোর করে কাগজের  কণ্ঠ রোধ কোনো ভাবেই করা উচিত নয় ।তবে এটাও ঠিক দীর্ঘদিন ধরে সিপিএমের এই দৈনিকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল , যেরকম  , বাংলার গণশক্তির অপর মানুষের একই রকম মনোভাব  ।









তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আনন্দবাজার পত্রিকা   "

No comments:

Post a Comment

loading...