Wednesday, 28 November 2018

মমতার ডাকে ১৯ জানুয়ারী কলকাতায় আসছেন সোনিয়া, রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে

ওয়েব ডেস্ক ২৮ শে ,নভেম্বর ২০১৮ : লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে  পরাজিত করতে সব বিরোধী দলগুলোকে একসাথে একযোগে লড়তে হবে , সেই মর্মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার দূরদর্শিতা আগেই দেখিয়ে ছিলেন ,গড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন ফেডারেল ফ্রন্টের । সেই সময় বিশেষ গুরুত্ব না দিলেও এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সোনিয়া গান্ধী ১৯ সে জানুয়ারি কলকাতায় বিরোধী দলের সমাবেশে আসছে  ।তার আগে ১০ ডিসেম্বর দিল্লিতে বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।


১১ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে সংসদের শীত অধিবেশন। সেদিনই ৫ রাজ্যের নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ্যে আসবে। ওই সময় মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। ধরে নেওয়া হচ্ছে সেদিনই তৈরি হতে পারে ২০১৯–‌এর লোকসভা নির্বাচনের কৌশলের প্রাথমিক রূপরেখা।তৃণমূল সূত্রের খবর, সোনিয়া ছাড়াও ব্রিগেডে তৃণমূলের সভায় উপস্থিত থাকার ব্যাপারে ইতিমধ্যেই সম্মতি জানিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী ও তাঁর পিতা তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া, তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিন, এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ার, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, জম্মু ও কাশ্মীরের ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, বিজেপি–র বিক্ষুব্ধ সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা ও দুই প্রাক্তন বিজেপি নেতা অরুণ শৌরি ও যশবন্ত সিংহ। উল্লেখ্য, ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, ১৯ জানুয়ারির ব্রিগেড সমাবেশে দেশের সব ক’‌টি বিজেপি–‌বিরোধী দলকে আমন্ত্রণ জানাবে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই সোনিয়ার দপ্তর থেকে ওই দিন তাঁর কলকাতায় উপস্থিত থাকার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে এ বিষয়ে সোনিয়ার সঙ্গে কথা বলেছিলেন। এবার দিল্লি সফরে এসে আরও কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলতে পারেন মমতা। লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল আয়োজিত এই সভা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, পাঁচ রাজ্যের ভোটের ফল বেরনোর পরেই বেজে উঠবে ফাইনালের, অর্থাৎ লোকসভার ভোটের প্রচারের দামামা। পাঁচ রাজ্যের ভোটে কংগ্রেস কতটা ভাল ফল করছে, তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করবে ওই দলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। কারণ, লোকসভার দুশোর মতো আসনে সরাসরি লড়াই বিজেপি ও কংগ্রেসের। কিন্তু বাকি তিনশোর বেশি আসনে অ–কংগ্রেসি বিরোধী দলগুলির সঙ্গেই লড়াই বিজেপি–র। এই দলগুলির মধ্যে যত বেশি সংখ্যক দলকে মমতা সঙ্গে টেনে নিতে পারবেন ততই শক্তিশালী হবে বিরোধী ফ্রন্ট। বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ভাবে বিরোধী জোটকে এক সাথে নিয়ে চলার সংকল্প করেছেন এবং যেই মাত্রায় সফল হয়েছেন এখনো অবধি এই সাফল্য কংগ্রেস বা অন্য কোনো বিরোধী দল দেখাতে পারেনি ।আর সারা ভারত জানে মমতাই একমাত্র কাজের লোক  ।

No comments:

Post a Comment

loading...