Friday, 21 December 2018

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেই সাহসটা দেখিয়েছিলেন , তাতেই অনুপ্রাণিত হয়েই কি কেরলের ব্যবসায়ীরা সাহস দেখালেন ?

ওয়েব ডেস্ক ২১ই ডিসেম্বর ২০১৮: বামফ্রন্টের জমানায় পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা যে সাহসটা দেখাতে পারেনি , সেই সাহসটাই কেরলের ব্যবসায়ীরা দেখালো ওখানকার বামফ্রন্ট  সরকারের বিরুদ্ধে ।কথায় আছে সহ্যেরও একটা সীমা রেখা আছে ,সেই সীমা রেখাটাই পিনারায়ই বিজয়নের সরকার অতিক্রম করে ফেলে ছিল তাই সজোরে পাল্টা আঘাতটাই খেতে হল কেরল বামফ্রন্টকে ।


প্রসঙ্গত কেরলে বিভিন্ন সময় বেশির ভাগ সময় বামফ্রন্টের তরফ থেকে এবং অল্প কয়েকবার বিরোধী দলের তরফ থেকে  বন্‌ধের দাবিতে সোচ্চার হতে দেখা গিয়েছে। কখনও শবরীমালা ইস্যু কখনও আবার অন্য কোনও কারণে। এই বন্‌ধের ফলেই ব্যবসাতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে কেরল ট্রাভেল মার্কেটের (কেটিএম) ব্যবসায়ীদের। তাদের দাবি বিগত দু’‌মাস ধরে রাজ্যব্যাপী বন্‌ধের জেরে ব্যবসা প্রায় বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে তারা বন্‌ধ বিরোধী আন্দোলনে সামিল হওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, কেরল ট্রাভেল মার্কেটের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কোনও রাজনৈতিক দল যদি জোর করে দোকান–পসার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় তাও তারা মানবে না। এই প্রসঙ্গে কেরল ট্রাভেল মার্কেটের প্রেসিডেন্ট বেবি ম্যাথিউ জানান, বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা দীর্ঘ ৪৮ ঘণ্টার বন্‌ধ তাঁরা কোনওভাবেই সমর্থন করবেন না। কারণ একটানা দু’‌দিন বন্‌ধ মানে ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি। তাই তারা জানুয়ারি মাসেই ৮ ও ৯ তারিখে বন্‌ধের বিরোধিতায় আন্দোলনে সামিল হবেন। ৩৬ টি ব্যবসায়িক সংগঠন সম্মিলিত হয়ে এই আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। কেরলের একটি ব্যবসায়িক সমিতির প্রেসিডেন্ট টি নাসিরুদ্দিন জানান, এই বন্‌ধের দিনগুলিতে কেরলের সমস্ত দোকান খোলা রাখা হবে। এটাই হবে বন্‌ধের বিরোধিতায় তাঁদের পদক্ষেপ। ‌‌ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনধ বন্ধ করে যেই নজির সৃষ্টি করেছে , পিনারায়ই বিজয়নের সেই মেরুদন্ড আছে কিনা বলা মুশকিল । থাকলে এরকম পদক্ষেপ অনেক আগেই নিতেন । 

No comments:

Post a Comment

loading...