Sunday, 16 December 2018

বিরোধী ভোট গুলো এক করলে দেখা যাচ্ছে , বিজেপি গোহারান হারছে

ওয়েব ডেস্ক ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ : মনে আছে এক সময় তৃণমূল , কংগ্রেস ,এবং সিপিম পৃথক পৃথক ভাবে ভোটে লড়ত বামফ্রন্টের জমানায় ? ফলটা কি হতো ? সিপিএম বিরোধী ভোটটা কংরেস আর তৃণমূলের মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে যেত আর মাঝখান দিয়ে সিপিএম জয়ী হয়ে বেরিয়ে যেত ।ঠিক সেরকমই অবস্থা আসামে , আসামের লোক বিজেপিকে আর চাইছেনা কিন্তু বিরোধী অনৈক্য হওয়ার দরুন সুবিধে পাচ্ছে বিজেপি । শুধু তা–ই নয়, সদ্য শেষ হওয়া পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফলে স্পষ্ট, অসমের নেতাদের বেশির ভাগেরই নিজ নিজ এলাকায় জনপ্রিয়তা তলনিতে এসে ঠেকেছে।বিজেপি এই ভোটে কংগ্রেসের থেকে কিছুটা এগিয়ে। অগপ বা এআইইউডিএফ অনেকটাই পিছিয়ে। কংগ্রেস এবং এআইইউডিএফরে ভোট–কাটাকুটির এবারও ফায়দা পাচ্ছে গেরুয়া শিবির।



প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে অগপ ও বিপিএফের সঙ্গে জোট করে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। সেবারও কংগ্রেস ও এআইইউডিএফের ভোট–কাটাকুটি সুবিধে করে দেয় বিজেপি–কে। বিধানসভা ভোটের পর এবারই প্রথম শক্তিপরীক্ষা দিতে হল বিজেপি–কে। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ভোট করতে চায়নি বিজেপি। কিন্তু হাইকোর্ট তাদের লোকসভার আগেই পঞ্চায়েত ভোটে যেতে বাধ্য করে। সরকারের জোটশরিক অগপ পর্যন্ত বিজেপি–বিরোধী ক্ষোভের আঁচ পেয়ে পঞ্চায়েত ভোটে আলাদাভাবে লড়াই করে। পঞ্চায়েত ভোটে এগিয়ে যেতেই বিজেপি বাড়িয়ে দিয়েছে মুসলিম–‌বিরোধী সুর। কংগ্রেসকে মুসলিম লিগ বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে। অসম নাকি ভারতের আফগানিস্তান হয়ে উঠছিল। তার থেকে বিজেপি রক্ষা করছে ভারতকে। এমনই দাবি বিজেপির সংখ্যালঘু নেতা মমিনুল আওয়ালের। তোলা হচ্ছে ‘‌বাংলাদেশি মুসলিম’‌ বিতাড়নের আওয়াজও।তবে এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে স্পষ্ট, রাজ্যের চার রাজনৈতিক দলেরই শীর্ষ নেতৃত্বের নিজ নিজ এলাকাতেই জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। বিজেপি সভাপতি রঞ্জিত দাসের নিজের কেন্দ্র সরভোগের গ্রামগুলিতে দাগ কাটতে পারেনি পদ্ম-প্রার্থীরা। গোটা অসমেই বিজেপি–র সঙ্গে সম্পর্ক রাখার মূল্য দিতে হচ্ছে অগপ–‌কে। এটা বুঝেই এখন অগপ বিজেপি–সঙ্গ ত্যাগে ব্যস্ত।বিদ্যজনেদের একাংশের বক্তব্য , এ তো বাংলার কমিউনিস্টদের মত অবস্থা বিজেপির , আসামে ।তবে এটা দেখার এই অবস্থা থেকে বেকার সমস্যা সমাধান করে বিজেপি জনপ্রিয় লাভ করে না কমিউনিস্টদের মতো অস্তিত্ব সংকটে পরে ।

No comments:

Post a Comment

loading...