Friday, 28 December 2018

নরেন্দ্র মোদীকে বিশ্বের সেরা "অভিনেতা" এবং "প্রতারক" বলে কটাক্ষ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী প্রদ্যুৎ বরদলৈ , কিন্তু কেন ? পড়ুন

ওয়েব ডেস্ক ২৮ শে ডিসেম্বর ২০১৮: অন্যের কৃতিত্ব নেওয়াতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কোনো জুড়ি নেই বলে মনে করেন অসম কংগ্রেস ।আর এ নিয়ে  তীব্র আক্রমণও করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী  প্রদ্যুৎ বরদলৈ । তার কথা অনুসারে "‘অন্যের কাজের কৃতিত্ব নিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জুড়ি মেলে ভার’। তাছাড়া, মোদীকে বিশ্বের ‘সেরা অভিনেতা’ এবং ‘প্রতারক’ হিসেবেও সম্বোধন করেছেন রকিবুল-দেবব্রতরা।

প্রদ্যুৎ বলেন, বগিবিলের উদ্বোধন অসম তথা দেশের জন্য দারুণ খবর। এ নিয়ে কারোর মনে কোন সংশয় নেয়। সামরিক-অসামরিক দৃষ্টিকোণে এই সেতুর গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, যিনি এই সেতুর শিলান্যাস করেছিলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়াকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর সৌজন্যটুকু দেখায়নি তারা। আরেক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, এমনকি রাজ্যের প্রাক্তন মূখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈকেও অনুষ্ঠানে ডাকা হয়নি। সেতুর পুরো কৃতিত্ব নিতেই পরিকল্পনা মাফিক এমনটা করেছে সরকার। তবে এসবে কিছু হবে না। কারণ অসম তথা ভারতবাসী বগিবিলের ইতিহাস জানেন। কাউকে অবজ্ঞা করার এই রাজনীতিতে মানুষ আর ঠকবেনা।উল্লেখ্য ১৯৯৭ সালের ২২শে জানুয়ারি বগিবিল সেতুর শিলান্যাস করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া। শিলান্যাসের ৫ বছর পর শুরু হয় সেতুর কাজ। প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর হাত ধরে শুরু হয় দেশের দীর্ঘতম রেল-সড়ক সেতুর কাজ। বর্ষার মরশুমে মহাবাহুর রুদ্ররুপে বছরে শুধু চার-পাঁচ মাসই কাজ হয়েছে। সব মিলিয়ে নির্ধারিত সময়ের অনেক পর শেষ হয় সেতুর কাজ উল্লেখ্য ১৯৯৭ সালের ২২শে জানুয়ারি বগিবিল সেতুর শিলান্যাস করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া। শিলান্যাসের ৫ বছর পর শুরু হয় সেতুর কাজ। প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর হাত ধরে শুরু হয় দেশের দীর্ঘতম রেল-সড়ক সেতুর কাজ। বর্ষার মরশুমে মহাবাহুর রুদ্ররুপে বছরে শুধু চার-পাঁচ মাসই কাজ হয়েছে। সব মিলিয়ে নির্ধারিত সময়ের অনেক পর শেষ হয় সেতুর কাজ।সূত্রের খবর অনুসারে অসমের সাধারণ মানুষও আশা  করেছিল অন্তত এচ ডি দেভগওরাকে ডাকবে বিজেপি সরকার , সেটা না হওয়াতে  তারা যে প্রচন্ড ব্যথিত হয়েছেন সে আর বলার নয়  । 

No comments:

Post a Comment

loading...