Saturday, 3 November 2018

কেন্দ্রের তরফ থেকে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া সত্ত্বেও বিজেপি শাসিত অসম কোনো ব্যবস্থা নেয়নি

ওয়েব ডেস্ক ৩রা নভেম্বর ২০১৮ :অসমে বাঙালিদের ওপর  উলফা  যে হামলা চালাতে পারে  সেটা আগেই সতর্ক করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার , কিন্তু তা সত্ত্বেও  এতো বড় একটা ঘটনা বিজেপি রাজ্যে ঘটল কি করে তার কৈফিয়ত চেয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষে ব্যাপারটা একেবারেই ভালো ভাবে নেওয়া হয়নি ।তারা বেজায় ক্ষুদ্ধ বিজেপি শাসিত অসম সরকারের প্রতি ।



কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেন্দ্রের কাছ থেকে আগাম সতর্ক বার্তা থাকা সত্ত্বেও কেন অসম সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি ? তাহলে সাধারণ মানুষ কি মনে করা উচিত বলে প্রশ্ন করেছেন বিদ্যজনেদের একাংশের । অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল মুখে কুলুপ এঁটেছেন । এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে প্রতিবাদ মিছিল করেছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা  বন্দ্যোপাধ্যায় এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘‘অসমে গরিব মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।... গুজরাতে বিহারি খেদাও, অসমে বাঙালি খেদাও হচ্ছে।’’গত রাতের এই হত্যাকাণ্ডে  প্রাথমিক ভাবে আলফাকেই সন্দেহ করা হচ্ছিল। কিন্তু আজ সকালে পরেশ বরুয়ার নেতৃত্বাধীন আলফা (স্বাধীন) বিবৃতি পাঠিয়ে  দাবি করে, তিনসুকিয়ার এই হত্যাকাণ্ডে তারা জড়িত নয়। এর পরেই বাঙালি নিধনের দায়ভার নিয়ে অসমে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। সমাজকর্মী অখিল গগৈ আঙুল তুলেছেন সরকারের দিকে। তাঁর অভিযোগ, ঘোলা জলে মাছ ধরতে সরকারই এই কাণ্ড ঘটায়নি তো! আলোচনাপন্থী আলফা হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলেও অভিযোগ উঠেছে আজ। কারণ, আলোচনাপন্থী দুই নেতা, মৃণাল হাজরিকা এবং জিতেন দত্ত সম্প্রতি বাঙালি দমনের হুমকি দিয়েছিলেন। পুলিশ আজ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গুয়াহাটির পানবাজারে মৃণাল হাজরিকা ও শিবসাগরের গৌরীসাগরে জিতেন দত্তকে ডেকে পাঠায়। পরে দু’জনকেই গ্রেফতার করা হয়। বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত , কেন্দ্রের তরফ থেকে আগাম সতর্ক বার্তা পাওয়ার পর যদি অসম সরকারের এরকম অবস্থা হয় তাহলে বলতেই হবে অসমে বিজেপি সরকারের  মসনদে থাকা কোনো প্রয়োজন নেই ।

No comments:

Post a Comment

loading...