Friday, 23 November 2018

বিজেপি কর্মীরা পুলিশ পেটাল , সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ,মুখে কুলুপ দিলীপের

ওয়েব ডেস্ক ২৩ শে নভেম্বর,২০১৮  : দিলীপ ঘোষের কথা কি অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে বিজেপির লোকেরা ? এখন এই কথাটাই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি করে ট্রোলড হচ্ছে , কেননা কিছুদিন আগেই দিলীপ ঘোষ তাদের দলের লোকেদের তাতিয়ে ছিলেন পুলিশ মারার জন্য এখন সেটাই করে দেখাল তার সাঙ্গপাঙ্গরা । চারিদিকে বিজেপির বিরুদ্ধে নিন্দের ঝড় যেমন উঠছে তেমনি  দোষীদের শাস্তির দাবি উঠছে দিকে দিকে । সূত্রের খবর অনুসারে লেদাবহড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ৬টি আসন। ৬টি আসনেই বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হন। কিন্তু পরে ২ জন তৃণমূলে যোগ দেন। বৃহস্পতিবার ছিল বোর্ড গঠন। বিজেপি প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচন করে।


অভিযোগ, এরপর কিছু উত্তেজিত বিজেপিকর্মী ওই দুই তৃণমূল প্রার্থীর ওপর হামলা চালাতে গেলে পুলিস বাধা দেয়। পুলিসের সঙ্গে তখন ধস্তাধস্তি হয়। সেই সময় ধারাল অস্ত্র দিয়ে পুলিসকে আক্রমণ করা হয়। আহত হন তিন পুলিসকর্মী। গুরুতর এক পুলিসকর্মী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তৃণমূলের তরফে এদিন বলা হয়, রাজ্যজুড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার উন্নয়নের যে কাজ করছে, তার সঙ্গে বিজেপি এঁটে উঠতে পারছে না। তাই রাজ্যে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়াতে চাইছে। কিন্তু রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এতটাই দৃঢ় যে, সেই কাজে সফল না হয়ে ‌তারা হিংসার পথ নিচ্ছে। এদিনের ঘটনা তারই প্রমাণ। তবে তাদের হিংসার রাজনীতিও সরকার, পুলিস–প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষ ব্যর্থ করে দেবেন। এদিকে স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে জয়লাভের পর চার বিজেপি প্রার্থী তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে তৃণমূলে যোগদান করেন। পরে আবার ২ জন বিজেপি–তে ফিরে যায়। দু’‌জন কিন্তু তৃণমূলেই থেকে যান। ঝগড়াটা এই নিয়ে শুরু হয় কিন্তু তার মানে এই নয় যে পুলিশকে প্রহার করবে , ঠিক এই ভাষাতেই বিদ্যজনেদের একাংশ অভিমত ব্যক্ত করলেন। গ্রামের সাধারণ মানুষ বিজেপির এই রকম রাজনীতিতে তিতিবিরোক্তিতো , তারা অবিলম্বে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন । 

No comments:

Post a Comment

loading...