Tuesday, 18 December 2018

এবার নেড়ি কুত্তা বলে সম্মোধন শাসক দলের নেতা,মন্ত্রী এবং পুলিশকে , দিলীপ ঘোষের। আর কত নিচে নামবেন দিলীপ বাবু ?

ওয়েব ডেস্ক ১৮ই ডিসেম্বর ২০১৮ :দিলীপ  ঘোষ যে দিলীপ ঘষেই আছেন তার প্রমান আবার পাওয়া গেল ।কোনো কিছুতেই তাকে  যে পরিবর্তন করা যাবেনা সেটা একরকম পরিষ্কার ।কতবার তিনি কদর্য মন্তব্য ছুড়ে দিয়েছেন শাসক দলের বিরুদ্ধে , আর কত বারই না  তার পরিপ্রেক্ষিতে বৈদ্যুতিন মিডিয়ায় গোল সভা বসেছে । তা সত্ত্বেও তিনি নিজেকে পরিবর্তন করবেননা সেটা একরকম ঠিক করে ফেলেছেন তিনি ।প্রসঙ্গত সোমবার আরামবাগে দলের আইন–অমান্য কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই দিলীপ বলেন, ‘‌কিছুদিন আগে চণ্ডীতলায় সভা করতে এসেছিলাম। আমাদের গাড়ি ভাঙা হয়েছিল। সব লিখে রাখছি।
সব হিসেব হবে। নিজের পাড়ায় কুত্তাও শের। যে শের, সে সব জায়গায় আওয়াজ করে। কিন্তু কুত্তা শুধু নিজের পাড়ায় ঘেউ ঘেউ করে। পাড়ার বাইরে গেলেই লেজ গুটিয়ে নিয়ে পালায়। ওইরকম নেড়ি কুত্তার মতো মারব। সেইদিন আসছে।’‌ আগেও একাধিকবার কুকথা বলে বিতর্কে জড়িয়েছেন দিলীপ। কিন্তু এদিন তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে, অতীতের অভিজ্ঞতা তাঁকে কোনও শিক্ষা দেয়নি। দিলীপ এদিন বলেছেন, ‘‌বহুবার আমাকে আক্রমণ করেছে। কিন্তু আমায় স্পর্শ করতে পারেনি। আমাকে মারা কঠিন। সুনামির সময় আমি আন্দামানে ছিলাম। সেখান থেকে বেঁচে এসেছি। দিন আসছে, সব হিসাব নেব। যা করার করে নাও। আর কিছু করার সুযোগ পাবে না। তখন আমরা করব, তোমরা দেখবে।’‌ বিজেপি–র তিন রাজ্যে পরাজয়ে তৃণমূলের উল্লাসকে বিদ্রুপ করেছেন রাজ্য বিজেপি–র সভাপতি। তাঁর কথায়, ‘‌তিন রাজ্যে আমরা হেরে গেছি বলে তৃণমূল নাচানাচি করছে। কিন্তু তোরা কোথায় জিতেছিস?‌ আমি জানি, কারও বাড়িতে বাচ্চা হলে কিছু মানুষ রাস্তায় নেমে নাচানাচি করে। তারা কারা আপনারা জানেন। অনেক নেচে নিয়েছে। এবার কান্নাকাটি করার দিন আসছে।’‌ ভাষণে রথযাত্রার প্রসঙ্গেও টেনে এনেছেন দিলীপ। অভিযোগ করেছেন, ‘‌সবাইকে সভা করতে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিজেপি–কে সভা করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাই আমরা ঠিক করেছি যদি অনুমতি না দেয়, অনুমতি না নিয়েই সভা করব। যেমন এখড় করছি।’‌ সভায় উপস্থিত কর্মীদের বলেন, ‘হাতে বাঁশ আছে কি?‌ ওটা আগে নিন সঙ্গে। আমরা জানি কীভাবে ওদের মোকাবিলা করতে হয়। ‌আরামবাগ–‌বিষ্ণুপুর–‌ঘাটাল এই তিনটি জায়গা সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও অপশাসনের কেন্দ্রবিন্দু। ভয় পাবেন না। ভয় যারা পায়, বিজেপি তাদের সঙ্গে থাকে। ভয় যারা দেখায়, বিজেপি তাদের ঠাণ্ডা করে। পুলিস, চোখরাঙানি, ধমকানি–চমকানিকে ভয় পাবেন না। আইনকে যদি কেউ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে তাকে ভেঙে দিয়ে বেরিয়ে যাব।’‌‌ পুলিসকে তাঁর চ্যালেঞ্জ, ‘‌ক্ষমতা থাকলে জামাকাপড় খুলে এসো। আমরাও লড়ছি, তোমরাও লড়ো।’ এসব কথা বার্তা বলে বাংলার সুষ্ঠ রাজনীতিটাকে তিনি অশান্তির বাতাবরণে মুড়ে দিচ্ছেন সেটা বলাই বাহুল্য ।বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত , এটা কিন্তু বাংলার রাজনীতির কালচার নয় , যেটা দিলীপ বাবু করছেন  ।

No comments:

Post a Comment

loading...