Thursday, 4 October 2018

সিবিআই , বিহারের হোম কাণ্ডে কঙ্কালরের খোঁজ পেল , আশঙ্কা আরো কঙ্কালের হদিশ মিলবে

ওয়েব ডেস্ক ৪ঠা অক্টোবর  ২০১৮:  মুজাফ্ফরপুর হোমে ,ধর্ষণ কাণ্ডে এবার কঙ্কালের সন্ধান পেল সিবিআই । প্রাথমিক অনুমান থেকে সিবিআই আধিকারিকরা মনেকরছেন যেই ৪০ জন মেয়ে ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্ছার হওয়ার প্রয়াস করেছিল তাদেরই মধ্যে একজনকে খুন করে মাটির মধ্যে পুঁতে দেওয়া হয়েছিল ।কঙ্কালটি পাওয়া যাই সিকান্দেরপুর এলাকায় ।এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত ব্রজেশ ঠাকুরের গাড়ির চালককে জেরা করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা ।



ওই হোমের ৪০ জন কিশোরীকে হোমের কর্মীরাই ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। তাদের মধ্যে একটি মেয়েকে খুন করে পুঁতে দেওয়া হয়। বুধবার দুপুরে সিবিআইয়ের সঙ্গে ফরেন্সিকের দল ঘটনাস্থলে আসে এবং মাটি খুঁড়ে কঙ্কালটি উদ্ধার করে। কঙ্কালটি তদন্তকারী দল নিয়ে যায়। এই ঘটনা সামনে আসার পর ব্রজেশ ঠাকুরকে আরও জেরা করার জন্য তদন্তকারী দল নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে। কঙ্কালের ডিএনএ পরীক্ষার পরই বোঝা যাবে এটি ওই কিশোরীর কঙ্কাল কিনা। ব্রজেশ ঠাকুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবা সংকল্প এয়াম বিকাশ সমিতির সরকারি হোমের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ধর্ষণের পর বেশ কিছু কিশোরীকে পুঁতে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পুলিস কিশোরীদের দেখানো জায়গায় গিয়ে যদিও কোনো কিছু খুঁজে পায় না। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ব্রজেশ ঠাকুর সহ বেশ কিছু সরকারি আধিকারিককেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। সিবিআই এর পাশাপাশি ব্রজেশ ঠাকুরের ২০টি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রেখে দিয়েছে যাতে কোনও সম্পত্তির লেনদেন না হয়। ২০ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট পাটনা হাইকোর্টকে নির্দেশ দেয় যে শীঘ্রই এই হোমকাণ্ডের তদন্ত করে তার রিপোর্ট হাইকোর্টে পেশ করতে। দীর্ঘদিন ধরে ওই হোমের কিশোরীরা ধর্ষণের শিকার হয়েছে। মুম্বইয়ের টিআইএসএস সংস্থাটি প্রথম এই ঘটনা প্রকাশ্যে আনে। এরপরই বিরোধীদের চাপে পড়ে বিহার সরকার এই ঘটনার তদন্ত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়। বিদ্যজনেদের একাংশের দাবি , ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতির উচিত বিহার সরকার ভেঙে রাষ্ট্রপতি শাসন কায়েম করা  ।তারা আরো মনে করেন বিজেপির কোনো অধিকার  নেই বিহারে সরকার চালানোর  ।


তথ্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার "আজকাল  "

No comments:

Post a Comment

loading...