Thursday, 13 December 2018

মমতার সাফল্যে কি হিংসে করতে শুরু করেছে রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ত্ব ?

ওয়েব ডেস্ক ১৩ ই ডিসেম্বর ২০১৮ : সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছিল রাফায়েল নিয়ে বিরোধিতা করার জন্য , কিন্তু আদতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করে বসলেন কংগ্রেসের নেতারা ।বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত তাহলে মমতার সাফল্যে এঁটে উঠতে না পেরেই কি  ইস্যুটা বদলে ফেলা হল ?প্রসঙ্গত ,বুধবার অর্থাৎ গতকাল রানি রাসমণি এভিনিউতে কংগ্রেসের সমাবেশ কার্যত বিজয় সমাবেশে রূপান্তরিত হয়ে গেল। মধ্যপ্রদেশ ,ছত্তিশগড় ও রাজস্থান বিধানসভায় জয়লাভের রেশ ধরেই দেখা গেল এই ছবি।

এই সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য ছিল — কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভাজনের রাজনীতি ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করা, এবং রাফায়েল নিয়ে মানুষকে বোঝানো । কিন্তু পরবর্তী কালে মমতার নিন্দায় বেশি মুখর হতে দেখা গেছে কংগ্রেস নেতাদের।  সমাবেশে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রসহ অন্য সকল নেতৃবৃন্দ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত এ আই সি সি নেতা গৌরব গগৈ। এছাড়া মঞ্চে দেখা গেল অধীর চৌধুরী, আব্দুল মান্নান, দীপা দাশমুন্সি-সহ প্রদেশ কংগ্রসের গোটা নেতৃত্বকেই। এই সমাবেশে ৭ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত জেলা ধরে ধরে আইন অমান্য কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। নানা জেলা থেকে আসা কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের ভিড় রানি রাসমণি থেকে উপচে পড়েছিল চৌরঙ্গির দিকে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভাজনের রাজনীতি এবং দুর্নীতির প্রতিবাদে গতকাল বুধবার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে কংগ্রেসের সমাবেশ রাতারাতিই বদলে ‘বিজয় সমাবেশে’। নানা জেলা থেকে আসা কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের ভিড় রানি রাসমণি থেকে উপচে পড়েছিল চৌরঙ্গির দিকে। রাজারহাটের জমি আন্দোলনকারী কৃষকেরাও এসেছিলেন মিছিল করে।কেন্দ্রীয় এই সমাবেশে ৭ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত জেলা ধরে ধরে আইন অমান্য কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র বলেছেন, ‘‘পরিবর্তন আনার লড়াইয়ে কংগ্রেসও সামিল ছিল। কিন্তু বদল হল না, বদলার রাজনীতি হল! নতুন শিল্প নেই, ঘুষ ছাড়া চাকরি নেই, পুলিশের মেরুদণ্ড নেই। এই পরিবর্তনের পরিবর্তন আনতে হবে।’’বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসি-র নেতা গৌরব গগৈ সমাবেশে সাফ বলেছেন, ‘‘এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দিল্লিতে কংগ্রেস নেতৃত্বকে মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন, আর বাংলায় কংগ্রেসকে মারছে তৃণমূল। দিল্লিতে মিষ্টি আর বাংলায় লাঠি— এই রাজনীতি চলবে না! দিল্লির কংগ্রেসও এই রাজনীতির কথা জানে। দিল্লির কংগ্রেস বাংলার পাশেই আছে।’’ রাফায়েল নিয়ে বিরোধিতা করতে গিয়ে কি করে রাজ্য সরকারের দিকে তাদের বিরোধিতার মুখটা ঘুরে গেল সেটা ব্যাখ্যা করার জন্য কোনো কংগ্রেস নেতাকেই অবশ্য পাওয়া যায়নি ।আগামী দিনে দেখা যাবে কংগ্রেস তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ  কাকে ভাবে এখন সেটাই দেখার ।

No comments:

Post a Comment

loading...