Thursday, 22 November 2018

কেন্দ্রের কৃষি মন্ত্রকের রিপোর্টে যে মিথ্যাচার ছিল সেটাই প্রমাণিত হল

ওয়েব ডেস্ক ২২শে নভেম্বর,২০১৮ : নরেন্দ্র মোদীর নোটবন্দি সাধারণ মানুষকে যে কি বিপদের মধ্যে ফেলেছিল সে আর বলার নয়।  তার রেশ এখনো পর্যন্ত বয়ে বেড়াচ্ছেন কৃষকেরা , তাদের সারা বছরের খাটনি এক নিমেষে ধূলিস্যাৎ হয়ে গেছে ।ঠিক এই ভাবেই বিদ্যজনেদের একাংশ মোদী সরকারকে বিঁধলেন ।প্রসঙ্গত কালো টাকা বাজেয়াপ্ত করতে প্রধানমন্ত্রী ২০১৬ সালে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাওয়াই দিয়েছিলেন , কিন্তু অর্থ মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সামনে কৃষি মন্ত্রকের স্বীকারোক্তি বোধহয় সেটার অসাড়তার দিকেই আঙুল তুলল।




কৃষি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে , ২০১৬-র নভেম্বরে এমন এক সময় প্রধানমন্ত্রী নোটবন্দির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন, যখন দেশের কোটি কোটি কৃষক হয় খরিফ ফসল বেচতে ব্যস্ত, কিংবা রবি চাষের বীজ বোনা শুরু করছেন। দু’টি লেনদেনেই নগদের প্রয়োজন। কারণ দেশের ২৬ কোটির বেশি চাষি নগদেই কেনাবেচা করেন। নগদের অভাবে ওই বছরের রবি মরসুমে সার বা বীজ কিনতে পারেননি কোটি কোটি চাষি । শুধু ছোট চাষি নয়, বড় চাষি বা জমি মালিকরাও সঙ্কটে পড়েন। তাঁরা খেতমজুরদের দৈনিক মজুরি মেটাতে পারেননি। সমস্যায় পড়েন বীজ কিনতে গিয়েও। নগদের অভাবে ১.৩৮ লক্ষ কুইন্টাল গম বীজ বিক্রি করতে পারেনি সরকারের বীজ নিগম। সরকার পুরনো পাঁচশো ও হাজার টাকার নোটে বীজ কেনার অনুমতি দেয়। এরপরও বিক্রি বাড়েনি।নোট বাতিলের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেছিলেন, ‘‘নোটবন্দি রাজনৈতিক নয়, নৈতিক পদক্ষেপ ছিল।’’ কিন্তু স্বভাবতই কৃষি মন্ত্রকের রিপোর্ট এর ঠিক বিপরীত দিকটিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এমনকী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মধ্যপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে জানিয়েছেন , দুর্নীতি রুখতেই তিনি এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এদিকে নোটবন্দি নিয়ে আলোচনা করতে বসা সংসদীয় কমিটিকে পেশ করা রিপোর্টে কৃষি মন্ত্রক জানিয়েছে, ওই পদক্ষেপে কোটি কোটি চাষির প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছিল। ব্যাপারটি এখন ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসছে বি জে পি নেতৃত্বের দিকে। শুধু ছোট চাষি নয়, বড় চাষি বা জমি মালিকরাও সঙ্কটে পড়েন। তাঁরা খেতমজুরদের দৈনিক মজুরি মেটাতে পারেননি। সমস্যায় পড়েন বীজ কিনতে গিয়েও। নগদের অভাবে ১.৩৮ লক্ষ কুইন্টাল গম বীজ বিক্রি করতে পারেনি সরকারের বীজ নিগম। সরকার পুরনো পাঁচশো ও হাজার টাকার নোটে বীজ কেনার অনুমতি দেয়। এরপরও বিক্রি বাড়েনি। কৃষি মন্ত্রকের এই স্বীকারোক্তিতে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি স্বভাবতই সুযোগ হাতছাড়া করেননি। তিনি একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। বিদ্যজনেদের একাংশ আরও  বলেন মোদী সরকারের জানা উচিত গ্রাম বাঁচলে তবেই শহর বাঁচবে , গ্রাম না বাঁচলে শহর কখনোই বাচঁবেনা।

No comments:

Post a Comment

loading...