Saturday, 15 December 2018

বিজেপির আমলে জে এন ইউর বেহাল অবস্থা, পড়ুন

ওয়েব ডেস্ক ১৫ই ডিসেম্বর ২০১৮ : জে এন ইউর মতো শিক্ষা প্রতিষ্টান যে কোনো ছাত্র  ছাত্রীকে শাস্তি দিতে পারে কিন্তু তার ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিতে পারেনা ।উদাহরণ স্বরূপ যেই ঘটনাটা আমাদের সামনে এসেছে তাতে যৌন হেনস্তায় পীড়িত  অভিযোগকারিনীকেই দায়ী কড়া হয়েছে ।প্রসঙ্গত যৌন নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্তকে মুক্ত করে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধেই মামলা শুরু করার অভিযোগ উঠল জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল কমপ্লেন্ট কমিটির  বিরুদ্ধে।
২০১৮ সালের বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল কমপ্লেন্ট কমিটিতে যৌন নির্যাতনের একটি মামলা নথিভুক্ত হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে।এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংঘের দাবি, জেন্ডর সেন্সিটাইজ়েশন কমিটি অ্যাগেনস্ট সেক্সচুয়াল হারাসমেন্ট -র নিয়মানুযায়ী, মামলা মিথ্যা হলে শাস্তি দেওয়ার নিয়ম নেই। সেক্ষেত্রে কেস ক্লোজ়় করে দেওয়া উচিত। না হলে ভয়ে কেউ অভিযোগও করবে না। কিন্তু, ইন্টারনাল কমপ্লেন্ট কমিটি অভিযুক্তকে বাঁচাতে চায়। শুরু থেকেই খাপ পঞ্চায়েতের মতো কাজ করছে। যিনি ক্ষমতায় আছেন তিনিও ভুলভাল সিদ্ধান্ত নেন। ইন্টারনাল কমপ্লেন্ট কমিটির তরফে অভিযোগকারীকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাকে ডিগ্রি না দেওয়ার এবং ভবিষ্যতে সে যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি না পায় সেই কথাও বলা হয়েছে তাদের রিপোর্টে। ইন্টারনাল কমপ্লেন্ট কমিটির তরফে আরও জানানো হয়েছে, তদন্ত চলাকালীন অভিযোগকারীর সঙ্গে সবসময় দু'জন মহিলা নিরাপত্তারক্ষী থাকবে। চিফ প্রোক্টর ও চিফ সিকিউরিটি অফিসারের অনুমতি ছাড়া সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভরতি হতেও পারবে না। এই বিষয়ে ছাত্র সংঘ জানায়, আই সি সির-র এই রিপোর্ট লিঙ্গ সাম্যতার বিরুদ্ধে। ছাত্র সংঘ আরও জানায়, ১৯৯৯ সালের পর জেন্ডর সেন্সিটাইজ়েশন কমিটি অ্যাগেনস্ট সেক্সচুয়াল হারাসমেন্ট  তৈরি হয়। দেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাছে এটি একটি আদর্শ সংস্থা ছিল। এই ব্যবস্থাকে জে  এন ইউ কর্তৃপক্ষ ধ্বংস করে দেয়। আই সি সি তদন্তের ক্ষেত্রে প্রাথমিক নিয়মগুলিই মানেনি। অভিযোগকারীর পরিচয় সামনে আনা উচিত নয়। কিন্তু দু'মাস ধরে আই সি সি নিজেই তার পরিচয়পত্র সামনে এনেছে। এরা কোনও নিয়ম মানে না। সব সিদ্ধান্ত উপাচার্য জগদীশকুমার বসু এবং  আই সি সি- চেয়ারপার্সন বিভা ট্যান্ডন নেন। আই সি সি-র অভিযোগকারীকে ধমকানো ছাড়া আর কিছু করে না। তারা আই সি সির -চেয়ারপার্সন বিভা ট্যান্ডনের পদত্যাগের দাবিও তোলে। জে এনইউ  ও  কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে কয়েকজনকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে।অবশেষে, ,জে.এন ইউর মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এরকম ঘটনা কখনোই কাম্য নয় ।

No comments:

Post a Comment

loading...