Wednesday, 26 December 2018

কে দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় আর কে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় সেটাই চেনেননা বিজেপি নেতা রীতেশ তিওয়ারি, হায় ভগবান !

ওয়েব ডেস্ক ২৬ শে ডিসেম্বর ২০১৮: বিজেপি নেতা রীতেশ তিওয়ারি , কে দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় আর কে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় সেটাই যদি চিনতে না পারেন তাহলে রাজনীতি করেন কেন ? সোশ্যাল মিডিয়ায় ঠিক এই ভাষাতেই নেটিজেনরা তাদের ক্ষোভ উগরে দিল রিতেশ বাবুর বিরুদ্ধে ।প্রসঙ্গত প্রয়াত সংগীতশিল্পী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে গিয়ে বিতর্কে বঙ্গ বিজেপির সম্পাদক। বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত প্রয়াত শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ছবি টুইট করলেন রীতেশ তিওয়ারি।
 তাই নিয়ে নেটদুনিয়ায় শোরগোল। নিজের ভুল বুঝতে পেরে অবশ্য পরে টুইটটি মুছে দেন তিনি। আবার দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে টুইট করে শ্রদ্ধা জানান বিজেপি নেতা। কিন্তু শিল্পীর প্রয়াণের দিনে একটু কি ভেবেচিন্তে পোস্ট করতে পারতেন না বিজেপি নেতা? উঠছে প্রশ্ন।প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুর ১টা ৫০ মিনিট নাগাদ সল্টলেকের বাড়িতে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন দ্বিজেনবাবু। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত বাংলার শিল্পীমহল। এবছর আগস্ট মাস থেকেই ভুগছিলেন প্রবাদপ্রতীম এই সংগীতশিল্পী। একাধিক রোগে জর্জরিত দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় বিছানায় শয্যা নিয়েছিলেন৷ রক্তে অক্সিজেনের ওঠানামার ফলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন তিনি৷ পাঁচজনের একটি মেডিক্যাল টিম চিকিৎসা করছিল বিশিষ্ট ওই সংগীতশিল্পীর৷ চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছিলেন তিনি। সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু পরের মাসে ফের অবস্থার অবনতি হয়। ফুসফুসে তাঁর সমস্যা হচ্ছিল। সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে ফের হাসপাতালে ভরতি হন তিনি। সংগীতে তাঁর ব্যাপ্তি তাঁকে ২০১০ সালে এনে দিয়েছিল পদ্মভূষণ পুরস্কার। পরের বছর বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন তিনি।সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের এটাও রীতেশ বাবুকে পরামর্শ দিয়েছেন , রাজনীতিতে সফল হতে গেলে বাংলার ঐতিহ্য, দিক্পালদের চেনাটাও তার কর্তব্যের মধ্যে পরে । 

No comments:

Post a Comment

loading...