Friday, 30 November 2018

২০০ টিরও বেশি কৃষক সংগঠন দিল্লিতে, প্রহর গুনছে বৃহত্তম মিছিলের , বিজেপির কপালে ভাজ

ওয়েব ডেস্ক ৩০শে নভেম্বর, ২০১৮: দেশের পরিস্তিতি এমন একটা জায়গায় নিয়ে গেছে বিজেপি সরকার , যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে  কৃষকরা তাদের দাবি নিয়ে জমায়েত হচ্ছে দিল্লিতে ।  এর নেতৃত্বে আছে প্রায় দুশোটিরও বেশি কৃষক সংগঠন ।  বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত যে জায়গায় আজ কৃষক আন্দোলনটা গিয়ে পৌঁছিয়েছে , সেটা কিছুতেই পৌছতনা যদি মোদী সরকার ব্যাপারটা মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাপারটা নিয়ে গম্ভীরভাবে ভাবতো ।প্রসঙ্গত বৃহসস্পতিবারই রাজধানীতে এসে হাজির হয়েছেন কয়েক হাজার কৃষক। রাজধানীর পাঁচ দিক থেকে তাঁরা লামলীলা ময়দানে ঢুকেছেন। কয়েক হাজার কৃষক আশ্রয় নিয়েছেন দিল্লির বহু গুরুদ্বারে।


কৃষকরা এসেছেন উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও গুজরাট থেকে। আজ তারা সংসদভবনের দিকে মিছিল করে যাবেন। তাঁদের ঠেকাতে মেতায়েন করা হয়েছে ৩,৫০০ পুলিস।কী দাবি কৃষকদের? কিষাণ মুক্তি মার্চে অংশগ্রহণকারী দেশের প্রায় দুশো কৃষক চাইছেন তাঁদের কৃষিঋণ মকুব করা হোক, ফসলের ন্যায্যমূল্য বাড়ানো হোক। কমপক্ষে উত্পাদন খরচেন দেড়গুণ দাম দেওয়া হোক। তাঁদের মুখে স্লোগান, জয় জওয়ান, জয় কিষাণ, অযোধ্যা নয় ঋণ মকুব করতে হবে। কৃষকরা চাইছেন তাঁদের সমস্যা নিয়ে সংসদে ২১ দিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হোক। বিক্ষোভকারী কৃষকদের এক ছাতার তলায় এনেছে অল ইন্ডিয়া কিষাণ সংঘর্ষ কোঅর্ডিনেশন কমিটি।বৃহস্পতিবার রাতে হাজার হাজার কৃষক কাটিয়েছেন রামলীলা ময়দানের তাঁবুতে। এদের মধ্যে রয়েছেন বহু মহিলাও। বিক্ষোভকারী কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন, শরদ পাওয়ার, ফারুক আবদুল্লা, দীনেশ ত্রিবেদী, শারদ যাদবের মতো ব্যক্তিত্ব।তামিলনাড়ু থেকে কমপক্ষে দেড় হাজার কৃষক এসেছেন রাজধানীতে। তাদের হাতে দুই আত্মঘাতী কৃষকের খুলি। সংসদে যাওয়ার পথে বাধা দিলে তারা উলঙ্গ হয়ে মিছল করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন।বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত মোদীজি যদি অর্থনৈতিক উন্নতিক জন্য মাসের ৩০ দিনের মধ্যে ২০ দিন দেশের বাইরে থাকতে পারেন তাহলে চাইলেন উনি কৃষকদেরও এই সমস্যা থেকে উদ্ধার করতে পারবেন ।

No comments:

Post a Comment

loading...