Monday, 7 January 2019

নাগরিকপঞ্জী জোর করেই চাপিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে

ওয়েব ডেস্ক ৭ই  জানুয়ারি ২০১৯:  শিলচরে প্রধানমন্ত্রী "গো ব্যাক" ধ্বনি শোনার পরেও , এতটুকু বিচলিত না হয়ে তার নিজের কাজটি করেই গেলেন , যা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত  শুক্রবার শিলচরে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, কোনও বৈধ ভারতীয় নাগরিকের নাম নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ যাবে না। সরকার শীঘ্রই সংসদে পাস করাবে নাগরিকত্ব বিল(সংশোধনী)২০১৬। এতে অতীতে বহু মানুষের ওপরে যে অবিচার হয়েছে তার সমাধান হবে।এই নাগরিকত্ব বিলের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ মানুষের। সোমবার অসমে রাজ্যজুড়ে কালাদিবস পালন করছে ৩০টিরও বেশি সংগঠন। যার মধ্যে রয়েছে আসু এবং নর্থ ইস্ট স্টুডেন্টস অরগানাইজেশন।


কী আছে বিলে? ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে বেশকিছু সংশোধন আনা হচ্ছে ওই বিলে। ২০১৪ পর্যন্ত আফগানিস্থান, পাকিস্তান, বাংলাদেশের যেসব শিখ, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পার্সি, জৈন এদেশে এসেছেন তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, এই বিল কারও পক্ষে নয়। অতীতে যেসব মানুষের ওপরে অন্যায় হয়েছে তাদের জন্যই এই বিল।কিন্তু আসু’‌র সভাপতি দীপঙ্কর নাথ এই নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘‌গণতন্ত্রের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কোনও শ্রদ্ধা নেই। জোর করে তিনি ওই বিল অসমের মানুষের ওপরে চাপিয়ে দিচ্ছেন। অসমের আদি বাসিন্দাদের ভাবাবেগের প্রতিও তাঁর কোনও দরদ নেই। অসম আমাদের, বাংলাদেশিদের ডাস্টবিন নয়। সরকার অসমের ভূমিপুত্রদের অস্তিত্ব, পরিচিতি, ভাষার ওপরে আঘাত হানতে চাইছে।’‌নাগরিকত্ব বিলটি সোমবার সংসদে ওঠার কথা। এর প্রতিবাদে রাজ্যের একাধিক ছাত্র ও সামাজিক সংগঠন ৮ জানুয়ারি বনধে সামিল হচ্ছে। নর্থ ইস্ট স্টুডেন্টস ইউনিয়নের উপদেষ্টা সমুজ্জ্বল ভট্টাচার্য সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ করছি আমরা। ওই বিলের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার দুটি ছাত্র সংগঠন এবং ৩০টি অন্যান্য সংগঠন ১১ ঘণ্টার বনধ পালন করবে।‌‌‌

No comments:

Post a Comment

loading...