Thursday, 27 December 2018

নারী নির্যাতন ও পাচারের মতো ঘটনায় সব থেকে বেশি বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদেরাই জড়িত , এডিআরের সমীক্ষা অনুযায়ী

ওয়েব ডেস্ক ২৭শে ডিসেম্বর ২০১৮: কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিরোনামে থাকাটাও অপমান জনক ।এবার সেই তালিকাতেও প্রথম স্থানটি ধরে রাখল বিজেপি । কি সেই তালিকা ?আর অপমান জনকই বা কেন ?তাহলে একটু খোলসা করে বলা যাক । সাংসদ ও বিধায়ক মিলিয়ে মোট ৫১ জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধেই নারী নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ধর্ষণ ও অপহরণের মতো মারাত্মক অভিযোগও। ৫১ জনের মধ্যে ৪৮ জন বিধায়ক এবং সাংসদ রয়েছেন তিন জন। দেশজুড়ে পরিচালিত একটি সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে। সমীক্ষাটি করেছে নির্বাচনী সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্ম (এডিআর) নামে একটি বেসরকারি সংগঠন ও ন্যাশনাল ইলেকশন ওয়াচ (এনইডব্লিউ)।


সমীক্ষায় দেশ জুড়ে ৭৭৪ জন সাংসদ ও ৪০৭৮ জন বিধায়ক (মোট ৪৮৫২ জন জনপ্রতিনিধি)-এর নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।  ১৫৮১ (৩৩ শতাংশ) জন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রয়েছে এবং ৫১ জন সাংসদ ও বিধায়কের বিরুদ্ধে নারী ঘটিত বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ধর্ষণ, পাচার, অপহরণ, নারীকে জোর করে বিয়েতে বাধ্য করা, কোন নারীর স্বামী বা স্বামীর বন্ধুর দ্বারা নির্যাতিত হওয়া, নাবালিকাকে পতিতাবৃত্তির কাজে নিযুক্ত করা ইত্যাদি।এই তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছে বিজেপি। গেরুয়া দলের ১৪ জন সাংসদ ও বিধায়ক নারী নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত।  এরপর রয়েছে শিবসেনা (৭ জনপ্রতিনিধি)।গত পাঁচ বছরে এই ধরনের অভিযোগে অভিযুক্ত ৪৫৬ জন ব্যক্তি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হয়ে নির্বাচনে লড়াই করেছেন। এর মধ্য ৩৩৪ জন অভিযুক্তই ছিলেন নামী রাজনৈতিক দলের। ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে লোকসভা বা রাজ্যসভা নির্বাচনে। বলা বাহুল্য অভিযোগের ভিত্তিতে সব থেকে প্রথম স্থানটি অধিকার করেছে বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র ।এখানেও বলে রাখা দরকার ,এতে গৌরবের কিছুই নেই এটা লজ্জার বিষয় ।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা কথাই ট্রোলড হচ্ছে , আর মানুষের একটাই জিজ্ঞাস্য , তাহলে কি দেশটা সমাজ বিরোধীরাই চালাচ্ছে , আর সমাজ বিরোধীদের অঙ্গুলি হেলনেই কি আমাদের গতি পথ ?

No comments:

Post a Comment

loading...