Wednesday, 16 January 2019

এবার রাষ্ট্রসঙ্ঘও যোগীর রাজ্যে ভুয়ো এনকাউন্টারের কথা স্বীকার করে নিল, করবে তদন্তও

ওয়েব ডেস্ক ১৬ই  জানুয়ারি ২০১৯: যোগী আদিত্যনাথ উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীত্বের পদে বসার পর একের পর এক এনকাউন্টার করেছে পুলিশ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই । তখন সাধারণ জনতার অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছিলেন কারণ তারা দুর্বৃত্তদের জ্বালায় অতিষ্ট হয়ে উঠেছিলেন । কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে ভুয়ো এনকাউন্টারই সব থেকে বেশি হয়েছে , যার মধ্যে  অধিকাংশ মুসলমান । ব্যাপারটা এড়ায়নি রাষ্ট্রসংঘের কাছেও ,এবার তারা নড়ে চড়ে বসল , এবং তাদের ক্ষুদ্ধতার কথা ঠারে ঠারে জানিয়ে দিল ।সাংবাদিক বৈঠকে উত্তর প্রদেশ পুলিশের এই বল্গাহীন এনকাউন্টারে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাষ্ট্রসংঘ জানায়, বিষয়টি নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।
সূত্রের খবর এখনো পর্যন্ত রাষ্ট্রসঙ্ঘের পাঠানো চিঠির কোনো জবাব দেয়নি কেন্দ্র। রাষ্ট্রসংঘের , দাবি এ পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশে যে ক’টি ভুয়ো সংঘর্ষের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে,তার বেশিরভাগই ক্ষেত্রে নিহতরা মুসলিম। এই হত্যার বিষয়ে তাদের কাছে যথেষ্ট তথ্য রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে রাষ্ট্রপুঞ্জের চার আধিকারিক অ্যাগনেস কালামার্ড, মাইকেল ফস্ট,নিলস মেলজার এবং আহমেদ শাহিদ। তাদেরই একজন বলেন , ‘বেশির ভাগই ক্ষেত্রে তুলে নিয়ে বা গ্ৰেপ্তার করে পুলিশি হেফাজতে এনকাউন্টার করে খুন করা হচ্ছে। মৃতদেহ উদ্ধারের পরে দেখা যাচ্ছে, তাদের শরীরে অত্যাচারের ছাপ স্পষ্ট।’ সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে বা আত্মরক্ষা করতে গিয়ে এই মৃত্যুর ঘটনা বলে পুলিশ দাবি করেছে। যদিও তা মানতে নারাজ রাষ্ট্রসংঘ। রাষ্ট্রসঙ্ঘের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে হত্যার আগে মুক্তি দেওয়ার নাম করে বন্দি পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হচ্ছে। এরপরই রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিস্ফোরক দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে যে কোন হত্যার ঘটনা প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে,নিহতের পরিবারের হাতে ময়না তদন্তের রিপোর্ট তুলে দিতে হবে এবং ঘটনা তদন্তভার কোন নিরপেক্ষ সংস্থার হাতে দিতে হবে। কিন্তু, উত্তরপ্রদেশের ক্ষেত্রে এই নির্দেশও মানা হচ্ছে না। সূত্রের খবর অনুসারে , এখন রাম রাজত্ব চলছে উত্তর প্রদেশে , যে যা খুশি করে যাচ্ছে নিজের ইচ্ছায়, আর এর মধ্যে পূর্ন সায় রয়েছে আদিত্যনাথের ।এটা নৈরাজ্য নয় তো কি ?

No comments:

Post a Comment

loading...