Wednesday, 27 March 2019

গোয়ার রাজনীতিতে নাটক চলছেই , আর এই নাটক করেই ক্ষমতার ধরে রাখলো বিজেপি

ওয়েব ডেস্ক  ২৭শে  মার্চ ২০১৯: জোর যার মুলুক তার । যে মসনদে থাকে , অলিখিত ভাবে তার একটা সুবিধে আছে সব কিছুরই ওপর নিয়ন্ত্রণ করার । হারা বাজিকেও কিভাবে ক্ষমতার প্রভাবে জিতে নেওয়া যায় সেটা গোয়ার রাজনৈতিক দিকে চোখ না রাখলে বোঝার উপায় নেই ।প্রসঙ্গত , প্রতিপক্ষ চক্রান্ত করছে এই অভিযোগ করে গোয়া সরকার ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল মহারাষ্ট্রওয়াদি গোমন্তক পার্টি (‌এমজিপি)‌।জল গড়িয়েছিল অনেক দূর। বিজেপি–র সঙ্গ ত্যাগ করে কংগ্রেসের হাত ধরে নতুন সরকার গড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল বিজেপির এই শরিক দল।
কিন্তু বিজেপিকে বিপাকে ফেলতে গিয়ে এবার নিজেরাই ঝামেলায় পড়লেন। গোয়া সরকারে এমজিপি–র ৩ বিধায়ক রয়েছেন। কিন্তু মঙ্গলবার রাত ১.৪৫ নাগাদ এমজিপির মনোহর আজগাঁওকার এবং দীপক পাওয়াষকার স্পিকার মাইকেল লোবোকে চিঠি লিখে জানান, তাঁরা দুজন বিজেপির পরিষদীয় দলে যোগ দিচ্ছেন। যদিও চিঠিতে সই ছিল না, এমজিপির অন্যতম নেতা তথা উপমুখ্যমন্ত্রী সুদীন দাভালিকারের। আর এর ঠিক ১৫ মিনিট পরেই উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে দাভালিকারকে সরিয়ে দিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত। এর ফলে গোয়ায় বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১২ থেকে বেড়ে দাঁড়াল ১৪–তে। জানা গিয়েছে, এদিন এমজিপি–র দুই বিধায়ক ‘‌এমজিপি টু’‌ নামে একটি গোষ্ঠী গঠন করেন। এরপরেই তাঁরা বিজেপির পরিষদীয় দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা জানান। ফলে ওই দুই বিধায়ক দলত্যাগের আওতায় পড়বেন না। এদিকে, বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে গোয়ায় স্পিকার মাইকেল লোবো বলেন, দুই বিধায়ক তার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। তাই তিনি সাক্ষাত্‍ করেছেন। ‌‌বাংলায় একটা প্রবাদ আছে "পয়সার জোর যেখানে গৌরাঙ্গ নাচে সেখানে ", এ ক্ষেত্রেও সেরকম কিছু নয়তো ?

No comments:

Post a Comment

loading...