Tuesday, 5 February 2019

বিজেপির জোট সঙ্গীরাই এখন নাগরিকপঞ্জির বিরুদ্ধে

ওয়েব ডেস্ক ৫ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯:উত্তর-পূর্ব ভারতে ‘নাগরিক সংশোধনী বিল’-এর বিরোধিতায় সরব হলো দশটি রাজনৈতিক দল। বিজেপি’র জোটসঙ্গীরাও রয়েছে এদের মধ্যে। এই বিলটি গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্যই বিপজ্জনক, এমনই মনে করেছে দশ দলের এই কনভেনশন। মেঘালয়, মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী, মণিপুরের উপমুখ্যমন্ত্রী এবং আসাম, নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরাও মঙ্গলবার যোগ দেন এই কনভেনশনে। যোগ দিয়েছে বিজেপি’র জোট শরিক জেডি(ইউ)-ও।


দশ রাজনৈতিক দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলন করে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই কনভেনশন থেকে পাঁচ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। সর্ব প্রথম ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল’, ২০১৬-এর যৌথভাবে বিরোধিতা করার প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে। রাজ্যস্তরে এই বিলের বিরোধিতা করা হয়েছে। কিন্তু তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যৌথভাবে বিরোধিতা করার। ‘‘মানুষের ভাবাবেগের স্বার্থেই আমরা এক হয়েছি’’, বলেছেন তিনি। মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সুষ্ঠুভাবেই এই বিরোধিতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই রাজনৈতিক দলগুলি হাত মিলিয়েছে। আসাম গণপরিষদ (অগপ) সভাপতি তথা আসামের প্রাক্তন মন্ত্রী অতুল বোরাও এই কনভেনশনে উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব বিলের বিরোধিতা করেই বিজেপি’র হাত ছাড়ে অগপ। অতুল বোরা এদিন বলেন, ‘‘এই বিলের বিরোধিতায় উত্তর-পূর্বের দলগুলি এক হয়েছে, এতে আমরা খুশি।’’ এনডিএ জোট শরিক এনপিপি, এনপিএফ, আইপিএফটি, জেডি(ইউ) এই কনভেশনে যোগ দেয়।
এদিকে, মণিপুরে এই বিলের বিরোধিতায় আন্দোলনের জের স্বাভাবিক জীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। কমপক্ষে ৬৪টি সংগঠন একসঙ্গে হয়ে তৈরি করেছে ‘মণিপুর পিপল এগেইনস্ট সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট বিল’। বুধবার মধ্য রাত থেকে চব্বিশ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছে তারা। পাশাপাশি এদিনই নাগাল্যান্ড মন্ত্রিসভা বিভিন্ন আদিবাসী ও ছাত্র সংগঠনের চাপে এই বিল খারিজ করে দিয়েছে।

No comments:

Post a Comment

loading...