Saturday, 15 December 2018

প্রকাশ ক্যারাটরাও তাহলে ঘুষ খান ! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ এপি আবদুল্লাকুট্টির

ওয়েব ডেস্ক ১৫ই ডিসেম্বর ২০১৮ : কম্যুনিস্টরা ধোয়া তুলসীপাতা নয়, এই  কথাটিই যেন প্রতিধ্বনিত হল প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ এপি আবদুল্লাকুট্টির মুখে ।এতদিন ধরে এরা যেখানেই রাজত্ব করেছে মানুষকে ভুল  বুঝিয়ে কঠিন পরিস্তিতির মধ্যে ফেলে দিয়েছে , আর বলেছে এই ভাবেই তো চলছে ।আজ নিজেরা যখন কঠিন পরিস্তিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তখন মেরুদন্ডটা সোজা রাখতে পারলেন না ।প্রসঙ্গত এপি আবদুল্লাকুট্টির অভিযোগ ‘ধর্মনিরপেক্ষ ভোট ভাগ করতে বিজেপির থেকে ১০০ কোটি টাকা নিয়েছে দলের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট গোষ্ঠী। বিনিময়ে ধর্মনিরপেক্ষ ভোট ভাগ করার খেলায় নেমেছেন তাঁর অনুগামীরা।’সদ্যসমাপ্ত রাজস্থান বিধানসভার ভোটে সিপিএমের ভোট বিজেপির বাক্সে ঢুকেছে বলেও নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দাবি করেছেন বর্তমানে কংগ্রেসের নেতা আবদুল্লাকুট্টি। একটি ফেসবুক পোস্টে এই প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ দাবি করেছেন, ধর্মনিরপেক্ষ ভোট ভাগাভাগির জন্য বিজেপির কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা নিয়েছে কারাট লবি। লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সঙ্গে সিপিএমের একাংশের এই ‘গোপন আঁতাঁত’ নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছে রাজনৈতিক মহলে।
ওই প্রাক্তন সিপিএম নেতার আরও দাবি, বিষয়টি দলের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির নজরে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দলের অন্দরে ইয়েচুরি আলোচনা করতে চান বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। ১৯৯৯ থেকে ২০০৯, দুই পর্বে কান্নুর থেকে সিপিএমের টিকিটে সাংসদ হয়েছিলেন আবদুল্লাকুট্টি। রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে ২০০৯-তে সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি। তাঁর দাবি, দিল্লির পুরনো ‘কমরেড’দের থেকেই তিনি এমন ভয়ংকর তথ্য পেয়েছেন। আবদুল্লাকুট্টি লিখেছেন, ‘২৮টি কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়ে সিপিএম অন্তত চার লক্ষ ধর্মনিরপেক্ষ ভোট ভাগ করে দিয়েছে। সিপিএম প্রার্থীর উপস্থিতির জেরে তিনটি কেন্দ্রে জয়ের মুখ দেখেছে গেরুয়া শিবির। পিলিবাঙ্গা কেন্দ্রে ২৭৮ ভোটে কংগ্রেস প্রার্থীকে হারিয়েছেন বিজেপির ধর্মেন্দ্র কুমার। এই কেন্দ্রে ভোট ভাগাভাগি হয়েছে। সিপিএম প্রার্থী পেয়েছেন ২,৬৫৯ ধর্মনিরপেক্ষ ভোট। অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের জমানত বাজেয়াপ্ত হলেও দলের একাংশের ঘরে কোটি কোটি টাকা ঢুকেছে।’ সিপিএম যতই মুখে আদর্শবাদী পার্টি বলুক নিজেদের আসলে সেটা মানুষজকে ভুল বোঝানো ছাড়া অন্য কিছুই নয়  ।তবে এই ভাবেই তারা ত্রিপুরায় দীর্ঘদিন আর বাংলায় ৩৪ বছর রাজত্ব করে গেছে , কিন্তু আজকের কাবিল টিভির যুগে সেটা আর সম্ভব নয় ।

No comments:

Post a Comment

loading...