Saturday, 1 December 2018

দেশ জুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘট ডিসেম্বরের ৫ ও ৬ তারিখে , আরো বিপাকে বিজেপি সরকার

ওয়েব ডেস্ক ১লা ডিসেম্বর, ২০১৮: একদিকে যখন কৃষকরা তাদের দাবি দেওয়া নিয়ে রাজধানীর বুকে গলা ফাটাচ্ছে সেই সময় নরেন্দ্র মোদীর জন্য আরো একটা খারাপ খবর নিয়ে আসল ব্যাঙ্ক কর্মীরা। ডিসেম্বরের ৫ ও ৬ তারিখে সর্ব ভারতীয় ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিলেন তারা ।বেতন বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবিদাওয়া নিয়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কগুলির প্রায় ১০ লক্ষ কর্মী । ৫ ও ৬  ডিসেম্বর দেশজুড়ে পালিত হবে ব্যাঙ্ক ধর্মঘট। স্বাভাবিকভাবেই এই দুদিন ব্যাঙ্কের যাবতীয় কাজ বন্ধ থাকবে ।  ইতিমধ্যে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এবং ব্যাঙ্ক অফ বরোদা তাদের গ্রাহকদের এই ধর্মঘটের কথা জানিয়েও দিয়েছে ।


জানা গেছে, ধর্মঘটে সামিল হবেন এটিএম এর নিরাপত্তারক্ষীরাও । বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলো এই ধর্মঘটে সামিল না হলেও কার্যত চেকক্লিয়ারিংয়ের কাজ ব্যহত হবে । ফলে মাসের শুরুতেই ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের জেরে ব্যাঙ্কের  গ্রাহক ও ব্যবসায়ীরা সকলেই সমস্যায় পড়বেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে ।  প্রসঙ্গত আগামী বছরে ফেব্রুয়ারী মাস থেকে সারা ভারতে এ.টি.এম  গুলো বন্ধ হয়ে যাবে এরকমই দাবি সূত্রের , কারণ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফে দেশের এটিএম গুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়ানোর নির্দেশ পাঠানো হয়েছে । আগামী ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই নির্দেশিকা পূরণ করার কথা। যাতে বলা হয়েছে, উইন্ডোজ এক্স পি থেকে উইন্ডোজ ১০এ সফটওয়্যার বদল, কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকার সংস্থান, কমপক্ষে ৩০০ ক্যাশ ভ্যান, দুজন সশস্ত্র রক্ষী এবং দুজন রক্ষক এবং একজন ড্রাইভারের ব্যবস্থা। এছাড়াও জিপিএস এবং সিসিটিভি-র ব্যবস্থা করার কথাও নির্দেশিকাতে বলা হয়েছে ।সংস্থার দাবী এই সব শর্ত পূরণ করতে প্রতি মাসে এটিএম প্রতি ১,৫০,০০০ টাকা খরচ হবে। এই টাকা খরচ করার কথা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের, যদিও ব্যাঙ্ক এই বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী নয়। সেই কারণে জানুয়ারির পর থেকেই এটিএম বন্ধ হওয়া শুরু হবে। এখানেই গোলমালটা বেঁধেছে , কারণ আর বি আই যেখানে নির্দেশিকা বেঁধে দিয়েছে সেখানে সেখানে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ আধুনিকীকরণ নিয়ে কথা বলতে চাইছেনা কেন ?এর কোনো কোনো উত্তর নেই কেন্দ্রের কাছে ।তিনি আরও জানিয়েছেন, দেশের মোট ২,৩৮,০০০ এটিএম-এর মধ্যে শতকরা ৮০ শতাংশ এটিএম-ই শহর ও আধা শহরে অবস্থিত এবং বাকি ২০ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে। এই এটিএম গুলোর মধ্যে কমপক্ষে ১০ শতাংশ এটিএম-এ বিভিন্ন কারণে কোনও লেনদেন হয় না। যদিও দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে দেশে বর্তমানে যা এটিএম আছে তার থেকেও তিনি চারগুণ এটিএম থাকার কথা। বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত পরিকাঠামো না থাকা সত্ত্বেও , কি করে প্রধানমন্ত্রী নোটবন্দি করলেন তার জবাব দিক নরেন্দ্রমোদী । এবার প্রতিমাসে আধুনিক এটিএমের জন্য ১৫০০০০ টাকা খরচ হবে সেটাই বা কোথা থেকে আসবে তার জবাব দিক মোদী ।

No comments:

Post a Comment

loading...