Thursday, 13 December 2018

অভিষেক ব্যানার্জীর করা মামলায় হাইকোর্টে বিরাশি সিক্কার থাপ্পড় খেলো কৈলাশ বিজয়বর্গী

ওয়েব ডেস্ক ১৩ ই ডিসেম্বর ২০১৮ : সময়টা খুবই খারাপ যাচ্ছে বিজেপি নেতাদের , না হলে যায়ই করছেননা কেন পাশার দানটা  উল্টো দিকেই পড়ছে ।বাংলায় আধিপত্য জমানোর জন্য বিজেপির কৈলাশ বিজয়বর্গীয় তো গা গরম করা ভাষণ দিয়েই দিয়েছিলেন , কিন্তু ভাবেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্টা চালে এই ভাবে অপদস্ত হতে হবে , তাও আবার হাই কোর্টে ।প্রসঙ্গত ২৮ নভেম্বর নদিয়ার শান্তিপুরে বিষমদ খেয়ে মারা যান ১২ জন। যারফলে শোরগোল পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। আর তার ঠিক দুদিন পর, অর্থাৎ ৩০ নভেম্বর শান্তিপুরে যায় বিজেপির প্রতিনিধি দল।


প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন এ রাজ্যে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। সেখানে বিজেপির পক্ষে লোকটানার তাগিদে তিনি বলে বসেন  ‘সরকারি মদ বিক্রির টাকা যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। আর বেআইনি মদের টাকা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে। এই মৃত্যুর দায় তাঁদেরকেই নিতে হবে।’ সৎ মানুষের কোনো ভয় থাকেনা , ছেলে বেলায় এই কথাটা বড়দের কাছে আমরা বহুবার শুনেছি , ঠিক যেন এই কথাটাকে সিলমোহর দিয়ে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি আইনি নোটিশ পাঠায় কৈলাশ বিজয়বর্গীয়কে।  নোটিসে বলা হয়, তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। কিন্তু, ক্ষমা চাওয়াকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে , উলটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বালি, কয়লা ও গরু পাচার এমনকী, বেআইনি অস্ত্র কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে বিবৃতি দেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। অগত্যা আদালতের দ্বারস্ত হতে বাধ্য হন অভিষেক বাবু । আদালতের রায় অবশ্যই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে যায় । আদালতের নির্দেশে  বলা হয়েছে   বিজেপির এ রাজ্যের নেতারা কোনো ভাবেই আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মন্তব্য করতে পারবেননা । কি কি বিষয়ে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তোলা বা মুখ খোলা যাবেনা তাও স্পষ্ট করে বলেদিয়েছে হিস কোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন  । এখানেই শেষ নয় , আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকবে অন্তবর্তীকালীন স্থগিতাদেশ।

No comments:

Post a Comment

loading...