Thursday, 24 January 2019

অমিত শাহের পর স্মৃতি ইরানিও কথা দিয়ে ভাষণে আসতে পারলেন না সিউড়িতে

ওয়েব ডেস্ক ২৪শে জানুয়ারি ২০১৯: এক দিকে যখন বাংলাকে কব্জা করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে বলে মনে করা হচ্ছে বিজেপিকে ,ঠিক তখনি বিজেপির তাবড় তাবড় নেতারা কথা দিয়েও পশ্চিমবাংলার মাটিতে তাদের জনসভায় যোগ দিতে আসতে পারছেননা । কখনো সোয়াইন ফ্লু এর অজুহাত কখনো , চপারের ঠিক সময় মতো না নামতে পারা, আর কখনো  সময়ের অভাব । এই ভাবে কি আর চলতে পারে ? আর কত অজুহাত  দেবেন অমিত শাহ বা স্মৃতি ইরানিরা ? প্রসঙ্গত  অমিত শাহের পর স্মৃতি ইরানিও এলেন না। ফলত বুধবার সিউড়িতে বিজেপি–র জনসভায় আসা দলীয় কর্মী–সমর্থকরা হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। অনেকে বাড়িমুখো হলেন সভাশেষের আগেই। সিউড়ির বহুপ্রচারিত জনসভার প্রধান বক্তা হিসেবে জেলা জুড়ে প্রচার করা হয়েছিল দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিতের নাম। কিন্তু মঙ্গলবার জানানো হয়, অমিত সিউড়ির সভায় আসছেন না। ঘোষণা করা হয় প্রধান বক্তা হিসেবে কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতির নাম।
কিন্তু স্মৃতিও আসেননি। কারণ, সময়ের গোলমালে সিউড়িতে নামতেই পারল না তাঁর হেলিকপ্টার। বিজেপি–র রাজ্য দলের তরফেই স্মৃতির সফরসূচি তৈরি করা হয়েছিল। সেখানেই বিপত্তি। তবে বিজেপি নেতা রাহুল সিন্‌হা দুষেছেন রাজ্য সরকারকে। তাঁর অভিযোগ, ‘রাজ্য সরকারের ষড়যন্ত্রে স্মৃতি ইরানির হেলিকপ্টার এখানে আসতে পারল না।’‌ রাহুলের বক্তব্য, ‘‌এদিন ঝাড়গ্রামে সভা করে সিউড়ি আসার কথা ছিল স্মৃতি ইরানির। ঝাড়গ্রামে সভার পাশেই তৈরি করা হয়েছিল অস্থায়ী হেলিপ্যাড। কিন্তু রাজ্য সরকার সেখানে হেলিকপ্টার নামার অনুমতি দেয়নি। ফলে হেলিকপ্টার কলাইকুন্ডায় নামতে বাধ্য হয়। কলাইকুন্ডা থেকে ঝাড়গ্রামে গিয়ে সভা করে আবার কলাইকুন্ডা ফিরে এসে যখন স্মৃতি হেলিকপ্টারে ওঠেন, তখন পাইলট জানান, যা সময় হাতে আছে, তাতে সেখান থেকে সিউড়ি গিয়ে সভা করা সম্ভব নয়। কেননা বিকেল ৪.৪০-এর মধ্যে দমদম এয়ারপোর্টে নামতে হবে। এতো সব বিজেপি নেতৃত্ব যোজন জানতই তাহলে সেই ভাবে সংগঠিত করা উচিত ছিল ? কিন্তু সেটা হয়নি , কারণটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কারিশমা নয়তো ? 

No comments:

Post a Comment

loading...